
একটি রাজনৈতিক দল কথায় কথায় জুলাই নিয়ে ‘ব্যবসা’ করছে বলে মন্তব্য করেছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক। তিনি বলেন, ‘আমরা এই ব্যবসা থেকে দূরে সরে আসতে চাই।’
আজ রোববার বিকেলে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মরণ অনুষ্ঠান-২০২৬’-এ বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান আমাদের নির্বাচনের যে ইশতেহার ছিল, সেই ইশতেহার নিয়ে ইতিমধ্যে আমাদের কর্মপরিকল্পনার কার্যক্রম শুরু করেছেন।’
আমিনুল হক জানান, সরকারের ছয় মাসের মধ্যে ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, স্পোর্টস, ইমাম-মুয়াজ্জিনদের ভাতা, খাল খনন ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির কার্যক্রম দৃশ্যমানভাবে শুরু হয়েছে।
আমিনুল হক আরও বলেন, ‘আমরা আগামী সাড়ে চার বছরে দেশের মানুষের সহযোগিতায় কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য বাস্তবায়ন করতে চাই।’
প্রতিমন্ত্রীর ভাষ্য, ‘আমরা কোনো প্রতিহিংসার রাজনীতিতে বিশ্বাস করি না। আমরা বিশ্বাস করি, একটি সহনশীল, ধৈর্যশীল ও সুস্থ রাজনৈতিক পরিবেশ তৈরির মাধ্যমে বাংলাদেশকে এগিয়ে নিতে।’
আমিনুল হক বলেন, ভবিষ্যতে যাতে আর কোনো গণ-অভ্যুত্থানের প্রয়োজন না হয়, সে জন্য একটি সুস্থ রাজনৈতিক পরিবেশ তৈরি করা প্রয়োজন। জুলাইয়ের চেতনা ধারণ করে তরুণ, যুবসমাজসহ সাধারণ মানুষের প্রত্যাশার সঙ্গে সরকারের কার্যক্রমের সমন্বয় করে আগামীর বাংলাদেশ গড়ার কথাও বলেন তিনি।

আজ রোববার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় রাজধানীর মগবাজারে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব দাবি জানান দলটির সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার। বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকট নিরসন এবং জনদুর্ভোগ লাঘবে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
১ ঘণ্টা আগে
হাসনাত আবদুল্লাহ শুরুতেই লিখেছেন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বিরোধী দলকে বিদ্যুৎ সমস্যা সমাধানের পরিকল্পনা প্রদানের জন্য ছয় মাসের আলটিমেটাম দিয়ে চ্যালেঞ্জ দিয়েছেন। আমরা চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করলাম এবং সমাধান-পরিকল্পনা প্রস্তাব করছি...
১ দিন আগে
আজ আমাদের জন্য একটা আনন্দের দিন যে, এই দিনে সেই নেত্রী (খালেদা জিয়া) জন্ম নিয়েছিলেন। যিনি বাংলাদেশের ভাগ্যের সঙ্গে জড়িয়ে গিয়েছিলেন এবং বাংলাদেশে বারবার তিনি নেতৃত্ব-সংগ্রামের মধ্য দিয়ে গণতন্ত্র ফিরিয়ে নিয়ে এসেছেন। তিনি বাংলাদেশকে সমৃদ্ধ করবার সংগ্রামে নেতৃত্ব দিয়েছেন...
১ দিন আগে
মুক্তিযুদ্ধের পর যে গণতান্ত্রিক ও প্রগতিশীল রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার আকাঙ্ক্ষা জনগণের মধ্যে তৈরি হয়েছিল, তা বাস্তবায়িত হয়নি। সেই রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিস্থিতির মধ্যেই একটি প্রতিক্রিয়াশীল পটপরিবর্তনের লক্ষ্যে ১৫ আগস্টের হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের হত্যা
১ দিন আগে