নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

ক্রমবর্ধমান মূল্যস্ফীতি ও আর্থিক সংকটে ‘জনজীবন বিপর্যস্ত’ বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশে চারদিকে শুধু হাহাকার, নাই আর নাই। সমগ্র দেশটাই যেন এক নাইয়ের রাজ্যে পরিণত হয়েছে। নিত্যপণ্যের উচ্চমূল্যের জাঁতাকলে মানুষের নাভিশ্বাস উঠেছে। এক কথায় দেশের অর্থনীতি এক মহাসংকটে নিমজ্জিত।
আজ মঙ্গলবার দুপুরে গুলশানে দলের চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। বিরাজমান অর্থনীতির চালচিত্র তুলে ধরে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘গত আগস্টে সরকারি হিসাবেই মূল্যস্ফীতি দেখানো হয় ৯ দশমিক ৫২ শতাংশ। বর্তমানে মূল্যস্ফীতি কমছে দেখানো হলেও খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি এখনো প্রায় দুই অঙ্কের কাছাকাছি রয়েছে। জানুয়ারি মাসে এই হার ছিল ৯ দশমিক ৮ শতাংশ।’
বিদ্যুৎ ও গ্যাসের মূল্য বারবার বৃদ্ধি, রিজার্ভ তলানিতে নেমে আসা, নজিরবিহীন ডলারসংকট, ডলারের বিনিময়ে টাকার অবমূল্যায়ন, ব্যাংকিং ও আর্থিক খাতে অব্যবস্থাপনা, অপরিণামদর্শী ভ্রান্তনীতি, লাগামহীন দুর্নীতি, বিদেশে অর্থ পাচার, ঋণখেলাপি বৃদ্ধি পাওয়া, ঋণ প্রাপ্তির অপর্যাপ্ততা, অর্থনৈতিক আয়বৈষম্য, সুশাসনের অভাব এবং গণতন্ত্র না থাকার কারণে দেশে অর্থনৈতিক নৈরাজ্য সৃষ্টি হয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
অর্থনৈতিক সংকটের কথা সরকার কেন স্বীকার করছে না জানতে চাইলে মির্জা ফখরুল বলেন, এখানে কোনো জবাবদিহি নেই। তারা জনগণের ভোটে নির্বাচিত নয়। নির্বাচিত হয়ে আসলে সংসদে জবাবদিহি করতে হবে। তখন জনগণের সামনে জবাবদিহি করতে হতো।
সরকার সরে না গেলে বিদ্যমান সংকটের কোনো সমাধান হবে না বলেও মন্তব্য করেন বিএনপির মহাসচিব। তিনি বলেন, ‘সরকার সরে যাওয়া ছাড়া এটা সম্ভব হবে না। এই সরকারকে রেখে এটা করা যাবে না। কারণ এরা বেশি দুর্নীতিপরায়ণ।’ তিনি বলেন, এই সরকারকে সরে যেতে হবে। এই সরকার সরে গেলে সমস্যা সমাধানের জন্য যোগ্য যাঁরা কাজ করতে পারেন, তাঁদের নিয়ে এসে সমস্যা সমাধান অত্যন্ত দ্রুত করা সম্ভব হবে।

