নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় জুলাই সনদ স্বাক্ষর অনুষ্ঠানের মঞ্চে গণফোরামের দুজন প্রতিনিধি উপস্থিত থাকলেও তাঁরা তাতে স্বাক্ষর করেননি। দলটির সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান আজকের পত্রিকাকে এ তথ্য জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ‘ভুল-বোঝাবুঝির কারণে’ তাঁরা স্বাক্ষর করেননি। জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সঙ্গে আলোচনা করে পরে তাঁরা সনদে স্বাক্ষর করবেন।
গত মঙ্গলবার রাজনৈতিক দলগুলোর কাছে পাঠানো জুলাই জাতীয় সনদের চূড়ান্ত ভাষ্যে উল্লেখ ছিল, সংবিধানের ১৫০ (২) অনুচ্ছেদ সংশোধন করা হবে এবং সংশ্লিষ্ট ৫ম (বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ), ৬ষ্ঠ (বঙ্গবন্ধুর দেওয়া স্বাধীনতার ঘোষণা) এবং ৭ম (স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র) তফসিল সংবিধানে রাখা হবে না।
গণফোরামের পক্ষ থেকে তখন জানানো হয়, ৭ম তফসিল বাদ দিলে সনদে স্বাক্ষর করবে না তারা।
বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের দাবির মুখে গতকাল বৃহস্পতিবার ৭ম তফসিল বাদ দেওয়ার প্রস্তাব থেকে সরে আসে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন। স্বাক্ষর অনুষ্ঠানের পর দলগুলোর কাছে দেওয়া চূড়ান্ত জুলাই সনদে সংবিধানের ১৫০ (২) অনুচ্ছেদের ৭ম তফসিলের উল্লেখ থাকতে দেখা যায়।
আজ জুলাই সনদ স্বাক্ষর অনুষ্ঠানের মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন গণফোরামের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি সুব্রত চৌধুরী ও সাধারণ সম্পাদক ডা. মো. মিজানুর রহমান।
মিজানুর রহমান আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমরা স্বাক্ষর থেকে বিরত ছিলাম। কারণ, আমরা বলেছিলাম ১৫০ (২) অনুচ্ছেদের ৭ম তফসিল তথা স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র বাদ দেওয়া যাবে না। একটু ভুল-বোঝাবুঝি হয়েছে। কারণ, আমরা প্রথমে (স্বাক্ষরের আগে) চূড়ান্ত (জুলাই সনদ) কপিটি পাইনি। অনুষ্ঠান শেষে সেটি সরবরাহ করা হয়েছে। আমাদের দাবি পূরণ হয়েছে। এখন কমিশনের সঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেব। তবে আজকে আমরা বিরত ছিলাম।’
জুলাই সনদ স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো ৩০টি রাজনৈতিক দল ও জোটের মধ্যে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি), বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি), বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ), বাসদ (মার্ক্সবাদী) ও বাংলাদেশ জাসদের কোনো প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন না।

জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় জুলাই সনদ স্বাক্ষর অনুষ্ঠানের মঞ্চে গণফোরামের দুজন প্রতিনিধি উপস্থিত থাকলেও তাঁরা তাতে স্বাক্ষর করেননি। দলটির সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান আজকের পত্রিকাকে এ তথ্য জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ‘ভুল-বোঝাবুঝির কারণে’ তাঁরা স্বাক্ষর করেননি। জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সঙ্গে আলোচনা করে পরে তাঁরা সনদে স্বাক্ষর করবেন।
গত মঙ্গলবার রাজনৈতিক দলগুলোর কাছে পাঠানো জুলাই জাতীয় সনদের চূড়ান্ত ভাষ্যে উল্লেখ ছিল, সংবিধানের ১৫০ (২) অনুচ্ছেদ সংশোধন করা হবে এবং সংশ্লিষ্ট ৫ম (বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ), ৬ষ্ঠ (বঙ্গবন্ধুর দেওয়া স্বাধীনতার ঘোষণা) এবং ৭ম (স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র) তফসিল সংবিধানে রাখা হবে না।
