নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

বর্তমান সরকার দেশের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিকসহ প্রত্যেকটি ক্ষেত্রে ব্যর্থ হয়েছে জানিয়ে বাম গণতান্ত্রিক জোটের সমন্বয়ক ও বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির সাধারণ সম্পাদক রুহিন হোসেন প্রিন্স বলেছেন, ‘ব্যর্থ সরকার কারসাজি করে আবার ক্ষমতায় বসার ছক কষছে।’
শুক্রবার (২ ডিসেম্বর) বিকেলে রাজধানীর পুরানা পল্টন মোড়ে তদারকি সরকারের অধীনে নির্বাচন, পাচার হওয়া টাকা ফিরিয়ে আনা, সংসদ নির্বাচনের আগে সংসদ ভেঙে দেওয়া, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি নিয়ন্ত্রণসহ নানান দাবিতে বাম গণতান্ত্রিক জোট আয়োজিত বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশে এ কথা বলেন তিনি।
রুহিন হোসেন প্রিন্স বলেন, ‘দেশে মানুষের কথা বলার অধিকার নেই। ব্যাংকগুলো ফোকলা হয়ে গেছে। সরকারের কাছের লোকজন প্রভাব খাঁটিয়ে ব্যাংক থেকে শত শত কোটি টাকা ঋণ নিয়ে পাচার করছে। অর্থনীতি চরম বিপর্যয়ের মধ্যে পড়েছে। জননিরাপত্তা নেই, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি মানুষের জীবনকে দুর্বিষহ করে তুলেছে। সবক্ষেত্রে ব্যর্থ সরকার কারসাজি করে আবার ক্ষমতায় বসার ছক কষছে।’
নির্বাচনকালীন তদারকি সরকারের দাবি জানিয়ে প্রিন্স বলেন, ‘দলীয় সরকারের অধীনে কোনো নির্বাচন হলে তাতে মানুষ ভোট দিতে পারবে না। সংসদ বহাল থাকলে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত হবে না। টাকার খেলা, পেশি শক্তি, কারসাজি, নির্বাচনী প্রচারে ধর্মের ব্যবহার বন্ধ না হলে ভোটের পরিবেশ থাকবে না।’
টাকা পাচারকারী, ঋণ খেলাপিদের তালিকা প্রকাশের দাবি জানিয়ে তিনি বলেন, ব্যাংক ডাকাতি-ঋণ খেলাপি-কর ফাঁকির ঘটনা এমন পর্যায়ে চলে গেছে যে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর পর্যন্ত মুখ খুলতে বাধ্য হচ্ছেন।
সমাবেশ শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল পল্টন থেকে বিজয় নগর, শান্তিনগর, মালিবাগ হয়ে মৌচাকে গিয়ে শেষ হয়।
সিপিবি নেতা ডা. সাজেদুল হক রুবেলের সভাপতিত্বে সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন—বাসদ নেতা খালেকুজ্জামান লিপন, বাসদ (মার্ক্সবাদী) নেতা ডা. জয়দীপ ভট্টাচার্য, বিপ্লবী গণতান্ত্রিক পার্টির শহিদুল ইসলাম সবুজ প্রমুখ।

