নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

দেশের ক্ষমতাসীন দল নিজেরাই নিজেদের সরকারি দল এবং পছন্দমতো বিরোধী দল নির্ধারণ করছে জানিয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান বলেছেন, গণতন্ত্রের সৌন্দর্য দ্বিমতে। গণতন্ত্রের জন্য লাখ লাখ বাঙালি প্রাণ দিয়ে মুক্তিযুদ্ধে বিজয় অর্জন করেছে।
আজ মঙ্গলবার দুপুরে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে গণতান্ত্রিক বাম ঐক্য আয়োজিত ‘একতরফা নির্বাচনে গণতন্ত্র নির্বাসনে’—শীর্ষক আলোচনায় তিনি এ কথা বলেন।
নজরুল ইসলাম খান বলেন, ‘বিরোধী দলের নেতারা বলে এখনো কোনো সিগনাল পাই নাই। সরকার কে হবে, বিরোধী দল কে হবে, সবই আপনি ঠিক করে দেবেন? এটাতো কোনো গণতন্ত্র না। গণতন্ত্রের সৌন্দর্য দ্বিমতে।’
তিনি বলেন, ‘গণতন্ত্র অর্জনের জন্য আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধ করতে হয়েছে। লাখ লাখ মানুষের জীবনের বিনিময়ে আমরা স্বাধীনতা ও গণতন্ত্র পেয়েছি। ৭০-এর নির্বাচনে যারা বিজয়ী হয়েছিলেন, তাঁদের কাছে সংবিধান অনুযায়ী ক্ষমতা হস্তান্তর করা হলে এই লড়াইয়ের প্রয়োজন ছিল না। গণতন্ত্র ছিল না বলেই আমাদের লড়াই করতে হয়েছে।’
দেশে বাকশাল প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে গণতন্ত্রকে প্রথম নির্বাসনে পাঠানো হয়েছিল উল্লেখ করে বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘দুর্ভিক্ষ আড়াল করতে দেশে জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছিল। একদলীয় শাসন কায়েমের মাধ্যমে গণতন্ত্র নিহত হলো। কাদের হাত দিয়ে? যারা গণতন্ত্রের কথা বলত। যাদের ওপর আস্থা স্থাপন করে কোনো প্রশিক্ষণ ছাড়া সাধারণ মানুষ যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল, জীবন দিয়েছিল।’
বিএনপির স্থায়ী কমিটির এই সদস্য বলেন, গুরুত্বপূর্ণ কোনো সিদ্ধান্ত নিতে হলে জনগণের সম্মতি নিতে হয়। গণভোটের আয়োজন করতে হবে, জনগণের মত নিতে হবে। জনগণ যদি পক্ষে ভোট দেয় সেটা গণতান্ত্রিক হবে। শহীদ জিয়া ১৯ দফা কর্মসূচির পক্ষে গণভোট করেছিলেন, জনগণ তাতে সমর্থন দিয়েছিলেন। কিন্তু আজকে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে ধ্বংস করে দেওয়া হলো।
নির্বাচন কমিশনের সমালোচনা করে তিনি বলেন, ১৪ সালে ছিল বিনা ভোটের সরকার, ১৮-তে হলো নিশিরাতের সরকার আর এবার হলো ডামি সরকার। নির্বাচন কমিশনের ড্যাশবোর্ডে রাত ৯টা পর্যন্ত দেখা গেছে ২৮ শতাংশ। রাতে প্রধান নির্বাচন কমিশনার নাকি ঘুমাচ্ছিলেন, তাই তিনি সর্বশেষটা জানতেন না।
এই সরকার বাংলাদেশের জনগণের সরকার না উল্লেখ করে নজরুল ইসলাম বলেন, দেশের জনগণ ভোট দিয়ে এই সরকারকে নির্বাচিত করে নাই। মানুষ গোপনে চুরিচামারি করে। এমন দিনদুপুরে চুরিচামারি হয়, আইনশৃঙ্খলার চরম অবনতি হলে।
তিনি বলেন, রাজনীতিবিদে এখন সংসদ সদস্য হয় না, ব্যবসায়ীরা হয়। আপনারা আবার আশা করেন, তারা এমন আইন করবে যাতে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি হ্রাস পায়?
গার্মেন্টস শ্রমিকদের যথাযথ মজুরি নিশ্চিতের দাবি জানিয়ে নজরুল ইসলাম বলেন, ‘আমাদের অর্থনীতির অন্যতম বড় শক্তি তৈরি পোশাক শিল্প। কিছুদিন আগে তারা মজুরির দাবিতে আন্দোলন করতে গিয়েছিল, পরে তাদের গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। অন্যান্য দেশ শ্রমিকদের যথেষ্ট মজুরি দিতে পারলে, আমরা পারি না কেন? মালিকেরা বলেন, লাভ হয় না। তাহলে একটা থেকে দশটা গার্মেন্টস হয় কী করে?’
