নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

রাজধানীর কাকরাইলে জাতীয় পার্টি ও গণঅধিকার পরিষদের নেতা-কর্মীদের সংঘর্ষে গুরুতর আহত গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুরকে দেখতে এবং তাঁর স্বাস্থ্যের খোঁজখবর নিতে হাসপাতালে গেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান।
আজ শনিবার দুপুর ১২টার দিকে তিনি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নুরকে দেখতে যান।
গণঅধিকার পরিষদের সভাপতিকে দেখার পর আব্দুল মঈন খান সাংবাদিকদের বলেন, ‘অত্যন্ত দুঃখের বিষয় যে, গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুরকে গতকাল রাজনৈতিক কর্মসূচি পালনের সময় নির্মমভাবে আঘাত করা হয়েছে, যার ফলে তিনি আজকে আইসিইউতে ভর্তি আছেন। আপনাদের একটি বিষয় স্পষ্ট করে বলে দিতে চাই, আমরা গণতন্ত্রে বিশ্বাসী, আমরা শান্তিপূর্ণ রাজনীতিতে বিশ্বাসী। আমরা বিএনপির কথা বলতে পারি। আমরা উদারনৈতিক গণতন্ত্রের জন্য শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে আন্দোলন শুরু করেছিলাম। এ দেশে বাকশাল দূর করে বহুদলীয় গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনা হয়েছিল।
‘পরবর্তীতে বেগম খালেদা জিয়ার ’৯০-এর আন্দোলনের নেতৃত্বে এ দেশে পার্লামেন্টারি গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনা হয়েছিল। সর্বশেষ ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে ধৈর্যের পরীক্ষা দিয়ে তিনি যেভাবে শান্তিপূর্ণ আন্দোলন বজায় রেখে ছাত্রজনতার সঙ্গে একত্র হয়ে স্বৈরাচারকে এ দেশ থেকে পালিয়ে যেতে বাধ্য করেছিলেন, সেখানে নুরের ভূমিকা ছিল সর্বাধিক।
‘আজকে দুঃখের সঙ্গে বলতে হয়, কেন তাঁকে আজ এই পরিণতিতে আসতে হলো! তিনি গণতন্ত্রের কথা বলেছেন। তিনি কীভাবে যুদ্ধ করে ডাকসুর ভিপি হয়েছিলেন তার প্রতিটি কার্যক্রম এ দেশের মানুষ জানে। তাঁর ওপর নির্যাতন কোনো মানুষ মেনে নিতে পারে না। বাংলাদেশে ২০২৪ সালে যে গণঅভ্যুত্থান হয়েছে, তা ছিল গণতন্ত্র ফিরি আনার ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের ফলাফল। ২০২৪ এর আগস্ট থেকে গণতন্ত্রের যে রূপান্তর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে, সেই প্রক্রিয়া আমরা অতিসত্বর সম্পন্ন করব; যাতে করে নুরের ওপরে যে হামলা, জুলুম, অত্যাচার হয়েছে, সেটার যেন আর কোনো দিন পুনরাবৃত্তি না ঘটে।’
বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘আমরা গণতন্ত্রে বিশ্বাসী। বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া কার্যকর করার একটি মাত্র পদ্ধতি, তা হলো সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন। এই নির্বাচনের মাধ্যমে বাংলাদেশের মানুষের যে ইচ্ছা, তার স্পষ্ট প্রতিফলন হতে হবে। বাংলাদেশের মানুষ নির্বাচন করবে, তারা তাদের মতামত দেবে। এই মতামতের মাধ্যমে যারা সংখ্যাগরিষ্ঠ হবে, তারা এই দেশ পরিচালনা করবে।
‘বাংলাদেশের হাজার বছরের ইতিহাস দেখুন, দেশের মানুষ কখনো জুলুম-অত্যাচার-নির্যাতন সহ্য করে নাই। তারা প্রতিবাদ করেছে এবং তারা স্বাধীনতার জন্য একবার নয়, বারবার যুদ্ধ করেছে। ’২৪ সালের আগে থেকেই ৬৩টি রাজনৈতিক দল রাজপথে ছিল। নুর সেখানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন। আগামীতে ঠিক একইভাবে এ দেশের গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনব। মানুষের কথা বলার স্বাধীনতা থাকবে, জোর করে কারও মুখ বন্ধ করতে পারবে না।’

