নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

দলের সংশোধিত গঠনতন্ত্র ও ব্যাংক অ্যাকাউন্ট নির্বাচন কমিশনে (ইসি) জমা দিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।
আজ বুধবার দলের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এহসানুল মাহবুব জোবায়ের ও কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য জসিম উদ্দিন সরকার এ-সংক্রান্ত চিঠি ইসিতে জমা দেন।
ইসিতে আসার কারণ সম্পর্কে জানতে চাইলে এহসানুল মাহবুব জোবায়ের বলেন, ‘আমাদের দলের কিছু তথ্য নির্বাচন কমিশনে জমা দিয়ে গেলাম।’
জামায়াতের প্রতিনিধি আসার কারণ সম্পর্কে জানতে চাইলে ইসির অতিরিক্ত সচিব কে এম আলী নেওয়াজ জানান, জামায়াতে ইসলামী সংশোধিত গঠনতন্ত্র ও ব্যাংক অ্যাকাউন্ট নম্বর জমা দিয়েছে।
তবে জামায়াতের গঠনতন্ত্রে কী ধরনের সংশোধন আনা হয়েছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত জানাতে পারেননি তিনি।
ইসি সূত্রে জানা গেছে, ২০১৯ সালে কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরায় অনুমোদিত দলীয় গঠনতন্ত্রের সর্বশেষ সংশোধনী জমা দিয়েছে জামায়াত।
ইসি কর্মকর্তারা জানান, নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন প্রথা চালু করে এ টি এম শামসুল হুদা কমিশন। ২০০৮ সালে প্রথমবার আওয়ামী লীগ, বিএনপি, জাতীয় পার্টি, জামায়াতে ইসলামীসহ ৩৯টি দলকে নিবন্ধন দেওয়া হয়। তখন অনেক দলকে সংবিধান, আইন ও বিধি মেনে গঠনতন্ত্র সংশোধন করতে বলা হয়। জামায়াতকেও কয়েক দফা চিঠি দেওয়া হয়েছিল। এর মধ্যে দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে দলটির নিবন্ধন বাতিল করা হয়।
জুলাই অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর চলতি বছর নিবন্ধন ফিরে পায় জামায়াত। সে বাধ্যবাধকতা অনুযায়ী, এক যুগ পর গত ৩১ জুলাই বার্ষিক আয়-ব্যয়ের হিসাব জমা দেয় দলটি।
ইসিতে জমা দেওয়া হিসাবে তখন দেখা যায়, ২০২৪ পঞ্জিকা বছরে জামায়াতে ইসলামীর আয় ২৮ কোটি ৯৭ লাখ ২৯৯ টাকা। আর ব্যয় ২৩ কোটি ৭৩ লাখ ৩৮ হাজার ১৭৭ টাকা। কিন্তু সেখানে জামায়াতের ব্যাংক হিসাব নম্বর ছিল না। এরপর প্রয়োজনীয় তথ্য চেয়ে দলটিকে চিঠি দেয় ইসি; যার পরিপ্রেক্ষিতে আজ সংশোধিত গঠনতন্ত্র ও ইসলামী ব্যাংকে দলের কার্যক্রমের বিষয়টি কমিশনকে জানাল দলটি।

