আজকের পত্রিকা ডেস্ক

১০ ট্রাক অস্ত্র মামলায় সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবরের সঙ্গে জেল থেকে মুক্তি পেয়েছেন আরও পাঁচজন। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে তাঁরা গাজীপুরের কাশিমপুর হাইসিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছেন।
তাঁরা হলেন এনএসআইয়ের সাবেক ডিজি ও ডিজিএফআইয়ের ডিরেক্টর মেজর জেনারেল (অব.) রেজ্জাকুল হায়দার চৌধুরী, মেজর (অব.) এম লিয়াকত হোসেন, উইং কমান্ডার (অব.) সাহাবুদ্দিন আহম্মদ, এনএসআইয়ের সাবেক ফিল্ড অফিসার আকবর হোসেন খান ও সিইউএফএলের সাবেক এমডি মহসিন উদ্দিন তালুকদার। বাবর কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগার থাকলেও তাঁরা ছিলেন কাশিমপুর কারাগারে।
এদিকে আজ দুপুরে কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে লুৎফুজ্জামান বাবরেরমুক্তির বিষয়টি তাঁর শ্যালক সাদাত রহমান আজকের পত্রিকাকে নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, দীর্ঘ ১৭ বছর পর আদালতের রায়ে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। আজ দুপুরে মুক্তির পর তিনি নিজ গাড়িতে জিয়ার মাজারের উদ্দেশে রওনা হয়েছেন। সেখান থেকে রাজধানী গুলশানের বাসায় ফিরবেন। লুৎফুজ্জামান বাবরের মুক্তির মধ্য দিয়ে ভাটি বাংলা তথা বাংলাদেশের গণমানুষের আকাঙ্ক্ষা পূরণের পথ প্রশস্ত হলো।
এর আগে মঙ্গলবার (১৪ জানুয়ারি) চট্টগ্রামে আলোচিত ১০ ট্রাক অস্ত্র চোরাচালানের ঘটনায় অস্ত্র আইনে করা পৃথক মামলায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের দায় থেকে খালাস পান লুৎফুজ্জামান বাবর। বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলাম ও বিচারপতি নাসরিন আক্তারের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন। এ রায়ের মাধ্যমে বাবর তাঁর বিরুদ্ধে করা সব মামলা থেকে খালাস পান। ফলে বাবরের কারামুক্তিতে আর কোনো বাধা ছিল না।
গত বছরের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হওয়ার পর তার বিরুদ্ধে হওয়া বিভিন্ন মামলার আপিল শুনানি শেষে একে একে খালাস পান বাবর। এর মধ্যে গত ২৩ অক্টোবর দুর্নীতির মামলায় আট বছরের দণ্ড থেকে ও ১ ডিসেম্বর ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার মামলা থেকে খালাস পান তিনি। ২১ আগস্টের মামলায়ও বাবরকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছিলেন বিচারক আদালত। সবশেষ ১০ ট্রাক অস্ত্র চোরাচালানের বিশেষ ক্ষমতা আইনের চোরাচালান মামলায় মৃত্যুদণ্ড থেকে লুৎফুজ্জামান বাবর খালাস পান। এর মধ্য দিয়েই তাঁর মুক্তির পথ সুগম হয়।

