নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের এক জরুরি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। দলের আমিরের রাজধানীর বসুন্ধরার বাসায় এ বৈঠক হয়। বৈঠকে জুলাই সনদের আইনি ভিত্তি ও আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন পিআর (সংখ্যানুপাতিক) পদ্ধতিতে আয়োজনের দাবিতে দৃঢ় অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেছে জামায়াত।
আজ সোমবার বেলা ১১টায় রাজধানীর বসুন্ধরায় জামায়াত আমির শফিকুর রহমানের সভাপতিত্বে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠক সূত্র জানায়, বেলা আনুমানিক ২টা পর্যন্ত বৈঠক চলে। বৈঠকে দলটির নায়েবে আমির, সেক্রেটারি জেনারেল, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেলরাসহ নির্বাহী পরিষদের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
নির্বাচনের আগে সব রাজনৈতিক দলের জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করা এবং পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচন আয়োজনের বিষয়ে জামায়াতে ইসলামীর দৃঢ় অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করা হয়।
জামায়াতের কেন্দ্রীয় প্রচার বিভাগ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের বৈঠকে দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। নেতারা জুলাই জাতীয় সনদকে আইনি ভিত্তি দেওয়া ও তার আলোকে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য করার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন। বৈঠকে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে সব রাজনৈতিক দলের জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করা এবং পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচন আয়োজনের বিষয়ে জামায়াতের দৃঢ় অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করা হয়।

জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের এক জরুরি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। দলের আমিরের রাজধানীর বসুন্ধরার বাসায় এ বৈঠক হয়। বৈঠকে জুলাই সনদের আইনি ভিত্তি ও আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন পিআর (সংখ্যানুপাতিক) পদ্ধতিতে আয়োজনের দাবিতে দৃঢ় অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেছে জামায়াত।
আজ সোমবার বেলা ১১টায় রাজধানীর বসুন্ধরায় জামায়াত আমির শফিকুর রহমানের সভাপতিত্বে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠক সূত্র জানায়, বেলা আনুমানিক ২টা পর্যন্ত বৈঠক চলে। বৈঠকে দলটির নায়েবে আমির, সেক্রেটারি জেনারেল, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেলরাসহ নির্বাহী পরিষদের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
নির্বাচনের আগে সব রাজনৈতিক দলের জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করা এবং পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচন আয়োজনের বিষয়ে জামায়াতে ইসলামীর দৃঢ় অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করা হয়।
জামায়াতের কেন্দ্রীয় প্রচার বিভাগ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের বৈঠকে দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। নেতারা জুলাই জাতীয় সনদকে আইনি ভিত্তি দেওয়া ও তার আলোকে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য করার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন। বৈঠকে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে সব রাজনৈতিক দলের জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করা এবং পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচন আয়োজনের বিষয়ে জামায়াতের দৃঢ় অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করা হয়।

বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘নির্বাচন কমিশনের নির্লিপ্ততা সুষ্ঠু নির্বাচনের পরিবেশ সৃষ্টিতে বাধা সৃষ্টি করছে। এটা অনুচিত বলে আমরা মনে করি। আমরা আশা করি, তারা তাদের আচরণে পরিবর্তন আনবে।’
২১ মিনিট আগে
জামায়াতের সঙ্গে জোট যে অপরিবর্তনীয় নয়, সেই ইঙ্গিত দিয়ে গাজী আতাউর রহমান বলেন, ‘২০ তারিখ (২০ জানুয়ারি) হলো মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিন। নির্বাচন হলো ফেব্রুয়ারির ১২ তারিখ। তাই না? ফেব্রুয়ারির ১২ তারিখের আগপর্যন্ত যেকোনো কিছু ঘটতে পারে।’
২ ঘণ্টা আগে
একটি বাসার ভেতর পোস্টাল ব্যালট গণনার ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন। তিনি বলেছেন, ‘পোস্টাল ব্যালটের বিষয়টি আমি দেখেছি। এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে আমি জানি।’
৪ ঘণ্টা আগে
উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়ে কিছু প্রার্থী নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করছেন বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস। কারও নাম উল্লেখ না করে তিনি বলেছেন, কিছু কিছু প্রার্থীর কথাবার্তা ও কাজকর্ম উসকানিমূলক। তাঁরা বিধিমালা লঙ্ঘন করে অন্য প্রার্থীর বিরুদ্ধে কথা বলছেন।
৪ ঘণ্টা আগে