নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদলের ওপর ছাত্রলীগের সহিংস হামলা ও ‘গুলিবর্ষণে’র ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদ। এ ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে সংগঠনটি। আজ শুক্রবার এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই ক্ষোভ প্রকাশ করে ছাত্র অধিকার পরিষদ।
এতে সংগঠনের দপ্তর সম্পাদক মোহাম্মদ সানাউল্লাহ বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণে আগ্নেয়াস্ত্রের ঝনঝনানিতে সাধারণ শিক্ষার্থীরা আতঙ্কিত, শিক্ষার পরিবেশ বিঘ্নিত। প্রকাশ্যে গুলি চালালেও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের ভূমিকা পুরোপুরি নির্বিকার। বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদ এই ঘৃণিত হামলার তীব্র নিন্দা জানায় এবং বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের নীরব ভূমিকায় ক্ষোভ প্রকাশ করে।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ছাত্রসংগঠনগুলোর বৈশিষ্ট্য হওয়া উচিত শিক্ষার্থীবান্ধব কর্মসূচি। কিন্তু তাদের দলীয় লেজুড়বৃত্তি ও ক্ষমতাকেন্দ্রিক রাজনীতির কারণে বরাবরের মতোই জাতীয় রাজনীতির চর্চা হয়ে ওঠে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাঙ্গণ। এতে শিক্ষাঙ্গন হয়ে ওঠে ভয়ের অভয়ারণ্য।
দীর্ঘ ২৮ বছর পর অনুষ্ঠিত হওয়া ডাকসুর নেতৃত্বে ক্যাম্পাসে সব দল ও মতের কিছুটা সহাবস্থান নিশ্চিত হয়েছিল। অংশগ্রহণমূলক ও গণতান্ত্রিক প্রতিযোগিতার সেই ধারা নস্যাৎ করতে পেশিশক্তি ও কালোটাকানির্ভর দখলদার বাহিনী শিক্ষাঙ্গনে ধারাবাহিকভাবে এ ধরনের ভূমিকায় অবতীর্ণ হচ্ছে বলেও উল্লেখ করেছে ছাত্র অধিকার পরিষদ।
মোহাম্মদ সানাউল্লাহ প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের জন্য নিরাপদ ক্যাম্পাস, গণতান্ত্রিক চর্চা ও সুষ্ঠু ধারার রাজনীতিচর্চার পরিবেশ সৃষ্টির জন্য ক্যাম্পাসে ক্রিয়াশীল ছাত্রসংগঠনসমূহ ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করার অনুরোধ করছি এবং অনতিবিলম্বে ডাকসু নির্বাচনের দাবি জানাচ্ছি।’
পাশাপাশি দোষীদের আইনের আওতায় এনে শাস্তির দাবিও জানিয়েছে ছাত্র অধিকার পরিষদ।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদলের ওপর ছাত্রলীগের সহিংস হামলা ও ‘গুলিবর্ষণে’র ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদ। এ ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে সংগঠনটি। আজ শুক্রবার এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই ক্ষোভ প্রকাশ করে ছাত্র অধিকার পরিষদ।
এতে সংগঠনের দপ্তর সম্পাদক মোহাম্মদ সানাউল্লাহ বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণে আগ্নেয়াস্ত্রের ঝনঝনানিতে সাধারণ শিক্ষার্থীরা আতঙ্কিত, শিক্ষার পরিবেশ বিঘ্নিত। প্রকাশ্যে গুলি চালালেও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের ভূমিকা পুরোপুরি নির্বিকার। বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদ এই ঘৃণিত হামলার তীব্র নিন্দা জানায় এবং বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের নীরব ভূমিকায় ক্ষোভ প্রকাশ করে।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ছাত্রসংগঠনগুলোর বৈশিষ্ট্য হওয়া উচিত শিক্ষার্থীবান্ধব কর্মসূচি। কিন্তু তাদের দলীয় লেজুড়বৃত্তি ও ক্ষমতাকেন্দ্রিক রাজনীতির কারণে বরাবরের মতোই জাতীয় রাজনীতির চর্চা হয়ে ওঠে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাঙ্গণ। এতে শিক্ষাঙ্গন হয়ে ওঠে ভয়ের অভয়ারণ্য।
দীর্ঘ ২৮ বছর পর অনুষ্ঠিত হওয়া ডাকসুর নেতৃত্বে ক্যাম্পাসে সব দল ও মতের কিছুটা সহাবস্থান নিশ্চিত হয়েছিল। অংশগ্রহণমূলক ও গণতান্ত্রিক প্রতিযোগিতার সেই ধারা নস্যাৎ করতে পেশিশক্তি ও কালোটাকানির্ভর দখলদার বাহিনী শিক্ষাঙ্গনে ধারাবাহিকভাবে এ ধরনের ভূমিকায় অবতীর্ণ হচ্ছে বলেও উল্লেখ করেছে ছাত্র অধিকার পরিষদ।
মোহাম্মদ সানাউল্লাহ প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের জন্য নিরাপদ ক্যাম্পাস, গণতান্ত্রিক চর্চা ও সুষ্ঠু ধারার রাজনীতিচর্চার পরিবেশ সৃষ্টির জন্য ক্যাম্পাসে ক্রিয়াশীল ছাত্রসংগঠনসমূহ ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করার অনুরোধ করছি এবং অনতিবিলম্বে ডাকসু নির্বাচনের দাবি জানাচ্ছি।’
পাশাপাশি দোষীদের আইনের আওতায় এনে শাস্তির দাবিও জানিয়েছে ছাত্র অধিকার পরিষদ।

জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমীর সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের বলেছেন, ‘এবার আমরা সরাসরি নারী প্রার্থী না দিলেও আমাদের জোটের পক্ষ থেকে নারী প্রার্থী আছে।’ আজ মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) রাজধানীর এক হোটেলে আয়োজিত দলটির পলিসি সামিটের ফাঁকে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ কথা বলেন আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের।
৪ ঘণ্টা আগে
বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত আলেকজান্ডার গ্রিগোরিয়েভিচ খোজিন। আজ মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) সকালে গুলশানে বিএনপি চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে এই সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।
৫ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে আয়োজিত পলিসি সামিট ২০২৬-এ অংশ নিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ভারত, পাকিস্তানসহ প্রায় ৩০ দেশের প্রতিনিধি। আজ মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) সকালে রাজধানীর একটি হোটেলে এই সামিট শুরু হয়।
৫ ঘণ্টা আগে
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে নতুন ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক রূপরেখা তুলে ধরেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, দেশের প্রধান চ্যালেঞ্জ এখন টিকে থাকা নয়, বরং স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা।
৫ ঘণ্টা আগে