
জর্ডানের রাজধানী আম্মানের অভিজাতপাড়া উম উথাইনা এলাকায় গেলেই চোখে পড়বে ইব্রাহিম আল ঘোজলানি স্ট্রিটের একটি বাড়ির সামনে পতপত করে উড়ছে লাল-সবুজ পতাকা। এ বাড়িতেই বাংলাদেশ দূতাবাসের প্রধান কার্যালয়। প্রবাসী বাংলাদেশিরা এ বাড়ির সামনে এসে জাতীয় পতাকার দিকে অপলক তাকিয়ে আবেগে চোখ ভাসান। বিদেশের মাটিতে নিজের পতাকার গৌরবে বুকের ছাতি তখন ৪২ ইঞ্চি হয়ে ফুলে ওঠে।
কিন্তু একবার যাঁরা বাড়িটির ভেতরে যান, তাঁদের চেহারার দিকে আর তাকানো যায় না। ভেতরে ঢুকেই তাঁরা হয়রানি আর অসৌজন্যপূর্ণ আচরণের শিকার হন। হাসিমাখা মুখ নিয়ে যাঁরা ভেতরে যান, তাঁরা বেরিয়ে আসেন নিতান্ত মলিন মুখ নিয়ে।
এতটুকু পড়েই পাঠকের মনে হয়তো প্রশ্ন আসতে পারে, দেশের এখনকার এত বড় বড় সমস্যার কথা বাদ দিয়ে আমি কেন জর্ডান দূতাবাস নিয়ে আলাপ করছি। তাই আগে থেকে বলে রাখি, জর্ডানের বাংলাদেশ দূতাবাসে কস্মিনকালেও আমার নিজের কোনো কাজ ছিল না। আমি নিজে কখনো দূতাবাসের ভেতরে যাইনিও। কাজেই এসব অভিযোগ আমার নয়, জর্ডানে যেসব বাংলাদেশি বাস করেন, তাঁদের।
অনেক বছর ধরে কাজের সুবাদে বিশ্বের অনেক দেশ ঘুরে দেখার সুযোগ হয়েছে আমার। যেখানেই গেছি, সবখানেই দূতাবাসকর্মীদের বিরুদ্ধে প্রবাসীদের বিস্তর অভিযোগের কথা শুনেছি। প্রবাসীরা মনে করেন, দূতাবাসের বেশির ভাগ কর্মীর শরীর গন্ডারের চামড়া দিয়ে তৈরি। প্রবাসীদের জন্য তাঁদের মনে আবেগ-অনুভূতির সঞ্চার হয় না। এর ব্যতিক্রম অবশ্য কিছু আছে। কিছু কিছু দেশে দূতাবাসের কর্মীদের সঙ্গে প্রবাসীদের হৃদ্যতার সম্পর্কের কথাও শোনা যায়। সে রকম সম্পর্ক কিছুদিন আগে জর্ডানেও ছিল। কিন্তু এখন নেই। কেন নেই, সে আলাপে পরে আসছি।
গেল মাসের মাঝামাঝি সময়ে আমি সপরিবার জর্ডানে বেড়াতে গিয়েছিলাম। তখন এক প্রবাসী বন্ধুর পারিবারিক আড্ডায় আরও অনেকজন প্রবাসীর সঙ্গে দেখা হয়ে যায়। কথায় কথায় তাঁরা আমার সংবাদকর্মীর পরিচয় জেনে যান। এরপর উঠতে থাকে অভিযোগের ফিরিস্তি। একজন-দুজন নন, অনেক মানুষ তাঁদের অভিযোগের কথা জানাতে থাকেন। সেদিন এসব অভিযোগ নিয়ে আমি লিখব বলে কথা দিতেই এত অভিযোগ আসা শুরু করে যে আঙুলে গুনে তা শেষ করা যাবে না। তবে অভিযোগকারীদের অনেকেই তাঁদের নাম-পরিচয় প্রকাশ না করার জন্য আমাকে অনুরোধ করেছেন। তাঁদের আশঙ্কা, পরিচয় প্রকাশ পেলে তাঁদের হয়রানি আরও বেড়ে যাবে।
