নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

বিএনপিকে সরকার ঘরের বউয়ের মত পেটাচ্ছে বলে মন্তব্য করলেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু। আজ সোমবার ঢাকার প্রেসক্লাবে বিএনপি নেতা সেলিমা রহমান, বরকত উল্লাহ বুলু, সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, শামা ওবায়েদ ও তাবিথ আওয়ালসহ নেতা কর্মীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে আয়োজিত সমাবেশে এ কথা বলেন তিনি।
দেশ বাঁচাও, মানুষ বাঁচাওয়ের আয়োজনে এই প্রতিবাদ সমাবেশে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু বলেন, ‘অবশ্যই তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীন নির্বাচন হবে। যারা এই আইন বাতিল করেছে, তাদেরও বিচার হবে। স্বাধীনতা অর্জনের জন্য যেমন আমরা এক সাগর রক্ত দিয়েছি, প্রয়োজনে আরও রক্ত দেব।’ তিনি বলেন, ‘বিরোধী দল যেন ঘরের বউ, যখন খুশি তখন পেটাও। এর পরিণতি ভালো হবে না।’
বরকত উল্লাহ বুলু বলেন, বিএনপি নেতা কর্মীদের এই রক্ত বৃথা যাবে না। নির্বাচনের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, শেখ হাসিনা বিবিসির সঙ্গে সাক্ষাৎকারে বলেছেন, তার সরকার নিরপেক্ষ নির্বাচনের ব্যবস্থা করবে। কিন্তু এটি সত্যের অপলাপ। একটি মোমবাতি জ্বালানোর অনুষ্ঠানে হামলা চালিয়ে আওয়ামী লীগ সরকার কীভাবে নিরপেক্ষ নির্বাচন করবে, এমন প্রশ্ন রাখেন দুদু। সরকারকে পদত্যাগ করে দল নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবি জানান তিনি।
বিএনপির উপদেষ্টা মণ্ডলীর সদস্য হাবিবুর রহমান হাবিব বলেন, যারা বিএনপি নেতা কর্মীদের ওপর এই ন্যক্কারজনক হামলা চালিয়েছে তাদের বিচার করতে হবে। যদি বিচার করা না হয়, তবে জনতার আদালতে হামলাকারীদের বিচার করা হবে।
সমাবেশে যোগ দিয়ে লেবার পার্টির সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান ইরান বলেন, নির্যাতন নিপীড়নের মাত্রা এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, বিএনপির নেতা কর্মীদের বিরুদ্ধে হামলা চালিয়ে আবার তাদের বিরুদ্ধেই মামলা করা হচ্ছে। ঢাকা, নারায়ণগঞ্জসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে একই ঘটনা ঘটছে। ক্ষমতায় না থাকলে অতি উৎসাহী এসব আওয়ামী লীগ নেতা কর্মী ও পুলিশ সদস্যদের পরিণতি ভালো হবে না বলেও সতর্ক করেন তিনি।
দেশ বাঁচাও, মানুষ বাঁচাও আন্দোলনের সভাপতি কে এম রকিবুল ইসলাম রিপন বলেন, এই সমাবেশে আরও অনেক বিএনপি নেতার আসার কথা ছিল। কিন্তু এই নিশি রাতের সরকার তাদের আটকে রেখেছে। এই নির্যাতন, নিপীড়ন বন্ধ ও হামলাকারীদের বিচার করতে হবে।

