নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

যে দেশ থেকে সস্তায় জ্বালানি তেল পাওয়া যাবে সেখান থেকেই তা আনার চেষ্টা করা হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ বিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত আন্তমন্ত্রণালয়ের বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এই তথ্য জানান।
সালমান এফ রহমান বলেন, ‘রাশিয়ায় ওষুধ সংকট রয়েছে। সেখানে বাংলাদেশি ওষুধের চাহিদা রয়েছে। তারা বাংলাদেশ থেকে ওষুধ নিতে চায়। এই সুযোগটা আমাদের কাজে লাগানো উচিত। দেশে খাদ্য ও সার আমদানির বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। এই দুটি পণ্য ডলারের মাধ্যমেই আমদানি হবে।’
বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেছেন, ‘রাশিয়া ও ইউক্রেনের সঙ্গে লেনদেন করতে পারছে এমন ব্যাংকের মাধ্যমে অর্থ পরিশোধ করে দেশ দুটি থেকে জ্বালানিসহ প্রয়োজনীয় পণ্য আমদানির পরিকল্পনা করছে সরকার। বিশ্বে এমন ব্যাংক ২৪টি আছে। এসব ব্যাংকের মাধ্যমে বাংলাদেশ ডলার দিয়ে এই দুটি দেশ থেকে খাদ্য আমদানি করতে পারবে।’
নিষেধাজ্ঞা এড়িয়ে বিকল্পভাবে রাশিয়া থেকে কীভাবে জ্বালানি, খাদ্য ও সার আমদানি করা যায় তা নিয়ে বৃহস্পতিবার দুপুরে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে আন্তমন্ত্রণালয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ বিষয়ক উপদেষ্টা, বাণিজ্য, খাদ্য ও স্থানীয় সরকারমন্ত্রী ছাড়াও বিভিন্ন খাতের ব্যবসায়ীরা অংশ নেন। বৈঠকে দেশের খাদ্যশস্য মজুত এবং ইউক্রেন-রাশিয়া থেকে আমদানির প্রক্রিয়া নিয়ে আলোচনা হয়।
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, বৈঠকে দুটি বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। রাশিয়া ও ইউক্রেন থেকে খাদ্য আমদানিতে সমস্যা এবং দেশের সার্বিক খাদ্য পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। রাশিয়া-ইউক্রেন থেকে পণ্য আমদানিতে কোনো বাধা নেই। এ জন্য গ্লোবালি ২৪টি ব্যাংকের মাধ্যমে বাংলাদেশ ডলার দিয়ে এই দুটি দেশ থেকে খাদ্য আমদানি করতে পারবে। সেটি আলোচনা হলো, বিষয়টি আজ পরিষ্কার করা হয়েছে। খাদ্য আমদানির ক্ষেত্রে সেটা রাশিয়া হোক বা ইউক্রেন যেখানেই হোক, সেখানে কিন্তু আন্তর্জাতিকভাবে কোনো বাধা নেই।
গত ৩০ মে মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম জানিয়েছিলেন, সুইফটের বাইরে নতুন কোনো ‘পেমেন্ট সিস্টেমে’ যুক্ত হওয়ার কথা ভাবছে সরকার। সে জন্য হংকং ও সিঙ্গাপুরের প্রস্তাবিত নতুন ‘পেমেন্ট সিস্টেমের’ সম্ভাবনা খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বাংলাদেশ ব্যাংককে নির্দেশ দেওয়ার কথা বলেছিলেন তিনি।