বাংলাদেশ দূতাবাসের হয়রানির ফিরিস্তি দেওয়ার আগে ছোট করে জর্ডানের একটু পরিচিতি দেওয়া যাক। কারণ, এ দেশটা মধ্যপ্রাচ্যের হলেও বাংলাদেশিদের কাছে কিছুটা কম পরিচিত। তাই আমার বিবরণ থেকে হয়তো পাঠক ঘরে বসে বেড়ানো আর ইতিহাসচর্চার একটু অনুভূতিও পেয়ে যাবেন।
প্রাচীনকালে আরবের যে অংশকে শাম দেশ বলা হতো, সেটারই একটি অংশ ছিল জর্ডান। সিরিয়া, জর্ডান, লেবানন আর ইসরায়েলসহ প্রাচীন প্যালেস্টাইন (ফিলিস্তিন) অঞ্চলই শাম নামে অভিহিত। বাংলাদেশে শামি কাবাব নামে পরিচিত মুখরোচক খাবারের উৎসভূমি এই শাম দেশই। সৈয়দ মুজতবা আলী লিখেছেন, ‘শ্যাম দেশের গোস্তের বড়া কলকাতার রাস্তায় শামি কাবাব নামে বিক্রি হচ্ছে।’
প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন অনুযায়ী, জর্ডানের বিভিন্ন অঞ্চলে তাম্রযুগ থেকেই মানববসতির অস্তিত্ব ছিল। ক্রমে ক্রমে এ দেশ শাসন করেছে আম্মোন, মোয়াব, এদোম, অ্যাসিরীয়, ব্যাবিলনীয়, নাবাতীয়, পারসীয়, গ্রিক, রোমান, বাইজেন্টাইন এবং মধ্যযুগে আরবের রাশেদিন, উমাইয়া, আব্বাসীয়, উসমানীয় এবং হাশেমীয়রা।
১৯২১ সালে হাশেমি বংশ এখানে রাজত্ব কায়েম করলেও তা ছিল ব্রিটিশদের অধীন। এরপর ১৯৪৬ সালে স্বাধীনতা অর্জন করে জর্ডান। ঐতিহাসিকভাবেই এ দেশে সারা বছরই থাকে বিদেশিদের ভিড়। তাই বিদেশিদের প্রতি এরা খুবই আন্তরিক। আর নারীদের প্রতি জর্ডানিরা খুবই শ্রদ্ধাশীল। জর্ডানের সমাজে নারী-পুরুষের পারস্পরিক সামাজিক আচরণে শালীনতা ও পারস্পরিক সম্মানের বিষয়টি আমার চোখে পড়েছে। আরেকটি বিষয় হলো, দেশটিতে অ্যালকোহল বৈধ। পথেঘাটে মদের দোকান। বেশির ভাগ নারী-পুরুষেরই মনে হলো ধূমপানের অভ্যাস আছে। আরবীয় পোশাকের বহু নারীকে আমি প্রকাশ্যে ধূমপান করতে দেখেছি।
জর্ডানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের শিল্পাঞ্চলবিষয়ক একটি চুক্তি আছে। সেই চুক্তির আওতায় যুক্তরাষ্ট্রে শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার পায় জর্ডানের পণ্য। এই সুযোগ নিয়ে ১৯৯০-৯৬ সালের পর থেকে ব্যাপক প্রবৃদ্ধি অর্জন করতে থাকে দেশটি, এর মূলে ছিল পোশাকশিল্প। বর্তমানে জর্ডানের মোট রপ্তানিতে পোশাকশিল্পের অবদান ১৯ শতাংশ। জর্ডানের পোশাক খাতে যাঁরা বিনিয়োগ করেছেন, তাঁদের মধ্যে কয়েকজন বাংলাদেশিও আছেন। যাঁদের একজন মোহাম্মদ নূর আলম। গ্যালাক্সি অ্যাপারেলস বলে তাঁর বিশাল কারখানা আছে জর্ডানের শিল্পাঞ্চলে। সে কারখানায় তিন হাজারের বেশি শ্রমিক কাজ করেন। যাঁদের বেশির ভাগই বাংলাদেশি।