বিএনপিকে সরকার ঘরের বউয়ের মত পেটাচ্ছে বলে মন্তব্য করলেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু। আজ সোমবার ঢাকার প্রেসক্লাবে বিএনপি নেতা সেলিমা রহমান, বরকত উল্লাহ বুলু, সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, শামা ওবায়েদ ও তাবিথ আওয়ালসহ নেতা কর্মীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে আয়োজিত সমাবেশে এ কথা বলেন তিনি।
দেশ বাঁচাও, মানুষ বাঁচাওয়ের আয়োজনে এই প্রতিবাদ সমাবেশে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু বলেন, ‘অবশ্যই তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীন নির্বাচন হবে। যারা এই আইন বাতিল করেছে, তাদেরও বিচার হবে। স্বাধীনতা অর্জনের জন্য যেমন আমরা এক সাগর রক্ত দিয়েছি, প্রয়োজনে আরও রক্ত দেব।’ তিনি বলেন, ‘বিরোধী দল যেন ঘরের বউ, যখন খুশি তখন পেটাও। এর পরিণতি ভালো হবে না।’
বরকত উল্লাহ বুলু বলেন, বিএনপি নেতা কর্মীদের এই রক্ত বৃথা যাবে না। নির্বাচনের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, শেখ হাসিনা বিবিসির সঙ্গে সাক্ষাৎকারে বলেছেন, তার সরকার নিরপেক্ষ নির্বাচনের ব্যবস্থা করবে। কিন্তু এটি সত্যের অপলাপ। একটি মোমবাতি জ্বালানোর অনুষ্ঠানে হামলা চালিয়ে আওয়ামী লীগ সরকার কীভাবে নিরপেক্ষ নির্বাচন করবে, এমন প্রশ্ন রাখেন দুদু। সরকারকে পদত্যাগ করে দল নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবি জানান তিনি।
বিএনপির উপদেষ্টা মণ্ডলীর সদস্য হাবিবুর রহমান হাবিব বলেন, যারা বিএনপি নেতা কর্মীদের ওপর এই ন্যক্কারজনক হামলা চালিয়েছে তাদের বিচার করতে হবে। যদি বিচার করা না হয়, তবে জনতার আদালতে হামলাকারীদের বিচার করা হবে।
সমাবেশে যোগ দিয়ে লেবার পার্টির সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান ইরান বলেন, নির্যাতন নিপীড়নের মাত্রা এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, বিএনপির নেতা কর্মীদের বিরুদ্ধে হামলা চালিয়ে আবার তাদের বিরুদ্ধেই মামলা করা হচ্ছে। ঢাকা, নারায়ণগঞ্জসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে একই ঘটনা ঘটছে। ক্ষমতায় না থাকলে অতি উৎসাহী এসব আওয়ামী লীগ নেতা কর্মী ও পুলিশ সদস্যদের পরিণতি ভালো হবে না বলেও সতর্ক করেন তিনি।
দেশ বাঁচাও, মানুষ বাঁচাও আন্দোলনের সভাপতি কে এম রকিবুল ইসলাম রিপন বলেন, এই সমাবেশে আরও অনেক বিএনপি নেতার আসার কথা ছিল। কিন্তু এই নিশি রাতের সরকার তাদের আটকে রেখেছে। এই নির্যাতন, নিপীড়ন বন্ধ ও হামলাকারীদের বিচার করতে হবে।

গাইবান্ধা-৫ (ফুলছড়ি-সাঘাটা) আসনে জাতীয় পার্টির মহাসচিব শামীম হায়দার পাটোয়ারীর বিপরীতে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনী মাঠে নেমেছেন জাতীয় পার্টির ভাইস চেয়ারম্যান এ এইচ এম গোলাম শহীদ রঞ্জু। একই দলের দুই শীর্ষস্থানীয় নেতার ভিন্ন অবস্থান সংশ্লিষ্ট নির্বাচনী এলাকায় ভোটারদের মধ্যে সৃষ্টি করেছে বিভ্রান
১ ঘণ্টা আগে
পুরান ঢাকার বাংলাবাজারের সরু গলিতে সকাল থেকেই মানুষের ভিড়। দুই পাশে শতবর্ষী ভবন, মাঝে পুরোনো বৈদ্যুতিক খুঁটি ও ঝুলে পড়া তার—যেন সময় এখানে থমকে আছে। ঠিক এই গলিতে দাঁড়িয়ে ৬২ বছর বয়সী ব্যবসায়ী আবদুল করিম বলেন, ‘ভোট তো দিমু, কিন্তু বদল কি হইব? এইটাই প্রশ্ন।’
২ ঘণ্টা আগে
পটুয়াখালী-৩ (গলাচিপা-দশমিনা) আসনকে ঘিরে রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। আসনটিতে গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি ও ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুরকে বিজয়ী করতে দৃঢ় ও কঠোর অবস্থানে গেছে বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। দলীয় সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন না করায় শেষ পর্যন্ত গতকাল শনিবার এই আসনের দুই উপজেলা ও একটি পৌর শাখার দলীয়
২ ঘণ্টা আগে
নির্বাচন কমিশনে (ইসি) শুনানির এক পর্যায়ে ফেনী-৩ আসনের বিএনপির প্রার্থী আব্দুল আউয়াল মিন্টু ও কুমিল্লা-৪ আসনের এনসিপির প্রার্থী আবুল হাসনাত (হাসনাত আবদুল্লাহ) বাগ্বিতণ্ডায় পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। এতে বাধে হট্টগোল।
৪ ঘণ্টা আগে