আজকের পত্রিকা ডেস্ক

জুলাই গণ-অভ্যুত্থান ও স্বাধীনতার পূর্বাপর ইতিহাসসহ সবকিছু মিলিয়ে একটি সুলিখিত ঘোষণাপত্র তৈরির কথা বলেছেন জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার। পাশাপাশি তিনি আশঙ্কা ব্যক্ত করে বলেছেন, জুলাই ঘোষণাপত্র তৈরিতে বিলম্ব করলে তা অরাজকতা-ষড়যন্ত্রের সুযোগসন্ধানীদের চক্রান্ত করার সুযোগ দিতে পারে।
আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের ঘোষণাপত্র নিয়ে আয়োজিত বৈঠক শেষে এ কথা বলেন তিনি।
সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, ‘আমরা প্রধান উপদেষ্টার আমন্ত্রণে জুলাই ঘোষণাপত্র প্রস্তুত করার জন্য সর্বদলীয় বৈঠকে উপস্থিত ছিলাম। সেখানে রাজনৈতিক দলের কাছ থেকে মতামত চাওয়া হয়েছে। আপনারা জানেন, সরকারের পক্ষ থেকে রাজনৈতিক দলগুলোর কাছে একটা খসড়া পাঠানো হয়েছে। আজকের আলোচনায় প্রত্যেক দলের এবং বিশিষ্টজনের মতামত চাওয়া হয়েছে। তবে বিস্তারিত আলোচনা হয়নি।’
জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল বলেন, ‘একটা কথা মোটা দাগে বলতে পারি, একটা ঘোষণাপত্র হওয়া প্রয়োজন, প্রত্যেকটি দল সেটা অনুভব করেছে। তবে তাড়াহুড়ো করলে ৫ আগস্টের গণ-অভ্যুত্থানের মূল চেতনাকে ধারণ করে ঘোষণাপত্র তৈরিতে ভুলভ্রান্তি হতে পারে। সময় নিতে হবে। রাজনৈতিক দল ও বিভিন্ন স্টেকহোল্ডারের সঙ্গে মতবিনিময় করতে হবে।’
এ সময় জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের চেতনা ও স্বাধীনতার ইতিহাসসহ সবকিছু মিলিয়ে একটি ঘোষণাপত্র তৈরির ওপর গুরুত্বারোপ করে জামায়াতের এই নেতা বলেন, ‘জুলাই অভ্যুত্থানের জন-আকাঙ্ক্ষাকে ধারণ করে, অভ্যুত্থানের ইতিহাস, সংগ্রামের ইতিহাস, স্বাধীনতার পূর্বাপর ইতিহাসসহ সবকিছু মিলিয়ে একটা সুলিখিত ঘোষণাপত্র কীভাবে তৈরি করা যায়, সে আলোচনা হয়েছে। আমরা আলাদা আলাদা প্রস্তাবনা দেব। পরে সব একত্র করে একটি সুন্দর ঘোষণাপত্রে রূপান্তরিত করা হবে।’
মিয়া গোলাম পরওয়ার আরও বলেন, ‘তবে খুব বিলম্ব করে অন্য কোনো অরাজকতা, অন্য কোনো ষড়যন্ত্রের সুযোগ; যারা চক্রান্তের জন্য অপেক্ষা করে, তারা যেন না পায়। দেরি না করে এই উদ্যোগ দ্রুত শুরু করা উচিত। সরকারের একজন উপদেষ্টা দায়িত্ব নিয়ে বলেছেন, উনারা আমাদের মতামতগুলো পর্যালোচনা করবেন। একটা হোমওয়ার্ক করার পরে আমাদের সঙ্গে দ্বিতীয় ধাপে আবার বসবেন।’

