
কোনো অভ্যুত্থানের ফল জনগণ পায়নি বলে মন্তব্য করেছেন রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক হাসনাত কাইয়ুম। তিনি বলেছেন, প্রতিটি অভ্যুত্থানে জনগণের একটা আকাঙ্ক্ষা থাকে। কিন্তু লড়াই করলে ব্যর্থতা আসে। লড়াইয়ের ফল কখনো আসলে জনগণ পায় না। জনগণ কেবলমাত্র জীবন দেয়, জনগণের স্বার্থে। এর পরে আর কোন কাজ হয় না।
আজ মঙ্গলাবার দুপুরে রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবে রাজনৈতিক তাত্ত্বিক সিরাজুল আলম খানের তৃতীয় মৃত্যুবার্ষিকীতে এক আলোচনা সভায় অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। গণভোট, রাষ্ট্র সংস্কার ও সিরাজুল আলম খানের প্রাসঙ্গিকতা নিয়ে এ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনায় সভাপতিত্ব করেন জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জেএসডির সহসভাপতি তানিয়া রব।
প্রধান সমন্বয়ক হাসনাত কাইয়ুম বলেন, ‘১৯৭১, ১৯৯০ এবং ২০২৪ সালের প্রতিটি গণ-অভ্যুত্থানে সাধারণ মানুষ জীবন দিলেও এর সুফল শেষ পর্যন্ত জনগণের কাছে পৌঁছায় না। লড়াইয়ের পর বিজয়গুলো প্রায়ই বেহাত হয়ে যায়। মানুষ যাঁকে নেতা বানায়, মানুষ নেতা বানানোর জন্য যাঁর পেছনে স্লোগান দেয়, জীবন দেয়, রক্ত দেয়, সন্তান দেয় এবং যে আকাঙ্ক্ষা দেখে দেয়, এক সময় ওই মানুষ আসলে আমাদের থাকে না। এরা পরে দানবে পরিণত হয়।’
রক্তপাতহীন ও শান্তিপূর্ণ পথে মৌলিক পরিবর্তনের জন্য একটি সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠনের প্রস্তাব করেন রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের এই নেতা। তিনি বলেন, ‘আমরা একটা পদ্ধতি বের করতে পারি, যা শান্তিপূর্ণ পথে মানুষের জন্য প্রয়োজন হবে। এর জন্য যদি সংবিধান পরিবর্তনেরও প্রয়োজন হয়, সেটা রক্ত না দিয়ে শান্তিপূর্ণ পথে করতে হবে। ভবিষ্যতে কোনো পরিবর্তনের প্রয়োজন হলে যেন বারবার জীবন দিতে না হয়, বরং নির্বাচিত প্রতিনিধিদের মাধ্যমে ম্যান্ডেট অনুযায়ী সংবিধান পরিবর্তন করা সম্ভব হয়।’
২৪ এর গণ-অভ্যুত্থানের কথা উল্লেখ করে হাসনাত কাইয়ুম বলেন, ‘গণতন্ত্র মঞ্চসহ অন্যান্য রাজনৈতিক শক্তিগুলো তাদের দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হয়েছে এবং সামান্য ক্ষমতার লোভে জনগণের আকাঙ্ক্ষাকে বিসর্জন দিয়েছে।’ বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের বিরুদ্ধেও অভ্যুত্থানের চেতনার সঙ্গে বেইমানি করে বিদেশি শক্তির মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তি করার অভিযোগ তোলেন তিনি।
কেবল লড়াইয়ে জেতার জন্য দালাল, বেইমান বা স্বাধীনতা বিরোধীদের সঙ্গে ঐক্য করা উচিত নয় বলে মন্তব্য করেন রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক হাসনাত কাইয়ুম। তিনি বলেন, ‘ভবিষ্যতে লড়াই করতে হলে ১৯৭১, ১৯৯০ বা ২০২৪ সালের বেইমানদের বাদ দিয়েই ঐক্যবদ্ধ হতে হবে, অন্যথায় ত্যাগের সুফল পাওয়া যাবে না। জনগণ এই সুফল থেকে আবার বঞ্চিত হবে।’

প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা ও বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, রাজনৈতিক বিবেচনা নিয়ে এসে কাউকে এগিয়ে দেন আর কাউকে ফেলে রাখেন, তাহলে তো সেই ব্যক্তি বাংলাদেশের মানুষের ক্ষতি করছেন, মানবতার ওপর আঘাত করছেন। এটাই ১৭ বছর ধরে হয়েছে...
৬ ঘণ্টা আগে
আসন্ন স্থানীয় নির্বাচনে আওয়ামী লীগ নেতাদের অংশগ্রহণ চায় না বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। এরই মধ্যে নির্বাচন কমিশনকে (ইসি) আওয়ামী লীগের অংশগ্রহণের সুযোগ বন্ধে প্রস্তাব দিয়েছে দলটি। ইসির জ্যেষ্ঠ সচিবকে দেওয়া এক চিঠিতে কার্যক্রম নিষিদ্ধ কোনো রাজনৈতিক দলের পদধারী বা সক্রিয় নেতা-কর্মীদের স্থানীয়...
৯ ঘণ্টা আগে
জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘সরকারি দল বলেছিল, অধিকাংশ জনগণ যদি “হ্যাঁ”-এর পক্ষে রায় দেয়, তাহলে আমরা গণভোটের প্রত্যেকটি দাবি অক্ষরে অক্ষরে বাস্তবায়ন করব। তাঁরা বলেছিলেন, গণভোটে “হ্যাঁ” বলুন। কিন্তু যখন তাঁরা (সরকার) ক্ষমতায় চলে গেলেন, তখন তাঁরা “হ্যাঁ” ভুলে গেলে
১০ ঘণ্টা আগে
টক শোতে অনেকে ইনিয়ে-বিনিয়ে শেখ হাসিনার সাফাই গাওয়ার চেষ্টা করছেন। শেখ হাসিনা এত বাহাদুর হলে পালালেন কেন? খালেদা জিয়া তো পালাননি। হাসিনা যে কী নিষ্ঠুর হতে পারে, তা কারাগারে নেতাদের ওপর হাত তোলা না দেখলে বোঝা যাবে না। ফ্যাসিস্ট দলকে ফিরিয়ে আনা যায় না। হিটলারের দল ফিরে আসতে পারেনি...
১ দিন আগে