নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

নারী সংস্কার কমিশন বাতিলের দাবিকে গণ-অভ্যুত্থানের চেতনার পরিপন্থী বলে মনে করে বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল-বাসদ (মার্ক্সবাদী)। আজ শনিবার জাতীয় সংসদের এলডি হলে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সঙ্গে সংলাপের সূচনা বক্তব্যে এ কথা বলেন দলটির প্রধান সমন্বয়ক মাসুদ রানা।
কোনো কমিশনের প্রস্তাবনা খারিজ করতে চান না জানিয়ে মাসুদ রানা বলেন, ‘আমরা দেখছি বাতিল করার একটা প্রবণতা আছে। নারী সংস্কার কমিশন সেটা বাতিল করে দাও। আমরা মনে করি, এটা অভ্যুত্থানের চেতনার পরিপন্থী। আমরা ঠিক-বেঠিক নিয়ে আলোচনা করব। বাংলাদেশে বহুদিন পরে একটা গণতান্ত্রিক পরিবেশ আনতে আমাদের কণ্ঠস্বর আরও জোরালো করা দরকার। আমরা কোনো কিছুকে বাতিল করে দেব না, মত-দ্বিমত সেগুলো রাখব, যেকোনো কমিশনের ক্ষেত্রেই।’
গণ-অভ্যুত্থানের মূল আকাঙ্ক্ষা ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থার বিলোপ জানিয়ে মাসুদ রানা বলেন, ‘ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থা যাতে আর ফিরে আসতে না পারে এবং একটা বৈষম্যহীন বাংলাদেশের কথা, এটা আমাদের মূল আকাঙ্ক্ষায় ব্যক্ত করেছি। এই জায়গা থেকে এই সরকারকে আমরা সমর্থন দিয়েছি।’
বাংলাদেশে আর কখনো ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থা ফিরে না আসার আকাঙ্ক্ষার কথা জানিয়ে মাসুদ রানা বলেন, ‘ফ্যাসিবাদ কোনো দল আনে না, আনে একটা ব্যবস্থা। একটা সিস্টেমের মধ্যে যে যে উপাদান থাকলে ফ্যাসিবাদ আসে, সেটা বহাল থাকলে ফ্যাসিবাদের চেহারা পাল্টাবে, কিন্তু ব্যবস্থা পাল্টাবে না।’
বাংলাদেশের ইতিহাসের আলোকে মূলনীতির বিষয়ে রাজনৈতিক দলগুলো একমত হলে অন্য বিষয়ে একমত হওয়া সহজ বলে মনে করেন মাসুদ রানা।
সংবিধান ও নির্বাচনব্যবস্থা সংস্কার নিয়ে লিখিত মতামত দেওয়ার কথা জানিয়ে মাসুদ রানা বলেন, ‘এখানে অনেক বিষয় আমাদের কাছে যথার্থ মনে হয়নি, আরও ব্যাখ্যার প্রয়োজন আছে। এই বিষয়গুলো নিয়ে আলাপ-আলোচনা করতে হবে। মতপার্থক্য যে জায়গাগুলোতে আছে, আমরা যদি ধৈর্যসহকারে আলাপ-আলোচনা করতে পারি, সেই আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে হয়তো আমরা একমত হতে পারব, তাহলে গণ-অভ্যুত্থানের মূল যে আকাঙ্ক্ষা, একটা ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থার বিলোপ, একটা বৈষম্যহীন গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ, আমরা তা করতে চাই।’
মাসুদ রানার নেতৃত্বে দলটির ১২ সদস্যের প্রতিনিধিদল সংলাপে অংশ নিয়েছে।

