নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির অভিযোগ তুলে সরকারের সমালোচনা করেছেন নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না। তিনি বলেছেন, সাম্প্রতিক ঘটনাবলি মানুষকে সরকারের কাছে নিরাপত্তাহীনতার বোধে ফেলেছে।
আজ সোমবার (১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) শিক্ষার্থীদের ওপর স্থানীয় সন্ত্রাসীদের হামলার প্রতিবাদে ঢাকাস্থ সাবেক চবিয়ানদের আয়োজিত মানববন্ধনে তিনি এ কথা বলেন।
মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ, প্রশাসন কেঁদে কেঁদে সবার কাছে আহ্বান জানাচ্ছে। আমরা অসহায়, আমাদের সাহায্যে এগিয়ে আসেন। আমাদের অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা কান্নাকাটি করছেন, কার কাছে আইনমন্ত্রী বিচার দাবি করে? এ রকম একটা সরকারের কাছে আমরা কতখানি নিরাপদ? অল্প দিনের মধ্যেও যা যা দেখছি, তাতে তো এই কথা বলবার আমাদের সুযোগ আছেই যে, এই সরকারের কাছে নিরাপদ বোধ করছি না।’
নাগরিক ঐক্যের সভাপতি বলেন, পরশু সন্ধ্যায় যখন ঘটনাটা আস্তে আস্তে বাড়তে শুরু করে, তখন বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন হস্তক্ষেপ করতে পারত। হতে পারে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তখন পর্যন্ত মনে করেনি ব্যাপারটা এত দূর গড়াতে পারে।
মান্না আরও বলেন, ‘দুজন শিক্ষার্থী আইসিইউতে আছে, জীবনের সঙ্গে লড়াই করছে। সকালবেলা যখন আমি খোঁজ নিতে ফোন করলাম, তখন আমাদের সংগঠনের ওখানে যিনি আছেন, তিনি বললেন, ‘‘এই দুজনের জীবনের আশঙ্কা আছে, মারাও যেতে পারে।’’ বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের চাইতে বেশি করে দেশের যারা কর্তৃপক্ষ, তাদের কাছে জিজ্ঞেস করি, এই দুই ছাত্র যদি মারা যায়, তার দায় কে নেবে?’
মান্না আরও বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে ডেকেছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী আসেনি। কোনো ব্যবস্থা করা গেল না। শেষপর্যন্ত প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে ফোন করতে হলো। তারপরে আর্মি আসল। এটা কি দেশ? এই ১৩ মাসে আমরা কী করলাম।’
দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির সমালোচনা করে মান্না বলেন, ‘গতকালকে পতিত স্বৈরাচারের লোকজন রাপা প্লাজা থেকে মিছিল বের করেছে শংকর পর্যন্ত গেছে। কোনো পুলিশ নেই, কেউ নেই। পুলিশের ওসিকে জিজ্ঞেস করেছে, কী ব্যাপার আপনারা আসলেন না কেন? বলে, আমরা গেছি, কিন্তু যাওয়ার পরে দেখি, তারা সবাই চলে গেছে। পথের মধ্যে পাঁচটা-ছয়টা ককটেল ফুটিয়েছে, পুলিশ শুনতে পায় নাই।’
মান্না অভিযোগ করে বলেন, ‘একটার পর একটা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় অন্যান্য এলাকায় বড় বড় সংকট তৈরি করে কি শেষ পর্যন্ত সমগ্র জাতির সামনে একটা অন্ধকার অমানিশা তৈরি করার চেষ্টা করছেন? একটা সংশয় তৈরি করার চেষ্টা করা হচ্ছে। যদি সরকার দায়িত্ব পালন করতে না পারে, সবাইকে ডাকেন, ডেকে বলেন।’
জুলাই সনদ প্রসঙ্গে মান্না বলেন, ‘জুলাই সনদটা কী হবে? তাঁরা বলেছেন, তিন-চার দিনের মধ্যে সেই সনদ দেবেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেই সনদ সবাই গ্রহণ করতে পারবে কি পারবে না, সেটাও আমাদের দেখার বিষয়।’

দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির অভিযোগ তুলে সরকারের সমালোচনা করেছেন নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না। তিনি বলেছেন, সাম্প্রতিক ঘটনাবলি মানুষকে সরকারের কাছে নিরাপত্তাহীনতার বোধে ফেলেছে।
আজ সোমবার (১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) শিক্ষার্থীদের ওপর স্থানীয় সন্ত্রাসীদের হামলার প্রতিবাদে ঢাকাস্থ সাবেক চবিয়ানদের আয়োজিত মানববন্ধনে তিনি এ কথা বলেন।
মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ, প্রশাসন কেঁদে কেঁদে সবার কাছে আহ্বান জানাচ্ছে। আমরা অসহায়, আমাদের সাহায্যে এগিয়ে আসেন। আমাদের অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা কান্নাকাটি করছেন, কার কাছে আইনমন্ত্রী বিচার দাবি করে? এ রকম একটা সরকারের কাছে আমরা কতখানি নিরাপদ? অল্প দিনের মধ্যেও যা যা দেখছি, তাতে তো এই কথা বলবার আমাদের সুযোগ আছেই যে, এই সরকারের কাছে নিরাপদ বোধ করছি না।’
নাগরিক ঐক্যের সভাপতি বলেন, পরশু সন্ধ্যায় যখন ঘটনাটা আস্তে আস্তে বাড়তে শুরু করে, তখন বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন হস্তক্ষেপ করতে পারত। হতে পারে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তখন পর্যন্ত মনে করেনি ব্যাপারটা এত দূর গড়াতে পারে।
মান্না আরও বলেন, ‘দুজন শিক্ষার্থী আইসিইউতে আছে, জীবনের সঙ্গে লড়াই করছে। সকালবেলা যখন আমি খোঁজ নিতে ফোন করলাম, তখন আমাদের সংগঠনের ওখানে যিনি আছেন, তিনি বললেন, ‘‘এই দুজনের জীবনের আশঙ্কা আছে, মারাও যেতে পারে।’’ বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের চাইতে বেশি করে দেশের যারা কর্তৃপক্ষ, তাদের কাছে জিজ্ঞেস করি, এই দুই ছাত্র যদি মারা যায়, তার দায় কে নেবে?’
