নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

উপদেষ্টা পরিষদে দুধের মাছিদের জায়গা হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন গণ অধিকার পরিষদের সভাপতি ও ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুর। আজ শনিবার (২৪ মে) দুপুরে রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের মাওলানা মোহাম্মদ আকরাম খাঁ হলে আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
‘গণতন্ত্র ও মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন’ শীর্ষক এই সভা আয়োজন করে বিশ্ব মানবাধিকার সংস্থা বাংলাদেশ।
সভায় তিনি বলেন, ‘উপদেষ্টা পরিষদে দুধের মাছিদের জায়গা হয়েছে। পছন্দমতো নির্দিষ্ট বলয়ের একটা উপদেষ্টা পরিষদ গঠন করা হয়েছে।’
গণ অধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর বলেন, ‘এখানে যারা আছে সবাই বিগত সরকারের সময় বিরোধী রাজনৈতিক দলের রাজপথের সক্রিয় কর্মী। আমরা যে গণতন্ত্র মানবাধিকারের জন্য রাজপথে লড়াই করেছিলাম, কয়েকজন ব্যক্তি যারা ভোকাল ছিলেন, এ রকম হাতে গোনা পাঁচ-ছয়জন পাবেন। অথচ উপদেষ্টা পরিষদে তিন–চারজন নারী আছেন, গত ১৫-১৬ বছরে তাদের ভূমিকা কী। এত উপদেষ্টা, এ সংস্কার কমিটি কোথাও তাদের জায়গা হয়নি। আমরা বলেছি এখানে গণ-অভুত্থানের অংশীজনদের অংশীদারত্ব না থাকে, তাহলে এটা দুর্বল উপদেষ্টা পরিষদ হবে। তারা দেশকে স্থিতিশীল পর্যায়ে নিয়ে যেতে পারবে না। এখন নির্বাচন নিয়ে সংকট তৈরি হয়েছে।’
অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার পদত্যাগের ইস্যুতে নুরুল হক নুর বলেন, ‘এখন বিশ্ব বরেণ্য ড. ইউনূস স্যার কেন পদত্যাগের কথা বলবেন। আবার আমরা জানি না তিনিই পদত্যাগের কথা বলেছেন কিনা। এটা আমরা শুনেছি ছাত্রদের একাংশের দল এনসিপির নেতৃত্ববৃন্দের কাছ থেকে। অনেকে বলছেন ছাত্রদের কর্মকাণ্ডে প্রধান উপদেষ্টা বিরক্ত। তাদের নিয়ে প্রধান উপদেষ্টার আশা, আকাঙ্ক্ষা ছিল। এখন সেই ছাত্রদের বিরুদ্ধে পুরো রাষ্ট্রযন্ত্র থেকে শুরু করে প্রশাসন সমস্ত জায়গায় চাপ প্রয়োগ করা। নয় মাস পর এখনো মব (বিশৃঙ্খলা) তৈরি করা। রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে বিভাজন তৈরি করতে নানা ধরনের বিদ্বেষ ছড়ানো। জুলাই গণ-অভুত্থানকে কেন্দ্র করে একটা জাতীয় ঐক্য তৈরি হয়েছিল, সেখানে একটা বিভাজনের রেখা স্পষ্টতই দেখা যাচ্ছে।’
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য আব্দুল মঈন খান বলেন, ‘জুলাই গণ-অভুত্থানের মাধ্যমে সরকারে একটা পরিবর্তন এসেছে। সে সময় দেশের ১৮ কোটি মানুষ মুক্তির গান গাইছিল। সেই বাংলাদেশ আজকে মাত্র ৯ মাসের ব্যবধানে কোথায় এসে উপনীত হলো। অথচ ৫ আগস্ট মানুষ ভেবেছে বিগত স্বৈরশাসন থেকে মুক্তি পেয়ে মানুষ উন্মুক্ত পরিবেশে এসেছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘এখনকার পরিবেশ থেকে উত্তরণের একটিই মাত্র সমাধান। সেটা হচ্ছে গণতন্ত্র। মানুষের ভোটাধিকার নিশ্চিত করা। এ ছাড়া বিকল্প কোনো সমাধান বাংলাদেশের ১৮ কোটি মানুষের সামনে নেই।’
আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন বিশ্ব মানবাধিকার সংস্থা বাংলাদেশের চেয়ারম্যান অধ্যাপক আব্দুল লতিফ মাসুম।

