নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ‘অনির্বাচিত ভোটারবিহীন সরকারের জনগণের প্রতি কোনো দায় থাকে না। আওয়ামী স্বৈরশাহী দেশ থেকে গণতন্ত্রশূন্য করেছে যাতে তাঁদের কোনো জবাবদিহি করতে না হয়। বেপরোয়াভাবে নিজেদের লুটপাটের স্বার্থে জনগণের ওপর স্টিম রোলার চালাতে তাঁরা দ্বিধা করছে না।’
আজ শনিবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এ কথা বলেন।
জ্বালানি তেলের মূল্য বাড়ানোর সিদ্ধান্তের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে রাজপথে নেমে সরকারের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানান তিনি।
জ্বালানি তেলের মূল্য বাড়ানোর সিদ্ধান্তকে ‘গণবিরোধী’ ও ‘অপরিণামদর্শী’ আখ্যা দিয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘এমনিতে দ্রব্যমূল্যের বেসামাল ঊর্ধ্বগতিতে মানুষ দিশেহারা, তাঁর ওপর জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধিতে সাধারণ মানুষ খেয়ে পরে বেঁচে থাকার অধিকারটুকুও হারাতে বসেছে। বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকার জনগণের ভোটে নির্বাচিত নয় এবং জনগণ এই জুলুমবাজ সরকারের বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছে। তাই জনগণের প্রতি প্রতিশোধ নিতেই সরকার একের পর এক জ্বালানি, গ্যাস-বিদ্যুৎ ও নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য সামগ্রীর অস্বাভাবিক মূল্য জনগণের ঘাড়ে চাপিয়ে দিচ্ছে।’
এই অবস্থা থেকে মুক্তি থেকে ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ গড়ে তুলে বর্তমান সরকারের পতন ঘটানোর আহ্বান জানিয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘অবিলম্বে রাজপথে নেমে এসে সরকারের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ গড়ে তোলাই এখন গণতন্ত্রকামী মানুষের একমাত্র কর্তব্য। এই জালিম সরকারের কবল থেকে দেশ ও জনগণকে এখনই মুক্ত করতে না পারলে জাতি হিসেবে আমাদের অস্তিত্ব বিপন্ন হবে। স্বৈরাচারের পতন ছাড়া জনগণের কোন নিস্তার নেই।’
সরকারের দুর্নীতি, লুটপাট ও ভয়াবহ দুঃশাসনে দেশ এখন দেউলিয়াত্বের পথে এমন মন্তব্য করে বিবৃতিতে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘দেশের অর্থনীতি ধ্বংস হয়ে গেছে। সরকারের তথাকথিত উন্নয়নের মিথ্যা ও কল্পকাহিনীর ফিরিস্তি শুনতে শুনতে মানুষ এখন ক্লান্ত ও বিরক্ত। জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি দেশের অর্থনীতিতে ব্যাপকভাবে নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে। বিদ্যুৎ, কৃষি ও শিল্প উৎপাদনে বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হবে। খাদ্য পণ্যসহ শাকসবজির দাম অস্বাভাবিক বৃদ্ধি পাবে। এমনিতেই গত কয়েক মাস ধরে নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসের দাম হু হু করে বৃদ্ধি পেয়েছে। পরিবহন এবং গণপরিবহনের ভাড়ায় নৈরাজ্য সৃষ্টি হবে। তাতে নিম্ন আয়ের মানুষ চরম সংকটের মধ্যে পড়বে।’

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ‘অনির্বাচিত ভোটারবিহীন সরকারের জনগণের প্রতি কোনো দায় থাকে না। আওয়ামী স্বৈরশাহী দেশ থেকে গণতন্ত্রশূন্য করেছে যাতে তাঁদের কোনো জবাবদিহি করতে না হয়। বেপরোয়াভাবে নিজেদের লুটপাটের স্বার্থে জনগণের ওপর স্টিম রোলার চালাতে তাঁরা দ্বিধা করছে না।’
আজ শনিবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এ কথা বলেন।
জ্বালানি তেলের মূল্য বাড়ানোর সিদ্ধান্তের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে রাজপথে নেমে সরকারের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানান তিনি।
