
শুরুতেই বলে রাখি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসে সম্প্রতি এমন একটি ঘটনা ঘটে গেল, যা নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন-পুরোনো শিক্ষার্থীরা সারা জীবন লজ্জা পাবেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসে এত বড় দুঃসংবাদ আগে কখনো এসেছে বলে মনে হয় না। বিস্ময়ের ব্যাপার, এই লজ্জা এসেছে ডাকসুর বিশেষ এক কাণ্ডের কারণে। অবশ্য লজ্জা পাওয়ার প্রশ্নটি আসবে তখনই, যখন নিশ্চিত হওয়া যাবে যে বাংলাদেশ নামক দেশটি টিকে আছে এবং পাকিস্তানি ল্যাঞ্জা এসে মাঝে মাঝে উৎপাত করলেও মুক্তিযুদ্ধের শক্তি এই ল্যাঞ্জা সংস্কৃতিকে বিশ্ববিদ্যালয় ছাড়া করে ছাড়বে। যাদের শরীরে এই ল্যাঞ্জা দেখা যাবে, তারাই পরিত্যাজ্য হবে। পাকিস্তানি ভূত এই ল্যাঞ্জা আমাদের দেশের মূল স্পিরিটকে নস্যাৎ করতে চায়।
‘ল্যাঞ্জা’ শব্দটি ধার করেছি সাংবাদিক মাসুদ কামালের একটি ইউটিউব ভাষ্য থেকে। শব্দটি ডাকসুতে জিন্নাহর ছবি প্রদর্শন করার সঙ্গে এতটাই জুতসই যে, ব্যবহার করার লোভ সামলাতে পারলাম না। কামাল ভাইকে এজন্য ধন্যবাদ।
পাকিস্তানের জাতির জনক মোহাম্মদ আলী জিন্নাহর প্রতি কটাক্ষ করার জন্য এই লেখা নয়। পাকিস্তানের মানুষ তাঁকে মাথায় করে রাখুক, তাতে আমাদের শরীরে জ্বলুনি ধরে না। কিন্তু আমাদের জাতীয় নেতাদের উপেক্ষা করে, মুক্তিযুদ্ধের বিজয়ী বীরদের অবজ্ঞা করে যখন ডাকসুর সংগ্রহশালা সাজানো হয়, তখন বোঝাই যায়, ল্যাঞ্জা লুকিয়ে রাখার উদ্দেশ্য পূরণ হয়নি তাদের। যেভাবে একাত্তরকে অসম্মান করার চেষ্টায় ব্রতী হয়েছে একদল চতুর মানুষ, তাদেরই পদধ্বনি ডাকসু সংগ্রহশালায় দেখা যাচ্ছে। সাধারণ শিক্ষার্থীরা প্রতিবাদে মুখর হয়েছেন।
দীর্ঘ সময় ধরে পশ্চিম পাকিস্তানের শোষণ ও বঞ্চনার শিকারে পরিণত হওয়া বাংলায় গড়ে ওঠা স্বায়ত্তশাসনের আন্দোলন, যা পরে স্বাধিকার আন্দোলনে রূপ নেয়, সেই ইতিহাস সম্পর্কে বিন্দুমাত্র জ্ঞান থাকলে ডাকসুতে এভাবে জিন্নাহর ছবি টানানো হতো না। নিজ জাতির প্রতি যাদের ন্যূনতম শ্রদ্ধাবোধ আছে, নিজের দেশের প্রতি যাদের ন্যূনতম আনুগত্য আছে, তারা এ ধরনের গর্হিত কাজ করতে পারে কি না, সে প্রশ্নের উত্তরের ভার সাধারণ জনগণের ওপর ছেড়ে দেওয়াই ভালো। খুবই আপত্তিকর হলো, ডাকসু নেতারা নিজেদের পক্ষে সাফাই গাইবার জন্য এমন সব তথ্য হাজির করছেন, যা শুধু হাস্যরসেরই সৃষ্টি করছে।
