নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

দলের সভাপতি নুরুল হক নুরের ওপর হামলার ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন, স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার পদত্যাগ এবং জাতীয় পার্টিকে আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে নিষিদ্ধের দাবি জানিয়েছে গণঅধিকার পরিষদ। আজ শনিবার বিকেলে নুরের ওপর হামলার প্রতিবাদে বিজয়নগরে দলীয় কার্যালয়ের সামনে এসব দাবি জানান দলের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান।
সমাবেশের পর বিক্ষোভ মিছিল করেন দলটির নেতা-কর্মীরা। মিছিলটি পল্টন, প্রেসক্লাব, মৎস্য ভবন, কাকরাইল ঘুরে জাপা কার্যালয়ের সামনে এলে সেখানে আবারও উত্তেজনা তৈরি হয়।
বিজয়নগরে সমাবেশ শুরু পর বিকেল ৪ টায় বিজয়নগর পানির ট্যাংকি থেকে পল্টনগামী রাস্তা অবরোধ করেন দলটির নেতা-কর্মীরা। পরে গায়ে জাতীয় পতাকা জড়িয়ে রাস্তায় শুয়ে পড়েন অনেকে। একপর্যায়ে টায়ারে আগুন জ্বেলে স্লোগান দিতে থাকেন তাঁরা।
সমাবেশে দলের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান বলেন, ‘আজকের মধ্যেই তদন্ত কমিটি গঠন করতে হবে। আমাদের দুই নম্বর দাবি, স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা যেহেতু দায়িত্ব পালন করতে ব্যর্থ হয়েছে; সুতরাং গতকালকের ঘটনার দায় নিয়ে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টাকে পদত্যাগ করতে হবে। তিন নম্বর দাবি, জাতীয় পার্টিকে আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে নিষিদ্ধ করতে হবে।’ এ সময় তিনি নুরুর ওপর হামলার সঙ্গে জড়িত যৌথ বাহিনীর কর্মকর্তাদের যথাযথ বিচার দাবি করেন।
রাশেদ খান আরও বলেন, ‘নুরের নাক-মুখ-চোখ ফাটিয়ে দেওয়া হলো, এটা কি কোনো মাস্টারপ্ল্যান ছাড়া এমনি এমনি ঘটেছে? নূরকে হত্যার উদ্দেশ্যেই হামলা করা হয়েছে। সরকার এই হামলার যদি বিচার না করেন তাহলে আপনাদের বিচার কিন্তু জনগণ করবে।’
রাশেদ আরও বলেন, ‘এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে নির্বাচন বানচালের কোনো সুযোগ নাই। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে অন্য কোনো চক্রান্ত করার সুযোগ নাই। এই ঘটনাকে পুঁজি করে আরেকটি এক-এগারো সৃষ্টি করার কোনো সুযোগ নাই।’
সমাবেশে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জেএসডি) সাধারণ সম্পাদক শহীদ উদ্দিন মাহমুদ স্বপন বলেন, ‘নুর-রাশেদের ওপর যা হয়েছে তার আর প্রতিবাদ করার কিছু নেই। এখন প্রতিরোধ করতে হবে।’
এনসিপির যুগ্ম সদস্যসচিব জয়নাল আবেদীন শিশির বলেন, ‘নুরুল হক নুর একটি বিপ্লবের মহানায়ক, তার একটি কর্মসূচি এভাবে পণ্ড করে দেওয়া বাংলাদেশের রাজনীতিতে আবারও এক কালো থাবা। বাংলাদেশের ট্যাক্সের টাকায় যারা পরিচালিত হয়, তাদের কিছু কুশীলব এখনো দিল্লির কথায় নাচানাচি করছে।’