খালেদা জিয়া প্রসঙ্গে তিনি বলেন, যারাই কথা বলতে যাবে তাঁকে জেলখানায় আবদ্ধ করে রাখা হবে। খালেদা জিয়াকে একটা ফালতু মামলায় আটক করে রাখা হয়েছে। আর হাজার হাজার কোটি টাকা লুট করেছে, সিন্দুক-আলমারি ভর্তি টাকা পাওয়া গেছে তারাও জামিন পেয়েছে, চিকিৎসা নিতে বিদেশে যাচ্ছে।
পুলিশের সমালোচনা করে তিনি বলেন, ২৮ অক্টোবরের পরে আমাদের ২৫ হাজার নেতা-কর্মী গ্রেপ্তার হয়েছে। আইনমন্ত্রী বলেছেন, ২৫ হাজার না বড়জোর ১২ হাজার হতে পারে। মানে ১২ হাজার খুব একটা বেশি কিছু না। এসব করে আন্দোলন দমন করা যায় না।
সভায় সভাপতির বক্তব্যে সোশ্যাল ডেমোক্রেটিক পার্টির সমন্বয়ক আবুল কালাম আজাদ বলেন, আওয়ামী লীগ আর মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তি নেই। তারা মুক্তিযুদ্ধের চেতনার সঙ্গে বেইমানি করেছে। বঙ্গবন্ধু বাকশাল কায়েম করেছিল, তার কন্যা শেখ হাসিনা ডিজিটাল বাকশাল কায়েম করেছে।

দেশের ক্ষমতাসীন দল নিজেরাই নিজেদের সরকারি দল এবং পছন্দমতো বিরোধী দল নির্ধারণ করছে জানিয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান বলেছেন, গণতন্ত্রের সৌন্দর্য দ্বিমতে। গণতন্ত্রের জন্য লাখ লাখ বাঙালি প্রাণ দিয়ে মুক্তিযুদ্ধে বিজয় অর্জন করেছে।
আজ মঙ্গলবার দুপুরে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে গণতান্ত্রিক বাম ঐক্য আয়োজিত ‘একতরফা নির্বাচনে গণতন্ত্র নির্বাসনে’—শীর্ষক আলোচনায় তিনি এ কথা বলেন।
নজরুল ইসলাম খান বলেন, ‘বিরোধী দলের নেতারা বলে এখনো কোনো সিগনাল পাই নাই। সরকার কে হবে, বিরোধী দল কে হবে, সবই আপনি ঠিক করে দেবেন? এটাতো কোনো গণতন্ত্র না। গণতন্ত্রের সৌন্দর্য দ্বিমতে।’
তিনি বলেন, ‘গণতন্ত্র অর্জনের জন্য আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধ করতে হয়েছে। লাখ লাখ মানুষের জীবনের বিনিময়ে আমরা স্বাধীনতা ও গণতন্ত্র পেয়েছি। ৭০-এর নির্বাচনে যারা বিজয়ী হয়েছিলেন, তাঁদের কাছে সংবিধান অনুযায়ী ক্ষমতা হস্তান্তর করা হলে এই লড়াইয়ের প্রয়োজন ছিল না। গণতন্ত্র ছিল না বলেই আমাদের লড়াই করতে হয়েছে।’
দেশে বাকশাল প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে গণতন্ত্রকে প্রথম নির্বাসনে পাঠানো হয়েছিল উল্লেখ করে বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘দুর্ভিক্ষ আড়াল করতে দেশে জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছিল। একদলীয় শাসন কায়েমের মাধ্যমে গণতন্ত্র নিহত হলো। কাদের হাত দিয়ে? যারা গণতন্ত্রের কথা বলত। যাদের ওপর আস্থা স্থাপন করে কোনো প্রশিক্ষণ ছাড়া সাধারণ মানুষ যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল, জীবন দিয়েছিল।’
বিএনপির স্থায়ী কমিটির এই সদস্য বলেন, গুরুত্বপূর্ণ কোনো সিদ্ধান্ত নিতে হলে জনগণের সম্মতি নিতে হয়। গণভোটের আয়োজন করতে হবে, জনগণের মত নিতে হবে। জনগণ যদি পক্ষে ভোট দেয় সেটা গণতান্ত্রিক হবে। শহীদ জিয়া ১৯ দফা কর্মসূচির পক্ষে গণভোট করেছিলেন, জনগণ তাতে সমর্থন দিয়েছিলেন। কিন্তু আজকে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে ধ্বংস করে দেওয়া হলো।
নির্বাচন কমিশনের সমালোচনা করে তিনি বলেন, ১৪ সালে ছিল বিনা ভোটের সরকার, ১৮-তে হলো নিশিরাতের সরকার আর এবার হলো ডামি সরকার। নির্বাচন কমিশনের ড্যাশবোর্ডে রাত ৯টা পর্যন্ত দেখা গেছে ২৮ শতাংশ। রাতে প্রধান নির্বাচন কমিশনার নাকি ঘুমাচ্ছিলেন, তাই তিনি সর্বশেষটা জানতেন না।
এই সরকার বাংলাদেশের জনগণের সরকার না উল্লেখ করে নজরুল ইসলাম বলেন, দেশের জনগণ ভোট দিয়ে এই সরকারকে নির্বাচিত করে নাই। মানুষ গোপনে চুরিচামারি করে। এমন দিনদুপুরে চুরিচামারি হয়, আইনশৃঙ্খলার চরম অবনতি হলে।
তিনি বলেন, রাজনীতিবিদে এখন সংসদ সদস্য হয় না, ব্যবসায়ীরা হয়। আপনারা আবার আশা করেন, তারা এমন আইন করবে যাতে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি হ্রাস পায়?
