রেজা করিম, ঢাকা

দল-মত ভিন্ন হলেও কিছু বিষয়ে ভীষণ মিল রয়েছে দুজনের মধ্যে। দুজনই সাবেক ফার্স্ট লেডি। দুজনের স্বামীই ছিলেন সাবেক সেনা কর্মকর্তা। একজন বিএনপির চেয়ারপারসন, আরেকজন জাতীয় পার্টির প্রধান পৃষ্ঠপোষক (চিফ প্যাট্রন)। অমিলের জায়গাটা হচ্ছে, একজন সাবেক প্রধানমন্ত্রী হলেও অন্যজনের সেই গৌরব নেই। তবে জীবনের শেষ প্রান্তে এসে রাজনীতিতে নিষ্ক্রিয়তা এবং অসুস্থতা এই দুই নেতাকে এক জায়গায় এনে দাঁড় করিয়েছে। গত কয়েক মাস তাঁরা খবরে আছেন অসুস্থতার জন্য।
নানাবিধ শারীরিক জটিলতা নিয়ে বর্তমানে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। ১২ অক্টোবর এই হাসপাতালে ভর্তি হন তিনি। সেখানে নানাবিধ পরীক্ষা-নিরীক্ষার পাশাপাশি চিকিৎসা চলছে তাঁর।
এর আগে করোনায় আক্রান্ত হওয়ার পরে গত ২৭ এপ্রিল তাঁকে একই হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেই সময় অসুস্থতার জন্য বেশ কিছু দিন খবরে ছিলেন খালেদা জিয়া। ১৯ জুন বাসায় ফেরার পরে আবারও খবরের বাইরে চলে যান। মাঝে করোনার টিকা নিয়ে গণমাধ্যমে খানিকটা জায়গা পান। এখন আবার হাসপাতালে যাওয়ার পরে তাঁর খবর জানা যাচ্ছে। তাঁর সুস্থতা কামনা করে দলের বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষ থেকে ছোট পরিসরে দোয়ার অনুষ্ঠান করা হচ্ছে। এসব অনুষ্ঠান থেকে দলের নেতারা তাঁকে নিয়ে দুয়েকটা কথা বলছেন।
উন্নত চিকিৎসার জন্য খালেদা জিয়াকে দেশের বাইরে নিতে না পারার জন্য দলের ভূমিকা নিয়েও রয়েছে নানা প্রশ্ন। সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাসকে এ বিষয়ে আক্ষেপ করতে দেখা গেছে।
ওই অনুষ্ঠানে আব্বাস বলেন, খালেদা জিয়াকে মুক্ত করতে না পারার ব্যর্থতা তাঁদের নিজেদেরই। হয়তো এই আক্ষেপ নিয়েই তাঁদের এক দিন চলে যেতে হবে।
২০১৮-তে কারাবন্দী হওয়ার পর থেকেই রাজনীতির মাঠে নিষ্ক্রিয় রয়েছেন খালেদা জিয়া। ২০২০-এর মার্চে শর্তসাপেক্ষে মুক্তি পাওয়া বিএনপির এই শীর্ষ নেতা বাসায় থাকার অনুমতি পেলেও রাজনীতিতে তাঁর কোনো ভূমিকা নেই। তাঁর অবর্তমানে দল পরিচালনা করছেন যুক্তরাজ্যে থাকা বড় ছেলে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তাঁকে (তারেক রহমান) ঘিরেই চলছে বিএনপির সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড। যেখানে খালেদা জিয়ার কোনো ভূমিকা নেই বললেই চলে।
গত বৃহস্পতিবার খালেদা জিয়ার সবশেষ শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে আজকের পত্রিকাকে জানিয়েছেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত চিকিৎসক এ জেড এম জাহিদ হোসেন। তিনি জানান, চিকিৎসার পাশাপাশি এখনো বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলছে। মেডিকেল বোর্ড নিয়মিতভাবে তাঁর স্বাস্থ্য পরীক্ষা করছে। তাঁর জ্বর এখনো পুরোপুরি সারেনি। জ্বর কখনো আসে, আবার কখনো ছেড়ে যায়।