ভিপি নুরের ছোট ভাই আমিনুল ইসলাম নুর বলেন, ‘গতকাল যা হয়েছে, তাকে অনেকে হামলার কথা বললেও আমি মনে করি এটা হত্যাচেষ্টা। সেনাবাহিনী কি তাকে চেনে না? তাকে চিনেও হাসিনার আমলের পেটোয়া, হানাদার বাহিনীর মতোই হত্যাচেষ্টা চালিয়েছে।’
দলের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাসান আল মামুন বলেন, ‘জাতীয় পার্টিকে নিষিদ্ধ করতে সমস্যা কোথায়? যথাযথ প্রক্রিয়ায় জাতীয় পার্টিকে নিষিদ্ধ করতে হবে। অন্যথায় সারা বাংলাদেশে জাতীয় পার্টির যত অফিস আছে সেগুলো গুঁড়িয়ে দেওয়া হবে।’
মুখপাত্র ফারুক হাসান বলেন, ‘এই বাংলাদেশে হয় জাতীয় পার্টি থাকবে নয়তো বাংলাদেশের পক্ষে বিপ্লবীরা থাকবে। আমাদের নেতা-কর্মীদের প্রতিটি ফোঁটা রক্তের বিনিময়ে হলেও এই জাতীয় মুনাফেক পার্টির অস্তিত্ব মাটির সঙ্গে মিশিয়ে দেওয়া হবে।’
সমাবেশ শেষে বিক্ষোভ মিছিল করেন গণঅধিকারের নেতা-কর্মীরা। পল্টন, প্রেসক্লাব, মৎস্য ভবন, কাকরাইল ঘুরে জাপা কার্যালয়ের সামনে এলে সেখানে উত্তেজনা তৈরি হয়। এ সময় পুলিশ জাপা কার্যালয়ের গলির মুখে অবস্থান নিলে পুলিশকে লক্ষ্য করে ছোট ছোট ইট ছুড়ে মারতে দেখা গেছে নেতা-কর্মীদের। দলের কর্মীদের নিবৃত্ত করতেও দেখা গেছে শীর্ষ নেতাদের। মূল সড়কের পাশ দিয়ে নেতা-কর্মীরা পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে না গেলেও পাশের গলি দিয়ে জাপা কার্যালয়ের সামনে গিয়ে ইট নিক্ষেপ করতে দেখা গেছে গণঅধিকারের নেতা-কর্মীদের।
নেতা-কর্মী জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে স্লোগান দিয়ে ভাঙচুর ও ইটপাটকেল নিক্ষেপ করতে শুরু করেন। সে সময় পুলিশ সদস্যরা রমনা থানার দিকে কিছুটা পিছু হটেন। এ সময় জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের নিচে একটি স্টোর রুমের গেট ভেঙে সেখানে অগ্নিসংযোগ করা হয়। পরে পুলিশ জলকামান নিয়ে এগিয়ে আসে এবং কার্যালয়ের নিচে দেওয়া আগুন নিভিয়ে ফেলে। এ সময় জলকামান নিক্ষেপের কারণে বিক্ষোভকারীরা পিছিয়ে গিয়ে পুলিশ ও জাতীয় পার্টির কার্যালয়কে উদ্দেশ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করতে থাকেন। এ সময় পুলিশ তিনটি সাউন্ড গ্রেনেড ও টিয়ারগ্যাস নিক্ষেপ করে।

দলের সভাপতি নুরুল হক নুরের ওপর হামলার ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন, স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার পদত্যাগ এবং জাতীয় পার্টিকে আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে নিষিদ্ধের দাবি জানিয়েছে গণঅধিকার পরিষদ। আজ শনিবার বিকেলে নুরের ওপর হামলার প্রতিবাদে বিজয়নগরে দলীয় কার্যালয়ের সামনে এসব দাবি জানান দলের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান।
সমাবেশের পর বিক্ষোভ মিছিল করেন দলটির নেতা-কর্মীরা। মিছিলটি পল্টন, প্রেসক্লাব, মৎস্য ভবন, কাকরাইল ঘুরে জাপা কার্যালয়ের সামনে এলে সেখানে আবারও উত্তেজনা তৈরি হয়।
