
জামায়াতে ইসলামীর আমির হিসেবে তৃতীয় মেয়াদে শপথ নিয়েছেন শফিকুর রহমান। আজ শুক্রবার রাজধানীর মগবাজারে আল ফালাহ মিলনায়তনে দলের সহকারী সেক্রেটারি ও জামায়াতের অভ্যন্তরীণ নির্বাচনের প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ টি এম মাছুম তাঁকে শপথবাক্য পাঠ করান।
শপথবাক্য পাঠের আগে এ টি এম মাছুম জানান, এবারের আমির নির্বাচনে ১ লাখ ১৬ হাজার ৭৯২ জন নারী ও পুরুষ ভোট দিয়েছেন।
শপথবাক্য পাঠ-পরবর্তী ভাষণে শফিকুর রহমান বলেন, ‘আমি নিজেকে এই দায়িত্বের জন্য মোটেও যোগ্য মনে করি না। এই মজলুম সংগঠনটিতে দীর্ঘ সময় ধরে যাঁরা নেতৃত্ব দিয়েছেন, তাঁদের হাতে যে মানুষ তৈরি হয়েছে, তাঁদের মধ্যে আমার চেয়ে অনেক যোগ্যতাসম্পন্ন, দক্ষ ও অভিজ্ঞ সহকর্মী রয়েছেন। তারপরেও আমি জানি না কেন সম্মানিত সদস্যবৃন্দ আমাকে তাঁদের এই আমানতের ভার দিয়েছেন। আমি নিজেকে এই দায়িত্বের জন্য মোটেও যোগ্য মনে করি না।’
জামায়াত আমির বলেন, আগামী ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হওয়ার কথা। একটা সুষ্ঠু নির্বাচন যেন আল্লাহ ব্যবস্থা করে দেন।
দেশবাসীর উদ্দেশে শফিকুর রহমান বলেন, ‘কোনো দল বা ব্যক্তির অন্ধ প্রেমে মশগুল হবেন না। ভালোবাসা হবে আপসহীন। দেশপ্রেমকে ধারণ করে আমরা যেন নির্বাচনকে অর্থবহ করতে পারি।’
এর আগে ২০২০-২২ ও ২০২৩-২৫ মেয়াদে জামায়াতের আমির হয়েছিলেন শফিকুর রহমান। তাঁর আগে দলটির টানা তিনবারের আমির ছিলেন গোলাম আজম ও মতিউর রহমান নিজামী।

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেছেন, ‘আমাদের জাতিগত মুক্তি সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির মধ্য দিয়েই সম্ভব। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতিকে কাজে লাগিয়ে সাম্প্রদায়িক সহিংসতার ঘটনা ঘটানোর চেষ্টা হতে পারে।’ সামনে দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে এ ধরনের কোনো ঘটনা যাতে না ঘটে, সে জন্য
৫ মিনিট আগে
বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমানের সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাৎ করেছেন চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন। আজ মঙ্গলবার রাজধানীর মিন্টো রোডে বিরোধীদলীয় নেতার সরকারি বাসভবনে সাক্ষাৎ ও বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
৩ ঘণ্টা আগে
মামলার বিবরণে বলা হয়েছে, রাজধানীর উত্তরা পশ্চিম থানাধীন ৭ নম্বর সেক্টরের বরগুনা-২ আসনের সাবেক এমপি শওকত হাসানুর রহমান রিমনের বাসায় নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগ, কার্যক্রম নিষিদ্ধ যুবলীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের কর্মীরা রাষ্ট্রকে অস্থিতিশীল ও রাষ্ট্রের অবকাঠামোকে ধ্বংস করার লক্ষ্যে রাষ্ট্রবিরোধী অপরাধ...
৪ ঘণ্টা আগে
বিএনপির নেতা-কর্মীদের বাঁচানোর প্রশ্ন নয়, ফ্যাসিবাদের দোসরদের হাত থেকে জনগণের নিরাপত্তা ও জানমাল রক্ষা করাই প্রশাসনের প্রধান দায়িত্ব। প্রশাসনের দায়িত্ব হলো গোপনে সক্রিয় থাকা ফ্যাসিবাদের দোসরদের নিবৃত্ত করা, আইনের আওতায় এনে বিচারের মুখোমুখি করা এবং জনগণের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা...
৪ ঘণ্টা আগে