স্থানীয় লোকজন আমাকে বলেছেন, ২০০০ সালে মাত্র ৯৫ জন শ্রমিক পাঠানোর মধ্য দিয়ে জর্ডানে জনশক্তি রপ্তানি শুরু হয়। এরপর ২০১২ সালে দেশটির সরকারের সঙ্গে একটি সমঝোতা স্মারক সই করে বাংলাদেশ। ধীরে ধীরে সেখানে বাংলাদেশি কর্মী পাঠানোর সংখ্যা বাড়তে থাকে। এখন জর্ডানে ১ লাখ ২৫ হাজারের বেশি বাংলাদেশি কাজ করছেন। তাঁদের মধ্যে ১ লাখই নারী। যাঁরা প্রধানত দেশটির তৈরি পোশাক বা গার্মেন্টসশিল্পে মেশিন অপারেটর ও অন্যান্য পদে কর্মরত।
সরকারিভাবে যাওয়া অধিকাংশ নারী কর্মীর থাকা, খাওয়া, চিকিৎসা ও যাতায়াত খরচ সাধারণত নিয়োগকারী কারখানা বা কোম্পানিই বহন করে। কাজেই বিদেশে যেতে তাঁদের কোনো টাকা খরচ করতে হয় না। তা ছাড়া, মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য দেশের তুলনায় জর্ডান নারী পোশাকশ্রমিকদের জন্য তুলনামূলক নিরাপদ ও নিয়মতান্ত্রিক শ্রমবাজার হিসেবে পরিচিত। সে কারণে এখানে নারীরা সহজেই আসতে পারেন।
কিন্তু এই নারী শ্রমিকেরা সে দেশে এসে নিরাপদে কাজ করলেও বিপদে পড়েন বাংলাদেশ দূতাবাসে কনস্যুলার সেবা নিতে গিয়ে। অনেকের কাছে কনস্যুলার সেবা যেন মহা আতঙ্কের নাম।
বাংলাদেশ সরকারের নিয়ম অনুসারে জিসিসি বা উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদভুক্ত ছয়টি দেশের সঙ্গে জর্ডানের জন্য বিশেষ পাসপোর্ট ফির ব্যবস্থা রয়েছে। সেই ব্যবস্থায় শ্রমিকদের ৫ বছরের পাসপোর্ট নবায়নের জন্য দিতে হয় ২৫ দিনার এবং ১০ বছরের জন্য ৪০ দিনার। প্রবাসীদের অভিযোগ, জর্ডানে এ নিয়ম মানা হয় না। নানা অজুহাতে অতিরিক্ত ফি আদায় করা হয়।
একজন শ্রমিক অভিযোগ করেন, তাঁর সব কাগজপত্রে পেশা হিসেবে শ্রমিক বলে উল্লেখ আছে, শুধু রেসিডেন্স কার্ডে সেটা উল্লেখ নেই। এই অজুহাতে দূতাবাস ভিসা ফিসহ তাঁর কাছ থেকে ৯৮ দিনার আদায় করেছে। আরেক শ্রমিক বলেন, তাঁর রেসিডেন্স কার্ডের মেয়াদ শেষ হওয়ার কারণে দূতাবাস তাঁকে আর শ্রমিক হিসেবে মানতে রাজি নয়। তাঁকেও ৯৮ দিনার ফি দিতে বাধ্য করা হয়েছে। ওই শ্রমিক আমাকে প্রশ্ন করেন, মেয়াদ শেষ হওয়ার সাত দিনের মধ্যে আমার শ্রমিক পরিচয় বদলে গেল কী করে? তিনি বলেন, শ্রমিকদেরও একেকজনের কাছ থেকে একেক রকম ফি আদায় করা হয়েছে। তাঁরা এসব অভিযোগ প্রমাণের জন্য কিছু কাগজপত্রও আমার হাতে তুলে দেন।
