নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

জাতীয় পার্টিকে রক্ষার দায়িত্ব কোনো বিশেষ দলের নয় বলে মন্তব্য করেছেন দলটির (একাংশ) নির্বাহী চেয়ারম্যান মুজিবুল হক চুন্নু। তিনি বলেছেন, জাতীয় পার্টিকে রক্ষা করতে প্রয়োজন সাধারণ মানুষের সমর্থন ও এরশাদপ্রেমিক তৃণমূলের নেতা-কর্মীদের।
আজ মঙ্গলবার (২ সেপ্টেম্বর) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে এ কথা বলেন চুন্নু।
এর আগে গতকাল সোমবার একটি টেলিভিশনে দেওয়া বক্তব্যে জাতীয় পার্টির জি এম কাদের অংশের মহাসচিব শামীম হায়দার পাটোয়ারী জাতীয় পার্টিকে রক্ষা বিএনপির দায়িত্ব বলে মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, গণতন্ত্রের স্বার্থে জাতীয় পার্টিকে রক্ষার দায়িত্ব বিএনপির। এ মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা-সমালোচনার ঝড় উঠেছে।
জাতীয় পার্টির (একাংশ) নির্বাহী চেয়ারম্যান মুজিবুল হক চুন্নু বলেছেন, ‘জনগণের ভালোবাসায় জাতীয় পার্টি স্বমহিমায় উজ্জ্বল। যেকোনো সংকটে-সংগ্রামে এ দেশের জনগণ সব সময় আমাদের পাশে ছিল, আছে এবং ভবিষ্যতে থাকবে ইনশা আল্লাহ। তাই জাতীয় পার্টিকে রক্ষার জন্য কোনো বিশেষ দলের আনুকূল্য নয়, প্রয়োজন দেশের সাধারণ মানুষের সমর্থন ও এরশাদপ্রেমিক তৃণমূলের নেতা-কর্মীদের ত্যাগ।’
মুজিবুল হক চুন্নুর বিবৃতিতে বলা হয়, ‘সোমবার একটি টেলিভিশন টক শোতে জনৈক শামীম হায়দার পাটোয়ারীর একটি বক্তব্য আমাদের দৃষ্টিগোচর হয়েছে। তিনি তাঁর বক্তব্যে জাতীয় পার্টিকে রক্ষার জন্য একটি দলের সাহায্যের কথা বলেছেন। এটি অত্যন্ত লজ্জাজনক ও হতাশাজনক। তাঁর এ বক্তব্যের মধ্য দিয়ে জাতীয় পার্টির তৃণমূল নেতারা ব্যথিত ও ক্ষুব্ধ হয়েছেন। বর্তমানে ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী জাতীয় পার্টির প্রাথমিক সদস্য ভোট অধিষ্ঠিত থাকলেও তিনি কোনো পদে নেই। তাই জাতীয় পার্টি তাঁর বক্তব্য প্রত্যাখ্যান করছে। ভবিষ্যতে এ ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ও অপ্রত্যাশিত বক্তব্য প্রদান থেকে বিরত থাকার জন্য আহ্বান জানানো হয়েছে।’
মুজিবুল হক চুন্নু বলেন, জাতীয় পার্টি দীর্ঘ ৯ বছর প্রয়াত এরশাদের নেতৃত্বে রাষ্ট্র পরিচালনা করেছে। এ দেশের উন্নয়ন, অগ্রগতি ও সমৃদ্ধির পেছনে রয়েছে জাতীয় পার্টির অনন্য অবদান। বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার যে সংস্কারপ্রক্রিয়ার কথা বলছে, সে সংস্কার আজ থেকে ৪০ বছর আগে শুরু করেছিলেন প্রয়াত এরশাদ।