রওশন সিএমএইচে
রওশন এরশাদের সঙ্গে জাপা চেয়ারম্যান জি এম কাদেরের দ্বন্দ্বটা অনেক পুরোনো। এরশাদের জীবদ্দশা থেকে শুরু হওয়া এই দ্বন্দ্বটা এখনো চলমান। এরশাদের মৃত্যুর পর সব শেষ কাউন্সিলে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হন জি এম কাদের। ওই সময় ‘চিফ প্যাট্রন’ নামে নতুন পদ সৃষ্টি করে সেই পদে রওশনকে বসান জি এম কাদের। পদটি সম্মানের হলেও সেই অর্থে দলে কোনো কাজ নেই বললেই চলে। অনেকটা অলংকারের মতো। তখন থেকেই রাজনীতিকে একরকম ‘গুড বাই’ বলে দিয়েছেন রওশন।
রওশনকে নিয়েও দলে এবং দলের বাইরে কোনো খবর নেই। মাঝে এরশাদের দ্বিতীয় মৃত্যুবার্ষিকীর দিনে তাঁর সাবেক স্ত্রী বিদিশা ও এরশাদ পুত্র এরিকের ঘোষিত জাপার নতুন কমিটিতে চেয়ারম্যান হিসেবে রওশন এরশাদের নাম ঘোষণা করা হয়। তবে এই বিষয়েও রওশন কোনো আগ্রহ দেখাননি।
রওশন এরশাদ দুই মাসেরও বেশি সময় রাজধানীর সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) চিকিৎসাধীন আছেন। বর্তমানে হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) তাঁর চিকিৎসা চলছে। গত বুধবার শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাঁকে আইসিউতে নেওয়া হয়। গত ১৪ আগস্ট এই হাসপাতালে ভর্তি হন তিনি। নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র (আইসিইউ) থেকে ২৫ আগস্ট তাঁকে কেবিনে নিয়ে চিকিৎসা করা হয়। মাঝে আরও একবার আইসিইউতে নিয়ে গত সপ্তাহে কেবিনে আনা হয় তাঁকে। এর আগে ২৯ এপ্রিল পেটে ব্যথা আর পানিশূন্যতা নিয়ে একই হাসপাতালে ভর্তি হন রওশন এরশাদ। ২৩ মে সন্ধ্যায় বাসায় ফেরেন তিনি।
রওশনের বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য রেজাউল ইসলাম ভূঁইয়া জানান, ওনার (রওশন এরশাদ) অবস্থা একটু খারাপ। উনি আইসিউতে আছেন। বার্ধক্যজনিত জটিলতাটা বেশি ভোগাচ্ছে তাঁকে। এ কারণে ওষুধ সেভাবে কাজ করছে না।

দল-মত ভিন্ন হলেও কিছু বিষয়ে ভীষণ মিল রয়েছে দুজনের মধ্যে। দুজনই সাবেক ফার্স্ট লেডি। দুজনের স্বামীই ছিলেন সাবেক সেনা কর্মকর্তা। একজন বিএনপির চেয়ারপারসন, আরেকজন জাতীয় পার্টির প্রধান পৃষ্ঠপোষক (চিফ প্যাট্রন)। অমিলের জায়গাটা হচ্ছে, একজন সাবেক প্রধানমন্ত্রী হলেও অন্যজনের সেই গৌরব নেই। তবে জীবনের শেষ প্রান্তে এসে রাজনীতিতে নিষ্ক্রিয়তা এবং অসুস্থতা এই দুই নেতাকে এক জায়গায় এনে দাঁড় করিয়েছে। গত কয়েক মাস তাঁরা খবরে আছেন অসুস্থতার জন্য।
নানাবিধ শারীরিক জটিলতা নিয়ে বর্তমানে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। ১২ অক্টোবর এই হাসপাতালে ভর্তি হন তিনি। সেখানে নানাবিধ পরীক্ষা-নিরীক্ষার পাশাপাশি চিকিৎসা চলছে তাঁর।