আরেক শ্রমিক অভিযোগ করেন, তিনি পারমিটের জন্য আবেদন করেছিলেন। তাঁর আবেদনের মেয়াদ শেষ হয়ে যায় এক মাস আগে। তিনি যে শ্রমিক, এখন তা দূতাবাস আর মানতে চাইছে না। তাঁকে নতুন করে প্রমাণ দিতে হবে যে তিনি শ্রমিক। অথচ সময়মতো আকামা (বসবাসের অনুমতি) নবায়ন করা না হলে তাঁর সর্বনাশ হয়ে যাবে।
দূতাবাসের বিরুদ্ধে সবচেয়ে বেশি অভিযোগ পাসপোর্ট-সংক্রান্ত হয়রানি। এক শ্রমিক অভিযোগ করেন, পাসপোর্টে তাঁর নামের আগে একটি অতিরিক্ত ‘ডট চিহ্ন’ আছে, যা এনআইডিতে নেই। এখন শুধু সেই ডট চিহ্নের জন্য বাকি সব ঠিক থাকলেও তাঁর পাসপোর্ট নবায়ন করা হয়নি।
আরেক শ্রমিক অভিযোগ করেন, পাসপোর্টের জন্য ছবি তুলতে এসে সারা দিন লেগে যায়। নানা অজুহাতে সময় নষ্ট করেন দূতাবাসের লোকেরা। শিশুদের জন্মনিবন্ধন করতে এলেও হয়রানি করা হয়।
শ্রমিকদের একজন বলেন, একজন নারী কনস্যুলার কর্মচারী আছেন, যিনি শ্রমিকদের সঙ্গে সব সময় দুর্ব্যবহার করেন। এ নিয়ে প্রতিবাদ করলে পুলিশে ধরিয়ে দেওয়ার ভয় দেখানো হয়। তাঁরা বলেন, বছরখানেক আগেও তাঁরা ভালো ব্যবহার পেয়েছেন। কিন্তু বর্তমান রাষ্ট্রদূত আসার পর থেকেই শ্রমিকদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করতে শুরু করেন দূতাবাসের কর্মীরা। জর্ডানের বর্তমান রাষ্ট্রদূত নূর-ই হেলাল সাইফুর রহমানের বিরুদ্ধেও দুর্নীতির অভিযোগ নিয়ে খবর প্রকাশিত হয়েছে। জর্ডানপ্রবাসীরা এ নিয়ে বিস্তর অভিযোগও করেছেন। কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হয়নি।
আমি শ্রমিকদের এসব অভিযোগ খুব মন দিয়ে শুনি। সবকিছু শুনে আমার নিজেরও খুব মন খারাপ হয়ে যায়। যাঁরা এসব অভিযোগ করছেন, তাঁরা খুবই সাধারণ মানুষ, তাঁদের চাওয়া-পাওয়াও খুব বেশি নয়। এসব মানুষ দেশ থেকে আসার সময় ব্যাগে ভরে নিয়ে আসেন স্ত্রীর ভালোবাসা, সন্তানের ছবি, ভাইবোনের আদর, মা-বাবার আশীর্বাদ। আর মায়া। দেশের জন্য মায়া, ঘরের জন্য মায়া, বাড়ির পুকুরের মাছের জন্য মায়া, লতানো ঘাসের জন্য মায়া, ফেলে আসা দিনের জন্য মায়া। সেই মায়া কিছুতেই তাঁকে পিছু ছাড়ে না।
কর্মস্থলে ফিরেই সেই মায়াভরা ব্যাগ যত্নে রেখে ছুটে যান তপ্ত মরু বালুতে, পুড়ে খাক হতে। তাঁদের বিন্দু বিন্দু ঘাম যখন বালুতে পড়ে, আগুনমাখা বালু ফুঁড়ে বেরিয়ে আসে চকচকে দিনার। সীমান্ত পেরিয়ে সেই ঘামে ভেজা দিনার হয়ে যায় ‘রেমিট্যান্স’। সরকার খুশি হয়, অর্থমন্ত্রী বাকবাকুম করেন। কেন্দ্রীয় ব্যাংক হিসাব দিয়ে বলে, দেশে রিজার্ভ উপচে পড়ছে।
