নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

সাড়ে তিন মাসেরও বেশি সময় পর কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস। আজ সোমবার সন্ধ্যা ৬টা ৫৫ মিনিটের দিকে তিনি কারামুক্ত হন। কারাগার থেকে বেরিয়ে বিএনপির আন্দোলন চলবে বলে ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।
মির্জা আব্বাস বলেন, ‘আমাদের গণতন্ত্র ফেরানোর, মুক্তির আন্দোলন চলবে।’
কারা ফটকের সামনে আগে থেকেই বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, মির্জা আব্বাসের সহধর্মিণী আফরোজা আব্বাস, ঢাকা জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নিপুণ রায় চৌধুরীসহ দলের অসংখ্য নেতা-কর্মী অপেক্ষায় ছিলেন। কারাগার থেকে বেরিয়ে নেতা-কর্মীদের অভিবাদন জানান মির্জা আব্বাস।
কারাগারে চিকিৎসার অপ্রতুলতা নিয়েও অভিযোগ করেন মির্জা আব্বাস। চিকিৎসার অভাবে কারাগারে দলের নেতা-কর্মীরা অসুস্থ হয়ে পড়েছেন বলে দাবি করেন তিনি। তাঁদের সুচিকিৎসার দাবি জানান বিএনপির এই নেতা।
প্রধান বিচারপতির বাসভবনে হামলার অভিযোগসহ ১১টি মামলায় জামিন পেয়ে মুক্তি পেলেন মির্জা আব্বাস। এর আগে আজ সকালে ঢাকা রেলওয়ে থানার মামলায় চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট জুলহাস উদ্দিন শুনানি শেষে তাঁকে জামিন দেন।
মির্জা আব্বাসের আইনজীবী মহিউদ্দিন চৌধুরী বলেন, সব কটি মামলায় জামিন হওয়ার পর বিকেলে জামিননামা কারাগারে পোঁছানোর পরই মির্জা আব্বাস মুক্তি পান।
এর আগে গত বৃহস্পতিবার এই কারাগার থেকে মুক্তি পান বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
গত বছরের ২৮ অক্টোবর বিএনপির মহাসমাবেশকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের ঘটনার পর গত ৩১ অক্টোবর রাতে ঢাকার শহীদবাগ থেকে মির্জা আব্বাসকে গ্রেপ্তার করে গোয়েন্দা পুলিশ।

সাড়ে তিন মাসেরও বেশি সময় পর কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস। আজ সোমবার সন্ধ্যা ৬টা ৫৫ মিনিটের দিকে তিনি কারামুক্ত হন। কারাগার থেকে বেরিয়ে বিএনপির আন্দোলন চলবে বলে ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।
মির্জা আব্বাস বলেন, ‘আমাদের গণতন্ত্র ফেরানোর, মুক্তির আন্দোলন চলবে।’
কারা ফটকের সামনে আগে থেকেই বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, মির্জা আব্বাসের সহধর্মিণী আফরোজা আব্বাস, ঢাকা জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নিপুণ রায় চৌধুরীসহ দলের অসংখ্য নেতা-কর্মী অপেক্ষায় ছিলেন। কারাগার থেকে বেরিয়ে নেতা-কর্মীদের অভিবাদন জানান মির্জা আব্বাস।
কারাগারে চিকিৎসার অপ্রতুলতা নিয়েও অভিযোগ করেন মির্জা আব্বাস। চিকিৎসার অভাবে কারাগারে দলের নেতা-কর্মীরা অসুস্থ হয়ে পড়েছেন বলে দাবি করেন তিনি। তাঁদের সুচিকিৎসার দাবি জানান বিএনপির এই নেতা।
প্রধান বিচারপতির বাসভবনে হামলার অভিযোগসহ ১১টি মামলায় জামিন পেয়ে মুক্তি পেলেন মির্জা আব্বাস। এর আগে আজ সকালে ঢাকা রেলওয়ে থানার মামলায় চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট জুলহাস উদ্দিন শুনানি শেষে তাঁকে জামিন দেন।
মির্জা আব্বাসের আইনজীবী মহিউদ্দিন চৌধুরী বলেন, সব কটি মামলায় জামিন হওয়ার পর বিকেলে জামিননামা কারাগারে পোঁছানোর পরই মির্জা আব্বাস মুক্তি পান।
এর আগে গত বৃহস্পতিবার এই কারাগার থেকে মুক্তি পান বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
গত বছরের ২৮ অক্টোবর বিএনপির মহাসমাবেশকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের ঘটনার পর গত ৩১ অক্টোবর রাতে ঢাকার শহীদবাগ থেকে মির্জা আব্বাসকে গ্রেপ্তার করে গোয়েন্দা পুলিশ।

জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) আসন্ন নির্বাচনে অংশগ্রহণের সব প্রস্তুতি নিলেও শেষ পর্যন্ত তারা ভোটের মাঠে থাকবে কি না, তা নিয়ে সংশয় তৈরি হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের (ইসি) নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন এবং সব দল সমান সুযোগ পাচ্ছে না বলে অভিযোগ আছে দলটির।
১ ঘণ্টা আগে
বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ‘পরিকল্পনা’ নিয়ে জনগণের মনে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। সোমবার প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে এসব কথা বলেন তিনি।
২ ঘণ্টা আগে
নির্বাচন কমিশন একটি বিশেষ দলের প্রতি পক্ষপাত করছে বলে অভিযোগ তুলেছেন জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের। তিনি জানিয়েছেন, ২০০৮ সালের মতো ‘ভারসাম্যহীন’ নির্বাচন হলে সেই নির্বাচন তাঁরা মেনে নেবেন না।
৩ ঘণ্টা আগে
এনসিপির দুই প্রার্থীকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে শোকজ করা হয়েছে মন্তব্য করে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে পক্ষপাতের অভিযোগ তুলেছেন দলটির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। তিনি বলেছেন, নির্বাচন কমিশন ও রিটার্নিং কর্মকর্তার পক্ষ থেকে যে শোকজ দেওয়া হয়েছে, সেটা দ্রুত সময়ের মধ্যে উইথড্র করতে হবে।
৩ ঘণ্টা আগে