নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠন ছাত্রলীগের ৩০তম কেন্দ্রীয় সম্মেলন আগামী ৬ ডিসেম্বর হবে বলে জানা গেছে। আজ রোববার আওয়ামী লীগের একটি সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। সূত্র জানিয়েছে, আওয়ামী লীগ সভাপতির নির্দেশে তারিখ পরিবর্তন করা হয়েছে।
এর আগে ছাত্রলীগের সম্মেলনের তারিখ ছিল ৩ ডিসেম্বর। পরে সেটা পরিবর্তন করে করা হয়েছিল ৮ ও ৯ ডিসেম্বর। সেটা পরিবর্তন করে এখন করা হয়েছে ৬ ডিসেম্বর।
ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়েছে বলে সূত্রটি আজকের পত্রিকাকে নিশ্চিত করেছেন।
এ বিষয়ে ছাত্রলীগের সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয় বলেন, ‘সম্মেলনসহ বাংলাদেশ ছাত্রলীগের যেকোনো কর্মসূচিতে জননেত্রী শেখ হাসিনার সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত। তাঁর দেশের বাইরে যাওয়ার শিডিউল পরিবর্তন হওয়ার কারণে আমাদের সম্মেলন এগিয়ে আনা হয়েছে। শেখ হাসিনার নির্দেশনা অনুযায়ী সম্মেলন আয়োজন করতে আমরা কাজ করছি।’
প্রসঙ্গত, ২০১৮ সালের মে মাসে ছাত্রলীগের ২৯তম জাতীয় সম্মেলন হয়। ওই বছরের জুলাইয়ে সংগঠনের সভাপতির দায়িত্ব পান রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন এবং সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পান গোলাম রাব্বানী। আর্থিক কেলেঙ্কারির অভিযোগে ২০১৯ সালের সেপ্টেম্বর মাসে তাঁদের দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়।
পরে ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব দেওয়া হয় আল নাহিয়ান খান জয় ও লেখক ভট্টাচার্যকে। ২০২০ সালের ৪ জানুয়ারি ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে জয় ও লেখককে পূর্ণাঙ্গ দায়িত্ব দেওয়া হয়। এরপর থেকে তাঁরা ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছেন।

ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠন ছাত্রলীগের ৩০তম কেন্দ্রীয় সম্মেলন আগামী ৬ ডিসেম্বর হবে বলে জানা গেছে। আজ রোববার আওয়ামী লীগের একটি সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। সূত্র জানিয়েছে, আওয়ামী লীগ সভাপতির নির্দেশে তারিখ পরিবর্তন করা হয়েছে।
এর আগে ছাত্রলীগের সম্মেলনের তারিখ ছিল ৩ ডিসেম্বর। পরে সেটা পরিবর্তন করে করা হয়েছিল ৮ ও ৯ ডিসেম্বর। সেটা পরিবর্তন করে এখন করা হয়েছে ৬ ডিসেম্বর।
ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়েছে বলে সূত্রটি আজকের পত্রিকাকে নিশ্চিত করেছেন।
এ বিষয়ে ছাত্রলীগের সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয় বলেন, ‘সম্মেলনসহ বাংলাদেশ ছাত্রলীগের যেকোনো কর্মসূচিতে জননেত্রী শেখ হাসিনার সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত। তাঁর দেশের বাইরে যাওয়ার শিডিউল পরিবর্তন হওয়ার কারণে আমাদের সম্মেলন এগিয়ে আনা হয়েছে। শেখ হাসিনার নির্দেশনা অনুযায়ী সম্মেলন আয়োজন করতে আমরা কাজ করছি।’
প্রসঙ্গত, ২০১৮ সালের মে মাসে ছাত্রলীগের ২৯তম জাতীয় সম্মেলন হয়। ওই বছরের জুলাইয়ে সংগঠনের সভাপতির দায়িত্ব পান রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন এবং সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পান গোলাম রাব্বানী। আর্থিক কেলেঙ্কারির অভিযোগে ২০১৯ সালের সেপ্টেম্বর মাসে তাঁদের দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়।
পরে ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব দেওয়া হয় আল নাহিয়ান খান জয় ও লেখক ভট্টাচার্যকে। ২০২০ সালের ৪ জানুয়ারি ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে জয় ও লেখককে পূর্ণাঙ্গ দায়িত্ব দেওয়া হয়। এরপর থেকে তাঁরা ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছেন।

জামায়াত আমিরের সঙ্গে বৈঠকে আরও থাকবেন দলের নায়েবে আমির সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের, সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার এবং সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল রফিকুল ইসলাম খান।
২ ঘণ্টা আগে
তারেক রহমান বলেন, ‘আমরা যদি একটি নিরাপদ, গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করতে ব্যর্থ হই, তাহলে আগামী দিনে এভাবেই শোকসভা ও শোকগাথা চলতেই থাকবে। সুতরাং আর শোকগাথা বা শোক সমাবেশ নয়। আসুন...গণতন্ত্রকামী মানুষ আগামীর বাংলাদেশে গণতন্ত্রের বিজয় গাথা রচনা করবে।’
২ ঘণ্টা আগে
জুলাই আন্দোলনে অংশগ্রহণকারীদের ‘মুক্তিযোদ্ধা’ আখ্যা দিয়ে বিএনপির চেয়ারম্যান বলেন, ‘তাঁরাও মুক্তিযোদ্ধা। একাত্তরের মুক্তিযোদ্ধারা এ দেশের স্বাধীনতার জন্য জীবন দিয়েছিলেন, এ দেশের স্বাধীনতার জন্য ত্যাগ স্বীকার করেছিলেন।
৩ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন দেশের বিশিষ্ট কবি ও সাহিত্যিকদের একটি প্রতিনিধিদল। গতকাল শনিবার রাত সাড়ে ৮টায় রাজধানীর গুলশানে বিএনপির চেয়ারম্যানের রাজনৈতিক কার্যালয়ে তাঁরা তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।
৬ ঘণ্টা আগে