যে দেশ থেকে সস্তায় জ্বালানি তেল পাওয়া যাবে সেখান থেকেই তা আনার চেষ্টা করা হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ বিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত আন্তমন্ত্রণালয়ের বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এই তথ্য জানান।
সালমান এফ রহমান বলেন, ‘রাশিয়ায় ওষুধ সংকট রয়েছে। সেখানে বাংলাদেশি ওষুধের চাহিদা রয়েছে। তারা বাংলাদেশ থেকে ওষুধ নিতে চায়। এই সুযোগটা আমাদের কাজে লাগানো উচিত। দেশে খাদ্য ও সার আমদানির বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। এই দুটি পণ্য ডলারের মাধ্যমেই আমদানি হবে।’
বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেছেন, ‘রাশিয়া ও ইউক্রেনের সঙ্গে লেনদেন করতে পারছে এমন ব্যাংকের মাধ্যমে অর্থ পরিশোধ করে দেশ দুটি থেকে জ্বালানিসহ প্রয়োজনীয় পণ্য আমদানির পরিকল্পনা করছে সরকার। বিশ্বে এমন ব্যাংক ২৪টি আছে। এসব ব্যাংকের মাধ্যমে বাংলাদেশ ডলার দিয়ে এই দুটি দেশ থেকে খাদ্য আমদানি করতে পারবে।’
নিষেধাজ্ঞা এড়িয়ে বিকল্পভাবে রাশিয়া থেকে কীভাবে জ্বালানি, খাদ্য ও সার আমদানি করা যায় তা নিয়ে বৃহস্পতিবার দুপুরে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে আন্তমন্ত্রণালয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ বিষয়ক উপদেষ্টা, বাণিজ্য, খাদ্য ও স্থানীয় সরকারমন্ত্রী ছাড়াও বিভিন্ন খাতের ব্যবসায়ীরা অংশ নেন। বৈঠকে দেশের খাদ্যশস্য মজুত এবং ইউক্রেন-রাশিয়া থেকে আমদানির প্রক্রিয়া নিয়ে আলোচনা হয়।
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, বৈঠকে দুটি বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। রাশিয়া ও ইউক্রেন থেকে খাদ্য আমদানিতে সমস্যা এবং দেশের সার্বিক খাদ্য পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। রাশিয়া-ইউক্রেন থেকে পণ্য আমদানিতে কোনো বাধা নেই। এ জন্য গ্লোবালি ২৪টি ব্যাংকের মাধ্যমে বাংলাদেশ ডলার দিয়ে এই দুটি দেশ থেকে খাদ্য আমদানি করতে পারবে। সেটি আলোচনা হলো, বিষয়টি আজ পরিষ্কার করা হয়েছে। খাদ্য আমদানির ক্ষেত্রে সেটা রাশিয়া হোক বা ইউক্রেন যেখানেই হোক, সেখানে কিন্তু আন্তর্জাতিকভাবে কোনো বাধা নেই।
গত ৩০ মে মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম জানিয়েছিলেন, সুইফটের বাইরে নতুন কোনো ‘পেমেন্ট সিস্টেমে’ যুক্ত হওয়ার কথা ভাবছে সরকার। সে জন্য হংকং ও সিঙ্গাপুরের প্রস্তাবিত নতুন ‘পেমেন্ট সিস্টেমের’ সম্ভাবনা খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বাংলাদেশ ব্যাংককে নির্দেশ দেওয়ার কথা বলেছিলেন তিনি।

জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) আসন্ন নির্বাচনে অংশগ্রহণের সব প্রস্তুতি নিলেও শেষ পর্যন্ত তারা ভোটের মাঠে থাকবে কি না, তা নিয়ে সংশয় তৈরি হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের (ইসি) নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন এবং সব দল সমান সুযোগ পাচ্ছে না বলে অভিযোগ আছে দলটির।
৩ ঘণ্টা আগে
বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ‘পরিকল্পনা’ নিয়ে জনগণের মনে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। সোমবার প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে এসব কথা বলেন তিনি।
৩ ঘণ্টা আগে
নির্বাচন কমিশন একটি বিশেষ দলের প্রতি পক্ষপাত করছে বলে অভিযোগ তুলেছেন জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের। তিনি জানিয়েছেন, ২০০৮ সালের মতো ‘ভারসাম্যহীন’ নির্বাচন হলে সেই নির্বাচন তাঁরা মেনে নেবেন না।
৪ ঘণ্টা আগে
এনসিপির দুই প্রার্থীকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে শোকজ করা হয়েছে মন্তব্য করে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে পক্ষপাতের অভিযোগ তুলেছেন দলটির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। তিনি বলেছেন, নির্বাচন কমিশন ও রিটার্নিং কর্মকর্তার পক্ষ থেকে যে শোকজ দেওয়া হয়েছে, সেটা দ্রুত সময়ের মধ্যে উইথড্র করতে হবে।
৫ ঘণ্টা আগে