উত্তরা (ঢাকা) প্রতিনিধি

শিক্ষকদের রাজনীতি থেকে বের হয়ে আসতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সদস্যসচিব মোস্তফা জামান। তিনি বলেছেন, ‘একমাত্র অপরাজনীতির কারণে শিক্ষকদের সম্মান নষ্ট হচ্ছে। আমি আহ্বান জানাব, শিক্ষকেরা যেন রাজনীতি না করেন। শিক্ষার্থীদের শিক্ষা কীভাবে বৃদ্ধি করা যায়, সেদিকে মনোযোগী হতে হবে। শিক্ষকদের রাজনীতি থেকে বের হয়ে আসতে হবে।’
উত্তরার কামারপাড়া স্কুল অ্যান্ড কলেজের নবীনবরণ অনুষ্ঠানে আজ বুধবার (২৪ সেপ্টেম্বর) প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই আহ্বান জানান।
এ সময় তিনি দলমত-নির্বিশেষে সব অভিভাবক ও শিক্ষক-শিক্ষার্থীকে স্কুলের উন্নয়নের কাজে পাশে থাকার অনুরোধ জানান।
মোস্তফা জামান বলেন, ‘আমরা যখন পড়াশোনা করেছি, আমাদের শিক্ষকেরা শুধু আমাদের মানুষ করতে পড়াশোনার রাজনীতি করেছে। এখন কিছু শিক্ষক রাজনীতির সঙ্গে জড়িত হয়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে ধ্বংস করে দিচ্ছে। তাদের কারণে শিক্ষকদের সম্মান অনেকটাই কমে গেছে। তাই দয়া করে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থী যারা আছে, তাদের এখন রাজনীতি করার দরকার নেই।’
মোস্তফা জামান শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, ‘তোমারা যারা শিক্ষার্থী আছ, তোমাদের সময় হলে রাজনীতিতে যুক্ত হবে। এখন পড়াশোনার সময়, তোমরা এখন মন দিয়ে পড়াশোনা কর।’
মোস্তফা জামান বলেন, আওয়ামী লীগ ক্ষমার যোগ্য না। তাদের ভেতরে কোনো অনুশোচনা নেই। ২৪ জুলাই তারা যে হত্যাকাণ্ড চালিয়েছে, সে বিষয়ে এখন পর্যন্ত ক্ষমা চায়নি। বরং তারা দেশ-বিদেশে পালিয়ে আছে। সেখানে বিভিন্ন মানুষকে হয়রানি করে দেশের সুনাম ক্ষুণ্ন করায় ব্যস্ত। আওয়ামী লীগ যেন মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে না পারে, সেদিকে লক্ষ রাখতে হবে।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কামারপাড়া স্কুল অ্যান্ড কলেজ গভর্নিং বডির সভাপতি সুরুজ্জামান, আইনজীবী, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ ডিবেট অ্যাসোসিয়েশনের আল মামুন রাসেল, তুরাগ থানা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক হারুন অর রশিদ খোকা প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

শিক্ষকদের রাজনীতি থেকে বের হয়ে আসতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সদস্যসচিব মোস্তফা জামান। তিনি বলেছেন, ‘একমাত্র অপরাজনীতির কারণে শিক্ষকদের সম্মান নষ্ট হচ্ছে। আমি আহ্বান জানাব, শিক্ষকেরা যেন রাজনীতি না করেন। শিক্ষার্থীদের শিক্ষা কীভাবে বৃদ্ধি করা যায়, সেদিকে মনোযোগী হতে হবে। শিক্ষকদের রাজনীতি থেকে বের হয়ে আসতে হবে।’
উত্তরার কামারপাড়া স্কুল অ্যান্ড কলেজের নবীনবরণ অনুষ্ঠানে আজ বুধবার (২৪ সেপ্টেম্বর) প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই আহ্বান জানান।
এ সময় তিনি দলমত-নির্বিশেষে সব অভিভাবক ও শিক্ষক-শিক্ষার্থীকে স্কুলের উন্নয়নের কাজে পাশে থাকার অনুরোধ জানান।
মোস্তফা জামান বলেন, ‘আমরা যখন পড়াশোনা করেছি, আমাদের শিক্ষকেরা শুধু আমাদের মানুষ করতে পড়াশোনার রাজনীতি করেছে। এখন কিছু শিক্ষক রাজনীতির সঙ্গে জড়িত হয়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে ধ্বংস করে দিচ্ছে। তাদের কারণে শিক্ষকদের সম্মান অনেকটাই কমে গেছে। তাই দয়া করে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থী যারা আছে, তাদের এখন রাজনীতি করার দরকার নেই।’
মোস্তফা জামান শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, ‘তোমারা যারা শিক্ষার্থী আছ, তোমাদের সময় হলে রাজনীতিতে যুক্ত হবে। এখন পড়াশোনার সময়, তোমরা এখন মন দিয়ে পড়াশোনা কর।’
মোস্তফা জামান বলেন, আওয়ামী লীগ ক্ষমার যোগ্য না। তাদের ভেতরে কোনো অনুশোচনা নেই। ২৪ জুলাই তারা যে হত্যাকাণ্ড চালিয়েছে, সে বিষয়ে এখন পর্যন্ত ক্ষমা চায়নি। বরং তারা দেশ-বিদেশে পালিয়ে আছে। সেখানে বিভিন্ন মানুষকে হয়রানি করে দেশের সুনাম ক্ষুণ্ন করায় ব্যস্ত। আওয়ামী লীগ যেন মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে না পারে, সেদিকে লক্ষ রাখতে হবে।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কামারপাড়া স্কুল অ্যান্ড কলেজ গভর্নিং বডির সভাপতি সুরুজ্জামান, আইনজীবী, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ ডিবেট অ্যাসোসিয়েশনের আল মামুন রাসেল, তুরাগ থানা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক হারুন অর রশিদ খোকা প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

বাংলাদেশের নির্বাচনী রাজনীতির ইতিহাসে ইসলামপন্থী দলগুলোর মধ্যে ‘বৃহত্তর ঐক্য’ বা ‘এক বাক্সে ভোট’ নিশ্চিত করার প্রচেষ্টা দীর্ঘদিনের। ২০২৬ সালের নির্বাচনকে সামনে রেখে সেই সম্ভাবনা তুঙ্গে উঠলেও শেষ পর্যন্ত তা চরম নাটকীয়তায় পর্যবসিত হয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে প্রচারণার অংশ হিসেবে দুই দিনের সফরে উত্তরবঙ্গে যাচ্ছেন জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান। ২৩ ও ২৪ জানুয়ারি তিনি দিনাজপুর, ঠাকুরগাঁও, রংপুর ও গাইবান্ধা ভ্রমণ করবেন।
১১ ঘণ্টা আগে
বুকে ব্যথা নিয়ে হাসপাতালে গেছেন নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না। শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) দলটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাকিব আনোয়ার এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
১১ ঘণ্টা আগে
কোনো একক দলের নয়, শেষ পর্যন্ত দেশ ও জনগণের নেত্রী হয়ে উঠেছিলেন সম্প্রতি প্রয়াত বিএনপির প্রধান খালেদা জিয়া। তিনবারের প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার স্মরণে আয়োজিত নাগরিক শোকসভায় এটিই ছিল বক্তাদের কথার অন্যতম মূল সুর। গতকাল শুক্রবার বিকেলে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় এ শোকসভার আয়োজন করা হয়।
১২ ঘণ্টা আগে