
চেয়ারম্যান ড. জাফরউল্লাহ চৌধুরী বলেছেন, `ধর্মান্ধ রাজনীতির বলি হচ্ছে সংখ্যালঘুরা। হামলাকারীদের চিহ্নিত করে এখনই বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড় করাতে হবে। ওদের দমন না করলে দেশকে ওরা অশান্ত করে তুলবে। এতে বিশ্বদরবারের কাছে আমরা প্রশ্নবিদ্ধ হব।'
গতকাল বুধবার বিকেলে পীরগঞ্জের রামনাথপুর ইউনিয়নের বড় করিমপুর কসবা হিন্দুপল্লি মাঝিপাড়ায় সাম্প্রদায়িক হামলার শিকার ক্ষতিগ্রস্তদের ঘরবাড়ি পরিদর্শনে এসে এসব কথা বলেন তিনি।
জাফরউল্লাহ চৌধুরী বলেন, পীরগঞ্জের হিন্দু সম্প্রদায়ের বাড়িতে হামলার ঘটনায় স্বাধীনতাবিরোধীদের সম্পৃক্ততা রয়েছে। তারা দেশকে অস্থির করে তুলতে সারা দেশে সংখ্যালঘুদের ওপর একের পর এক হামলা করছে।
এ সময় জাফরউল্লাহ চৌধুরী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানাকে পীরগঞ্জের ঘটনাস্থল পরিদর্শনের জন্য দাবি জানান। এ ছাড়া তিনি তাঁর পক্ষ থেকে ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য এক মাসের খাবার দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন।
উল্লেখ্য, গত রোববার রাতে উপজেলার রামনাথপুর ইউনিয়নের কসবা হিন্দুপল্লি মাঝিপাড়ার প্রশান্ত সরকারের ছেলে পরিতোষ সরকার ফেসবুকে ধর্মীয় উসকানিমূলক পোস্ট দেয়। ওই পোস্টের কারণে রাত ১০টার দিকে উগ্রবাদীরা মিছিল নিয়ে এসে মাঝিপাড়ার জেলে পরিবারের বাড়িঘরে হামলা চালিয়ে লুটপাট, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করে। এ ঘটনায় সরকারের পাশাপাশি বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষ থেকে ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে।

বক্তব্যের শুরুতেই তারেক রহমান স্থানীয় মুরব্বি ও এলাকাবাসীর দোয়া কামনা করেন। তিনি বলেন, ‘আমরা জনগণের ভাগ্য পরিবর্তনের লক্ষ্যে রাজনীতি করি। ধানের শীষ জয়যুক্ত হলে আমরা আমাদের দেওয়া প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী সাধারণ মানুষের জন্য ফ্যামিলি কার্ড এবং কৃষকদের সহায়তার জন্য কৃষক কার্ড প্রবর্তন করব।’
৪ ঘণ্টা আগে
দীর্ঘ ১৭ বছর পর দেশে ফিরে এই প্রথমবার ঢাকার বাইরে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। এসেছেন হজরত শাহজালাল (রহ.) ও শাহপরান (রহ.)-এর পুণ্যভূমি সিলেটে। বিএনপির নির্বাচনী প্রচারের আনুষ্ঠানিকতারও শুরু এই সফরের মধ্য দিয়েই।
৫ ঘণ্টা আগে
জাতীয় রাজনীতিতে নতুন শক্তি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করা জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩০টি আসনে প্রার্থী ঘোষণা করেছে। জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১০ দলীয় জোটের সঙ্গে আসন সমঝোতার ভিত্তিতে দেওয়া হয়েছে প্রার্থী। কিন্তু এরপরও সাতটি আসনে প্রার্থী হিসেবে রয়ে গেছেন জামায়াতসহ জোটের...
১১ ঘণ্টা আগে
মোহাম্মদপুরের নবোদয় হাউজিংয়ের একটি গলি। শীতের দুপুরের হালকা রোদ। গলির এক পাশে ডাব বিক্রির একটি ভ্যান। ক্রেতা খুব একটা নেই। নরম রোদে শীত পোহাচ্ছিলেন ডাবওয়ালা ও তাঁর বন্ধু। এই প্রতিবেদক এগিয়ে গেলেও নির্বাচন নিয়ে কথা বলতে প্রথমে তাঁরা খুব একটা ইচ্ছুক ছিলেন না। খানিক কুশল বিনিময়ে বরফ গলে।
১১ ঘণ্টা আগে