নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

অন্তর্বর্তী সরকার যদি পাঁচ বছর ক্ষমতায় থাকার ইচ্ছা পোষণ করে, তবে দেশবাসীর কাছে এটি পরিষ্কার করা উচিত বলে মন্তব্য করেছেন বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক ও গণতন্ত্র মঞ্চের অন্যতম নেতা সাইফুল হক।
আজ শুক্রবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে বিপ্লবী যুব সংহতির উদ্যোগে আয়োজিত ফিলিস্তিনে গণহত্যার প্রতিবাদে এক মানববন্ধনে সাইফুল হক এসব কথা বলেন।
সাইফুল হক বলেন, ‘গতকাল আমাদের স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেছেন, সরকারকে নাকি আরও পাঁচ বছর ক্ষমতায় থাকা দরকার। আমি স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টাকে বলতে চাই, আপনি কি সরকারের মনের কথা নিজের মুখ দিয়ে উচ্চারণ করলেন? সরকারের মনের কথা যদি আপনি নিজে উচ্চারণ করে থাকেন, তাহলে সরকারের উচিত হবে কথাটি পরিষ্কারভাবে দেশবাসীকে জানানো।’
ভারতের ট্রান্সশিপমেন্ট বাতিলের বিষয়ে বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘দুদিন আগে দেখলাম, ভারত আমাদের এখানে ট্রান্সশিপমেন্ট বন্ধ করে দিয়েছে। আমরা যেটুকু বাণিজ্যিক সুবিধা পেতাম, সেটা তারা বন্ধ করে দিয়েছে। আমরা এই ট্রান্সশিপমেন্ট দিয়ে নেপাল ও ভুটানের মতো দেশে বাণিজ্যিক পণ্য রপ্তানি করতে পারতাম। এভাবে কোনো আন্তর্জাতিক চুক্তি এককভাবে ভারত বন্ধ করতে পারে না। এটা ভারতের কোনো সৎ প্রতিবেশীর পরিচয় নয়। এটা বন্ধুত্বের কোনো নমুনা নয়।’
সাইফুল হক বলেন, ‘কয়েক দিন আগে ব্যাংককে ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আমাদের উপদেষ্টার যে বৈঠক হয়েছে, তাতে আমরা আশায় বুক বেঁধেছিলাম, আট মাস পরে আমাদের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের যে বরফ, সেটা কিছু গলতে শুরু করেছে। কিন্তু আমরা লক্ষ করেছি, ভারত কার্যত সেই বৈঠকের পর থেকে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে তাদের তৎপরতা অব্যাহত রেখেছে। পরিষ্কার করে বলতে চাই, ভারত একতরফাভাবে এ রকম আন্তর্জাতিক চুক্তি বাতিল করতে পারে না।’
উপদেষ্টাদের উদ্দেশে বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘আমাদের রামপাল যে বিদ্যুৎ প্রকল্প, যেটা ভারতের স্বার্থে নেওয়া হয়েছিল, এ রকম প্রকল্পগুলো অবিলম্বে বন্ধ করা দরকার। ভারতের সঙ্গে স্বাক্ষরিত যাবতীয় দেশবিরোধী, নিরাপত্তাবিরোধী চুক্তি হয়েছে, সেগুলো প্রকাশ করা দরকার। যেগুলো জাতীয় স্বার্থের পরিপন্থী, সেগুলো বন্ধ করা দরকার। ভারতের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করে আমরা আমাদের যাবতীয় দ্বিপাক্ষিক সমস্যার সমাধান করতে চাই।’