দলের সংশোধিত গঠনতন্ত্র ও ব্যাংক অ্যাকাউন্ট নির্বাচন কমিশনে (ইসি) জমা দিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।
আজ বুধবার দলের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এহসানুল মাহবুব জোবায়ের ও কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য জসিম উদ্দিন সরকার এ-সংক্রান্ত চিঠি ইসিতে জমা দেন।
ইসিতে আসার কারণ সম্পর্কে জানতে চাইলে এহসানুল মাহবুব জোবায়ের বলেন, ‘আমাদের দলের কিছু তথ্য নির্বাচন কমিশনে জমা দিয়ে গেলাম।’
জামায়াতের প্রতিনিধি আসার কারণ সম্পর্কে জানতে চাইলে ইসির অতিরিক্ত সচিব কে এম আলী নেওয়াজ জানান, জামায়াতে ইসলামী সংশোধিত গঠনতন্ত্র ও ব্যাংক অ্যাকাউন্ট নম্বর জমা দিয়েছে।
তবে জামায়াতের গঠনতন্ত্রে কী ধরনের সংশোধন আনা হয়েছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত জানাতে পারেননি তিনি।
ইসি সূত্রে জানা গেছে, ২০১৯ সালে কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরায় অনুমোদিত দলীয় গঠনতন্ত্রের সর্বশেষ সংশোধনী জমা দিয়েছে জামায়াত।
ইসি কর্মকর্তারা জানান, নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন প্রথা চালু করে এ টি এম শামসুল হুদা কমিশন। ২০০৮ সালে প্রথমবার আওয়ামী লীগ, বিএনপি, জাতীয় পার্টি, জামায়াতে ইসলামীসহ ৩৯টি দলকে নিবন্ধন দেওয়া হয়। তখন অনেক দলকে সংবিধান, আইন ও বিধি মেনে গঠনতন্ত্র সংশোধন করতে বলা হয়। জামায়াতকেও কয়েক দফা চিঠি দেওয়া হয়েছিল। এর মধ্যে দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে দলটির নিবন্ধন বাতিল করা হয়।
জুলাই অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর চলতি বছর নিবন্ধন ফিরে পায় জামায়াত। সে বাধ্যবাধকতা অনুযায়ী, এক যুগ পর গত ৩১ জুলাই বার্ষিক আয়-ব্যয়ের হিসাব জমা দেয় দলটি।
ইসিতে জমা দেওয়া হিসাবে তখন দেখা যায়, ২০২৪ পঞ্জিকা বছরে জামায়াতে ইসলামীর আয় ২৮ কোটি ৯৭ লাখ ২৯৯ টাকা। আর ব্যয় ২৩ কোটি ৭৩ লাখ ৩৮ হাজার ১৭৭ টাকা। কিন্তু সেখানে জামায়াতের ব্যাংক হিসাব নম্বর ছিল না। এরপর প্রয়োজনীয় তথ্য চেয়ে দলটিকে চিঠি দেয় ইসি; যার পরিপ্রেক্ষিতে আজ সংশোধিত গঠনতন্ত্র ও ইসলামী ব্যাংকে দলের কার্যক্রমের বিষয়টি কমিশনকে জানাল দলটি।

আসন ভাগাভাগি নিয়ে চূড়ান্ত সমঝোতায় পৌঁছাতে পারেনি জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট। এই অবস্থায় জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩০০ আসনের মধ্যে ২৫৩ আসনে জোটের প্রার্থী ঘোষণা করা হয়েছে। ফলে ঝুলে থাকল ৪৭টি আসন। তিনটি দলের আসনের ভাগ জানানো হয়নি।
৬ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আচরণবিধি মানা হচ্ছে না বলে অভিযোগ তুলেছে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামী। দল দুটি আজ বৃহস্পতিবার প্রধান নির্বাচন কমিশনারের (সিইসি) সঙ্গে পৃথক বৈঠক করে এই অভিযোগ জানিয়েছে।
১০ ঘণ্টা আগে
সংবাদ সম্মেলনে জাগপা, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আসন সমঝোতা নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানানো হয়নি। তবে জোটের একটি সূত্র এই তিন দলের আসন বণ্টন বিষয়ে তথ্য দিয়েছে।
১০ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩০০টি আসনের মধ্যে ২৫৩টিতে জামায়াত নেতৃত্বাধীন জোটের শরিক দলগুলোর মধ্যে আসন সমঝোতার রূপরেখা ঘোষণা করেছেন জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের। তিনি জানান, জামায়াত ১৭৯টি আসনে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে এবার।
১২ ঘণ্টা আগে