নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ‘১৫ আগস্টের ঘটনাকে বিএনপি সমর্থন করে না। কিন্তু, ১৫ আগস্টের সঙ্গে জিয়ার নাম জড়ানোটা ভয়ংকর প্রতিহিংসার রাজনীতিকে উসকে দেওয়ার মতো।’
আজ সোমবার রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবে জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের আলোচনা সভায় এ কথা বলেন তিনি। বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের ৪৩তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে এই সভার আয়োজন করা হয়।
মির্জা ফখরুল বলেন, যারা জিয়ার স্বাধীনতার ঘোষণাকে অস্বীকার করে, তারা স্বাধীনতাকেই অস্বীকার করে। প্রাইমারি স্কুলের বইয়ে ইতিহাসের নামে মিথ্যাচার করা হচ্ছে। সেখানে মুক্তিযুদ্ধে অবদান রাখা কারও নাম নেই।
আওয়ামী লীগ জিয়াউর রহমানকে মুছে ফেলতে চায় অভিযোগ করে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘সৈনিক জিয়ার ডাকে স্বাধীনতার যুদ্ধ শুরু হয়েছে, এটাকে তারা মুছে ফেলতে চায়। আওয়ামী লীগ শুধু একজন মানুষকে মহিমান্বিত করার জন্য তাদের পুরো ক্ষমতার অপব্যবহার করে চলেছে। আমরা শেখ মুজিবের অবদানকে কখনো অস্বীকার করি না। কিন্তু কী করে অস্বীকার করা যাবে, যার (জিয়া) ঘোষণায় আমরা স্বাধীনতার যুদ্ধ শুরু করেছিলাম? যারা এটা করতে চায়, এটা যে তাদের রাজনৈতিক সংকীর্ণতা, সেটা প্রমাণিত হয়।’
এ সময় সাবেক সেনাপ্রধান আজিজ আহমেদ ও সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদই আওয়ামী লীগের আসল চেহারা বলে মন্তব্য করেন ফখরুল। তিনি বলেন, পত্রিকা খুললেই দেখা যায় বেনজীরের নজিরবিহীন দুর্নীতি, সাবেক সেনাপ্রধানের নিষেধাজ্ঞা। আর তাদের (আওয়ামী লীগের) তথাকথিত সংসদ সদস্যকে কলকাতায় নিয়ে টুকরো-টুকরো করেছে। এই হচ্ছে তাদের চেহারা।
সভায় আরও বক্তব্য দেন মহিলা দলের সভাপতি আফরোজা আব্বাস, সাধারণ সম্পাদক সুলতানা কামাল প্রমুখ।

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ‘১৫ আগস্টের ঘটনাকে বিএনপি সমর্থন করে না। কিন্তু, ১৫ আগস্টের সঙ্গে জিয়ার নাম জড়ানোটা ভয়ংকর প্রতিহিংসার রাজনীতিকে উসকে দেওয়ার মতো।’
আজ সোমবার রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবে জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের আলোচনা সভায় এ কথা বলেন তিনি। বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের ৪৩তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে এই সভার আয়োজন করা হয়।
মির্জা ফখরুল বলেন, যারা জিয়ার স্বাধীনতার ঘোষণাকে অস্বীকার করে, তারা স্বাধীনতাকেই অস্বীকার করে। প্রাইমারি স্কুলের বইয়ে ইতিহাসের নামে মিথ্যাচার করা হচ্ছে। সেখানে মুক্তিযুদ্ধে অবদান রাখা কারও নাম নেই।
আওয়ামী লীগ জিয়াউর রহমানকে মুছে ফেলতে চায় অভিযোগ করে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘সৈনিক জিয়ার ডাকে স্বাধীনতার যুদ্ধ শুরু হয়েছে, এটাকে তারা মুছে ফেলতে চায়। আওয়ামী লীগ শুধু একজন মানুষকে মহিমান্বিত করার জন্য তাদের পুরো ক্ষমতার অপব্যবহার করে চলেছে। আমরা শেখ মুজিবের অবদানকে কখনো অস্বীকার করি না। কিন্তু কী করে অস্বীকার করা যাবে, যার (জিয়া) ঘোষণায় আমরা স্বাধীনতার যুদ্ধ শুরু করেছিলাম? যারা এটা করতে চায়, এটা যে তাদের রাজনৈতিক সংকীর্ণতা, সেটা প্রমাণিত হয়।’
এ সময় সাবেক সেনাপ্রধান আজিজ আহমেদ ও সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদই আওয়ামী লীগের আসল চেহারা বলে মন্তব্য করেন ফখরুল। তিনি বলেন, পত্রিকা খুললেই দেখা যায় বেনজীরের নজিরবিহীন দুর্নীতি, সাবেক সেনাপ্রধানের নিষেধাজ্ঞা। আর তাদের (আওয়ামী লীগের) তথাকথিত সংসদ সদস্যকে কলকাতায় নিয়ে টুকরো-টুকরো করেছে। এই হচ্ছে তাদের চেহারা।
সভায় আরও বক্তব্য দেন মহিলা দলের সভাপতি আফরোজা আব্বাস, সাধারণ সম্পাদক সুলতানা কামাল প্রমুখ।

উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়ে কিছু প্রার্থী নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করছেন বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস। কারও নাম উল্লেখ না করে তিনি বলেছেন, কিছু কিছু প্রার্থীর কথাবার্তা ও কাজকর্ম উসকানিমূলক। তাঁরা বিধিমালা লঙ্ঘন করে অন্য প্রার্থীর বিরুদ্ধে কথা বলছেন।
৩ মিনিট আগে
জামায়াতের প্রচার বিভাগ থেকে পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে দলটির সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও ১১ দলের সমন্বয়ক হামিদুর রহমান আযাদ জানান, আজ ১৪ জানুয়ারি বিকেল সাড়ে ৪টায় আন্দোলনরত ১১ দল ঘোষিত সংবাদ সম্মেলন অনিবার্য কারণবশত স্থগিত করা হয়েছে।
৪ ঘণ্টা আগে
আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে ১১ দলীয় রাজনৈতিক জোটের অন্দরে আসন সমঝোতা নিয়ে এক চরম নাটকীয়তা তৈরি হয়েছে। জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বে এই জোটে শরিকদের মধ্যে আসন বণ্টন নিয়ে সৃষ্ট জটিলতা গতকাল মঙ্গলবার রাত পর্যন্ত কাটেনি। বিশেষ করে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের সঙ্গে জামায়াতের রশি
৮ ঘণ্টা আগে
একটি বাসায় কয়েকজন ব্যক্তি বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের অনেকগুলো পোস্টাল ব্যালট গুনছেন—এমন একটি ভিডিও অনলাইনে ছড়িয়ে পড়েছে। পোস্টাল ব্যালটের খামে ঠিকানা লেখা রয়েছে বাহরাইনের। আজ মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) নির্বাচন কমিশনের (ইসি) কাছে বিষয়টি নিয়ে আইনি ব্যবস্থা দাবি করেছে বিএনপি।
১৯ ঘণ্টা আগে