ডাকসুর সাধারণ সম্পাদক এস এম ফরহাদ দাবি করেছেন, ভাষা আন্দোলনের পটভূমি তুলে ধরতেই জিন্নাহর ছবি ও তাঁর বাংলা ভাষাবিরোধী বক্তব্য সংগ্রহশালায় প্রদর্শন করা হয়েছে। আসলেই কি তাই? জিন্নাহর যে তিনটি ছবির ঠাঁই হয়েছে সংগ্রহশালায়, সেই তিনটি ছবি কি জিএসের দাবিকে সমর্থন করে? দেশের মানুষদের কি তিনি মূর্খ বলে মনে করেন? তারা কেউ দেশের ইতিহাস জানে না? ছবি তিনটি পাশাপাশি রাখলে কি মানুষ বুঝবে না, এই ছলচাতুরীর উদ্দেশ্য কী? সেই সঙ্গে বঙ্গবন্ধুর ছবি হটিয়ে দিয়ে তাঁরা তাঁদের ল্যাঞ্জা লুকানোর ব্যর্থ চেষ্টা করেও ধরা খেয়ে গেছেন। ইতিহাস নিয়ে ছেলেখেলার এই প্রবণতাও নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। বিজয়ী দেশের ইতিহাসকে পরাজিতদের গড়া বানোয়াট ইতিহাস দিয়ে ঢেকে দেওয়ার দুরভিসন্ধি নিয়েও কথা উঠছে। এবং এই বিষয়টির কারণেই ‘ল্যাঞ্জা’ প্রসঙ্গটি এসেছে। বাংলাদেশের জন্ম ইতিহাসে যে বিশ্ববিদ্যালয়টির অবয়ব সবচেয়ে বেশি উজ্জ্বল, সেই বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদ এ রকম পাকিস্তানপ্রেমী হয়ে উঠবে, তা বিস্ময়কর।
অস্বীকার করবার উপায় নেই, মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ একজন বর্ণাঢ্য ব্যক্তি। তেমনই বর্ণাঢ্য ব্যক্তি মোহনচাঁদ করমচাঁদ গান্ধী এবং জওহর লাল নেহরু। সে সময়ের প্রবল অনিশ্চয়তায় ভরা রাজনৈতিক জীবনে বাংলার শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক, হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর মতো নেতাদের কথাও ভুলে গেলে চলবে না। এই তালিকায় আসবে আবুল হাশিমের নাম। যে মুসলিম নেতাদের নাম এখানে বলা হলো, তাঁরা সবাই কোনো না কোনো সময় ছিলেন মুসলিম লীগের সদস্য। জিন্নাহ একসময় তাঁদের সবারই নেতা হয়ে উঠেছিলেন। কিন্তু তার আগে এমনও সময় ছিল, যখন শেরে বাংলা, সোহরাওয়ার্দীর ব্যক্তিত্বের ব্যাপ্তি বাংলাকে মুসলিম রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে নিয়ে এসেছিল। শেরে বাংলা-জিন্নাহ বিরোধের বিষয়টাও আগ্রহী পাঠক পড়ে নেবেন। কীভাবে বাংলার নেতাদের পাশ কাটিয়ে যাওয়া হয়েছিল, সে ইতিহাসও জেনে নেওয়া জরুরি।
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানেরও নেতা ছিলেন মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ। মুসলিম লীগ থেকে কেন একদল মানুষ বের হয়ে আওয়ামী মুসলিম লীগ গঠন করল, কীভাবে তা আওয়ামী লীগ হলো, কীভাবে বাংলার মানুষ তাদের মুক্তির দিশারি হিসেবে বেছে নিল শেখ মুজিবকে, সেটা পরের ইতিহাস। কিন্তু আগের ইতিহাসের ধারাবাহিকতায় অবধারিতভাবেই পরের ইতিহাসটি এসে