গণতন্ত্র মঞ্চের এই নেতা বলেন, ‘ফিলিস্তিনে এই গণহত্যার বিরুদ্ধে, এই জায়নবাদী হামলা ও আক্রমণের বিরুদ্ধে পুরো বাংলাদেশের মানুষ জেগে উঠেছে। আমাদের সরকারকে বলতে চাই, দুই-তিনটা কাজ আপনারা করতে পারেন। প্রথমত, আমাদের পাসপোর্টে আগে যেভাবে ইসরায়েলকে নিষিদ্ধের কাতারে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল, এখন সেভাবে উল্লেখ থাকা দরকার। দ্বিতীয়ত, হাসিনা সরকার ইসরায়েলের আড়িপাতা যন্ত্র ইউরোপের বিভিন্ন দেশ ও কোম্পানির মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে আমদানি করেছিল। গত ১৫ বছর তারা আমাদের ওপর গোয়েন্দাগিরি করতে গিয়ে ইসরায়েলি প্রযুক্তি ব্যবহার করেছে। যেভাবে এসব প্রযুক্তি আমদানি করা হয়েছে, এগুলো খোলামেলা দেশবাসীর কাছে প্রকাশ করে বন্ধ করতে হবে। এ ছাড়া ইসরায়েলি পণ্য বয়কট করতে হবে।’

অন্তর্বর্তী সরকার যদি পাঁচ বছর ক্ষমতায় থাকার ইচ্ছা পোষণ করে, তবে দেশবাসীর কাছে এটি পরিষ্কার করা উচিত বলে মন্তব্য করেছেন বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক ও গণতন্ত্র মঞ্চের অন্যতম নেতা সাইফুল হক।
আজ শুক্রবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে বিপ্লবী যুব সংহতির উদ্যোগে আয়োজিত ফিলিস্তিনে গণহত্যার প্রতিবাদে এক মানববন্ধনে সাইফুল হক এসব কথা বলেন।
সাইফুল হক বলেন, ‘গতকাল আমাদের স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেছেন, সরকারকে নাকি আরও পাঁচ বছর ক্ষমতায় থাকা দরকার। আমি স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টাকে বলতে চাই, আপনি কি সরকারের মনের কথা নিজের মুখ দিয়ে উচ্চারণ করলেন? সরকারের মনের কথা যদি আপনি নিজে উচ্চারণ করে থাকেন, তাহলে সরকারের উচিত হবে কথাটি পরিষ্কারভাবে দেশবাসীকে জানানো।’
ভারতের ট্রান্সশিপমেন্ট বাতিলের বিষয়ে বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘দুদিন আগে দেখলাম, ভারত আমাদের এখানে ট্রান্সশিপমেন্ট বন্ধ করে দিয়েছে। আমরা যেটুকু বাণিজ্যিক সুবিধা পেতাম, সেটা তারা বন্ধ করে দিয়েছে। আমরা এই ট্রান্সশিপমেন্ট দিয়ে নেপাল ও ভুটানের মতো দেশে বাণিজ্যিক পণ্য রপ্তানি করতে পারতাম। এভাবে কোনো আন্তর্জাতিক চুক্তি এককভাবে ভারত বন্ধ করতে পারে না। এটা ভারতের কোনো সৎ প্রতিবেশীর পরিচয় নয়। এটা বন্ধুত্বের কোনো নমুনা নয়।’
সাইফুল হক বলেন, ‘কয়েক দিন আগে ব্যাংককে ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আমাদের উপদেষ্টার যে বৈঠক হয়েছে, তাতে আমরা আশায় বুক বেঁধেছিলাম, আট মাস পরে আমাদের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের যে বরফ, সেটা কিছু গলতে শুরু করেছে। কিন্তু আমরা লক্ষ করেছি, ভারত কার্যত সেই বৈঠকের পর থেকে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে তাদের তৎপরতা অব্যাহত রেখেছে। পরিষ্কার করে বলতে চাই, ভারত একতরফাভাবে এ রকম আন্তর্জাতিক চুক্তি বাতিল করতে পারে না।’
