অন্তবর্তী সরকারের আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুলের ওপর সুইজারল্যান্ডে হামলা ও হেনস্তার প্রতিবাদে কর্মসূচি ঘোষণা দিয়েছে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল। আগামীকাল দুপুর ১টার দিকে তারা ঢাকায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ৩ দফা দাবিতে প্রতিবাদ মিছিল ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করবে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) শাখার সভাপতি গণেশ চন্দ্র রায় ও সাধারণ সম্পাদক নাহিদুজ্জামান শিপন স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে এ কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়।
কর্মসূচির মধ্যে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণ থেকে মিছিল শুরু করে পুরো ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ শেষে সন্ত্রাসবিরোধী রাজু ভাস্কর্যে অবস্থান কর্মসূচির মাধ্যমে শেষ হবে।
বাকি দুই দফা হলো- বিগত ১৫ বছর ধরে সাধারণ শিক্ষার্থীদের ওপর নির্যাতনকারী ও ছাত্র রাজনীতিকে কলুষিত করা নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সকল অপরাধীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও বিচারের আওতায় নিয়ে আসা এবং বিগত ফ্যাসিবাদী আওয়ামী সরকারের আমলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে সাধারণ শিক্ষার্থীদের ওপর ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীদের নৃশংস হামলার ঘটনায় দায়েরকৃত সকল মামলার আসামিদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও বিচারের আওতায় আনা।

গত ১৭ বছর লড়াই করতে করতে জনগণের রায় নিয়ে তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকার গঠন করা হয়েছে। সরকারের দায়িত্ব নেওয়ার ৬ মাস পার হচ্ছে। এখনই আন্দোলন শুরু করেছেন, এটা ঠিক না। ১১ দলীয় জোটের লংমার্চে জনগণের সাড়া নেই। এই লংমার্চে চিহ্নিত কিছু ব্যক্তি অংশগ্রহণ করেছে। দেশের মানুষ আপনাদের লংমার্চ কর্মসূচি গ্রহণ করেনি
৪৪ মিনিট আগে
প্রধানমন্ত্রীকে সতর্ক করে মির্জা আব্বাস বলেন, ‘বিষয়গুলো সম্পর্কে আপনার একটু সাবধান হওয়া উচিত। কারণ, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কিন্তু স্বাভাবিক মৃত্যু হয়নি। অবশ্যই দেশনেত্রীর মৃত্যু স্বাভাবিক, বেগম খালেদা জিয়াকে কেউ হত্যা না করলেও যেভাবে মারা গেছেন, সেটি আমাদের কারও কাম্য ছিল না।’
১ ঘণ্টা আগে
রংপুরে গণপতি চক্রবর্তী পরিবারের সদস্যদের নৃশংস হত্যাকাণ্ড অত্যন্ত মর্মান্তিক ও উদ্বেগজনক। একটি পরিবারের চার সদস্যকে হত্যার মতো ভয়াবহ ঘটনায় প্রকৃত কারণ এবং হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত সব ব্যক্তিকে চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনতে নানা গড়িমসি করা হয়েছে...
২ ঘণ্টা আগে
গণমানুষের রায়ের সঙ্গে বেইমানি করে সরকার টিকতে পারবে না। রাষ্ট্র সংস্কারের যে গণ-আকাঙ্ক্ষা তৈরি হয়েছে, তা অর্জনে আমরা দেশবাসীকে সঙ্গে নিয়ে জাতীয় ঐক্য গড়ে তুলব। জনগণের এই ঐতিহাসিক রায় বাস্তবায়নে সরকারকে বাধ্য করতে রাজপথের আন্দোলন ও জাতীয় ঐক্যের কোনো বিকল্প নেই। সব গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দল
২ ঘণ্টা আগে