নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

রাজধানীতে প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যার শিকার ঢাকা মহানগর উত্তর স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আজিজুর রহমান মুছাব্বিরের স্ত্রী সুরাইয়া বেগম বলেছেন, ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত না হলে তাঁর মতো আরও অনেক পরিবার সর্বস্ব হারাবে। তিনি বলেন, ‘আমার মতো আর কারও যেন না হয়—এটাই চাই।’
আজ বৃহস্পতিবার ঢাকা মেডিকেল কলেজের মর্গের সামনে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে সুরাইয়া বেগম বলেন, এই ধরনের ঘটনা আগেও ঘটেছে, এখনো ঘটছে, ভবিষ্যতেও ঘটতে পারে। এসব ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত না হলে অনেক পরিবার ধ্বংস হয়ে যাবে। ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ দেখে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী দ্রুত ও কার্যকর ব্যবস্থা নেবে, এমন আশা তাঁর।
স্বামীর শেষ কথার স্মৃতিচারণা করে সুরাইয়া বেগম বলেন, ‘গতকাল সন্ধ্যায় সে বলেছিল—এক কাপ কফি বানিয়ে দাও, নামাজ পড়ে বের হব। সেটাই ছিল তাঁর শেষ কথা।’
সুরাইয়া জানান, বাইরে গেলে মুছাব্বির খুব একটা ফোন করতেন না, কার সঙ্গে আছেন তা-ও জানাতেন না। কারণ, তাঁর মোবাইল ফোন নজরদারিতে ছিল।
কাউকে সন্দেহ করছেন কি না—এমন প্রশ্নে সুরাইয়া বেগম বলেন, নির্দিষ্ট করে কাউকে বলতে পারছি না। আমি রাজনীতির সঙ্গে জড়িত নই, সংসার সামলাতাম।
রাজনীতির পাশাপাশি মুছাব্বির কী করতেন? জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘২০ বছর ধরে তিনি পানি ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। ঢাকা শহরে এই ব্যবসা আমরাই শুরু করি। তিনি ২০২০ সালে কাউন্সিলর ছিলেন। এখন দল যা বলবে, সেটাই করবেন—তিন দিন আগেই আমাকে জানিয়েছিলেন।’
স্বামীহারা এই নারী জানান, তাঁদের সংসারে তিন সন্তান রয়েছে। ছোট ছেলে দশম শ্রেণিতে পড়ে, এক মেয়ে এসএসসি পরীক্ষার্থী এবং বড় মেয়ে অনার্স তৃতীয় বর্ষে অধ্যয়নরত।
পুলিশ জানায়, বুধবার রাত ৮টার কিছু পরে কাজী নজরুল ইসলাম অ্যাভিনিউয়ের হোটেল সুপারস্টারের পাশে আহসানউল্লাহ টেকনোলজি ইনস্টিটিউটের গলিতে অজ্ঞাতপরিচয় বন্দুকধারীরা মুছাব্বিরকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। এতে তেজগাঁও থানার ভ্যানশ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক আবু সুফিয়ান ব্যাপারী মাসুদও গুলিবিদ্ধ হন।
গুলিবিদ্ধ অবস্থায় স্থানীয় লোকজন দুজনকে উদ্ধার করে বিআরবি হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক আজিজুর রহমান মুছাব্বিরকে মৃত ঘোষণা করেন।
মুছাব্বির জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় সংসদের যুগ্ম সম্পাদক ছিলেন। বর্তমানে তাঁর কোনো সাংগঠনিক পদ না থাকলেও বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময় একাধিকবার গ্রেপ্তার হয়ে তাঁকে কারাবরণ করতে হয়।
মুছাব্বিরের পরিচিত মো. শাহিন জানান, দীর্ঘদিন ছাত্রদল ও বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে মুছাব্বির যুক্ত ছিলেন। ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ২৬ নম্বর ওয়ার্ডে তিনি কাউন্সিলর প্রার্থীও হয়েছিলেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শরীয়তপুর সমিতির একটি অনুষ্ঠান শেষে স্টার কাবাবের গলি দিয়ে যাওয়ার সময় মোটরসাইকেলে আসা কয়েকজন দুর্বৃত্ত মুছাব্বিরকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে।