ক্রমবর্ধমান মূল্যস্ফীতি ও আর্থিক সংকটে ‘জনজীবন বিপর্যস্ত’ বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশে চারদিকে শুধু হাহাকার, নাই আর নাই। সমগ্র দেশটাই যেন এক নাইয়ের রাজ্যে পরিণত হয়েছে। নিত্যপণ্যের উচ্চমূল্যের জাঁতাকলে মানুষের নাভিশ্বাস উঠেছে। এক কথায় দেশের অর্থনীতি এক মহাসংকটে নিমজ্জিত।
আজ মঙ্গলবার দুপুরে গুলশানে দলের চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। বিরাজমান অর্থনীতির চালচিত্র তুলে ধরে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘গত আগস্টে সরকারি হিসাবেই মূল্যস্ফীতি দেখানো হয় ৯ দশমিক ৫২ শতাংশ। বর্তমানে মূল্যস্ফীতি কমছে দেখানো হলেও খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি এখনো প্রায় দুই অঙ্কের কাছাকাছি রয়েছে। জানুয়ারি মাসে এই হার ছিল ৯ দশমিক ৮ শতাংশ।’
বিদ্যুৎ ও গ্যাসের মূল্য বারবার বৃদ্ধি, রিজার্ভ তলানিতে নেমে আসা, নজিরবিহীন ডলারসংকট, ডলারের বিনিময়ে টাকার অবমূল্যায়ন, ব্যাংকিং ও আর্থিক খাতে অব্যবস্থাপনা, অপরিণামদর্শী ভ্রান্তনীতি, লাগামহীন দুর্নীতি, বিদেশে অর্থ পাচার, ঋণখেলাপি বৃদ্ধি পাওয়া, ঋণ প্রাপ্তির অপর্যাপ্ততা, অর্থনৈতিক আয়বৈষম্য, সুশাসনের অভাব এবং গণতন্ত্র না থাকার কারণে দেশে অর্থনৈতিক নৈরাজ্য সৃষ্টি হয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
অর্থনৈতিক সংকটের কথা সরকার কেন স্বীকার করছে না জানতে চাইলে মির্জা ফখরুল বলেন, এখানে কোনো জবাবদিহি নেই। তারা জনগণের ভোটে নির্বাচিত নয়। নির্বাচিত হয়ে আসলে সংসদে জবাবদিহি করতে হবে। তখন জনগণের সামনে জবাবদিহি করতে হতো।
সরকার সরে না গেলে বিদ্যমান সংকটের কোনো সমাধান হবে না বলেও মন্তব্য করেন বিএনপির মহাসচিব। তিনি বলেন, ‘সরকার সরে যাওয়া ছাড়া এটা সম্ভব হবে না। এই সরকারকে রেখে এটা করা যাবে না। কারণ এরা বেশি দুর্নীতিপরায়ণ।’ তিনি বলেন, এই সরকারকে সরে যেতে হবে। এই সরকার সরে গেলে সমস্যা সমাধানের জন্য যোগ্য যাঁরা কাজ করতে পারেন, তাঁদের নিয়ে এসে সমস্যা সমাধান অত্যন্ত দ্রুত করা সম্ভব হবে।

জামায়াতের সঙ্গে জোট যে অপরিবর্তনীয় নয়, সেই ইঙ্গিত দিয়ে গাজী আতাউর রহমান বলেন, ‘২০ তারিখ (২০ জানুয়ারি) হলো মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিন। নির্বাচন হলো ফেব্রুয়ারির ১২ তারিখ। তাই না? ফেব্রুয়ারির ১২ তারিখের আগপর্যন্ত যেকোনো কিছু ঘটতে পারে।’
১ ঘণ্টা আগে
একটি বাসার ভেতর পোস্টাল ব্যালট গণনার ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন। তিনি বলেছেন, ‘পোস্টাল ব্যালটের বিষয়টি আমি দেখেছি। এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে আমি জানি।’
৩ ঘণ্টা আগে
উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়ে কিছু প্রার্থী নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করছেন বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস। কারও নাম উল্লেখ না করে তিনি বলেছেন, কিছু কিছু প্রার্থীর কথাবার্তা ও কাজকর্ম উসকানিমূলক। তাঁরা বিধিমালা লঙ্ঘন করে অন্য প্রার্থীর বিরুদ্ধে কথা বলছেন।
৩ ঘণ্টা আগে
জামায়াতের প্রচার বিভাগ থেকে পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে দলটির সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও ১১ দলের সমন্বয়ক হামিদুর রহমান আযাদ জানান, আজ ১৪ জানুয়ারি বিকেল সাড়ে ৪টায় আন্দোলনরত ১১ দল ঘোষিত সংবাদ সম্মেলন অনিবার্য কারণবশত স্থগিত করা হয়েছে।
৬ ঘণ্টা আগে