এর আগে করোনায় আক্রান্ত হওয়ার পরে গত ২৭ এপ্রিল তাঁকে একই হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেই সময় অসুস্থতার জন্য বেশ কিছু দিন খবরে ছিলেন খালেদা জিয়া। ১৯ জুন বাসায় ফেরার পরে আবারও খবরের বাইরে চলে যান। মাঝে করোনার টিকা নিয়ে গণমাধ্যমে খানিকটা জায়গা পান। এখন আবার হাসপাতালে যাওয়ার পরে তাঁর খবর জানা যাচ্ছে। তাঁর সুস্থতা কামনা করে দলের বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষ থেকে ছোট পরিসরে দোয়ার অনুষ্ঠান করা হচ্ছে। এসব অনুষ্ঠান থেকে দলের নেতারা তাঁকে নিয়ে দুয়েকটা কথা বলছেন।
উন্নত চিকিৎসার জন্য খালেদা জিয়াকে দেশের বাইরে নিতে না পারার জন্য দলের ভূমিকা নিয়েও রয়েছে নানা প্রশ্ন। সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাসকে এ বিষয়ে আক্ষেপ করতে দেখা গেছে।
ওই অনুষ্ঠানে আব্বাস বলেন, খালেদা জিয়াকে মুক্ত করতে না পারার ব্যর্থতা তাঁদের নিজেদেরই। হয়তো এই আক্ষেপ নিয়েই তাঁদের এক দিন চলে যেতে হবে।
২০১৮-তে কারাবন্দী হওয়ার পর থেকেই রাজনীতির মাঠে নিষ্ক্রিয় রয়েছেন খালেদা জিয়া। ২০২০-এর মার্চে শর্তসাপেক্ষে মুক্তি পাওয়া বিএনপির এই শীর্ষ নেতা বাসায় থাকার অনুমতি পেলেও রাজনীতিতে তাঁর কোনো ভূমিকা নেই। তাঁর অবর্তমানে দল পরিচালনা করছেন যুক্তরাজ্যে থাকা বড় ছেলে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তাঁকে (তারেক রহমান) ঘিরেই চলছে বিএনপির সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড। যেখানে খালেদা জিয়ার কোনো ভূমিকা নেই বললেই চলে।
গত বৃহস্পতিবার খালেদা জিয়ার সবশেষ শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে আজকের পত্রিকাকে জানিয়েছেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত চিকিৎসক এ জেড এম জাহিদ হোসেন। তিনি জানান, চিকিৎসার পাশাপাশি এখনো বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলছে। মেডিকেল বোর্ড নিয়মিতভাবে তাঁর স্বাস্থ্য পরীক্ষা করছে। তাঁর জ্বর এখনো পুরোপুরি সারেনি। জ্বর কখনো আসে, আবার কখনো ছেড়ে যায়।
রওশন সিএমএইচে
রওশন এরশাদের সঙ্গে জাপা চেয়ারম্যান জি এম কাদেরের দ্বন্দ্বটা অনেক পুরোনো। এরশাদের জীবদ্দশা থেকে শুরু হওয়া এই দ্বন্দ্বটা এখনো চলমান। এরশাদের মৃত্যুর পর সব শেষ কাউন্সিলে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হন জি এম কাদের। ওই সময় ‘চিফ প্যাট্রন’ নামে নতুন পদ সৃষ্টি করে সেই পদে রওশনকে বসান জি এম কাদের। পদটি সম্মানের হলেও সেই অর্থে দলে কোনো কাজ নেই বললেই চলে। অনেকটা অলংকারের মতো। তখন থেকেই রাজনীতিকে একরকম ‘গুড বাই’ বলে দিয়েছেন রওশন।