বিজয়নগরে সমাবেশ শুরু পর বিকেল ৪ টায় বিজয়নগর পানির ট্যাংকি থেকে পল্টনগামী রাস্তা অবরোধ করেন দলটির নেতা-কর্মীরা। পরে গায়ে জাতীয় পতাকা জড়িয়ে রাস্তায় শুয়ে পড়েন অনেকে। একপর্যায়ে টায়ারে আগুন জ্বেলে স্লোগান দিতে থাকেন তাঁরা।
সমাবেশে দলের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান বলেন, ‘আজকের মধ্যেই তদন্ত কমিটি গঠন করতে হবে। আমাদের দুই নম্বর দাবি, স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা যেহেতু দায়িত্ব পালন করতে ব্যর্থ হয়েছে; সুতরাং গতকালকের ঘটনার দায় নিয়ে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টাকে পদত্যাগ করতে হবে। তিন নম্বর দাবি, জাতীয় পার্টিকে আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে নিষিদ্ধ করতে হবে।’ এ সময় তিনি নুরুর ওপর হামলার সঙ্গে জড়িত যৌথ বাহিনীর কর্মকর্তাদের যথাযথ বিচার দাবি করেন।
রাশেদ খান আরও বলেন, ‘নুরের নাক-মুখ-চোখ ফাটিয়ে দেওয়া হলো, এটা কি কোনো মাস্টারপ্ল্যান ছাড়া এমনি এমনি ঘটেছে? নূরকে হত্যার উদ্দেশ্যেই হামলা করা হয়েছে। সরকার এই হামলার যদি বিচার না করেন তাহলে আপনাদের বিচার কিন্তু জনগণ করবে।’
রাশেদ আরও বলেন, ‘এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে নির্বাচন বানচালের কোনো সুযোগ নাই। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে অন্য কোনো চক্রান্ত করার সুযোগ নাই। এই ঘটনাকে পুঁজি করে আরেকটি এক-এগারো সৃষ্টি করার কোনো সুযোগ নাই।’
সমাবেশে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জেএসডি) সাধারণ সম্পাদক শহীদ উদ্দিন মাহমুদ স্বপন বলেন, ‘নুর-রাশেদের ওপর যা হয়েছে তার আর প্রতিবাদ করার কিছু নেই। এখন প্রতিরোধ করতে হবে।’
এনসিপির যুগ্ম সদস্যসচিব জয়নাল আবেদীন শিশির বলেন, ‘নুরুল হক নুর একটি বিপ্লবের মহানায়ক, তার একটি কর্মসূচি এভাবে পণ্ড করে দেওয়া বাংলাদেশের রাজনীতিতে আবারও এক কালো থাবা। বাংলাদেশের ট্যাক্সের টাকায় যারা পরিচালিত হয়, তাদের কিছু কুশীলব এখনো দিল্লির কথায় নাচানাচি করছে।’
ভিপি নুরের ছোট ভাই আমিনুল ইসলাম নুর বলেন, ‘গতকাল যা হয়েছে, তাকে অনেকে হামলার কথা বললেও আমি মনে করি এটা হত্যাচেষ্টা। সেনাবাহিনী কি তাকে চেনে না? তাকে চিনেও হাসিনার আমলের পেটোয়া, হানাদার বাহিনীর মতোই হত্যাচেষ্টা চালিয়েছে।’
দলের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাসান আল মামুন বলেন, ‘জাতীয় পার্টিকে নিষিদ্ধ করতে সমস্যা কোথায়? যথাযথ প্রক্রিয়ায় জাতীয় পার্টিকে নিষিদ্ধ করতে হবে। অন্যথায় সারা বাংলাদেশে জাতীয় পার্টির যত অফিস আছে সেগুলো গুঁড়িয়ে দেওয়া হবে।’
মুখপাত্র ফারুক হাসান বলেন, ‘এই বাংলাদেশে হয় জাতীয় পার্টি থাকবে নয়তো বাংলাদেশের পক্ষে বিপ্লবীরা থাকবে। আমাদের নেতা-কর্মীদের প্রতিটি ফোঁটা রক্তের বিনিময়ে হলেও এই জাতীয় মুনাফেক পার্টির অস্তিত্ব মাটির সঙ্গে মিশিয়ে দেওয়া হবে।’