যায় এবং তখন রাষ্ট্রের জন্ম-যন্ত্রণাকে আমলে নিয়েই নিজেদের কর্মপন্থা ঠিক করতে হয়। বাংলাদেশের স্বাধিকার আন্দোলনের উজ্জ্বলতম নাম শেখ মুজিবুর রহমানকে এড়িয়ে বাংলাদেশের ইতিহাস রচনা করা অসম্ভব। বাংলাদেশের ইতিহাসে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব ও মোহাম্মদ আলী জিন্নাহর অবস্থান ভিন্ন ভিন্ন জায়গায়। নিজ দেশের মূল নায়ককে অবজ্ঞা করার এই দুঃসাহস শুধু অকৃতজ্ঞরাই দেখাতে পারে। বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে থাকা তথ্য-উপাত্তই প্রমাণ করে এই দেশের জন্মযন্ত্রণা কোন নেতা সহ্য করেছেন সবচেয়ে বেশি। তাই নিজের ইতিহাসের দিকেই ফিরতে হবে। নিজ দেশের নেতাদের অবজ্ঞা, অপমানের যে ঐতিহ্য শুরু করেছে মব সংস্কৃতি, তা থেকে জাতিকে এবার বেরিয়ে আসতে হবে।
আগের কথায় ফিরি। ডাকসু নেতা বা তাঁদের মুরব্বিদের মনে করিয়ে দেওয়া দরকার, পাকিস্তান রাষ্ট্রের জন্ম ইতিহাসে এমন সব ঘটনা আছে, যা পরিষ্কারভাবে আলোচনা করা হয়নি। যে জামায়াতে ইসলামির ছত্রচ্ছায়ায় ছাত্রশিবির গড়ে উঠেছে, সেই জামায়াতে ইসলামী পাকিস্তান রাষ্ট্রটির বিরোধিতা করা শুরু করেছে পাকিস্তানের জন্মের আগে থেকেই। জিন্নাহ এই জামায়াতে ইসলামীর প্রধান টার্গেট ছিলেন। টার্গেট ছিল মুসলিম লীগ।
১৯৪০ সালের ২৩ মার্চ মোহাম্মদ আলী জিন্নাহর সভাপতিত্বে লাহোরে নিখিল ভারত মুসলিম লীগের অধিবেশনে পাস হওয়া লাহোর প্রস্তাবটি নিয়ে কথা বলা দরকার। অনেকেই জানে না, শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক উত্থাপিত এই প্রস্তাবে ভারতবর্ষের উত্তর-পশ্চিম দিকে যেসব অঞ্চলে মুসলমানেরা সংখ্যাগরিষ্ঠ এবং পূর্বদিকে যেসব অঞ্চলে মুসলমানেরা সংখ্যাগরিষ্ঠ, সেসব অঞ্চলে ‘ইনডিপেন্ডেন্ট স্টেটস’ গঠন করার কথা বলা হয়েছিল। অর্থাৎ একটি নয়, দুটি রাষ্ট্র গঠন করার কথাই সেখানে বলা হয়েছিল। এই প্রস্তাব কখনোই পাকিস্তান প্রস্তাব নামে পরিচিত ছিল না। হিন্দু নেতারাই তাঁদের সভা-সমিতিতে বলা কথায় পাকিস্তান নামটিকে জনপ্রিয় করে তোলেন এবং সেটা লুফে নেন মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ। অনেকে এ কথাও জানে না যে, আল্লামা ইকবাল কিংবা চৌধুরী রহমত আলী যে পাকিস্তানের স্বপ্ন দেখেছিলেন ১৯৩০ ও ১৯৩২ সালে, সেই পাকিস্তানে বাংলার কোনো স্থান ছিল না। মূলত পাঞ্জাব, আফগানিস্তান (উত্তর-পশ্চিম সীমান্ত প্রদেশ), কাশ্মীর, সিন্ধু, বালুচিস্তান নিয়েই ছিল তাঁদের মুসলিম রাষ্ট্রের ভাবনা।