রওশনকে নিয়েও দলে এবং দলের বাইরে কোনো খবর নেই। মাঝে এরশাদের দ্বিতীয় মৃত্যুবার্ষিকীর দিনে তাঁর সাবেক স্ত্রী বিদিশা ও এরশাদ পুত্র এরিকের ঘোষিত জাপার নতুন কমিটিতে চেয়ারম্যান হিসেবে রওশন এরশাদের নাম ঘোষণা করা হয়। তবে এই বিষয়েও রওশন কোনো আগ্রহ দেখাননি।
রওশন এরশাদ দুই মাসেরও বেশি সময় রাজধানীর সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) চিকিৎসাধীন আছেন। বর্তমানে হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) তাঁর চিকিৎসা চলছে। গত বুধবার শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাঁকে আইসিউতে নেওয়া হয়। গত ১৪ আগস্ট এই হাসপাতালে ভর্তি হন তিনি। নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র (আইসিইউ) থেকে ২৫ আগস্ট তাঁকে কেবিনে নিয়ে চিকিৎসা করা হয়। মাঝে আরও একবার আইসিইউতে নিয়ে গত সপ্তাহে কেবিনে আনা হয় তাঁকে। এর আগে ২৯ এপ্রিল পেটে ব্যথা আর পানিশূন্যতা নিয়ে একই হাসপাতালে ভর্তি হন রওশন এরশাদ। ২৩ মে সন্ধ্যায় বাসায় ফেরেন তিনি।
রওশনের বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য রেজাউল ইসলাম ভূঁইয়া জানান, ওনার (রওশন এরশাদ) অবস্থা একটু খারাপ। উনি আইসিউতে আছেন। বার্ধক্যজনিত জটিলতাটা বেশি ভোগাচ্ছে তাঁকে। এ কারণে ওষুধ সেভাবে কাজ করছে না।

জামায়াতের প্রচার বিভাগ থেকে পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে দলটির সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও ১১ দলের সমন্বয়ক হামিদুর রহমান আযাদ জানান, আজ ১৪ জানুয়ারি বিকেল সাড়ে ৪টায় আন্দোলনরত ১১ দল ঘোষিত সংবাদ সম্মেলন অনিবার্য কারণবশত স্থগিত করা হয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে ১১ দলীয় রাজনৈতিক জোটের অন্দরে আসন সমঝোতা নিয়ে এক চরম নাটকীয়তা তৈরি হয়েছে। জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বে এই জোটে শরিকদের মধ্যে আসন বণ্টন নিয়ে সৃষ্ট জটিলতা গতকাল মঙ্গলবার রাত পর্যন্ত কাটেনি। বিশেষ করে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের সঙ্গে জামায়াতের রশি
৫ ঘণ্টা আগে
একটি বাসায় কয়েকজন ব্যক্তি বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের অনেকগুলো পোস্টাল ব্যালট গুনছেন—এমন একটি ভিডিও অনলাইনে ছড়িয়ে পড়েছে। পোস্টাল ব্যালটের খামে ঠিকানা লেখা রয়েছে বাহরাইনের। আজ মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) নির্বাচন কমিশনের (ইসি) কাছে বিষয়টি নিয়ে আইনি ব্যবস্থা দাবি করেছে বিএনপি।
১৬ ঘণ্টা আগে
বিএনপি সংস্কারের পক্ষে ও গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেবে বলে জানিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম খান। তিনি বলেছেন, ‘আমরাই সংস্কারের দাবি সবার আগে করেছি। সেই সংস্কারের বিপক্ষে তো আমরা নই, আমরা সেই সংস্কারের পক্ষে। অতএব আমরা ‘হ্যাঁ’ ভোট দেব।
১৭ ঘণ্টা আগে