জাতীয় পার্টিকে রক্ষার দায়িত্ব কোনো বিশেষ দলের নয় বলে মন্তব্য করেছেন দলটির (একাংশ) নির্বাহী চেয়ারম্যান মুজিবুল হক চুন্নু। তিনি বলেছেন, জাতীয় পার্টিকে রক্ষা করতে প্রয়োজন সাধারণ মানুষের সমর্থন ও এরশাদপ্রেমিক তৃণমূলের নেতা-কর্মীদের।
আজ মঙ্গলবার (২ সেপ্টেম্বর) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে এ কথা বলেন চুন্নু।
এর আগে গতকাল সোমবার একটি টেলিভিশনে দেওয়া বক্তব্যে জাতীয় পার্টির জি এম কাদের অংশের মহাসচিব শামীম হায়দার পাটোয়ারী জাতীয় পার্টিকে রক্ষা বিএনপির দায়িত্ব বলে মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, গণতন্ত্রের স্বার্থে জাতীয় পার্টিকে রক্ষার দায়িত্ব বিএনপির। এ মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা-সমালোচনার ঝড় উঠেছে।
জাতীয় পার্টির (একাংশ) নির্বাহী চেয়ারম্যান মুজিবুল হক চুন্নু বলেছেন, ‘জনগণের ভালোবাসায় জাতীয় পার্টি স্বমহিমায় উজ্জ্বল। যেকোনো সংকটে-সংগ্রামে এ দেশের জনগণ সব সময় আমাদের পাশে ছিল, আছে এবং ভবিষ্যতে থাকবে ইনশা আল্লাহ। তাই জাতীয় পার্টিকে রক্ষার জন্য কোনো বিশেষ দলের আনুকূল্য নয়, প্রয়োজন দেশের সাধারণ মানুষের সমর্থন ও এরশাদপ্রেমিক তৃণমূলের নেতা-কর্মীদের ত্যাগ।’
মুজিবুল হক চুন্নুর বিবৃতিতে বলা হয়, ‘সোমবার একটি টেলিভিশন টক শোতে জনৈক শামীম হায়দার পাটোয়ারীর একটি বক্তব্য আমাদের দৃষ্টিগোচর হয়েছে। তিনি তাঁর বক্তব্যে জাতীয় পার্টিকে রক্ষার জন্য একটি দলের সাহায্যের কথা বলেছেন। এটি অত্যন্ত লজ্জাজনক ও হতাশাজনক। তাঁর এ বক্তব্যের মধ্য দিয়ে জাতীয় পার্টির তৃণমূল নেতারা ব্যথিত ও ক্ষুব্ধ হয়েছেন। বর্তমানে ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী জাতীয় পার্টির প্রাথমিক সদস্য ভোট অধিষ্ঠিত থাকলেও তিনি কোনো পদে নেই। তাই জাতীয় পার্টি তাঁর বক্তব্য প্রত্যাখ্যান করছে। ভবিষ্যতে এ ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ও অপ্রত্যাশিত বক্তব্য প্রদান থেকে বিরত থাকার জন্য আহ্বান জানানো হয়েছে।’
মুজিবুল হক চুন্নু বলেন, জাতীয় পার্টি দীর্ঘ ৯ বছর প্রয়াত এরশাদের নেতৃত্বে রাষ্ট্র পরিচালনা করেছে। এ দেশের উন্নয়ন, অগ্রগতি ও সমৃদ্ধির পেছনে রয়েছে জাতীয় পার্টির অনন্য অবদান। বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার যে সংস্কারপ্রক্রিয়ার কথা বলছে, সে সংস্কার আজ থেকে ৪০ বছর আগে শুরু করেছিলেন প্রয়াত এরশাদ।

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ৩০ আসনে লড়বে বলে জানিয়েছেন দলটির মুখপাত্র ও নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। আজ সোমবার একটি বেসরকারি টিভি চ্যানেলকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এ কথা জানান তিনি।
১ ঘণ্টা আগে
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস বলেছেন, কথিত একটি রাজনৈতিক দল, যারা কোনো দিনই দেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্বের পক্ষে ছিল না, তারা সহিংসতা করে নির্বাচন বানচালের জন্য চক্রান্ত করছে। কারণ, তারা নির্বাচনের জন্য প্রস্তুত নয়। দল (বিএনপি) তাদের চক্রান্তে পা দেবে না।
২ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামীর প্রতি সমর্থন নিয়ে নতুন তথ্য দিয়েছে চারটি সংস্থার সম্মিলিত এক জরিপে। নতুন এই জরিপ দাবি করছে, আসন্ন নির্বাচনে বাংলাদেশের শীর্ষ রাজনৈতিক দল বিএনপি ও জামায়াতের মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হবে। জনসমর্থনে বিএনপি মাত্র ১ শতাংশীয় পয়েন্ট এগিয়ে আছে।
৩ ঘণ্টা আগে
শ্রমজীবী মানুষ রাজনৈতিক দলের কাছে গুরুত্বপূর্ণ বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান। তিনি বলেছেন, আগামী নির্বাচনের মাধ্যমে যারা ক্ষমতায় যাবে, তাদের ওপর শ্রমিক ইশতেহার বাস্তবায়নের দায়িত্ব পড়বে।
৪ ঘণ্টা আগে