১৯৪৬ সালের দিল্লি প্রস্তাবে যখন ‘স্টেটস’ শব্দটি জিন্নাহ সাহেবের ভোজভাজির কারণে ‘স্টেট’-এ পরিণত হয়, তখন আবুল হাশিম (বদরুদ্দীন উমরের পিতা) তার কড়া প্রতিবাদ করেছিলেন। অনেকে এটাও জানে না, ১৯৪৬ সালে সোহরাওয়ার্দী কর্তৃক উত্থাপিত দিল্লি প্রস্তাবের মাধ্যমে মোটেই ১৯৪০ সালের লাহোর প্রস্তাবকে সংশোধন করা হয়নি। সংশোধন করার এখতিয়ারই তাঁদের ছিল না। এটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি জায়গা। পাকিস্তানি ভূত যাদের কাঁধে এখনো ভর করে আছে, তারা সেই ভূতের আসর থেকে বেরিয়ে আসতে পারে স্রেফ সত্যটা জানলে। স্পষ্ট করে তাই লাহোর প্রস্তাব ও দিল্লি প্রস্তাবের বিষয়টি বুঝতে হবে।
লাহোর প্রস্তাব ছিল নিখিল ভারত মুসলিম লীগের সম্পত্তি। এই প্রস্তাবকে মুসলিম লীগ আদর্শগত বিশ্বাসের অঙ্গ (ক্রিড) হিসেবেই তার গঠনতন্ত্রে স্থান দেয়। নিখিল ভারত মুসলিম লীগের এই বিশ্বাসের অঙ্গকে বিকল করার কোনো এখতিয়ার দিল্লির লেজিসলেটর কনভেনশনের ছিল না। পরবর্তীকালে নিখিল ভারত মুসলিম লীগ কাউন্সিল দিল্লি প্রস্তাবটি অনুমোদন করেছিল বলে যে কথা বলা হয়, তা ডাহা মিথ্যা। সোহরাওয়ার্দী কর্তৃক উত্থাপিত দিল্লি প্রস্তাবটি গৃহীত হয়েছিল মূলত মুসলমানদের জন্য প্রস্তাবিত স্বতন্ত্র আবাসভূমির জন্য একটি নিজস্ব সংবিধান প্রণয়নের উপযোগী স্বতন্ত্র গণপরিষদ স্থাপনের প্রস্তুতি রূপে। আর সে সংবিধানের ভিত্তি হতো অবশ্যই লাহোর প্রস্তাব। এ বিষয়ে ভালো করে পড়াশোনা করলে সহজেই বোঝা যাবে, জন্মের সময়েই পাকিস্তানের গোঁজামিলগুলো স্পষ্ট হয়ে উঠতে থাকে এবং তার দায়ভার মূলত জিন্নাহর ঘাড়েই পড়ে।
ইতিহাসের সত্যের খাতিরে স্বীকার করতেই হয়, ১৯৪৭ সালের দেশভাগের সময় জিন্নাহ ভারতবর্ষের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র। আজীবন হিন্দু-মুসলমান মিলনের প্রয়াসে সমর্পিত বিলেতি শিক্ষায় শিক্ষিত এই মানুষটি পরে কেন শুধুই মুসলমানদের জন্য একটি রাষ্ট্র গঠনের আন্দোলনে ব্রতী হলেন, সে ইতিহাসও বিস্ময়ের জন্ম দেয়। জিন্নাহর জীবনযাপন পদ্ধতি সম্পর্কে যাঁদের ন্যূনতম ধারণা আছে, তাঁরা জানেন, ধর্মীয় রীতিনীতির খুব একটা ধার ধারতেন না তিনি। পোশাক-আশাকে পশ্চিমা রীতিই তিনি পছন্দ করতেন। খাওয়া-পান করার ক্ষেত্রেও ধর্মীয় নিষেধাজ্ঞা মানতেন না। পাকিস্তানের গভর্নর জেনারেল হয়ে প্রথম যে ভাষণটি তিনি দিয়েছিলেন, সেখানে সব ধর্মের মানুষ নিয়েই দেশ গড়ার কথা বলেছিলেন তিনি। কিন্তু জন্ম থেকেই পাকিস্তানে রাজনীতিবিদদের অদূরদর্শিতার কারণে আমলা ও মিলিটারি আমলারা এসে সেই যে রাষ্ট্রটির মগজে ঘুণ ধরানো শুরু করল, তা থেকে দেশটি আজও বের হয়ে আসতে পারল না।
