নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

দেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে উদ্বেগ প্রকাশ করে অবিলম্বে ফ্যাসিবাদবিরোধী নেতৃত্ব, শ্রম-কর্ম-পেশার জনগণ ও রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধির সমন্বয়ে জাতীয় সরকার গঠনের দাবি জানিয়েছে যুব বাঙালি। গতকাল শুক্রবার সংগঠনটির সংগঠক শরিফুল ইসলাম হৃদয়ের স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়।
বিবৃতিতে যুব বাঙালি বলেছে, ছাত্র-যুবসমাজের সাহসী নেতৃত্ব, বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ ও ফ্যাসিবাদবিরোধী সবার ত্যাগের মধ্য দিয়ে সংঘটিত জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের ঐক্যকে সমুন্নত রাখতে জাতীয় সরকারের বিকল্প নেই। গণ-অভ্যুত্থানের পর থেকে আজ পর্যন্ত যেসব রাষ্ট্রীয়, সামাজিক ও রাজনৈতিক কাঠামো গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে তার কোথাও সব শ্রেণি-পেশার সাধারণ জনগণকে অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়া হয়নি। অথচ সাধারণ জনগণই স্বতঃস্ফূর্তভাবে জীবন বাজি রেখে গণ-অভ্যুত্থানকে সফল করেছিল।
বিবৃতিতে বলা হয় গণ-অভ্যুত্থানকে নিজেদের সাফল্য দাবি করার ঘৃণ্য প্রতিযোগিতায় অনেকেই লিপ্ত। কিন্তু দেশটা যেমন কারও বাপের ছিল না, তেমনি চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থানও কারও একার সাফল্য নয়। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর যেভাবে সাধারণ জনগণের আকাঙ্ক্ষাকে উপেক্ষা করে কেবল আওয়ামী লীগের সরকার গঠন করা হয়েছিল, ঠিক সেভাবেই চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে নির্দিষ্ট কিছু মহল রাষ্ট্র ক্ষমতার একক ভাগীদার হয়ে বসেছে।
বিবৃতিতে যুব বাঙালি আরও বলেছে, সব শ্রেণি-পেশার জনগণের প্রতিনিধিত্বশীল রাষ্ট্রীয় কাঠামো ও শাসনব্যবস্থাই পারে দেশকে বিদ্যমান রাজনৈতিক অস্থিরতা থেকে মুক্তি দিতে।

দেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে উদ্বেগ প্রকাশ করে অবিলম্বে ফ্যাসিবাদবিরোধী নেতৃত্ব, শ্রম-কর্ম-পেশার জনগণ ও রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধির সমন্বয়ে জাতীয় সরকার গঠনের দাবি জানিয়েছে যুব বাঙালি। গতকাল শুক্রবার সংগঠনটির সংগঠক শরিফুল ইসলাম হৃদয়ের স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়।
বিবৃতিতে যুব বাঙালি বলেছে, ছাত্র-যুবসমাজের সাহসী নেতৃত্ব, বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ ও ফ্যাসিবাদবিরোধী সবার ত্যাগের মধ্য দিয়ে সংঘটিত জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের ঐক্যকে সমুন্নত রাখতে জাতীয় সরকারের বিকল্প নেই। গণ-অভ্যুত্থানের পর থেকে আজ পর্যন্ত যেসব রাষ্ট্রীয়, সামাজিক ও রাজনৈতিক কাঠামো গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে তার কোথাও সব শ্রেণি-পেশার সাধারণ জনগণকে অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়া হয়নি। অথচ সাধারণ জনগণই স্বতঃস্ফূর্তভাবে জীবন বাজি রেখে গণ-অভ্যুত্থানকে সফল করেছিল।
বিবৃতিতে বলা হয় গণ-অভ্যুত্থানকে নিজেদের সাফল্য দাবি করার ঘৃণ্য প্রতিযোগিতায় অনেকেই লিপ্ত। কিন্তু দেশটা যেমন কারও বাপের ছিল না, তেমনি চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থানও কারও একার সাফল্য নয়। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর যেভাবে সাধারণ জনগণের আকাঙ্ক্ষাকে উপেক্ষা করে কেবল আওয়ামী লীগের সরকার গঠন করা হয়েছিল, ঠিক সেভাবেই চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে নির্দিষ্ট কিছু মহল রাষ্ট্র ক্ষমতার একক ভাগীদার হয়ে বসেছে।
বিবৃতিতে যুব বাঙালি আরও বলেছে, সব শ্রেণি-পেশার জনগণের প্রতিনিধিত্বশীল রাষ্ট্রীয় কাঠামো ও শাসনব্যবস্থাই পারে দেশকে বিদ্যমান রাজনৈতিক অস্থিরতা থেকে মুক্তি দিতে।

জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয় নিশ্চিত করতে দলীয় ও মিত্র দলের প্রার্থীদের পক্ষে ভোটের মাঠে সর্বশক্তি নিয়োগ করতে চায় বিএনপি। কিন্তু কোথাও কোথাও এই পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছেন দলের মনোনয়নবঞ্চিত নেতারা। দলের সমর্থন না পেলেও স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ভোটের লড়াইয়ে থেকে যাওয়ার বিষয়ে অনড় অবস্থান নিয়েছেন তাঁরা।
৫ ঘণ্টা আগে
জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক স্টেট সেক্রেটারি অ্যালবার্ট টি. গম্বিস। আজ রোববার (১১ জানুয়ারি) রাজধানীর মগবাজারে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে বৈঠক করেন তাঁরা।
৮ ঘণ্টা আগে
‘অন্তর্ভুক্তিমূলক ও অংশগ্রহণমূলক’ নির্বাচনের জন্য ‘সব রাজনৈতিক দলের অংশগ্রহণ’ আর শর্ত হিসেবে দেখছে না ইউরোপ। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে জাতীয় নির্বাচনে অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে বহুল প্রচলিত শব্দ দুটির নতুন ব্যাখ্যা দিয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশনের (ইইউ ইওএম) প্রধান ইভার্স ইয়াবস।
১০ ঘণ্টা আগে
নির্বাচন কমিশনে (ইসি) আপিল করে বগুড়া-২ আসনে প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না। আজ রোববার (১১ জানুয়ারি) দুপুরে তাঁর আপিল মঞ্জুর করে নির্বাচন কমিশন। এতে তাঁর মনোনয়নপত্র বৈধ হয়।
১১ ঘণ্টা আগে