নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমানকে গভীর রাতে আটক করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)।
গতকাল সোমবার রাতে তাঁকে উত্তরার নিজ বাসা থেকে ডিএমপির কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইমের (সিটিটিসি) একটি দল আটক করে বলে জানিয়েছেন ডিএমপির ডিসি মিডিয়া ফারুক হোসেন।
তবে ঠিক কোন অভিযোগে তাঁকে আটক করা হলো, সে বিষয়ে কিছু জানায়নি ঢাকা মহানগর পুলিশ।
আজ মঙ্গলবার সকালে এক বিবৃতিতে জামায়াতের ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা এ টি এম মাছুম বলেন, ‘ক্ষমতাসীন সরকার ধারাবাহিকভাবে জামায়াতের ওপর জুলুম-নির্যাতন চালিয়ে আসছে। জামায়াতকে নেতৃত্বশূন্য করার সরকারি সব প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। জামায়াতের ওপর নির্যাতন ও নিষ্পেষণ চালিয়ে এবং আমিরে জামায়াতকে গ্রেপ্তার করে বর্তমান আওয়ামী সরকার বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে এক নিকৃষ্টতম নজির স্থাপন করেছে।
‘আমরা স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দিতে চাই, সরকার এই গ্রেপ্তারের মাধ্যমে দেশে চলমান রাজনৈতিক কর্মসূচিকে বাধাগ্রস্ত করতে পারবে না। ভয়ভীতি দেখিয়ে, মামলা-হামলা দিয়ে জনগণের এই আন্দোলন বন্ধ করা যাবে না।’
এর আগে জামায়াতের ঢাকা মহানগর উত্তরের প্রচার সেলের সমন্বয়ক আতাউর রহমান সরকার আজকের পত্রিকাকে জানান, সোমবার রাত ২টার পর শফিকুর রহমানকে বাসা থেকে ‘ডিবি পরিচয়ে’ তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। তিনি বলেন, ‘জামায়াতের আমিরকে তুলে নেওয়ার সময় ডিবি পুলিশ তাঁর বাসা তছনছ করে এবং বাড়ির সবার মোবাইল ফোন কেড়ে নেয়।’
১০ ডিসেম্বর ঢাকার গোলাপবাগ মাঠের বিভাগীয় গণসমাবেশ থেকে ১০ দফা দাবিতে যুগপৎ আন্দোলনের ঘোষণা করে বিএনপি। জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে একই দিনে ১০ দফা দিয়ে কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়।
দলটির নায়েবে আমির মাওলানা শামসুল ইসলাম, সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরোয়ারসহ সিনিয়র অনেক নেতা বছরখানেক আগেই গ্রেপ্তার হয়েছেন।
এর আগে গত ৯ নভেম্বর জামায়াতের আমিরের ছেলেকে জঙ্গি সম্পৃক্ততার অভিযোগে গ্রেপ্তার করে সিটিটিসি।

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমানকে গভীর রাতে আটক করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)।
গতকাল সোমবার রাতে তাঁকে উত্তরার নিজ বাসা থেকে ডিএমপির কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইমের (সিটিটিসি) একটি দল আটক করে বলে জানিয়েছেন ডিএমপির ডিসি মিডিয়া ফারুক হোসেন।
তবে ঠিক কোন অভিযোগে তাঁকে আটক করা হলো, সে বিষয়ে কিছু জানায়নি ঢাকা মহানগর পুলিশ।
আজ মঙ্গলবার সকালে এক বিবৃতিতে জামায়াতের ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা এ টি এম মাছুম বলেন, ‘ক্ষমতাসীন সরকার ধারাবাহিকভাবে জামায়াতের ওপর জুলুম-নির্যাতন চালিয়ে আসছে। জামায়াতকে নেতৃত্বশূন্য করার সরকারি সব প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। জামায়াতের ওপর নির্যাতন ও নিষ্পেষণ চালিয়ে এবং আমিরে জামায়াতকে গ্রেপ্তার করে বর্তমান আওয়ামী সরকার বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে এক নিকৃষ্টতম নজির স্থাপন করেছে।
‘আমরা স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দিতে চাই, সরকার এই গ্রেপ্তারের মাধ্যমে দেশে চলমান রাজনৈতিক কর্মসূচিকে বাধাগ্রস্ত করতে পারবে না। ভয়ভীতি দেখিয়ে, মামলা-হামলা দিয়ে জনগণের এই আন্দোলন বন্ধ করা যাবে না।’
এর আগে জামায়াতের ঢাকা মহানগর উত্তরের প্রচার সেলের সমন্বয়ক আতাউর রহমান সরকার আজকের পত্রিকাকে জানান, সোমবার রাত ২টার পর শফিকুর রহমানকে বাসা থেকে ‘ডিবি পরিচয়ে’ তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। তিনি বলেন, ‘জামায়াতের আমিরকে তুলে নেওয়ার সময় ডিবি পুলিশ তাঁর বাসা তছনছ করে এবং বাড়ির সবার মোবাইল ফোন কেড়ে নেয়।’
১০ ডিসেম্বর ঢাকার গোলাপবাগ মাঠের বিভাগীয় গণসমাবেশ থেকে ১০ দফা দাবিতে যুগপৎ আন্দোলনের ঘোষণা করে বিএনপি। জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে একই দিনে ১০ দফা দিয়ে কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়।
দলটির নায়েবে আমির মাওলানা শামসুল ইসলাম, সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরোয়ারসহ সিনিয়র অনেক নেতা বছরখানেক আগেই গ্রেপ্তার হয়েছেন।
এর আগে গত ৯ নভেম্বর জামায়াতের আমিরের ছেলেকে জঙ্গি সম্পৃক্ততার অভিযোগে গ্রেপ্তার করে সিটিটিসি।

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ৩০ আসনে লড়বে বলে জানিয়েছেন দলটির মুখপাত্র ও নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। আজ সোমবার একটি বেসরকারি টিভি চ্যানেলকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এ কথা জানান তিনি।
১ ঘণ্টা আগে
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস বলেছেন, কথিত একটি রাজনৈতিক দল, যারা কোনো দিনই দেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্বের পক্ষে ছিল না, তারা সহিংসতা করে নির্বাচন বানচালের জন্য চক্রান্ত করছে। কারণ, তারা নির্বাচনের জন্য প্রস্তুত নয়। দল (বিএনপি) তাদের চক্রান্তে পা দেবে না।
২ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামীর প্রতি সমর্থন নিয়ে নতুন তথ্য দিয়েছে চারটি সংস্থার সম্মিলিত এক জরিপে। নতুন এই জরিপ দাবি করছে, আসন্ন নির্বাচনে বাংলাদেশের শীর্ষ রাজনৈতিক দল বিএনপি ও জামায়াতের মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হবে। জনসমর্থনে বিএনপি মাত্র ১ শতাংশীয় পয়েন্ট এগিয়ে আছে।
৩ ঘণ্টা আগে
শ্রমজীবী মানুষ রাজনৈতিক দলের কাছে গুরুত্বপূর্ণ বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান। তিনি বলেছেন, আগামী নির্বাচনের মাধ্যমে যারা ক্ষমতায় যাবে, তাদের ওপর শ্রমিক ইশতেহার বাস্তবায়নের দায়িত্ব পড়বে।
৪ ঘণ্টা আগে