আজকের পত্রিকা ডেস্ক

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, ইতিহাসে সমালোচিত এক-এগারো সরকার দেশের রাজনৈতিক ও গণতান্ত্রিক অর্জনকে গুঁড়িয়ে দিতে চেয়েছিল। দেশে বিরাজনীতিকরণ করতে চেয়েছিল। বিবিসি বাংলাকে দেওয়া তাঁর সাক্ষাৎকারের দ্বিতীয় পর্বে তিনি এসব কথা বলেন।
এক-এগারো সরকারকে আপনি কীভাবে মূল্যায়ন করেন—এমন এক প্রশ্নের জবাবে তারেক রহমান বলেন, ‘একবাক্যে বা সংক্ষেপে বলতে হয়, এক-এগারো সরকার একটি উদ্দেশ্যপ্রণোদিত, অসদুদ্দেশ্যপ্রণোদিত একটি সরকার ছিল। আমরা দেখেছি, সেই সরকার আসলে কীভাবে দেশের যতটুকু, যেমনই হোক বিভিন্ন ঘাত-প্রতিঘাতের মধ্য দিয়ে রাজনীতি গড়ে উঠেছিল, গণতন্ত্রের ভিত্তি গড়ে উঠেছিল বা ধীরে ধীরে গড়ে উঠছিল—ভুলত্রুটি সবকিছুর ভেতর দিয়ে আমরা দেখেছি, তারা কীভাবে এর সবকিছু ভেঙে গুঁড়িয়ে দিতে চেয়েছিল, বিরাজনীতিকরণ করতে চেয়েছিল।’
এ সময় তিনি এক-এগারো পরবর্তী সময়ে ক্ষমতায় আসা আওয়ামী লীগ সরকারকে ইঙ্গিত করে বলেন, ‘এক-এগারো সরকার দেশকে একটি অন্ধকার দিকে নিয়ে যেতে চেয়েছিল। পরবর্তীতে আমরা গণতন্ত্রের নামে খুবসম্ভবত তাদেরই ভিন্ন একটি রূপ দেখেছি।’
সাক্ষাৎকারে তারেক রহমান বিএনপির রাজনীতির পরিবর্তন ও ভবিষ্যৎ নিয়ে কথা বলেন। তিনি বলেছেন, ভবিষ্যৎ বিএনপির অন্যতম মূল লক্ষ্য দেশের গণতন্ত্রের বুনিয়াদ শক্ত করা। তিনি বলেন, ‘আমাদের রাজনীতির মূল লক্ষ্য বা উদ্দেশ্য হচ্ছে জনগণ, দেশ ও দেশের সার্বভৌমত্ব। আমরা বাংলাদেশের দুটো বিষয় নিয়ে খুব গর্ব করি, অহংকার করি—একটি হচ্ছে বাংলাদেশের গার্মেন্টস শিল্প ও আরেকটি হচ্ছে প্রবাসীরা দিনরাত পরিশ্রম করে যে মুদ্রা (রেমিট্যান্স) পাঠান সেটি। এই দুটোই কিন্তু বিএনপি শুরু করেছিল।’
তারেক রহমান আরও বলেন, ‘আমরা দেখেছি, বিএনপির সময়ই শুরু হয়েছিল লোকজনের বিদেশ যাওয়া এবং একই সঙ্গে গার্মেন্টস শিল্পের যে প্রসার...। এর বাইরে যদি আমরা দেখি, ১৯৭৪ সালে যে দুর্ভিক্ষটা হয়েছিল, পরবর্তীতে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান যখন দেশ পরিচালনার দায়িত্ব পেলেন, তারপর কীভাবে একটা দুর্ভিক্ষপীড়িত দেশকে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ করেছেন। শুধু স্বয়ংসম্পূর্ণ না, স্বল্প করে হলেও সে সময়ে আমরা কিন্তু খাদ্য, চাল রপ্তানি করেছিলাম।’
এ সময় বিএনপির ডি-ফ্যাক্টোপ্রধান বাকশালের উদাহরণ টেনে বলেন, ‘বিএনপির কাঁধে যখন দেশ পরিচালনার দায়িত্ব পড়ে তখন কীভাবে বহুদলীয় গণতন্ত্র আবার ফিরে আসে।’ তিনি অতীত থেকে শিক্ষা নেওয়ার কথা উল্লেখ করে বলেন, ‘আমরা অতীতে এই ভালো কাজগুলো করেছি। ভবিষ্যতে ইনশা আল্লাহ এই বিষয়গুলো আমলে নিয়েই আমরা এগিয়ে যাব। ভবিষ্যৎ বিএনপির অন্যতম মূল লক্ষ্য হবে গণতন্ত্রের একটি শক্তিশালী বুনিয়াদ তৈরি করা।’