উপদেষ্টা পরিষদে দুধের মাছিদের জায়গা হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন গণ অধিকার পরিষদের সভাপতি ও ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুর। আজ শনিবার (২৪ মে) দুপুরে রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের মাওলানা মোহাম্মদ আকরাম খাঁ হলে আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
‘গণতন্ত্র ও মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন’ শীর্ষক এই সভা আয়োজন করে বিশ্ব মানবাধিকার সংস্থা বাংলাদেশ।
সভায় তিনি বলেন, ‘উপদেষ্টা পরিষদে দুধের মাছিদের জায়গা হয়েছে। পছন্দমতো নির্দিষ্ট বলয়ের একটা উপদেষ্টা পরিষদ গঠন করা হয়েছে।’
গণ অধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর বলেন, ‘এখানে যারা আছে সবাই বিগত সরকারের সময় বিরোধী রাজনৈতিক দলের রাজপথের সক্রিয় কর্মী। আমরা যে গণতন্ত্র মানবাধিকারের জন্য রাজপথে লড়াই করেছিলাম, কয়েকজন ব্যক্তি যারা ভোকাল ছিলেন, এ রকম হাতে গোনা পাঁচ-ছয়জন পাবেন। অথচ উপদেষ্টা পরিষদে তিন–চারজন নারী আছেন, গত ১৫-১৬ বছরে তাদের ভূমিকা কী। এত উপদেষ্টা, এ সংস্কার কমিটি কোথাও তাদের জায়গা হয়নি। আমরা বলেছি এখানে গণ-অভুত্থানের অংশীজনদের অংশীদারত্ব না থাকে, তাহলে এটা দুর্বল উপদেষ্টা পরিষদ হবে। তারা দেশকে স্থিতিশীল পর্যায়ে নিয়ে যেতে পারবে না। এখন নির্বাচন নিয়ে সংকট তৈরি হয়েছে।’
অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার পদত্যাগের ইস্যুতে নুরুল হক নুর বলেন, ‘এখন বিশ্ব বরেণ্য ড. ইউনূস স্যার কেন পদত্যাগের কথা বলবেন। আবার আমরা জানি না তিনিই পদত্যাগের কথা বলেছেন কিনা। এটা আমরা শুনেছি ছাত্রদের একাংশের দল এনসিপির নেতৃত্ববৃন্দের কাছ থেকে। অনেকে বলছেন ছাত্রদের কর্মকাণ্ডে প্রধান উপদেষ্টা বিরক্ত। তাদের নিয়ে প্রধান উপদেষ্টার আশা, আকাঙ্ক্ষা ছিল। এখন সেই ছাত্রদের বিরুদ্ধে পুরো রাষ্ট্রযন্ত্র থেকে শুরু করে প্রশাসন সমস্ত জায়গায় চাপ প্রয়োগ করা। নয় মাস পর এখনো মব (বিশৃঙ্খলা) তৈরি করা। রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে বিভাজন তৈরি করতে নানা ধরনের বিদ্বেষ ছড়ানো। জুলাই গণ-অভুত্থানকে কেন্দ্র করে একটা জাতীয় ঐক্য তৈরি হয়েছিল, সেখানে একটা বিভাজনের রেখা স্পষ্টতই দেখা যাচ্ছে।’
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য আব্দুল মঈন খান বলেন, ‘জুলাই গণ-অভুত্থানের মাধ্যমে সরকারে একটা পরিবর্তন এসেছে। সে সময় দেশের ১৮ কোটি মানুষ মুক্তির গান গাইছিল। সেই বাংলাদেশ আজকে মাত্র ৯ মাসের ব্যবধানে কোথায় এসে উপনীত হলো। অথচ ৫ আগস্ট মানুষ ভেবেছে বিগত স্বৈরশাসন থেকে মুক্তি পেয়ে মানুষ উন্মুক্ত পরিবেশে এসেছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘এখনকার পরিবেশ থেকে উত্তরণের একটিই মাত্র সমাধান। সেটা হচ্ছে গণতন্ত্র। মানুষের ভোটাধিকার নিশ্চিত করা। এ ছাড়া বিকল্প কোনো সমাধান বাংলাদেশের ১৮ কোটি মানুষের সামনে নেই।’
আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন বিশ্ব মানবাধিকার সংস্থা বাংলাদেশের চেয়ারম্যান অধ্যাপক আব্দুল লতিফ মাসুম।

আগামী ২২ জানুয়ারি (বৃহস্পতিবার) সিলেট সফরের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনী প্রচারে নামছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারম্যান তারেক রহমান। হজরত শাহজালাল (রহ.)-এর মাজার জিয়ারতের মাধ্যমে তিনি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সফরের সূচনা করবেন।
১২ মিনিট আগে
বৈষম্যহীন ব্যবস্থা এবং নতুন আর্থ-রাজনৈতিক বন্দোবস্তের লক্ষ্যে নতুন এক রাজনৈতিক শক্তির কথা বলেছেন সাবেক উপদেষ্টা মাহফুজ আলম। দুই সপ্তাহ ধরে ছাত্র ও সাধারণ নাগরিকদের সঙ্গে নিবিড় আলোচনার পর এই সম্ভাবনার কথা লিখলেন বলে জানিয়েছেন তিনি।
৩ ঘণ্টা আগে
পেশার চেয়ে গোপন উৎসে ৫ গুণেরও বেশি আয় জাতীয় পার্টির সাবেক মহাসচিব মসিউর রহমান রাঙ্গাঁর। তাঁর স্থাবর কিংবা অস্থাবর কোনো সম্পদের মূল্যও বাড়েনি। আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে লালমনিরহাট-১ আসনে জাতীয় পার্টির প্রার্থী হিসেবে দাখিল করা মনোনয়নপত্রের হলফনামায় তিনি এমন তথ্য তুলে ধরেছেন।
১১ ঘণ্টা আগে
ঢাকা-১৯ (সাভার) আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী দেওয়ান মোহাম্মদ সালাউদ্দিনের বিরুদ্ধে ছিল দুর্নীতির একটিসহ ১৮টি মামলা। এর মধ্যে ৯টিতে খালাস পেয়েছেন তিনি। ৮টি মামলা এখনো বিচারাধীন। একটি মামলার তদন্ত চলছে। এদিকে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আফজাল হোসাইন সাতটি মামলার মধ্যে চারটিতে খালাস পেয়েছেন। দুটিতে চূড়ান
১১ ঘণ্টা আগে