নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

জনপ্রিয়তা যাচাইয়ে বিএনপিকে নির্বাচনে এসে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার আহ্বান জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, ‘নির্বাচনে আসুন, নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করুন। দেখবেন কার কতো ভোট আছে, কে কতো জনপ্রিয়, পরিষ্কার হয়ে যাবে।’
আজ বুধবার রাজধানীর বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে কৃষক লীগ আয়োজিত এক আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন ওবায়দুল কাদের।
ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘আজকে যারা মানবাধিকার ও গুমের কথা বলেন, খুনের কথা বলেন, আবার বলেন আওয়ামী লীগের নেতা কর্মীদের বিচার করবেন। গুম আর খুনের জন্য এ কথাও প্রকাশ্যে বলেন। ফখরুল সাহেব (বিএনপি নেতা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর) একটা প্রশ্নেরও জবাব দিতে পারেননি।’
কাদের বলেন, ‘জিয়াউর রহমান কেন বঙ্গবন্ধু হত্যকারীদের রক্ষা করতে সংসদে আইন পাস করলেন। এই প্রশ্ন করলেই আপনি এড়িয়ে যান। জবাব পাই না। এবার দেখলাম ১৫ তারিখে খালেদা জিয়ার জন্মদিন আরেকটু আড়াল করে ১৬ আগস্ট দোয়া মাহফিল...দোয়া মাহফিল তাঁর জন্য করেন আপত্তি নেই, কিন্তু ভুয়া জন্মদিনের উপলক্ষে দোয়া মাহফিল এখানে গোটা জাতির আপত্তি আছে।’
মির্জা ফখরুল আলমগীরকে উদ্দেশ্য করে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘কার বিচার করবেন? আপনাদের অনেকের বিচার বাকি রয়েছে। আদালত শুধু প্রচলিত আদালত নয়, ইতিহাসের আদালত, জনতার আদালতও আছে, নিয়তির আদালতও আছে।’
কাদের বলেন, ‘একুশ হাজার আওয়ামী লীগ নেতা কর্মীদের হত্যা করেছেন। কত নারীর সম্ভ্রম নষ্ট করেছেন। ভুলে গেছেন আহসানউল্লাহ মাস্টার, মঞ্জুরুল ইমাম, শাহ এস এম কিবরিয়া; এভাবে কতজন.... যশোরের সাংবাদিক শামসুর রহমান, খুলনার মানিক লাল, বালু ভাই, কত হত্যাকাণ্ডে এই বাংলায় সংগঠিত করেছেন। এগুলোর বিচার হবে না? এগুলো কি মানবাধিকার লঙ্ঘন নয়? আওয়ামী লীগের এত নেতা কর্মীকে হত্যা করা হয়েছে বিচারের মুখোমুখি আরও বাকি আছে।’
ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘নিজের দলের জামালউদ্দিন চট্টগ্রামে অপহরণ করে তাকে হত্যা করা হলো। পরে জানা গেল জামাল উদ্দিনকে হত্যা করেছে বিএনপি। সেই গুমের খবর কি ফখরুল সাহেব জানতেন না? লালবাগে আমাদের মাহফুজ বাবুকে ধরে নিয়ে গুম করেছেন আজ পর্যন্ত কেউ জানে না, তাঁর পরিবার জানে না। এর জবাব দেবেন কি ফখরুল সাহেব?’
ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘সত্যি যারা গুম হয়েছে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ এমন কোনো ঘটনা থাকলে প্রয়োজনে তদন্ত করে বের করা হবে। এখানে আমাদের কোনো ভয় নেই। সত্য সত্যই। নিজের দলের লোকদের শাস্তির ব্যবস্থা করতে শেখ হাসিনা এ যাবৎ কখনো কুণ্ঠিত হয়নি। দলের লোক অন্যায় করে বিনা শাস্তিতে পার হওয়ার উপায় নেই।’
কাদের বলেন, ‘ভয়কে যারা জয় করতে জানে না তাদের রাজনীতি করার কোনো অধিকার নেই। এরা কাপুরুষ। কাজেই ভয়কে জয় করতে শিখুন। ১৩ বছর ধরে চিৎকার করছেন জনগণ সাড়া দেয়নি।’
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘শেখ হাসিনা তেলের দাম কমিয়ে দেন। পৃথিবীতে তেলের দাম কমিয়ে দেওয়ার কোনো নজির নেই। সেটাও আপনারা কটূক্তি করেছেন। ধন্যবাদ না জানিয়ে কটূক্তি করছেন। এটা হচ্ছে বিএনপির রাজনীতি।’
এ সময় দলীয় নেতা কর্মীদের উদ্দেশ্য করে কাদের বলেন, ‘কোন অবস্থাতেই মাথা গরম করা যাবে না। আমরা কাউকে আক্রমণ করব না। আক্রমণ হলে পাল্টা আক্রমণ হবে।’
কৃষক লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা শরীফ আশরাফ আলী সভাপতিত্বে অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক উম্মে কুলসুম স্মৃতি। এ সময় বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দীন নাছিম, সাংগঠনিক সম্পাদক সাখাওয়াত হোসেন শফিক, কৃষি ও সমবায় বিষয়ক সম্পাদক ফরিদুন্নাহার লাইলী প্রমুখ।

জনপ্রিয়তা যাচাইয়ে বিএনপিকে নির্বাচনে এসে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার আহ্বান জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, ‘নির্বাচনে আসুন, নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করুন। দেখবেন কার কতো ভোট আছে, কে কতো জনপ্রিয়, পরিষ্কার হয়ে যাবে।’
আজ বুধবার রাজধানীর বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে কৃষক লীগ আয়োজিত এক আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন ওবায়দুল কাদের।
ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘আজকে যারা মানবাধিকার ও গুমের কথা বলেন, খুনের কথা বলেন, আবার বলেন আওয়ামী লীগের নেতা কর্মীদের বিচার করবেন। গুম আর খুনের জন্য এ কথাও প্রকাশ্যে বলেন। ফখরুল সাহেব (বিএনপি নেতা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর) একটা প্রশ্নেরও জবাব দিতে পারেননি।’
কাদের বলেন, ‘জিয়াউর রহমান কেন বঙ্গবন্ধু হত্যকারীদের রক্ষা করতে সংসদে আইন পাস করলেন। এই প্রশ্ন করলেই আপনি এড়িয়ে যান। জবাব পাই না। এবার দেখলাম ১৫ তারিখে খালেদা জিয়ার জন্মদিন আরেকটু আড়াল করে ১৬ আগস্ট দোয়া মাহফিল...দোয়া মাহফিল তাঁর জন্য করেন আপত্তি নেই, কিন্তু ভুয়া জন্মদিনের উপলক্ষে দোয়া মাহফিল এখানে গোটা জাতির আপত্তি আছে।’
মির্জা ফখরুল আলমগীরকে উদ্দেশ্য করে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘কার বিচার করবেন? আপনাদের অনেকের বিচার বাকি রয়েছে। আদালত শুধু প্রচলিত আদালত নয়, ইতিহাসের আদালত, জনতার আদালতও আছে, নিয়তির আদালতও আছে।’
কাদের বলেন, ‘একুশ হাজার আওয়ামী লীগ নেতা কর্মীদের হত্যা করেছেন। কত নারীর সম্ভ্রম নষ্ট করেছেন। ভুলে গেছেন আহসানউল্লাহ মাস্টার, মঞ্জুরুল ইমাম, শাহ এস এম কিবরিয়া; এভাবে কতজন.... যশোরের সাংবাদিক শামসুর রহমান, খুলনার মানিক লাল, বালু ভাই, কত হত্যাকাণ্ডে এই বাংলায় সংগঠিত করেছেন। এগুলোর বিচার হবে না? এগুলো কি মানবাধিকার লঙ্ঘন নয়? আওয়ামী লীগের এত নেতা কর্মীকে হত্যা করা হয়েছে বিচারের মুখোমুখি আরও বাকি আছে।’
ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘নিজের দলের জামালউদ্দিন চট্টগ্রামে অপহরণ করে তাকে হত্যা করা হলো। পরে জানা গেল জামাল উদ্দিনকে হত্যা করেছে বিএনপি। সেই গুমের খবর কি ফখরুল সাহেব জানতেন না? লালবাগে আমাদের মাহফুজ বাবুকে ধরে নিয়ে গুম করেছেন আজ পর্যন্ত কেউ জানে না, তাঁর পরিবার জানে না। এর জবাব দেবেন কি ফখরুল সাহেব?’
ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘সত্যি যারা গুম হয়েছে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ এমন কোনো ঘটনা থাকলে প্রয়োজনে তদন্ত করে বের করা হবে। এখানে আমাদের কোনো ভয় নেই। সত্য সত্যই। নিজের দলের লোকদের শাস্তির ব্যবস্থা করতে শেখ হাসিনা এ যাবৎ কখনো কুণ্ঠিত হয়নি। দলের লোক অন্যায় করে বিনা শাস্তিতে পার হওয়ার উপায় নেই।’
কাদের বলেন, ‘ভয়কে যারা জয় করতে জানে না তাদের রাজনীতি করার কোনো অধিকার নেই। এরা কাপুরুষ। কাজেই ভয়কে জয় করতে শিখুন। ১৩ বছর ধরে চিৎকার করছেন জনগণ সাড়া দেয়নি।’
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘শেখ হাসিনা তেলের দাম কমিয়ে দেন। পৃথিবীতে তেলের দাম কমিয়ে দেওয়ার কোনো নজির নেই। সেটাও আপনারা কটূক্তি করেছেন। ধন্যবাদ না জানিয়ে কটূক্তি করছেন। এটা হচ্ছে বিএনপির রাজনীতি।’
এ সময় দলীয় নেতা কর্মীদের উদ্দেশ্য করে কাদের বলেন, ‘কোন অবস্থাতেই মাথা গরম করা যাবে না। আমরা কাউকে আক্রমণ করব না। আক্রমণ হলে পাল্টা আক্রমণ হবে।’
কৃষক লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা শরীফ আশরাফ আলী সভাপতিত্বে অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক উম্মে কুলসুম স্মৃতি। এ সময় বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দীন নাছিম, সাংগঠনিক সম্পাদক সাখাওয়াত হোসেন শফিক, কৃষি ও সমবায় বিষয়ক সম্পাদক ফরিদুন্নাহার লাইলী প্রমুখ।

গাইবান্ধা-৫ (ফুলছড়ি-সাঘাটা) আসনে জাতীয় পার্টির মহাসচিব শামীম হায়দার পাটোয়ারীর বিপরীতে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনী মাঠে নেমেছেন জাতীয় পার্টির ভাইস চেয়ারম্যান এ এইচ এম গোলাম শহীদ রঞ্জু। একই দলের দুই শীর্ষস্থানীয় নেতার ভিন্ন অবস্থান সংশ্লিষ্ট নির্বাচনী এলাকায় ভোটারদের মধ্যে সৃষ্টি করেছে বিভ্রান
১ ঘণ্টা আগে
পুরান ঢাকার বাংলাবাজারের সরু গলিতে সকাল থেকেই মানুষের ভিড়। দুই পাশে শতবর্ষী ভবন, মাঝে পুরোনো বৈদ্যুতিক খুঁটি ও ঝুলে পড়া তার—যেন সময় এখানে থমকে আছে। ঠিক এই গলিতে দাঁড়িয়ে ৬২ বছর বয়সী ব্যবসায়ী আবদুল করিম বলেন, ‘ভোট তো দিমু, কিন্তু বদল কি হইব? এইটাই প্রশ্ন।’
১ ঘণ্টা আগে
পটুয়াখালী-৩ (গলাচিপা-দশমিনা) আসনকে ঘিরে রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। আসনটিতে গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি ও ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুরকে বিজয়ী করতে দৃঢ় ও কঠোর অবস্থানে গেছে বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। দলীয় সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন না করায় শেষ পর্যন্ত গতকাল শনিবার এই আসনের দুই উপজেলা ও একটি পৌর শাখার দলীয়
১ ঘণ্টা আগে
নির্বাচন কমিশনে (ইসি) শুনানির এক পর্যায়ে ফেনী-৩ আসনের বিএনপির প্রার্থী আব্দুল আউয়াল মিন্টু ও কুমিল্লা-৪ আসনের এনসিপির প্রার্থী আবুল হাসনাত (হাসনাত আবদুল্লাহ) বাগ্বিতণ্ডায় পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। এতে বাধে হট্টগোল।
৪ ঘণ্টা আগে