বর্তমান সরকার দেশের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিকসহ প্রত্যেকটি ক্ষেত্রে ব্যর্থ হয়েছে জানিয়ে বাম গণতান্ত্রিক জোটের সমন্বয়ক ও বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির সাধারণ সম্পাদক রুহিন হোসেন প্রিন্স বলেছেন, ‘ব্যর্থ সরকার কারসাজি করে আবার ক্ষমতায় বসার ছক কষছে।’
শুক্রবার (২ ডিসেম্বর) বিকেলে রাজধানীর পুরানা পল্টন মোড়ে তদারকি সরকারের অধীনে নির্বাচন, পাচার হওয়া টাকা ফিরিয়ে আনা, সংসদ নির্বাচনের আগে সংসদ ভেঙে দেওয়া, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি নিয়ন্ত্রণসহ নানান দাবিতে বাম গণতান্ত্রিক জোট আয়োজিত বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশে এ কথা বলেন তিনি।
রুহিন হোসেন প্রিন্স বলেন, ‘দেশে মানুষের কথা বলার অধিকার নেই। ব্যাংকগুলো ফোকলা হয়ে গেছে। সরকারের কাছের লোকজন প্রভাব খাঁটিয়ে ব্যাংক থেকে শত শত কোটি টাকা ঋণ নিয়ে পাচার করছে। অর্থনীতি চরম বিপর্যয়ের মধ্যে পড়েছে। জননিরাপত্তা নেই, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি মানুষের জীবনকে দুর্বিষহ করে তুলেছে। সবক্ষেত্রে ব্যর্থ সরকার কারসাজি করে আবার ক্ষমতায় বসার ছক কষছে।’
নির্বাচনকালীন তদারকি সরকারের দাবি জানিয়ে প্রিন্স বলেন, ‘দলীয় সরকারের অধীনে কোনো নির্বাচন হলে তাতে মানুষ ভোট দিতে পারবে না। সংসদ বহাল থাকলে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত হবে না। টাকার খেলা, পেশি শক্তি, কারসাজি, নির্বাচনী প্রচারে ধর্মের ব্যবহার বন্ধ না হলে ভোটের পরিবেশ থাকবে না।’
টাকা পাচারকারী, ঋণ খেলাপিদের তালিকা প্রকাশের দাবি জানিয়ে তিনি বলেন, ব্যাংক ডাকাতি-ঋণ খেলাপি-কর ফাঁকির ঘটনা এমন পর্যায়ে চলে গেছে যে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর পর্যন্ত মুখ খুলতে বাধ্য হচ্ছেন।
সমাবেশ শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল পল্টন থেকে বিজয় নগর, শান্তিনগর, মালিবাগ হয়ে মৌচাকে গিয়ে শেষ হয়।
সিপিবি নেতা ডা. সাজেদুল হক রুবেলের সভাপতিত্বে সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন—বাসদ নেতা খালেকুজ্জামান লিপন, বাসদ (মার্ক্সবাদী) নেতা ডা. জয়দীপ ভট্টাচার্য, বিপ্লবী গণতান্ত্রিক পার্টির শহিদুল ইসলাম সবুজ প্রমুখ।

জামায়াতের প্রচার বিভাগ থেকে পাঠানো প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে দলটির সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও ১১ দলের সমন্বয়ক হামিদুর রহমান আযাদ জানান, আজ ১৪ জানুয়ারি বিকেল সাড়ে ৪টায় আন্দোলনরত ১১ দল ঘোষিত সংবাদ সম্মেলন অনিবার্য কারণবশত স্থগিত করা হয়েছে।
৪ মিনিট আগে
আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে ১১ দলীয় রাজনৈতিক জোটের অন্দরে আসন সমঝোতা নিয়ে এক চরম নাটকীয়তা তৈরি হয়েছে। জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বে এই জোটে শরিকদের মধ্যে আসন বণ্টন নিয়ে সৃষ্ট জটিলতা গতকাল মঙ্গলবার রাত পর্যন্ত কাটেনি। বিশেষ করে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের সঙ্গে জামায়াতের রশি
৫ ঘণ্টা আগে
একটি বাসায় কয়েকজন ব্যক্তি বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের অনেকগুলো পোস্টাল ব্যালট গুনছেন—এমন একটি ভিডিও অনলাইনে ছড়িয়ে পড়েছে। পোস্টাল ব্যালটের খামে ঠিকানা লেখা রয়েছে বাহরাইনের। আজ মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) নির্বাচন কমিশনের (ইসি) কাছে বিষয়টি নিয়ে আইনি ব্যবস্থা দাবি করেছে বিএনপি।
১৬ ঘণ্টা আগে
বিএনপি সংস্কারের পক্ষে ও গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেবে বলে জানিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম খান। তিনি বলেছেন, ‘আমরাই সংস্কারের দাবি সবার আগে করেছি। সেই সংস্কারের বিপক্ষে তো আমরা নই, আমরা সেই সংস্কারের পক্ষে। অতএব আমরা ‘হ্যাঁ’ ভোট দেব।
১৭ ঘণ্টা আগে