নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

আন্দোলনে ব্যর্থতা, নির্বাচনে অংশ না নেওয়াসহ নানা কারণে বিএনপি হতাশ। এই হতাশা থেকে আবোলতাবোল বলছে দলটি। তবে বিএনপির অবস্থা নিয়ে আওয়ামী লীগের চিন্তার কিছু নেই। এমনটাই জানিয়েছেন দলটির সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।
আজ বুধবার দুপুরে বনানীর সেতু ভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি প্রসঙ্গে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘বিএনপির মন্তব্য নিয়ে কথা বলার সময় আমার নাই। তাদের নিয়ে আমাদের চিন্তা করার কিছু নাই। তাদের মধ্যে ব্যর্থ আন্দোলন, নির্বাচনে অংশ না নেওয়া—এসব কারণে তাদের মধ্যে একটা হতাশা আছে।’
ওবায়দুল কাদের আরও বলেন, ‘তারা (বিএনপি) বিরোধিতা করেছে, করবে এবং করছে। তারা তো বিরোধী দল, তাদের কিছু তো বলতেই হবে। বললে সরকারের খারাপটাই বলতে হবে। কারণ, তারা এখন কোনো কিছু ভালো চোখে দেখছে না। তারা হতাশার মধ্যে আছে। এই হতাশা থেকে তারা এসব আবোলতাবোল বলছে। এগুলোর কোনো বাস্তবতা নেই, এগুলো নিয়ে আমাদের কোনো মাথাব্যথা নেই।’
এর আগে, গত ৫ ফেব্রুয়ারি ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘দেশের জনগণও বিএনপির সঙ্গে নেই, বিদেশি বন্ধুরা তাদের ছেড়ে এখন চলে গেছে। আমেরিকার প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে লম্বা চিঠি পাঠিয়েছেন বাংলাদেশের সঙ্গে একযোগে কাজ করার জন্য। অর্থনৈতিক উন্নয়নের ব্যাপারে বিশেষভাবে অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন। পিটার হাসও মার্কিন নীতি কৌশলের প্রতিধ্বনিই করছেন।’
এদিকে, মিয়ানমার সীমান্তের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে আজ ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘নতুন করে আমরা কোনো রোহিঙ্গাদের অনুপ্রবেশ করতে দেব না। আমরা একবার উদারভাবে সীমান্ত খুলে দিয়েছি। এখন সেই উদারতা প্রদর্শনের কোনো সুযোগ নেই।’
ওবায়দুল কাদের আরও বলেন, ‘রোহিঙ্গারা আমাদের জন্য একটা বোঝা হয়ে দাঁড়িয়েছে। রোহিঙ্গাদের জন্য আন্তর্জাতিক যে সাহায্য ছিল, সেটা অনেক কমে গেছে। এমন অবস্থায় এই বোঝা আমরা আর কত দিন বইব?’

আন্দোলনে ব্যর্থতা, নির্বাচনে অংশ না নেওয়াসহ নানা কারণে বিএনপি হতাশ। এই হতাশা থেকে আবোলতাবোল বলছে দলটি। তবে বিএনপির অবস্থা নিয়ে আওয়ামী লীগের চিন্তার কিছু নেই। এমনটাই জানিয়েছেন দলটির সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।
আজ বুধবার দুপুরে বনানীর সেতু ভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি প্রসঙ্গে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘বিএনপির মন্তব্য নিয়ে কথা বলার সময় আমার নাই। তাদের নিয়ে আমাদের চিন্তা করার কিছু নাই। তাদের মধ্যে ব্যর্থ আন্দোলন, নির্বাচনে অংশ না নেওয়া—এসব কারণে তাদের মধ্যে একটা হতাশা আছে।’
ওবায়দুল কাদের আরও বলেন, ‘তারা (বিএনপি) বিরোধিতা করেছে, করবে এবং করছে। তারা তো বিরোধী দল, তাদের কিছু তো বলতেই হবে। বললে সরকারের খারাপটাই বলতে হবে। কারণ, তারা এখন কোনো কিছু ভালো চোখে দেখছে না। তারা হতাশার মধ্যে আছে। এই হতাশা থেকে তারা এসব আবোলতাবোল বলছে। এগুলোর কোনো বাস্তবতা নেই, এগুলো নিয়ে আমাদের কোনো মাথাব্যথা নেই।’
এর আগে, গত ৫ ফেব্রুয়ারি ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘দেশের জনগণও বিএনপির সঙ্গে নেই, বিদেশি বন্ধুরা তাদের ছেড়ে এখন চলে গেছে। আমেরিকার প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে লম্বা চিঠি পাঠিয়েছেন বাংলাদেশের সঙ্গে একযোগে কাজ করার জন্য। অর্থনৈতিক উন্নয়নের ব্যাপারে বিশেষভাবে অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন। পিটার হাসও মার্কিন নীতি কৌশলের প্রতিধ্বনিই করছেন।’
এদিকে, মিয়ানমার সীমান্তের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে আজ ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘নতুন করে আমরা কোনো রোহিঙ্গাদের অনুপ্রবেশ করতে দেব না। আমরা একবার উদারভাবে সীমান্ত খুলে দিয়েছি। এখন সেই উদারতা প্রদর্শনের কোনো সুযোগ নেই।’
ওবায়দুল কাদের আরও বলেন, ‘রোহিঙ্গারা আমাদের জন্য একটা বোঝা হয়ে দাঁড়িয়েছে। রোহিঙ্গাদের জন্য আন্তর্জাতিক যে সাহায্য ছিল, সেটা অনেক কমে গেছে। এমন অবস্থায় এই বোঝা আমরা আর কত দিন বইব?’

বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, ‘কৌশলের নামে গুপ্ত কিংবা সুপ্ত বেশ ধারণ করেনি বিএনপি। আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, যে দলের কর্মীরা অন্যায়-অত্যাচারের বিরুদ্ধে আপসহীন ভূমিকা রাখতে পারে, সেই দলের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র কিংবা অপপ্রচার চালিয়ে দমন করা যাবে না।’
১ ঘণ্টা আগে
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, একটি দল নানা কৌশলে নির্বাচন থেকে সরে যাওয়ার সুযোগ খুঁজছে। আমরা তাদের সেই সুযোগ দেব না। আজ শনিবার রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে গুম-খুন ও নির্যাতনের শিকার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন।
২ ঘণ্টা আগে
রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা থেকে দূরে থাকতে সাংবাদিকদের আহ্বান জানিয়েছেন ব্রডকাস্ট জার্নালিস্ট সেন্টারের (বিজেসি) সভাপতি ও মাছরাঙা টিভির বার্তা সম্পাদক রেজওয়ানুল হক রাজা। তিনি বলেছেন, ‘সাংবাদিকেরা রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা দূর করতে না পারলে আমরা এক হতে পারব না।’
২ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের নির্বাচনী রাজনীতির ইতিহাসে ইসলামপন্থী দলগুলোর মধ্যে ‘বৃহত্তর ঐক্য’ বা ‘এক বাক্সে ভোট’ নিশ্চিত করার প্রচেষ্টা দীর্ঘদিনের। ২০২৬ সালের নির্বাচনকে সামনে রেখে সেই সম্ভাবনা তুঙ্গে উঠলেও শেষ পর্যন্ত তা চরম নাটকীয়তায় পর্যবসিত হয়েছে।
৪ ঘণ্টা আগে