রাজধানীতে প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যার শিকার ঢাকা মহানগর উত্তর স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আজিজুর রহমান মুছাব্বিরের স্ত্রী সুরাইয়া বেগম বলেছেন, ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত না হলে তাঁর মতো আরও অনেক পরিবার সর্বস্ব হারাবে। তিনি বলেন, ‘আমার মতো আর কারও যেন না হয়—এটাই চাই।’
আজ বৃহস্পতিবার ঢাকা মেডিকেল কলেজের মর্গের সামনে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে সুরাইয়া বেগম বলেন, এই ধরনের ঘটনা আগেও ঘটেছে, এখনো ঘটছে, ভবিষ্যতেও ঘটতে পারে। এসব ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত না হলে অনেক পরিবার ধ্বংস হয়ে যাবে। ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ দেখে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী দ্রুত ও কার্যকর ব্যবস্থা নেবে, এমন আশা তাঁর।
স্বামীর শেষ কথার স্মৃতিচারণা করে সুরাইয়া বেগম বলেন, ‘গতকাল সন্ধ্যায় সে বলেছিল—এক কাপ কফি বানিয়ে দাও, নামাজ পড়ে বের হব। সেটাই ছিল তাঁর শেষ কথা।’
সুরাইয়া জানান, বাইরে গেলে মুছাব্বির খুব একটা ফোন করতেন না, কার সঙ্গে আছেন তা-ও জানাতেন না। কারণ, তাঁর মোবাইল ফোন নজরদারিতে ছিল।
কাউকে সন্দেহ করছেন কি না—এমন প্রশ্নে সুরাইয়া বেগম বলেন, নির্দিষ্ট করে কাউকে বলতে পারছি না। আমি রাজনীতির সঙ্গে জড়িত নই, সংসার সামলাতাম।
রাজনীতির পাশাপাশি মুছাব্বির কী করতেন? জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘২০ বছর ধরে তিনি পানি ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। ঢাকা শহরে এই ব্যবসা আমরাই শুরু করি। তিনি ২০২০ সালে কাউন্সিলর ছিলেন। এখন দল যা বলবে, সেটাই করবেন—তিন দিন আগেই আমাকে জানিয়েছিলেন।’
স্বামীহারা এই নারী জানান, তাঁদের সংসারে তিন সন্তান রয়েছে। ছোট ছেলে দশম শ্রেণিতে পড়ে, এক মেয়ে এসএসসি পরীক্ষার্থী এবং বড় মেয়ে অনার্স তৃতীয় বর্ষে অধ্যয়নরত।
পুলিশ জানায়, বুধবার রাত ৮টার কিছু পরে কাজী নজরুল ইসলাম অ্যাভিনিউয়ের হোটেল সুপারস্টারের পাশে আহসানউল্লাহ টেকনোলজি ইনস্টিটিউটের গলিতে অজ্ঞাতপরিচয় বন্দুকধারীরা মুছাব্বিরকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। এতে তেজগাঁও থানার ভ্যানশ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক আবু সুফিয়ান ব্যাপারী মাসুদও গুলিবিদ্ধ হন।
গুলিবিদ্ধ অবস্থায় স্থানীয় লোকজন দুজনকে উদ্ধার করে বিআরবি হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক আজিজুর রহমান মুছাব্বিরকে মৃত ঘোষণা করেন।
মুছাব্বির জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় সংসদের যুগ্ম সম্পাদক ছিলেন। বর্তমানে তাঁর কোনো সাংগঠনিক পদ না থাকলেও বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময় একাধিকবার গ্রেপ্তার হয়ে তাঁকে কারাবরণ করতে হয়।
মুছাব্বিরের পরিচিত মো. শাহিন জানান, দীর্ঘদিন ছাত্রদল ও বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে মুছাব্বির যুক্ত ছিলেন। ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ২৬ নম্বর ওয়ার্ডে তিনি কাউন্সিলর প্রার্থীও হয়েছিলেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শরীয়তপুর সমিতির একটি অনুষ্ঠান শেষে স্টার কাবাবের গলি দিয়ে যাওয়ার সময় মোটরসাইকেলে আসা কয়েকজন দুর্বৃত্ত মুছাব্বিরকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে।

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা এ টি এম মাছুমকে আহ্বায়ক এবং আবদুল হালিমকে সদস্যসচিব করে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন-২০২৬ উপলক্ষে জাতীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটি পুনর্গঠন করেছে দলটি।
১২ ঘণ্টা আগে
ঢাকা মহানগর উত্তর স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আজিজুর রহমান ওরফে মুছাব্বির হত্যার ঘটনায় বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, দেশে পরিকল্পিতভাবে অস্থিতিশীলতা তৈরির অপচেষ্টা চলছে, যার নির্মম বহিঃপ্রকাশ এ হত্যাকাণ্ড। এ ধরনের সহিংসতা দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিকে চরমভাবে...
১২ ঘণ্টা আগে
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের উত্তরবঙ্গ সফরে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের কোনো সুযোগ নেই। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীর গুলশানে বিএনপির চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ের সামনে সাংবাদিকের এক প্রশ্নের জবাবে বিএনপি নেতা....
১৪ ঘণ্টা আগে
রাজধানীতে ঢাকা মহানগর উত্তরের স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সদস্যসচিব আজিজুর রহমান মুছাব্বিরকে গুলি করে হত্যার ঘটনাকে বিচ্ছিন্ন উল্লেখ করে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, ‘পতিত ফ্যাসিবাদী শক্তি দেশের গণতান্ত্রিক যাত্রাকে ব্যাহত করতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির
১৭ ঘণ্টা আগে