মান্না আরও বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে ডেকেছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী আসেনি। কোনো ব্যবস্থা করা গেল না। শেষপর্যন্ত প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে ফোন করতে হলো। তারপরে আর্মি আসল। এটা কি দেশ? এই ১৩ মাসে আমরা কী করলাম।’
দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির সমালোচনা করে মান্না বলেন, ‘গতকালকে পতিত স্বৈরাচারের লোকজন রাপা প্লাজা থেকে মিছিল বের করেছে শংকর পর্যন্ত গেছে। কোনো পুলিশ নেই, কেউ নেই। পুলিশের ওসিকে জিজ্ঞেস করেছে, কী ব্যাপার আপনারা আসলেন না কেন? বলে, আমরা গেছি, কিন্তু যাওয়ার পরে দেখি, তারা সবাই চলে গেছে। পথের মধ্যে পাঁচটা-ছয়টা ককটেল ফুটিয়েছে, পুলিশ শুনতে পায় নাই।’
মান্না অভিযোগ করে বলেন, ‘একটার পর একটা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় অন্যান্য এলাকায় বড় বড় সংকট তৈরি করে কি শেষ পর্যন্ত সমগ্র জাতির সামনে একটা অন্ধকার অমানিশা তৈরি করার চেষ্টা করছেন? একটা সংশয় তৈরি করার চেষ্টা করা হচ্ছে। যদি সরকার দায়িত্ব পালন করতে না পারে, সবাইকে ডাকেন, ডেকে বলেন।’
জুলাই সনদ প্রসঙ্গে মান্না বলেন, ‘জুলাই সনদটা কী হবে? তাঁরা বলেছেন, তিন-চার দিনের মধ্যে সেই সনদ দেবেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেই সনদ সবাই গ্রহণ করতে পারবে কি পারবে না, সেটাও আমাদের দেখার বিষয়।’

জামায়াত আমিরের সঙ্গে বৈঠকে আরও থাকবেন দলের নায়েবে আমির সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের, সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার এবং সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল রফিকুল ইসলাম খান।
১ ঘণ্টা আগে
তারেক রহমান বলেন, ‘আমরা যদি একটি নিরাপদ, গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করতে ব্যর্থ হই, তাহলে আগামী দিনে এভাবেই শোকসভা ও শোকগাথা চলতেই থাকবে। সুতরাং আর শোকগাথা বা শোক সমাবেশ নয়। আসুন...গণতন্ত্রকামী মানুষ আগামীর বাংলাদেশে গণতন্ত্রের বিজয় গাথা রচনা করবে।’
২ ঘণ্টা আগে
জুলাই আন্দোলনে অংশগ্রহণকারীদের ‘মুক্তিযোদ্ধা’ আখ্যা দিয়ে বিএনপির চেয়ারম্যান বলেন, ‘তাঁরাও মুক্তিযোদ্ধা। একাত্তরের মুক্তিযোদ্ধারা এ দেশের স্বাধীনতার জন্য জীবন দিয়েছিলেন, এ দেশের স্বাধীনতার জন্য ত্যাগ স্বীকার করেছিলেন।
২ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন দেশের বিশিষ্ট কবি ও সাহিত্যিকদের একটি প্রতিনিধিদল। গতকাল শনিবার রাত সাড়ে ৮টায় রাজধানীর গুলশানে বিএনপির চেয়ারম্যানের রাজনৈতিক কার্যালয়ে তাঁরা তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।
৬ ঘণ্টা আগে