
ভোটের উৎসব ফিরিয়ে আনতে কাজ করার আশা প্রকাশ করেছেন ঢাকা-১০ (ধানমন্ডি-নিউমার্কেট-কলাবাগান-হাজারীবাগ থানার আওতাভুক্ত এলাকা) আসনে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী ও চিত্রনায়ক ফেরদৌস আহমেদ। পাশাপাশি তিনি তরুণ প্রজন্মকে নিয়েও কাজ করার আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন। আজ বৃহস্পতিবার সকালে রাজধানীর সেগুনবাগিচার ঢাকা বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে মনোনয়নপত্র দাখিল শেষে এ কথা বলেন তিনি।
বেলা ১১টার কিছু পর মনোনয়নপত্র নিয়ে বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে আসেন ফেরদৌস। প্রায় এক ঘণ্টা পর বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয় থেকে বেরিয়ে গণমাধ্যমের মুখোমুখি হন তিনি। এ সময় এক প্রশ্নের জবাবে ‘হঠাৎ বৃষ্টি’ খ্যাত এই তারকা বলেন, ‘যে মানুষগুলো ভোট দিতে যায় না, যারা মনে করে ভোটের কোনো মূল্য নেই, তাদের আমরা বোঝানোর চেষ্টা করব আপনার ভোটটাই গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মকে নিয়ে আমি কাজ করব। ভোটের যে উৎসব, আনন্দ তা ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করব।’
নির্বাচন প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হবে উল্লেখ করে ফেরদৌস বলেন, ‘নির্বাচন অবশ্যই প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হবে। প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হলেই একটি সুন্দর নির্বাচন হয়।’
ঢাকায় মোট ২০টি আসনের ১৫টি ঢাকা মহানগরে ও পাঁচটি ঢাকা জেলায়। এ কারণে ঢাকার ২০টি আসনকে দুই ভাগে বিভক্ত করে দুটি রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয় স্থাপন করা হয়েছে। একটি পুরান ঢাকার জনসন রোডে অবস্থিত জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে, অন্যটি সেগুনবাগিচায় ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার ও রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয়ে। এর মধ্যে সেগুনবাগিচার ঢাকা বিভাগীয় কার্যালয় ও রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয়ে ঢাকা-৪ থেকে ঢাকা-১৮ আসনের মনোনয়ন সংগ্রহ ও জমা দেওয়া যাচ্ছে।
নির্বাচন কমিশনের ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোট গ্রহণ হবে আগামী ৭ জানুয়ারি। মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিন আজ ৩০ নভেম্বর। মনোনয়নপত্র বাছাই হবে ১ থেকে ৪ ডিসেম্বর। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ১৭ ডিসেম্বর। প্রতীক বরাদ্দ ১৮ ডিসেম্বর।

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেছেন, ‘এখন একটা নির্বাচিত সরকার রয়েছে, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও প্রশাসন রয়েছে। তারা এখন দায়িত্ব নিয়েছে। এটা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কন্ট্রোলের বিষয়। আমরা মাঠে নামলে সেটাকে বলবে “মব”। আমরা মাঠে গিয়ে মব করতে পারব না।’
৪১ মিনিট আগে
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম বলেছেন, ‘রাজনৈতিক সংস্কারের পরবর্তীতে যে অর্থনৈতিক সংস্কারের প্রয়োজন ছিল, সেটা কিন্তু এই বাজেটে সম্ভব হবে না। বাজেটে কিছু সৃজনশীল জায়গা তারা দেখিয়েছে, কিছু পণ্যের কর কমিয়েছে, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যে বরাদ্দ বৃদ্ধি করেছে...
২ ঘণ্টা আগে
মির্জা ফখরুল বলেন, এই বাজেটে শিল্প খাতে যে বরাদ্দ রাখা হয়েছে, এর ফলে অর্থনীতি অত্যন্ত দ্রুততার সঙ্গে সচল হবে। আমরা আশা করি যে, খুব দ্রুত বাংলাদেশের অর্থনীতি আবার ঘুরে দাঁড়াবে।
৫ ঘণ্টা আগে
জামায়াতের প্রস্তাবিত ছায়া বাজেটের বিভিন্ন দিকও তুলে ধরেন দলটির সেক্রেটারি জেনারেল। তিনি জানান, জামায়াত ৮ লাখ ৩৯ হাজার ৫০৫ কোটি টাকার বিকল্প বাজেট প্রস্তাব করেছে, যেখানে বাজেট ঘাটতি ও বৈদেশিক ঋণ নির্ভরতা তুলনামূলক কম রাখা হয়েছে।
৬ ঘণ্টা আগে