জ্বালানি তেলের মূল্য বাড়ানোর সিদ্ধান্তকে ‘গণবিরোধী’ ও ‘অপরিণামদর্শী’ আখ্যা দিয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘এমনিতে দ্রব্যমূল্যের বেসামাল ঊর্ধ্বগতিতে মানুষ দিশেহারা, তাঁর ওপর জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধিতে সাধারণ মানুষ খেয়ে পরে বেঁচে থাকার অধিকারটুকুও হারাতে বসেছে। বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকার জনগণের ভোটে নির্বাচিত নয় এবং জনগণ এই জুলুমবাজ সরকারের বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছে। তাই জনগণের প্রতি প্রতিশোধ নিতেই সরকার একের পর এক জ্বালানি, গ্যাস-বিদ্যুৎ ও নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য সামগ্রীর অস্বাভাবিক মূল্য জনগণের ঘাড়ে চাপিয়ে দিচ্ছে।’
এই অবস্থা থেকে মুক্তি থেকে ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ গড়ে তুলে বর্তমান সরকারের পতন ঘটানোর আহ্বান জানিয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘অবিলম্বে রাজপথে নেমে এসে সরকারের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ গড়ে তোলাই এখন গণতন্ত্রকামী মানুষের একমাত্র কর্তব্য। এই জালিম সরকারের কবল থেকে দেশ ও জনগণকে এখনই মুক্ত করতে না পারলে জাতি হিসেবে আমাদের অস্তিত্ব বিপন্ন হবে। স্বৈরাচারের পতন ছাড়া জনগণের কোন নিস্তার নেই।’
সরকারের দুর্নীতি, লুটপাট ও ভয়াবহ দুঃশাসনে দেশ এখন দেউলিয়াত্বের পথে এমন মন্তব্য করে বিবৃতিতে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘দেশের অর্থনীতি ধ্বংস হয়ে গেছে। সরকারের তথাকথিত উন্নয়নের মিথ্যা ও কল্পকাহিনীর ফিরিস্তি শুনতে শুনতে মানুষ এখন ক্লান্ত ও বিরক্ত। জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি দেশের অর্থনীতিতে ব্যাপকভাবে নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে। বিদ্যুৎ, কৃষি ও শিল্প উৎপাদনে বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হবে। খাদ্য পণ্যসহ শাকসবজির দাম অস্বাভাবিক বৃদ্ধি পাবে। এমনিতেই গত কয়েক মাস ধরে নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসের দাম হু হু করে বৃদ্ধি পেয়েছে। পরিবহন এবং গণপরিবহনের ভাড়ায় নৈরাজ্য সৃষ্টি হবে। তাতে নিম্ন আয়ের মানুষ চরম সংকটের মধ্যে পড়বে।’

নির্বাচন কমিশনের অনুরোধে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের উত্তরাঞ্চল স্থগিত করা হয়েছে। আজ শুক্রবার রাতে গুলশানে দলের চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে সাংবাদিকদের এ কথা জানান বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
৩৯ মিনিট আগে
বিএনপির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করলেন তারেক রহমান। আজ শুক্রবার রাতে বিএনপির অফিশিয়াল ফেসবুক পেজে এই ঘোষণা দেওয়া হয়। তারেক রহমানের ছবি সংযুক্ত ঘোষণায় বলা হয়েছে, ‘বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুজনিত কারণে দলের চেয়ারম্যান পদটি শূন্য হয়।
১ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ‘কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটি’ পুনর্গঠন করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। আজ শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
১ ঘণ্টা আগে
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত অস্ট্রেলিয়ার হাইকমিশনার সুসান রাইল ও জার্মান রাষ্ট্রদূত ড. রুডিগার লটজ। আজ শুক্রবার সন্ধ্যা থেকে রাজধানীর গুলশানে বিএনপির চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে এসব সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।
৩ ঘণ্টা আগে