গণফোরামের পক্ষ থেকে তখন জানানো হয়, ৭ম তফসিল বাদ দিলে সনদে স্বাক্ষর করবে না তারা।
বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের দাবির মুখে গতকাল বৃহস্পতিবার ৭ম তফসিল বাদ দেওয়ার প্রস্তাব থেকে সরে আসে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন। স্বাক্ষর অনুষ্ঠানের পর দলগুলোর কাছে দেওয়া চূড়ান্ত জুলাই সনদে সংবিধানের ১৫০ (২) অনুচ্ছেদের ৭ম তফসিলের উল্লেখ থাকতে দেখা যায়।
আজ জুলাই সনদ স্বাক্ষর অনুষ্ঠানের মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন গণফোরামের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি সুব্রত চৌধুরী ও সাধারণ সম্পাদক ডা. মো. মিজানুর রহমান।
মিজানুর রহমান আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমরা স্বাক্ষর থেকে বিরত ছিলাম। কারণ, আমরা বলেছিলাম ১৫০ (২) অনুচ্ছেদের ৭ম তফসিল তথা স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র বাদ দেওয়া যাবে না। একটু ভুল-বোঝাবুঝি হয়েছে। কারণ, আমরা প্রথমে (স্বাক্ষরের আগে) চূড়ান্ত (জুলাই সনদ) কপিটি পাইনি। অনুষ্ঠান শেষে সেটি সরবরাহ করা হয়েছে। আমাদের দাবি পূরণ হয়েছে। এখন কমিশনের সঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেব। তবে আজকে আমরা বিরত ছিলাম।’
জুলাই সনদ স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো ৩০টি রাজনৈতিক দল ও জোটের মধ্যে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি), বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি), বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ), বাসদ (মার্ক্সবাদী) ও বাংলাদেশ জাসদের কোনো প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন না।

দেশের চলমান রাজনৈতিক অস্থিরতা ও তথাকথিত রাজনৈতিক শূন্যতার প্রেক্ষাপটে আত্মপ্রকাশ করতে যাচ্ছে নতুন রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম। সংগঠনটির নাম হতে পারে নেটওয়ার্ক ফর পিপলস অ্যাকশন বা নিউ পলিটিক্যাল অ্যাকশন। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, পূর্ণ নামের পাশাপাশি সংক্ষেপে ‘এনপিএ’ নামেই সংগঠনটির প্রচারণা চালানো হবে।
১২ ঘণ্টা আগে
প্রায় চূড়ান্ত পর্যায়ে গিয়েও শেষ মুহূর্তে আটকে গেছে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের আসন সমঝোতা। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের অসন্তোষে জোট নিয়ে আবার অনিশ্চয়তার আভাস মিলছে। এতে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ সময় ঘনিয়ে এলেও জোটের ভেতরে আসন বণ্টন নিয়ে ঐকমত্যে পৌঁছানো যাচ্ছে না।
১২ ঘণ্টা আগে
নির্বাচনে জিতে সরকার গঠনের সুযোগ পেলে কী কী কাজ করবে, ভোটের আগে ইশতেহার আকারে তা জনগণের কাছে তুলে ধরে রাজনৈতিক দলগুলো। প্রধান তিনটি দল বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী ও এনসিপি এখনো ইশতেহার ঘোষণা করেনি। তবে দলগুলোর নেতারা জানিয়েছেন কী থাকতে পারে তাদের এবারের ইশতেহারে।
১৩ ঘণ্টা আগে
নির্বাচনে জিতে সরকার গঠনের সুযোগ পেলে কী কী কাজ করবে, ভোটের আগে ইশতেহার আকারে তা জনগণের কাছে তুলে ধরে রাজনৈতিক দলগুলো। প্রধান তিনটি দল বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী ও এনসিপি এখনো ইশতেহার ঘোষণা করেনি। তবে দলগুলোর নেতারা জানিয়েছেন কী থাকতে পারে তাদের এবারের ইশতেহারে।
১৩ ঘণ্টা আগে