অথচ বিদেশে একদফা অপমানিত হওয়া এসব মানুষ যখন দেশে ফিরে আসেন, তখন আবার বিমানবন্দরে কাস্টমস ও ইমিগ্রেশনের হাতে নাজেহাল হন। তারপরও ঘরে ফেরার আনন্দে চোখ ভাসান। সবশেষে ভাড়া নিয়ে দর-কষাকষি করা সিএনজিচালিত অটোরিকশা বা ট্যাক্সিচালকের কাছে অপমানিত হতে হতে ঘরে ফিরে আসেন মায়ার টানে। তাঁদের কষ্টের কথা কাউকে বলেনও না।
জর্ডানপ্রবাসীদের এই নীরব কান্না যেন রেমিট্যান্সনির্ভর অর্থনীতিরই এক অদেখা অধ্যায়। মধ্যপ্রাচ্যের আরও অনেক প্রবাসীই হয়তো এমন পরিস্থিতির শিকার হয়ে আসছেন যুগ যুগ ধরে। কিন্তু সে কষ্টের কথা কেউ জানে না।

প্রতিবেদনটি দেখে মনে পড়ে গেল মধ্যযুগে রচিত এ রকম দুটি পঙ্ক্তি: ‘লাখে লাখে সৈন্য মরে কাতারে কাতার, শুমার করিয়া দেখি পঞ্চাশ হাজার।’ বাস থেকে জব্দ করা হয়েছিল ইয়াবা। বিশাল একটি ব্যাগে ভরা ছিল এই ইয়াবা। কিন্তু ভোজভাজির মতো সেই লাখ লাখ ইয়াবাভর্তি ব্যাগটি ৪০০ পিসের ইয়াবার ব্যাগ হয়ে গেল।
১ ঘণ্টা আগে
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকী উদ্যাপনকে কেন্দ্র করে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল এবং ছাত্রশিবিরের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। ফলে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা কলেজ, সরকারি আলিয়া মাদ্রাসা ও সরকারি বিএম কলেজসহ দেশের অন্তত সাতটি ক্যাম্পাসে ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের...
১ দিন আগে
‘বাইরে বেশ ফিটফাট, কিন্তু ভেতরে সদরঘাট’—এ প্রবাদ বাক্যের মতো অবস্থা দাঁড়িয়েছে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে সরকারীকরণ করা কলেজগুলোতে। ভালো করে খবর নিলে দেখা যাবে, দেশের অধিকাংশ সরকারি কলেজের এমনই চিত্র। এ এক ভয়াবহ পরিস্থিতি। দেখভাল করার যেন কোনো কর্তৃপক্ষ নেই।
১ দিন আগে
বহু বছর ধরে বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের অভিযোগ, ইরান পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির চেষ্টা করছে। কিন্তু পাঁচ মাসের যুদ্ধে দেশটির শাসকদের এবং বিশ্ববাসীকে বুঝিয়ে দিয়েছে, ইরানের হাতে এর চেয়েও আরও শক্তিশালী অস্ত্র রয়েছে। আর সেটি হলো, ভৌগোলিক অবস্থান ও সামরিক শক্তি। এই দুইয়ের কারণেই ইরান হরমুজ প্রণালিতে...
১ দিন আগে