নিজস্ব প্রতিবেদক

ঢাকা: বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার জন্ম তারিখের নথি তলব করে আদালতের রুল জারিতে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, 'এটা একটা ইস্যু হতে পারে না। রাজনীতি তো নেই। তাই এই ধরনের ইস্যু সৃষ্টি করে জাতিকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করা হচ্ছে। মূল সমস্যাগুলো থেকে জনগণকে ভুল দিকে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা হচ্ছে।'
সোমবার দুপুরে গুলশানে দলের চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন।
গতকাল রোববার খালেদা জিয়ার জন্মদিনের সব নথি তলব করে রুল জারি করেছে হাইকোর্ট। তাঁর জন্মতারিখ নিয়ে যাবতীয় তথ্য আগামী ৬০ দিনের মধ্যে জমা দিতে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে বলা হয়েছে। এ সংক্রান্ত একটি রিট আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদর্শটি দেওয়া হয়।
সংবাদ সম্মেলনে এর প্রতিক্রিয়ায় ফখরুল বলেন, 'এটার বিষয়ে আদালত হুকুম দিয়েছেন। আমি জানি না আদালত কীভাবে এটা দিলেন।'
বিএনপি চেয়ারপারসনের একাধিক জন্মতারিখ ব্যবহারের বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে বিবাদীদের নিষ্ক্রিয়তা চ্যালেঞ্জ করে সম্প্রতি হাইকোর্টে এ আবেদনটি করেন আইনজীবী মামুনুর রশিদ।
বিএনপি মহাসচিব বলেন, 'আমি যতটুকু বুঝি, ব্যক্তিগতভাবে যদি কেউ নিজেকে ক্ষতিগ্রস্ত মনে করেন, তখন রিট করতে পারেন। কিন্তু যিনি রিট করেছেন, তিনি তো ব্যক্তিগতভাবে ক্ষতিগ্রস্ত নন।'
রিট আবেদনে পাঁচটি তারিখে খালেদার জন্মদিন উল্লেখ করা হয়েছে। এরই মধ্যে সম্প্রতি খালেদা জিয়ার করোনাভাইরাস পরীক্ষার প্রতিবেদনে তাঁর জন্ম তারিখ উল্লেখ করা হয়েছে ১৯৪৬ সালের ৮ মে।
তবে বিএনপি মহাসচিবের দাবি, এ বিষয়টা নিয়ে যা বলা হচ্ছে, তা অসত্য। যে রিপোর্টের কথা বলা হচ্ছে, সেটাও মিথ্যা বলে দাবি করেছেন তিনি।

ঢাকা: বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার জন্ম তারিখের নথি তলব করে আদালতের রুল জারিতে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, 'এটা একটা ইস্যু হতে পারে না। রাজনীতি তো নেই। তাই এই ধরনের ইস্যু সৃষ্টি করে জাতিকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করা হচ্ছে। মূল সমস্যাগুলো থেকে জনগণকে ভুল দিকে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা হচ্ছে।'
সোমবার দুপুরে গুলশানে দলের চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন।
গতকাল রোববার খালেদা জিয়ার জন্মদিনের সব নথি তলব করে রুল জারি করেছে হাইকোর্ট। তাঁর জন্মতারিখ নিয়ে যাবতীয় তথ্য আগামী ৬০ দিনের মধ্যে জমা দিতে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে বলা হয়েছে। এ সংক্রান্ত একটি রিট আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদর্শটি দেওয়া হয়।
সংবাদ সম্মেলনে এর প্রতিক্রিয়ায় ফখরুল বলেন, 'এটার বিষয়ে আদালত হুকুম দিয়েছেন। আমি জানি না আদালত কীভাবে এটা দিলেন।'
বিএনপি চেয়ারপারসনের একাধিক জন্মতারিখ ব্যবহারের বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে বিবাদীদের নিষ্ক্রিয়তা চ্যালেঞ্জ করে সম্প্রতি হাইকোর্টে এ আবেদনটি করেন আইনজীবী মামুনুর রশিদ।
বিএনপি মহাসচিব বলেন, 'আমি যতটুকু বুঝি, ব্যক্তিগতভাবে যদি কেউ নিজেকে ক্ষতিগ্রস্ত মনে করেন, তখন রিট করতে পারেন। কিন্তু যিনি রিট করেছেন, তিনি তো ব্যক্তিগতভাবে ক্ষতিগ্রস্ত নন।'
রিট আবেদনে পাঁচটি তারিখে খালেদার জন্মদিন উল্লেখ করা হয়েছে। এরই মধ্যে সম্প্রতি খালেদা জিয়ার করোনাভাইরাস পরীক্ষার প্রতিবেদনে তাঁর জন্ম তারিখ উল্লেখ করা হয়েছে ১৯৪৬ সালের ৮ মে।
তবে বিএনপি মহাসচিবের দাবি, এ বিষয়টা নিয়ে যা বলা হচ্ছে, তা অসত্য। যে রিপোর্টের কথা বলা হচ্ছে, সেটাও মিথ্যা বলে দাবি করেছেন তিনি।

জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) আসন্ন নির্বাচনে অংশগ্রহণের সব প্রস্তুতি নিলেও শেষ পর্যন্ত তারা ভোটের মাঠে থাকবে কি না, তা নিয়ে সংশয় তৈরি হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের (ইসি) নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন এবং সব দল সমান সুযোগ পাচ্ছে না বলে অভিযোগ আছে দলটির।
৫ মিনিট আগে
বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ‘পরিকল্পনা’ নিয়ে জনগণের মনে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। সোমবার প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে এসব কথা বলেন তিনি।
২৬ মিনিট আগে
নির্বাচন কমিশন একটি বিশেষ দলের প্রতি পক্ষপাত করছে বলে অভিযোগ তুলেছেন জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের। তিনি জানিয়েছেন, ২০০৮ সালের মতো ‘ভারসাম্যহীন’ নির্বাচন হলে সেই নির্বাচন তাঁরা মেনে নেবেন না।
২ ঘণ্টা আগে
এনসিপির দুই প্রার্থীকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে শোকজ করা হয়েছে মন্তব্য করে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে পক্ষপাতের অভিযোগ তুলেছেন দলটির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। তিনি বলেছেন, নির্বাচন কমিশন ও রিটার্নিং কর্মকর্তার পক্ষ থেকে যে শোকজ দেওয়া হয়েছে, সেটা দ্রুত সময়ের মধ্যে উইথড্র করতে হবে।
২ ঘণ্টা আগে