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, ইতিহাসে সমালোচিত এক-এগারো সরকার দেশের রাজনৈতিক ও গণতান্ত্রিক অর্জনকে গুঁড়িয়ে দিতে চেয়েছিল। দেশে বিরাজনীতিকরণ করতে চেয়েছিল। বিবিসি বাংলাকে দেওয়া তাঁর সাক্ষাৎকারের দ্বিতীয় পর্বে তিনি এসব কথা বলেন।
এক-এগারো সরকারকে আপনি কীভাবে মূল্যায়ন করেন—এমন এক প্রশ্নের জবাবে তারেক রহমান বলেন, ‘একবাক্যে বা সংক্ষেপে বলতে হয়, এক-এগারো সরকার একটি উদ্দেশ্যপ্রণোদিত, অসদুদ্দেশ্যপ্রণোদিত একটি সরকার ছিল। আমরা দেখেছি, সেই সরকার আসলে কীভাবে দেশের যতটুকু, যেমনই হোক বিভিন্ন ঘাত-প্রতিঘাতের মধ্য দিয়ে রাজনীতি গড়ে উঠেছিল, গণতন্ত্রের ভিত্তি গড়ে উঠেছিল বা ধীরে ধীরে গড়ে উঠছিল—ভুলত্রুটি সবকিছুর ভেতর দিয়ে আমরা দেখেছি, তারা কীভাবে এর সবকিছু ভেঙে গুঁড়িয়ে দিতে চেয়েছিল, বিরাজনীতিকরণ করতে চেয়েছিল।’
এ সময় তিনি এক-এগারো পরবর্তী সময়ে ক্ষমতায় আসা আওয়ামী লীগ সরকারকে ইঙ্গিত করে বলেন, ‘এক-এগারো সরকার দেশকে একটি অন্ধকার দিকে নিয়ে যেতে চেয়েছিল। পরবর্তীতে আমরা গণতন্ত্রের নামে খুবসম্ভবত তাদেরই ভিন্ন একটি রূপ দেখেছি।’
সাক্ষাৎকারে তারেক রহমান বিএনপির রাজনীতির পরিবর্তন ও ভবিষ্যৎ নিয়ে কথা বলেন। তিনি বলেছেন, ভবিষ্যৎ বিএনপির অন্যতম মূল লক্ষ্য দেশের গণতন্ত্রের বুনিয়াদ শক্ত করা। তিনি বলেন, ‘আমাদের রাজনীতির মূল লক্ষ্য বা উদ্দেশ্য হচ্ছে জনগণ, দেশ ও দেশের সার্বভৌমত্ব। আমরা বাংলাদেশের দুটো বিষয় নিয়ে খুব গর্ব করি, অহংকার করি—একটি হচ্ছে বাংলাদেশের গার্মেন্টস শিল্প ও আরেকটি হচ্ছে প্রবাসীরা দিনরাত পরিশ্রম করে যে মুদ্রা (রেমিট্যান্স) পাঠান সেটি। এই দুটোই কিন্তু বিএনপি শুরু করেছিল।’
তারেক রহমান আরও বলেন, ‘আমরা দেখেছি, বিএনপির সময়ই শুরু হয়েছিল লোকজনের বিদেশ যাওয়া এবং একই সঙ্গে গার্মেন্টস শিল্পের যে প্রসার...। এর বাইরে যদি আমরা দেখি, ১৯৭৪ সালে যে দুর্ভিক্ষটা হয়েছিল, পরবর্তীতে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান যখন দেশ পরিচালনার দায়িত্ব পেলেন, তারপর কীভাবে একটা দুর্ভিক্ষপীড়িত দেশকে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ করেছেন। শুধু স্বয়ংসম্পূর্ণ না, স্বল্প করে হলেও সে সময়ে আমরা কিন্তু খাদ্য, চাল রপ্তানি করেছিলাম।’
এ সময় বিএনপির ডি-ফ্যাক্টোপ্রধান বাকশালের উদাহরণ টেনে বলেন, ‘বিএনপির কাঁধে যখন দেশ পরিচালনার দায়িত্ব পড়ে তখন কীভাবে বহুদলীয় গণতন্ত্র আবার ফিরে আসে।’ তিনি অতীত থেকে শিক্ষা নেওয়ার কথা উল্লেখ করে বলেন, ‘আমরা অতীতে এই ভালো কাজগুলো করেছি। ভবিষ্যতে ইনশা আল্লাহ এই বিষয়গুলো আমলে নিয়েই আমরা এগিয়ে যাব। ভবিষ্যৎ বিএনপির অন্যতম মূল লক্ষ্য হবে গণতন্ত্রের একটি শক্তিশালী বুনিয়াদ তৈরি করা।’

আসন ভাগাভাগি নিয়ে চূড়ান্ত সমঝোতায় পৌঁছাতে পারেনি জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট। এই অবস্থায় জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩০০ আসনের মধ্যে ২৫৩ আসনে জোটের প্রার্থী ঘোষণা করা হয়েছে। ফলে ঝুলে থাকল ৪৭টি আসন। তিনটি দলের আসনের ভাগ জানানো হয়নি।
৬ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আচরণবিধি মানা হচ্ছে না বলে অভিযোগ তুলেছে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামী। দল দুটি আজ বৃহস্পতিবার প্রধান নির্বাচন কমিশনারের (সিইসি) সঙ্গে পৃথক বৈঠক করে এই অভিযোগ জানিয়েছে।
১০ ঘণ্টা আগে
সংবাদ সম্মেলনে জাগপা, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আসন সমঝোতা নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানানো হয়নি। তবে জোটের একটি সূত্র এই তিন দলের আসন বণ্টন বিষয়ে তথ্য দিয়েছে।
১০ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩০০টি আসনের মধ্যে ২৫৩টিতে জামায়াত নেতৃত্বাধীন জোটের শরিক দলগুলোর মধ্যে আসন সমঝোতার রূপরেখা ঘোষণা করেছেন জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের। তিনি জানান, জামায়াত ১৭৯টি আসনে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে এবার।
১১ ঘণ্টা আগে