উপদেষ্টাদের উদ্দেশে বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘আমাদের রামপাল যে বিদ্যুৎ প্রকল্প, যেটা ভারতের স্বার্থে নেওয়া হয়েছিল, এ রকম প্রকল্পগুলো অবিলম্বে বন্ধ করা দরকার। ভারতের সঙ্গে স্বাক্ষরিত যাবতীয় দেশবিরোধী, নিরাপত্তাবিরোধী চুক্তি হয়েছে, সেগুলো প্রকাশ করা দরকার। যেগুলো জাতীয় স্বার্থের পরিপন্থী, সেগুলো বন্ধ করা দরকার। ভারতের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করে আমরা আমাদের যাবতীয় দ্বিপাক্ষিক সমস্যার সমাধান করতে চাই।’
গণতন্ত্র মঞ্চের এই নেতা বলেন, ‘ফিলিস্তিনে এই গণহত্যার বিরুদ্ধে, এই জায়নবাদী হামলা ও আক্রমণের বিরুদ্ধে পুরো বাংলাদেশের মানুষ জেগে উঠেছে। আমাদের সরকারকে বলতে চাই, দুই-তিনটা কাজ আপনারা করতে পারেন। প্রথমত, আমাদের পাসপোর্টে আগে যেভাবে ইসরায়েলকে নিষিদ্ধের কাতারে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল, এখন সেভাবে উল্লেখ থাকা দরকার। দ্বিতীয়ত, হাসিনা সরকার ইসরায়েলের আড়িপাতা যন্ত্র ইউরোপের বিভিন্ন দেশ ও কোম্পানির মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে আমদানি করেছিল। গত ১৫ বছর তারা আমাদের ওপর গোয়েন্দাগিরি করতে গিয়ে ইসরায়েলি প্রযুক্তি ব্যবহার করেছে। যেভাবে এসব প্রযুক্তি আমদানি করা হয়েছে, এগুলো খোলামেলা দেশবাসীর কাছে প্রকাশ করে বন্ধ করতে হবে। এ ছাড়া ইসরায়েলি পণ্য বয়কট করতে হবে।’

আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে ১১ দলীয় রাজনৈতিক জোটের অন্দরে আসন সমঝোতা নিয়ে এক চরম নাটকীয়তা তৈরি হয়েছে। জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বে এই জোটে শরিকদের মধ্যে আসন বণ্টন নিয়ে সৃষ্ট জটিলতা গতকাল মঙ্গলবার রাত পর্যন্ত কাটেনি। বিশেষ করে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের সঙ্গে জামায়াতের রশি
৬ মিনিট আগে
একটি বাসায় কয়েকজন ব্যক্তি বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের অনেকগুলো পোস্টাল ব্যালট গুনছেন—এমন একটি ভিডিও অনলাইনে ছড়িয়ে পড়েছে। পোস্টাল ব্যালটের খামে ঠিকানা লেখা রয়েছে বাহরাইনের। আজ মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) নির্বাচন কমিশনের (ইসি) কাছে বিষয়টি নিয়ে আইনি ব্যবস্থা দাবি করেছে বিএনপি।
১১ ঘণ্টা আগে
বিএনপি সংস্কারের পক্ষে ও গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেবে বলে জানিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম খান। তিনি বলেছেন, ‘আমরাই সংস্কারের দাবি সবার আগে করেছি। সেই সংস্কারের বিপক্ষে তো আমরা নই, আমরা সেই সংস্কারের পক্ষে। অতএব আমরা ‘হ্যাঁ’ ভোট দেব।
১২ ঘণ্টা আগে
একটি বিশেষ রাজনৈতিক দল ভোটারদের কাছ থেকে বিভিন্ন এলাকায় এনআইডি কার্ড ও বিকাশ নম্বর সংগ্রহ করছে বলে দাবি করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম খান। তিনি বলেছেন, ‘একটি বিশেষ রাজনৈতিক দল ভোটারদের কাছ থেকে বিভিন্ন এলাকায় এনআইডি কার্ড ও বিকাশ নম্বর সংগ্রহ কর
১২ ঘণ্টা আগে