রাজধানীর কাকরাইলে জাতীয় পার্টি ও গণঅধিকার পরিষদের নেতা-কর্মীদের সংঘর্ষে গুরুতর আহত গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুরকে দেখতে এবং তাঁর স্বাস্থ্যের খোঁজখবর নিতে হাসপাতালে গেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান।
আজ শনিবার দুপুর ১২টার দিকে তিনি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নুরকে দেখতে যান।
গণঅধিকার পরিষদের সভাপতিকে দেখার পর আব্দুল মঈন খান সাংবাদিকদের বলেন, ‘অত্যন্ত দুঃখের বিষয় যে, গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুরকে গতকাল রাজনৈতিক কর্মসূচি পালনের সময় নির্মমভাবে আঘাত করা হয়েছে, যার ফলে তিনি আজকে আইসিইউতে ভর্তি আছেন। আপনাদের একটি বিষয় স্পষ্ট করে বলে দিতে চাই, আমরা গণতন্ত্রে বিশ্বাসী, আমরা শান্তিপূর্ণ রাজনীতিতে বিশ্বাসী। আমরা বিএনপির কথা বলতে পারি। আমরা উদারনৈতিক গণতন্ত্রের জন্য শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে আন্দোলন শুরু করেছিলাম। এ দেশে বাকশাল দূর করে বহুদলীয় গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনা হয়েছিল।
‘পরবর্তীতে বেগম খালেদা জিয়ার ’৯০-এর আন্দোলনের নেতৃত্বে এ দেশে পার্লামেন্টারি গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনা হয়েছিল। সর্বশেষ ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে ধৈর্যের পরীক্ষা দিয়ে তিনি যেভাবে শান্তিপূর্ণ আন্দোলন বজায় রেখে ছাত্রজনতার সঙ্গে একত্র হয়ে স্বৈরাচারকে এ দেশ থেকে পালিয়ে যেতে বাধ্য করেছিলেন, সেখানে নুরের ভূমিকা ছিল সর্বাধিক।
‘আজকে দুঃখের সঙ্গে বলতে হয়, কেন তাঁকে আজ এই পরিণতিতে আসতে হলো! তিনি গণতন্ত্রের কথা বলেছেন। তিনি কীভাবে যুদ্ধ করে ডাকসুর ভিপি হয়েছিলেন তার প্রতিটি কার্যক্রম এ দেশের মানুষ জানে। তাঁর ওপর নির্যাতন কোনো মানুষ মেনে নিতে পারে না। বাংলাদেশে ২০২৪ সালে যে গণঅভ্যুত্থান হয়েছে, তা ছিল গণতন্ত্র ফিরি আনার ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের ফলাফল। ২০২৪ এর আগস্ট থেকে গণতন্ত্রের যে রূপান্তর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে, সেই প্রক্রিয়া আমরা অতিসত্বর সম্পন্ন করব; যাতে করে নুরের ওপরে যে হামলা, জুলুম, অত্যাচার হয়েছে, সেটার যেন আর কোনো দিন পুনরাবৃত্তি না ঘটে।’
বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘আমরা গণতন্ত্রে বিশ্বাসী। বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া কার্যকর করার একটি মাত্র পদ্ধতি, তা হলো সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন। এই নির্বাচনের মাধ্যমে বাংলাদেশের মানুষের যে ইচ্ছা, তার স্পষ্ট প্রতিফলন হতে হবে। বাংলাদেশের মানুষ নির্বাচন করবে, তারা তাদের মতামত দেবে। এই মতামতের মাধ্যমে যারা সংখ্যাগরিষ্ঠ হবে, তারা এই দেশ পরিচালনা করবে।
‘বাংলাদেশের হাজার বছরের ইতিহাস দেখুন, দেশের মানুষ কখনো জুলুম-অত্যাচার-নির্যাতন সহ্য করে নাই। তারা প্রতিবাদ করেছে এবং তারা স্বাধীনতার জন্য একবার নয়, বারবার যুদ্ধ করেছে। ’২৪ সালের আগে থেকেই ৬৩টি রাজনৈতিক দল রাজপথে ছিল। নুর সেখানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন। আগামীতে ঠিক একইভাবে এ দেশের গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনব। মানুষের কথা বলার স্বাধীনতা থাকবে, জোর করে কারও মুখ বন্ধ করতে পারবে না।’

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পঞ্চগড়–১ ও ২ আসনে প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি (জাগপা) দলীয় মুখপাত্র ও সহ-সভাপতি রাশেদ প্রধান। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে জোটের বৈঠক শেষে নিজের ভ্যারিফায়েড ফেসবুক...
২ ঘণ্টা আগে
নাহিদ বলেন, ‘এই জোট নিয়ে আকাঙ্ক্ষার জায়গা আছে, এটা জনগণ বুঝে। নির্বাচন প্রতিযোগিতাপূর্ণ হবে। প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক নির্বাচনের মাধ্যমে গণতন্ত্রের উত্তরণ ঘটবে, এটা আমাদের প্রত্যাশা। জোট গঠনের প্রক্রিয়ার সময় বেশি দিন না হওয়ায় কিছু মতভিন্নতা রয়েছে। এটা কেটে যাবে।’
৩ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বে ১১ দলের আসন সমঝোতা চূড়ান্ত করতে আজ রুদ্ধদ্বার বৈঠক করেন দলগুলোর শীর্ষ নেতারা।মামুনুল হক বলেন, ‘১০ দলের উপস্থিতিতে বৈঠক সম্পন্ন হয়েছে। ইসলামী আন্দোলনের সঙ্গেও কথা হয়েছে। রাতে সংবাদ সম্মেলনে বিস্তারিত জানানো হবে।
৩ ঘণ্টা আগে
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের পক্ষে কাজ হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এ বিষয়ে প্রবাসীদের কাছে পরিষ্কার ব্যাখ্যা দিতে হবে— কীভাবে ব্যালট পাঠানো হয়েছে, ভোট কীভাবে প্রদানের ব্যবস্থা করা হয়েছে এবং কোথাও একসঙ্গে ২০০–৩০০ ব্যালট থাকলে কী ব্যাখ্যা দেওয়া হবে।’
৪ ঘণ্টা আগে