গার্মেন্টস শ্রমিকদের যথাযথ মজুরি নিশ্চিতের দাবি জানিয়ে নজরুল ইসলাম বলেন, ‘আমাদের অর্থনীতির অন্যতম বড় শক্তি তৈরি পোশাক শিল্প। কিছুদিন আগে তারা মজুরির দাবিতে আন্দোলন করতে গিয়েছিল, পরে তাদের গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। অন্যান্য দেশ শ্রমিকদের যথেষ্ট মজুরি দিতে পারলে, আমরা পারি না কেন? মালিকেরা বলেন, লাভ হয় না। তাহলে একটা থেকে দশটা গার্মেন্টস হয় কী করে?’
খালেদা জিয়া প্রসঙ্গে তিনি বলেন, যারাই কথা বলতে যাবে তাঁকে জেলখানায় আবদ্ধ করে রাখা হবে। খালেদা জিয়াকে একটা ফালতু মামলায় আটক করে রাখা হয়েছে। আর হাজার হাজার কোটি টাকা লুট করেছে, সিন্দুক-আলমারি ভর্তি টাকা পাওয়া গেছে তারাও জামিন পেয়েছে, চিকিৎসা নিতে বিদেশে যাচ্ছে।
পুলিশের সমালোচনা করে তিনি বলেন, ২৮ অক্টোবরের পরে আমাদের ২৫ হাজার নেতা-কর্মী গ্রেপ্তার হয়েছে। আইনমন্ত্রী বলেছেন, ২৫ হাজার না বড়জোর ১২ হাজার হতে পারে। মানে ১২ হাজার খুব একটা বেশি কিছু না। এসব করে আন্দোলন দমন করা যায় না।
সভায় সভাপতির বক্তব্যে সোশ্যাল ডেমোক্রেটিক পার্টির সমন্বয়ক আবুল কালাম আজাদ বলেন, আওয়ামী লীগ আর মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তি নেই। তারা মুক্তিযুদ্ধের চেতনার সঙ্গে বেইমানি করেছে। বঙ্গবন্ধু বাকশাল কায়েম করেছিল, তার কন্যা শেখ হাসিনা ডিজিটাল বাকশাল কায়েম করেছে।

জামায়াত আমিরের সঙ্গে বৈঠকে আরও থাকবেন দলের নায়েবে আমির সৈয়দ আবদুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের, সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার এবং সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল রফিকুল ইসলাম খান।
১০ মিনিট আগে
তারেক রহমান বলেন, ‘আমরা যদি একটি নিরাপদ, গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করতে ব্যর্থ হই, তাহলে আগামী দিনে এভাবেই শোকসভা ও শোকগাথা চলতেই থাকবে। সুতরাং আর শোকগাথা বা শোক সমাবেশ নয়। আসুন...গণতন্ত্রকামী মানুষ আগামীর বাংলাদেশে গণতন্ত্রের বিজয় গাথা রচনা করবে।’
১ ঘণ্টা আগে
জুলাই আন্দোলনে অংশগ্রহণকারীদের ‘মুক্তিযোদ্ধা’ আখ্যা দিয়ে বিএনপির চেয়ারম্যান বলেন, ‘তাঁরাও মুক্তিযোদ্ধা। একাত্তরের মুক্তিযোদ্ধারা এ দেশের স্বাধীনতার জন্য জীবন দিয়েছিলেন, এ দেশের স্বাধীনতার জন্য ত্যাগ স্বীকার করেছিলেন।
২ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন দেশের বিশিষ্ট কবি ও সাহিত্যিকদের একটি প্রতিনিধিদল। গতকাল শনিবার রাত সাড়ে ৮টায় রাজধানীর গুলশানে বিএনপির চেয়ারম্যানের রাজনৈতিক কার্যালয়ে তাঁরা তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।
৫ ঘণ্টা আগে