
স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে আপসহীন, অক্লান্ত ও আমৃত্যু সচেষ্ট থাকার শপথ করেছে ছাত্রলীগ। শপথে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ভূপৃষ্ঠ থেকে মহাকাশ পর্যন্ত তরুণেরা দাপিয়ে বেড়াবে বলে উল্লেখ করে ছাত্রলীগ। আজ শুক্রবার জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন নেছা মুজিব স্মরণে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের আয়োজনে ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সমাবেশে এই শপথ করেন সংগঠনটির নেতা-কর্মীরা।
সমাবেশে বিকেল ৪টা ৪৫ মিনিটে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন সর্বস্তরের নেতা-কর্মীকে শপথবাক্য পাঠ করান। এ সময় প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনাসহ দলের সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন স্তরের নেতা-কর্মী মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন।
লিখিত শপথ পাঠকালে সাদ্দাম বলেন, ‘আমরা বাংলাদেশের তরুণ প্রজন্ম—জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও বাংলাদেশের নবপরিচয়ের রূপকার, বাঙালির নির্ভরতার শেষ ঠিকানা, দেশরত্ন শেখ হাসিনার নামে দৃঢ় চিত্তে শপথ করছি যে, তারুণ্যের স্বপ্নের মডেল, পিতার কাঙ্ক্ষিত সোনার বাংলা এবং স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে আপসহীন, অক্লান্ত, আমৃত্যু-সর্বদা সচেষ্ট থাকব। আমরা বঙ্গবন্ধুর সংগ্রাম, বঙ্গমাতার সাধনা, দেশরত্নের সাহসকে নিজের জীবন গঠনে ও সমৃদ্ধ স্বদেশ গড়তে মূলনীতি মানব।’
শপথে আরও বলা হয়, ‘তারুণ্য লড়বে, তারুণ্য গড়বে, তারুণ্য দেশবিরোধী অপশক্তি রুখবে। বাংলাদেশকে বিশ্বের মানচিত্রে মর্যাদাশীল করতে দেশরত্ন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ভূপৃষ্ঠে থেকে মহাকাশ পর্যন্ত দাপিয়ে বেড়াবে। জাতির পিতার আদর্শ, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা এবং দেশরত্ন শেখ হাসিনার পক্ষে এ দেশের তরুণ প্রজন্মকে কেউ দাবিয়ে রাখতে পারবে না।’

ধারাবাহিক কর্মসূচির অংশ হিসেবে ১৪ জুলাই আন্দোলন চলছিল। ওই দিন শেখ হাসিনা শিক্ষার্থীদের ‘রাজাকার’ বলে কটূক্তি করেন। এর প্রতিবাদে প্রথমে রোকেয়া হলসহ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঁচটি হলের নারী শিক্ষার্থীরা হলের তালা ভেঙে বেরিয়ে আসেন। পরে সারা দেশে ছাত্র-ছাত্রীরা হল থেকে বের হয়ে বিক্ষোভে যোগ দেন।
৪৪ মিনিট আগে
বিগত চার মাস ধরে নানা প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টি করে তাঁকে জাতীয় সংসদে আসতে দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ করেছেন চট্টগ্রাম-২ আসন থেকে নির্বাচিত বিএনপির সংসদ সদস্য সরোয়ার আলমগীর। তিনি বলেছেন, যারা ইনসাফের কথা বলে, তারা মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে আমাকে জাতির কাছে ছোট করার চেষ্টা করেছে।
৩ ঘণ্টা আগে
জাতীয় পার্টির (একাংশ) চেয়ারম্যান আনিসুল ইসলাম মাহমুদ বলেছেন, আমরা ভুল করেছি। আমরা অর্থনৈতিক উন্নতির দিকে গিয়েছি। কিন্তু মানবাধিকারে উন্নতি করতে পারি নাই। আর ভুল নয়। আমাদের বৈষম্য দূর করতে হবে। দেশ ও জাতির কল্যাণে সকল প্রতিহিংসা, জিঘাংসা দূর করে অন্তর্ভুক্তিমূলক...
৫ ঘণ্টা আগে
সরকার পার্বত্য চট্টগ্রাম থেকে ৯০ হাজার কোটি টাকা রাজস্ব পেলেও বন্যার সংকটে জনপ্রতি মাত্র ৩০ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে.....
৫ ঘণ্টা আগে