নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সাবেক ভিপি নুরুল হক নুরের ওপর হামলাকারীদের বিরুদ্ধে ‘দৃশ্যমান’ কোনো ব্যবস্থা না নেওয়ায় উদ্বেগ জানিয়েছে দলটি।
একই সঙ্গে ওই হামলাকারীদের বিচার, স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার পদত্যাগ ও ফ্যাসিবাদের দোসর জাতীয় পার্টিসহ ১৪ দলের রাজনীতি নিষিদ্ধের দাবি জানিয়ে আগামীকাল শুক্রবার বিকেলে রাজধানীর শাহবাগে সর্বদলীয় সংহতি সমাবেশের ডাক দিয়েছে গণঅধিকার পরিষদ।
আজ বৃহস্পতিবার দলটির দপ্তর সম্পাদক শাকিল উজ্জামানের পাঠানো বিবৃতিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।
বিবৃতিতে বলা হয়, গত ২৯ আগস্ট গণঅধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে দলের সভাপতি নুরুল হক নুর সংবাদ সম্মেলন করার সময় পুলিশ ও সেনাসদস্যরা তাঁকেসহ অন্য নেতা-কর্মীদের ওপর বর্বরোচিত হামলা করে। সেই সঙ্গে দলীয় কার্যালয়ে ঢুকে চেয়ার-টেবিল ভাঙচুর করে। এ ঘটনায় শতাধিক নেতা-কর্মী আহত হন। অনেকের অবস্থা গুরুতর। সরকারের পক্ষ থেকে বিচারের আশ্বাস দেওয়া হলেও হামলাকারীদের ভিডিও ফুটেজ থাকার পরও এখন পর্যন্ত দৃশ্যমান কোনো ব্যবস্থা না নেওয়ায় গণঅধিকার পরিষদ উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।
এতে বলা হয়, গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে সামনের সারির যোদ্ধা হিসেবে অবদান রেখেছেন। জুলাই অভ্যুত্থানের পরও তাঁর মতো নেতার ওপর এমন নির্মম হামলা চালানো হয়েছে, যা ফ্যাসিবাদী শক্তির পুনরুত্থানের ইঙ্গিত দেয়। এটি শুধু গণঅধিকার পরিষদের ওপর নয়, বরং সমগ্র জাতির গণতান্ত্রিক অধিকারের ওপর হামলা। গণঅধিকার পরিষদ মনে করে, এই হামলার পেছনে আওয়ামী লীগের দোসর বাহিনী এবং জাতীয় পার্টির ষড়যন্ত্র রয়েছে, যা নয়া বাংলাদেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতাকে ধ্বংস করার চক্রান্ত।

গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সাবেক ভিপি নুরুল হক নুরের ওপর হামলাকারীদের বিরুদ্ধে ‘দৃশ্যমান’ কোনো ব্যবস্থা না নেওয়ায় উদ্বেগ জানিয়েছে দলটি।
একই সঙ্গে ওই হামলাকারীদের বিচার, স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার পদত্যাগ ও ফ্যাসিবাদের দোসর জাতীয় পার্টিসহ ১৪ দলের রাজনীতি নিষিদ্ধের দাবি জানিয়ে আগামীকাল শুক্রবার বিকেলে রাজধানীর শাহবাগে সর্বদলীয় সংহতি সমাবেশের ডাক দিয়েছে গণঅধিকার পরিষদ।
আজ বৃহস্পতিবার দলটির দপ্তর সম্পাদক শাকিল উজ্জামানের পাঠানো বিবৃতিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।
বিবৃতিতে বলা হয়, গত ২৯ আগস্ট গণঅধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে দলের সভাপতি নুরুল হক নুর সংবাদ সম্মেলন করার সময় পুলিশ ও সেনাসদস্যরা তাঁকেসহ অন্য নেতা-কর্মীদের ওপর বর্বরোচিত হামলা করে। সেই সঙ্গে দলীয় কার্যালয়ে ঢুকে চেয়ার-টেবিল ভাঙচুর করে। এ ঘটনায় শতাধিক নেতা-কর্মী আহত হন। অনেকের অবস্থা গুরুতর। সরকারের পক্ষ থেকে বিচারের আশ্বাস দেওয়া হলেও হামলাকারীদের ভিডিও ফুটেজ থাকার পরও এখন পর্যন্ত দৃশ্যমান কোনো ব্যবস্থা না নেওয়ায় গণঅধিকার পরিষদ উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।
এতে বলা হয়, গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে সামনের সারির যোদ্ধা হিসেবে অবদান রেখেছেন। জুলাই অভ্যুত্থানের পরও তাঁর মতো নেতার ওপর এমন নির্মম হামলা চালানো হয়েছে, যা ফ্যাসিবাদী শক্তির পুনরুত্থানের ইঙ্গিত দেয়। এটি শুধু গণঅধিকার পরিষদের ওপর নয়, বরং সমগ্র জাতির গণতান্ত্রিক অধিকারের ওপর হামলা। গণঅধিকার পরিষদ মনে করে, এই হামলার পেছনে আওয়ামী লীগের দোসর বাহিনী এবং জাতীয় পার্টির ষড়যন্ত্র রয়েছে, যা নয়া বাংলাদেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতাকে ধ্বংস করার চক্রান্ত।

একটি বাসার ভেতর পোস্টাল ব্যালট গণনার ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন। তিনি বলেছেন, ‘পোস্টাল ব্যালটের বিষয়টি আমি দেখেছি। এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে আমি জানি।’
১ ঘণ্টা আগে
উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়ে কিছু প্রার্থী নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করছেন বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস। কারও নাম উল্লেখ না করে তিনি বলেছেন, কিছু কিছু প্রার্থীর কথাবার্তা ও কাজকর্ম উসকানিমূলক। তাঁরা বিধিমালা লঙ্ঘন করে অন্য প্রার্থীর বিরুদ্ধে কথা বলছেন।
১ ঘণ্টা আগে
জামায়াতের প্রচার বিভাগ থেকে পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে দলটির সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও ১১ দলের সমন্বয়ক হামিদুর রহমান আযাদ জানান, আজ ১৪ জানুয়ারি বিকেল সাড়ে ৪টায় আন্দোলনরত ১১ দল ঘোষিত সংবাদ সম্মেলন অনিবার্য কারণবশত স্থগিত করা হয়েছে।
৫ ঘণ্টা আগে
আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে ১১ দলীয় রাজনৈতিক জোটের অন্দরে আসন সমঝোতা নিয়ে এক চরম নাটকীয়তা তৈরি হয়েছে। জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বে এই জোটে শরিকদের মধ্যে আসন বণ্টন নিয়ে সৃষ্ট জটিলতা গতকাল মঙ্গলবার রাত পর্যন্ত কাটেনি। বিশেষ করে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের সঙ্গে জামায়াতের রশি
৯ ঘণ্টা আগে