সমাবেশ শেষে বিক্ষোভ মিছিল করেন গণঅধিকারের নেতা-কর্মীরা। পল্টন, প্রেসক্লাব, মৎস্য ভবন, কাকরাইল ঘুরে জাপা কার্যালয়ের সামনে এলে সেখানে উত্তেজনা তৈরি হয়। এ সময় পুলিশ জাপা কার্যালয়ের গলির মুখে অবস্থান নিলে পুলিশকে লক্ষ্য করে ছোট ছোট ইট ছুড়ে মারতে দেখা গেছে নেতা-কর্মীদের। দলের কর্মীদের নিবৃত্ত করতেও দেখা গেছে শীর্ষ নেতাদের। মূল সড়কের পাশ দিয়ে নেতা-কর্মীরা পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে না গেলেও পাশের গলি দিয়ে জাপা কার্যালয়ের সামনে গিয়ে ইট নিক্ষেপ করতে দেখা গেছে গণঅধিকারের নেতা-কর্মীদের।
নেতা-কর্মী জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে স্লোগান দিয়ে ভাঙচুর ও ইটপাটকেল নিক্ষেপ করতে শুরু করেন। সে সময় পুলিশ সদস্যরা রমনা থানার দিকে কিছুটা পিছু হটেন। এ সময় জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের নিচে একটি স্টোর রুমের গেট ভেঙে সেখানে অগ্নিসংযোগ করা হয়। পরে পুলিশ জলকামান নিয়ে এগিয়ে আসে এবং কার্যালয়ের নিচে দেওয়া আগুন নিভিয়ে ফেলে। এ সময় জলকামান নিক্ষেপের কারণে বিক্ষোভকারীরা পিছিয়ে গিয়ে পুলিশ ও জাতীয় পার্টির কার্যালয়কে উদ্দেশ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করতে থাকেন। এ সময় পুলিশ তিনটি সাউন্ড গ্রেনেড ও টিয়ারগ্যাস নিক্ষেপ করে।

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ৩০ আসনে লড়বে বলে জানিয়েছেন দলটির মুখপাত্র ও নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। আজ সোমবার একটি বেসরকারি টিভি চ্যানেলকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এ কথা জানান তিনি।
১ ঘণ্টা আগে
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস বলেছেন, কথিত একটি রাজনৈতিক দল, যারা কোনো দিনই দেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্বের পক্ষে ছিল না, তারা সহিংসতা করে নির্বাচন বানচালের জন্য চক্রান্ত করছে। কারণ, তারা নির্বাচনের জন্য প্রস্তুত নয়। দল (বিএনপি) তাদের চক্রান্তে পা দেবে না।
২ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামীর প্রতি সমর্থন নিয়ে নতুন তথ্য দিয়েছে চারটি সংস্থার সম্মিলিত এক জরিপে। নতুন এই জরিপ দাবি করছে, আসন্ন নির্বাচনে বাংলাদেশের শীর্ষ রাজনৈতিক দল বিএনপি ও জামায়াতের মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হবে। জনসমর্থনে বিএনপি মাত্র ১ শতাংশীয় পয়েন্ট এগিয়ে আছে।
৩ ঘণ্টা আগে
শ্রমজীবী মানুষ রাজনৈতিক দলের কাছে গুরুত্বপূর্ণ বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান। তিনি বলেছেন, আগামী নির্বাচনের মাধ্যমে যারা ক্ষমতায় যাবে, তাদের ওপর শ্রমিক ইশতেহার বাস্তবায়নের দায়িত্ব পড়বে।
৪ ঘণ্টা আগে