নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

আইএমএফের শর্তযুক্ত ঋণ প্রত্যাখ্যান করে পাচারের টাকা ও খেলাপি ঋণ উদ্ধার, দুর্নীতি-লুটপাট বন্ধ ও অনুৎপাদনশীল খাতে ব্যয় কমানোর দাবি জানিয়েছে বাম গণতান্ত্রিক জোট। জোটের নেতারা বলেছেন, আইএমএফের ঋণ নিয়ে কোনো দেশের মুক্তি মেলেনি বরং ঋণের জালে আবদ্ধ হওয়া বেড়েছে। আজ মঙ্গলবার বিকেলে রাজধানীর পুরানা পল্টনে বাম গণতান্ত্রিক জোট আয়োজিত বিক্ষোভ সমাবেশে এ কথা বলেছেন জোটের সমন্বয়ক ও বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) সাধারণ সম্পাদক রুহিন হোসেন প্রিন্স।
রুহিন হোসেন প্রিন্স বলেন, ‘আইএমএফের জালে আবদ্ধ হয়ে কোনো দেশের মুক্তি মেলেনি বরং ঋণের জালে আবদ্ধ হওয়া বেড়েছে। বাংলাদেশকে এই ফাঁদে ফেলে সাম্রাজ্যবাদ ও আধিপত্যবাদীরা রাজনৈতিক উদ্দেশ্য হাসিল করতে চাইছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘ঋণ নেওয়ার মতো পরিস্থিতি কেন তৈরি হলো তার কৈফিয়ত সরকারকে দিতে হবে। সরকার যে নীতিতে দেশ পরিচালনা করছে, তার অনিবার্য পরিণতিতে আজ সংকট বাড়ছে। বিকল্প জ্বালানি নীতি ও খাদ্যে প্রণোদনা বাড়লে, দুর্নীতি লুটপাট মেগা প্রকল্পের নামে অহেতুক খরচ না হলে দেশের সংকট অনিবার্য হতো না।’
আইএমএফ থেকে ঋণ নেওয়ার ফলে জনজীবনে সংকট আরও বাড়বে বলে জানান নেতৃবৃন্দ। এ সময় বক্তারা সরকারের অনৈতিক কর্মকাণ্ড আর দুঃশাসনের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ সংগ্রাম গড়ে তোলার আহ্বান জানান।
সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন—বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ ও সিপিবি কেন্দ্রীয় কমিটির অন্যতম সদস্য অধ্যাপক এম. এম. আকাশ, বাংলাদেশ বিপ্লবী কমিউনিস্ট লীগের সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য অধ্যাপক আব্দুস সাত্তার, বাসদের সহসাধারণ সম্পাদক রাজেকুজ্জামান রতন, বাসদের (মার্কসবাদী) কেন্দ্রীয় নেতা ডা. জয়দ্বীপ ভট্টাচার্যসহ প্রমুখ। সমাবেশ শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।

আইএমএফের শর্তযুক্ত ঋণ প্রত্যাখ্যান করে পাচারের টাকা ও খেলাপি ঋণ উদ্ধার, দুর্নীতি-লুটপাট বন্ধ ও অনুৎপাদনশীল খাতে ব্যয় কমানোর দাবি জানিয়েছে বাম গণতান্ত্রিক জোট। জোটের নেতারা বলেছেন, আইএমএফের ঋণ নিয়ে কোনো দেশের মুক্তি মেলেনি বরং ঋণের জালে আবদ্ধ হওয়া বেড়েছে। আজ মঙ্গলবার বিকেলে রাজধানীর পুরানা পল্টনে বাম গণতান্ত্রিক জোট আয়োজিত বিক্ষোভ সমাবেশে এ কথা বলেছেন জোটের সমন্বয়ক ও বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) সাধারণ সম্পাদক রুহিন হোসেন প্রিন্স।
রুহিন হোসেন প্রিন্স বলেন, ‘আইএমএফের জালে আবদ্ধ হয়ে কোনো দেশের মুক্তি মেলেনি বরং ঋণের জালে আবদ্ধ হওয়া বেড়েছে। বাংলাদেশকে এই ফাঁদে ফেলে সাম্রাজ্যবাদ ও আধিপত্যবাদীরা রাজনৈতিক উদ্দেশ্য হাসিল করতে চাইছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘ঋণ নেওয়ার মতো পরিস্থিতি কেন তৈরি হলো তার কৈফিয়ত সরকারকে দিতে হবে। সরকার যে নীতিতে দেশ পরিচালনা করছে, তার অনিবার্য পরিণতিতে আজ সংকট বাড়ছে। বিকল্প জ্বালানি নীতি ও খাদ্যে প্রণোদনা বাড়লে, দুর্নীতি লুটপাট মেগা প্রকল্পের নামে অহেতুক খরচ না হলে দেশের সংকট অনিবার্য হতো না।’
আইএমএফ থেকে ঋণ নেওয়ার ফলে জনজীবনে সংকট আরও বাড়বে বলে জানান নেতৃবৃন্দ। এ সময় বক্তারা সরকারের অনৈতিক কর্মকাণ্ড আর দুঃশাসনের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ সংগ্রাম গড়ে তোলার আহ্বান জানান।
সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন—বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ ও সিপিবি কেন্দ্রীয় কমিটির অন্যতম সদস্য অধ্যাপক এম. এম. আকাশ, বাংলাদেশ বিপ্লবী কমিউনিস্ট লীগের সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য অধ্যাপক আব্দুস সাত্তার, বাসদের সহসাধারণ সম্পাদক রাজেকুজ্জামান রতন, বাসদের (মার্কসবাদী) কেন্দ্রীয় নেতা ডা. জয়দ্বীপ ভট্টাচার্যসহ প্রমুখ। সমাবেশ শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।

জামায়াত আমিরের সঙ্গে বৈঠকে আরও থাকবেন দলের নায়েবে আমির সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের, সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার এবং সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল রফিকুল ইসলাম খান।
২ ঘণ্টা আগে
তারেক রহমান বলেন, ‘আমরা যদি একটি নিরাপদ, গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করতে ব্যর্থ হই, তাহলে আগামী দিনে এভাবেই শোকসভা ও শোকগাথা চলতেই থাকবে। সুতরাং আর শোকগাথা বা শোক সমাবেশ নয়। আসুন...গণতন্ত্রকামী মানুষ আগামীর বাংলাদেশে গণতন্ত্রের বিজয় গাথা রচনা করবে।’
২ ঘণ্টা আগে
জুলাই আন্দোলনে অংশগ্রহণকারীদের ‘মুক্তিযোদ্ধা’ আখ্যা দিয়ে বিএনপির চেয়ারম্যান বলেন, ‘তাঁরাও মুক্তিযোদ্ধা। একাত্তরের মুক্তিযোদ্ধারা এ দেশের স্বাধীনতার জন্য জীবন দিয়েছিলেন, এ দেশের স্বাধীনতার জন্য ত্যাগ স্বীকার করেছিলেন।
৩ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন দেশের বিশিষ্ট কবি ও সাহিত্যিকদের একটি প্রতিনিধিদল। গতকাল শনিবার রাত সাড়ে ৮টায় রাজধানীর গুলশানে বিএনপির চেয়ারম্যানের রাজনৈতিক কার্যালয়ে তাঁরা তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।
৬ ঘণ্টা আগে