নারী সংস্কার কমিশন বাতিলের দাবিকে গণ-অভ্যুত্থানের চেতনার পরিপন্থী বলে মনে করে বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল-বাসদ (মার্ক্সবাদী)। আজ শনিবার জাতীয় সংসদের এলডি হলে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সঙ্গে সংলাপের সূচনা বক্তব্যে এ কথা বলেন দলটির প্রধান সমন্বয়ক মাসুদ রানা।
কোনো কমিশনের প্রস্তাবনা খারিজ করতে চান না জানিয়ে মাসুদ রানা বলেন, ‘আমরা দেখছি বাতিল করার একটা প্রবণতা আছে। নারী সংস্কার কমিশন সেটা বাতিল করে দাও। আমরা মনে করি, এটা অভ্যুত্থানের চেতনার পরিপন্থী। আমরা ঠিক-বেঠিক নিয়ে আলোচনা করব। বাংলাদেশে বহুদিন পরে একটা গণতান্ত্রিক পরিবেশ আনতে আমাদের কণ্ঠস্বর আরও জোরালো করা দরকার। আমরা কোনো কিছুকে বাতিল করে দেব না, মত-দ্বিমত সেগুলো রাখব, যেকোনো কমিশনের ক্ষেত্রেই।’
গণ-অভ্যুত্থানের মূল আকাঙ্ক্ষা ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থার বিলোপ জানিয়ে মাসুদ রানা বলেন, ‘ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থা যাতে আর ফিরে আসতে না পারে এবং একটা বৈষম্যহীন বাংলাদেশের কথা, এটা আমাদের মূল আকাঙ্ক্ষায় ব্যক্ত করেছি। এই জায়গা থেকে এই সরকারকে আমরা সমর্থন দিয়েছি।’
বাংলাদেশে আর কখনো ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থা ফিরে না আসার আকাঙ্ক্ষার কথা জানিয়ে মাসুদ রানা বলেন, ‘ফ্যাসিবাদ কোনো দল আনে না, আনে একটা ব্যবস্থা। একটা সিস্টেমের মধ্যে যে যে উপাদান থাকলে ফ্যাসিবাদ আসে, সেটা বহাল থাকলে ফ্যাসিবাদের চেহারা পাল্টাবে, কিন্তু ব্যবস্থা পাল্টাবে না।’
বাংলাদেশের ইতিহাসের আলোকে মূলনীতির বিষয়ে রাজনৈতিক দলগুলো একমত হলে অন্য বিষয়ে একমত হওয়া সহজ বলে মনে করেন মাসুদ রানা।
সংবিধান ও নির্বাচনব্যবস্থা সংস্কার নিয়ে লিখিত মতামত দেওয়ার কথা জানিয়ে মাসুদ রানা বলেন, ‘এখানে অনেক বিষয় আমাদের কাছে যথার্থ মনে হয়নি, আরও ব্যাখ্যার প্রয়োজন আছে। এই বিষয়গুলো নিয়ে আলাপ-আলোচনা করতে হবে। মতপার্থক্য যে জায়গাগুলোতে আছে, আমরা যদি ধৈর্যসহকারে আলাপ-আলোচনা করতে পারি, সেই আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে হয়তো আমরা একমত হতে পারব, তাহলে গণ-অভ্যুত্থানের মূল যে আকাঙ্ক্ষা, একটা ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থার বিলোপ, একটা বৈষম্যহীন গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ, আমরা তা করতে চাই।’
মাসুদ রানার নেতৃত্বে দলটির ১২ সদস্যের প্রতিনিধিদল সংলাপে অংশ নিয়েছে।

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন পরিচালনার লক্ষ্যে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটি গঠন করা হয়েছে। বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খানকে কমিটির চেয়ারম্যান ও সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভীকে সদস্যসচিব করা হয়েছে।
২৩ মিনিট আগে
গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয় থেকে বের হয়ে জামায়াত আমির শফিকুর রহমান সাংবাদিকদের বলেন, ‘আলোচনায় আমরা বলেছি, দেশের স্বার্থে অতীতে আমরা একসঙ্গে কাজ করেছি, আগামীতেও ইনশা আল্লাহ একসঙ্গে কাজ করব। তারেক রহমানসহ উপস্থিত বিএনপির অন্যান্য নেতৃবৃন্দ একই আকাঙ্ক্ষা ব্যক্ত করেছেন, আমরাও করেছি।’
১ ঘণ্টা আগে
বিএনপি চেয়ারপারসনের গুলশান কার্যালয়ে গিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। দলটির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও তাঁর শোক-সন্তপ্ত পরিবারকে সমবেদনা জানাতে আজ বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) সন্ধ্যার দিকে সেখানে যান তিনি।
৩ ঘণ্টা আগে
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ‘বিদায় বেলায়’ শিরোনামের এই কবিতা দিয়ে ফেসবুকে দাদি বেগম খালেদা জিয়াকে স্মরণ করলেন জাইমা রহমান। কবিতার সঙ্গে তিনি একটি ছবিও শেয়ার করেছেন। এতে দেখা যায়, দাদির সঙ্গে মুখোমুখি বসে আছেন জাইমা।
৪ ঘণ্টা আগে