
অবশেষে জাতীয় নাগরিক পার্টিতে (এনসিপি) যোগ দিলেন জুলাই আন্দোলনের অন্যতম মুখ ও অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।
আজ সোমবার সন্ধ্যায় রাজধানীর বাংলামোটরস্থ অস্থায়ী কার্যালয়ে আয়োজিত জরুরি সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেন আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। সংবাদ সম্মেলনে আসিফ মাহমুদকেও উপস্থিত থাকতে দেখা যায়।
আসিফ মাহমুদ এখন এনসিপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রধান ও কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। নির্বাচন পরিচালনা কমিটির বর্তমান প্রধান নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী তাঁর দায়িত্ব ছেড়ে দিয়ে তাঁর আসনে নির্বাচনী প্রচারে মনোযোগ দেবেন।
আসিফ মাহমুদের ঢাকা-১০ আসন থেকে থেকে নির্বাচন করার কথা ছিল। তবে তিনি আর নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন না।
সংবাদ সম্মেলনে আসিফ মাহমুদ বলেন, ‘২০২৪ সালের ঐতিহাসিক গণ-অভ্যূত্থানের মধ্যদিয়ে ফ্যাসিবাদের পতন হয়েছে। এরপর আমরা নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্তের সূচনা করেছি। একটি গণতান্ত্রিক সরকার গঠনের লক্ষ্যে বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘জুলাই অভ্যুত্থানের সব শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। জুলাই অভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নের জন্য নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আবার সুযোগ এসেছে। তাই আমি জাতীয় নাগরিক পার্টিতে যোগদান করছি।’

ইরানে মার্কিন ও ইসরায়েলের যৌথ আগ্রাসন, মধ্যপ্রাচ্যব্যাপী যুদ্ধ ও গণহত্যার প্রতিবাদে বিক্ষোভ করেছে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি)। দলটির নেতারা বলেছেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের দস্যুতা গোটা পৃথিবীকে নতুন করে এক মহাযুদ্ধের ঝুঁকির মুখে ফেলেছে।
১৩ ঘণ্টা আগে
এবারের নির্বাচনে শুধু জাতীয় পার্টি বাদে সব দল ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে প্রচারণা চালিয়েছিল। শুধু জাতীয় পার্টিই একক দল হিসেবে ‘না’ ভোটের পক্ষে প্রচারণা চালিয়েছে। তাই যুক্তিসংগতভাবে বলা যায়, ‘না’ ভোটের পক্ষের অধিকাংশ ভোটই জাতীয় পার্টির, তথা লাঙ্গলের...
১৪ ঘণ্টা আগে
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেছেন, ‘আন্তর্জাতিক আইন ও স্বীকৃত আইনি কাঠামোর তোয়াক্কা না করে জাতীয় নেতা ও রাষ্ট্রপ্রধানদের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করে হত্যার যে প্রবণতা ক্রমেই...
১৫ ঘণ্টা আগে
জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির এ টি এম আজহারুল ইসলাম বলেছেন, ‘ইসরায়েল ইরানকে ধ্বংস করার পাঁয়তারা করছে কেন? তাদের শক্তির উৎস কোথায়? কোথা থেকে তারা মদদ পায়? সারা বিশ্বের মানুষ জানে। তাদের আক্রমণের মাধ্যমে মনে হয় সেই আদিম যুগের সেই কথা—‘জোর যার মুল্লুক তার’। এখন এটা আদিম যুগ না। জোর যার মুল্লুক বলে আপনি
১৭ ঘণ্টা আগে