১০ ট্রাক অস্ত্র মামলায় সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবরের সঙ্গে জেল থেকে মুক্তি পেয়েছেন আরও পাঁচজন। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে তাঁরা গাজীপুরের কাশিমপুর হাইসিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছেন।
তাঁরা হলেন এনএসআইয়ের সাবেক ডিজি ও ডিজিএফআইয়ের ডিরেক্টর মেজর জেনারেল (অব.) রেজ্জাকুল হায়দার চৌধুরী, মেজর (অব.) এম লিয়াকত হোসেন, উইং কমান্ডার (অব.) সাহাবুদ্দিন আহম্মদ, এনএসআইয়ের সাবেক ফিল্ড অফিসার আকবর হোসেন খান ও সিইউএফএলের সাবেক এমডি মহসিন উদ্দিন তালুকদার। বাবর কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগার থাকলেও তাঁরা ছিলেন কাশিমপুর কারাগারে।
এদিকে আজ দুপুরে কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে লুৎফুজ্জামান বাবরেরমুক্তির বিষয়টি তাঁর শ্যালক সাদাত রহমান আজকের পত্রিকাকে নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, দীর্ঘ ১৭ বছর পর আদালতের রায়ে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। আজ দুপুরে মুক্তির পর তিনি নিজ গাড়িতে জিয়ার মাজারের উদ্দেশে রওনা হয়েছেন। সেখান থেকে রাজধানী গুলশানের বাসায় ফিরবেন। লুৎফুজ্জামান বাবরের মুক্তির মধ্য দিয়ে ভাটি বাংলা তথা বাংলাদেশের গণমানুষের আকাঙ্ক্ষা পূরণের পথ প্রশস্ত হলো।
এর আগে মঙ্গলবার (১৪ জানুয়ারি) চট্টগ্রামে আলোচিত ১০ ট্রাক অস্ত্র চোরাচালানের ঘটনায় অস্ত্র আইনে করা পৃথক মামলায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের দায় থেকে খালাস পান লুৎফুজ্জামান বাবর। বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলাম ও বিচারপতি নাসরিন আক্তারের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন। এ রায়ের মাধ্যমে বাবর তাঁর বিরুদ্ধে করা সব মামলা থেকে খালাস পান। ফলে বাবরের কারামুক্তিতে আর কোনো বাধা ছিল না।
গত বছরের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হওয়ার পর তার বিরুদ্ধে হওয়া বিভিন্ন মামলার আপিল শুনানি শেষে একে একে খালাস পান বাবর। এর মধ্যে গত ২৩ অক্টোবর দুর্নীতির মামলায় আট বছরের দণ্ড থেকে ও ১ ডিসেম্বর ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার মামলা থেকে খালাস পান তিনি। ২১ আগস্টের মামলায়ও বাবরকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছিলেন বিচারক আদালত। সবশেষ ১০ ট্রাক অস্ত্র চোরাচালানের বিশেষ ক্ষমতা আইনের চোরাচালান মামলায় মৃত্যুদণ্ড থেকে লুৎফুজ্জামান বাবর খালাস পান। এর মধ্য দিয়েই তাঁর মুক্তির পথ সুগম হয়।

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ৩০ আসনে লড়বে বলে জানিয়েছেন দলটির মুখপাত্র ও নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। আজ সোমবার একটি বেসরকারি টিভি চ্যানেলকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এ কথা জানান তিনি।
২ ঘণ্টা আগে
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস বলেছেন, কথিত একটি রাজনৈতিক দল, যারা কোনো দিনই দেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্বের পক্ষে ছিল না, তারা সহিংসতা করে নির্বাচন বানচালের জন্য চক্রান্ত করছে। কারণ, তারা নির্বাচনের জন্য প্রস্তুত নয়। দল (বিএনপি) তাদের চক্রান্তে পা দেবে না।
২ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামীর প্রতি সমর্থন নিয়ে নতুন তথ্য দিয়েছে চারটি সংস্থার সম্মিলিত এক জরিপে। নতুন এই জরিপ দাবি করছে, আসন্ন নির্বাচনে বাংলাদেশের শীর্ষ রাজনৈতিক দল বিএনপি ও জামায়াতের মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হবে। জনসমর্থনে বিএনপি মাত্র ১ শতাংশীয় পয়েন্ট এগিয়ে আছে।
৩ ঘণ্টা আগে
শ্রমজীবী মানুষ রাজনৈতিক দলের কাছে গুরুত্বপূর্ণ বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান। তিনি বলেছেন, আগামী নির্বাচনের মাধ্যমে যারা ক্ষমতায় যাবে, তাদের ওপর শ্রমিক ইশতেহার বাস্তবায়নের দায়িত্ব পড়বে।
৪ ঘণ্টা আগে