জুলাই গণ-অভ্যুত্থান ও স্বাধীনতার পূর্বাপর ইতিহাসসহ সবকিছু মিলিয়ে একটি সুলিখিত ঘোষণাপত্র তৈরির কথা বলেছেন জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার। পাশাপাশি তিনি আশঙ্কা ব্যক্ত করে বলেছেন, জুলাই ঘোষণাপত্র তৈরিতে বিলম্ব করলে তা অরাজকতা-ষড়যন্ত্রের সুযোগসন্ধানীদের চক্রান্ত করার সুযোগ দিতে পারে।
আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের ঘোষণাপত্র নিয়ে আয়োজিত বৈঠক শেষে এ কথা বলেন তিনি।
সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, ‘আমরা প্রধান উপদেষ্টার আমন্ত্রণে জুলাই ঘোষণাপত্র প্রস্তুত করার জন্য সর্বদলীয় বৈঠকে উপস্থিত ছিলাম। সেখানে রাজনৈতিক দলের কাছ থেকে মতামত চাওয়া হয়েছে। আপনারা জানেন, সরকারের পক্ষ থেকে রাজনৈতিক দলগুলোর কাছে একটা খসড়া পাঠানো হয়েছে। আজকের আলোচনায় প্রত্যেক দলের এবং বিশিষ্টজনের মতামত চাওয়া হয়েছে। তবে বিস্তারিত আলোচনা হয়নি।’
জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল বলেন, ‘একটা কথা মোটা দাগে বলতে পারি, একটা ঘোষণাপত্র হওয়া প্রয়োজন, প্রত্যেকটি দল সেটা অনুভব করেছে। তবে তাড়াহুড়ো করলে ৫ আগস্টের গণ-অভ্যুত্থানের মূল চেতনাকে ধারণ করে ঘোষণাপত্র তৈরিতে ভুলভ্রান্তি হতে পারে। সময় নিতে হবে। রাজনৈতিক দল ও বিভিন্ন স্টেকহোল্ডারের সঙ্গে মতবিনিময় করতে হবে।’
এ সময় জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের চেতনা ও স্বাধীনতার ইতিহাসসহ সবকিছু মিলিয়ে একটি ঘোষণাপত্র তৈরির ওপর গুরুত্বারোপ করে জামায়াতের এই নেতা বলেন, ‘জুলাই অভ্যুত্থানের জন-আকাঙ্ক্ষাকে ধারণ করে, অভ্যুত্থানের ইতিহাস, সংগ্রামের ইতিহাস, স্বাধীনতার পূর্বাপর ইতিহাসসহ সবকিছু মিলিয়ে একটা সুলিখিত ঘোষণাপত্র কীভাবে তৈরি করা যায়, সে আলোচনা হয়েছে। আমরা আলাদা আলাদা প্রস্তাবনা দেব। পরে সব একত্র করে একটি সুন্দর ঘোষণাপত্রে রূপান্তরিত করা হবে।’
মিয়া গোলাম পরওয়ার আরও বলেন, ‘তবে খুব বিলম্ব করে অন্য কোনো অরাজকতা, অন্য কোনো ষড়যন্ত্রের সুযোগ; যারা চক্রান্তের জন্য অপেক্ষা করে, তারা যেন না পায়। দেরি না করে এই উদ্যোগ দ্রুত শুরু করা উচিত। সরকারের একজন উপদেষ্টা দায়িত্ব নিয়ে বলেছেন, উনারা আমাদের মতামতগুলো পর্যালোচনা করবেন। একটা হোমওয়ার্ক করার পরে আমাদের সঙ্গে দ্বিতীয় ধাপে আবার বসবেন।’

জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) আসন্ন নির্বাচনে অংশগ্রহণের সব প্রস্তুতি নিলেও শেষ পর্যন্ত তারা ভোটের মাঠে থাকবে কি না, তা নিয়ে সংশয় তৈরি হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের (ইসি) নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন এবং সব দল সমান সুযোগ পাচ্ছে না বলে অভিযোগ আছে দলটির।
৯ ঘণ্টা আগে
বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ‘পরিকল্পনা’ নিয়ে জনগণের মনে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। সোমবার প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে এসব কথা বলেন তিনি।
৯ ঘণ্টা আগে
নির্বাচন কমিশন একটি বিশেষ দলের প্রতি পক্ষপাত করছে বলে অভিযোগ তুলেছেন জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের। তিনি জানিয়েছেন, ২০০৮ সালের মতো ‘ভারসাম্যহীন’ নির্বাচন হলে সেই নির্বাচন তাঁরা মেনে নেবেন না।
১১ ঘণ্টা আগে
এনসিপির দুই প্রার্থীকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে শোকজ করা হয়েছে মন্তব্য করে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে পক্ষপাতের অভিযোগ তুলেছেন দলটির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। তিনি বলেছেন, নির্বাচন কমিশন ও রিটার্নিং কর্মকর্তার পক্ষ থেকে যে শোকজ দেওয়া হয়েছে, সেটা দ্রুত সময়ের মধ্যে উইথড্র করতে হবে।
১১ ঘণ্টা আগে