একজন সাহসী যুবক জিন্নাহর ছবি ডাকসু সংগ্রহশালা থেকে নিয়ে ছিঁড়ে ফেলেছেন। সাধারণ শিক্ষার্থীরাও ধীরে ধীরে বুঝতে পারছেন, ডাকসু সংগ্রহশালায় ছবি প্রদর্শনের এই ধরনটির পেছনে গভীর চক্রান্ত কাজ করছে।
আমাদের স্বাধিকার আন্দোলনে ছাত্রসমাজ ছিল সামনের সারিতে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এই আন্দোলনে পালন করেছে সাহসী ভূমিকা। সেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে যখন দেশের ইতিহাস নিয়ে কেউ রং-তামাশা করে, তখন সত্যিই রুখে দাঁড়ানো ভিন্ন আর কোনো পথ খোলা থাকে না। ডাকসু নেতাদের মধ্যে যাঁরা ছাত্রশিবিরের সদস্য, তাঁরা হয়তো অ্যাসিড টেস্টের মাধ্যমে দেখতে চেয়েছিলেন, এই হঠকারিতা টিকে যায় কি না।
এই হঠকারিতা টেকেনি। এখনো বাংলার মানুষ পাকিস্তানি ভূতকে ঝেঁটিয়ে বিদায় করার ইচ্ছা ও শক্তি রাখে। তাই ল্যাঞ্জা আছে যাদের, তাদের উচিত ইতিহাস থেকে শিক্ষা নেওয়া। ইতিহাস বিকৃত করা বা ইতিহাসকে হাস্যরসে পরিণত করার চেষ্টা দেশের মননকেই ক্ষতিগ্রস্ত করবে।

হাকালুকি হাওর শুধু প্রাকৃতিক মাছের আধার নয়, বরং পরিবেশ রক্ষারও কবচ। এশিয়ার অন্যতম বৃহৎ এই মিঠাপানির জলাভূমি আজ বিপন্নের পথে। প্রতিদিন শত শত মানুষ এই হাওর ঘিরে তাদের জীবন-জীবিকা নির্বাহ করে থাকে। হাওরটির পশ্চিমে আছে ভাটেরা পাহাড় ও পূর্বে আছে পাথারিয়া মাধব পাহাড়।
২ ঘণ্টা আগে
১৯৬২ সালের এই দিনে পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর চাপিয়ে দেওয়া শিক্ষানীতির বিরুদ্ধে আন্দোলন করতে গিয়ে শহীদ হয়েছিলেন ওয়াজিউল্লাহ, গোলাম মোস্তফা, বাবুলসহ অনেকে। আহত হন ৭৩ জন এবং ৫৯ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁদের স্মরণে প্রতিবছরের ১৭ সেপ্টেম্বর দিনটি ‘শিক্ষা দিবস’ হিসেবে পালিত হয়ে আসছে।
২ ঘণ্টা আগে
যাঁরা হলিউডের ‘দ্য ম্যাট্রিক্স’ ট্রিলজি কিংবা ‘আই, রোবট’ সিনেমাটি দেখেননি এখনো, তাঁদের জন্য সারসংক্ষেপ বলতে হয়। ‘ম্যাট্রিক্স’-এ দেখানো হয়, ভবিষ্যতের পৃথিবীতে রোবটরা জয়ী হয়েছে এবং তারা মানুষকে এক ভার্চুয়াল বাস্তবতায় বন্দী করে শক্তির উৎস বা ব্যাটারি হিসেবে ব্যবহার করছে। মানবজাতির শেষ অবশিষ্টাংশ...
১ দিন আগে
দেশের বর্তমান পরিস্থিতি যে মোটেই ভালো নয়, তা বলার অপেক্ষা রাখে না। এটাও অবশ্য সত্য যে অবস্থা কখনোই ভালো ছিল না। তবে এখনকার পরিস্থিতি বিশেষভাবে মন্দ মনে হচ্ছে কয়েকটি অতিরিক্ত কারণে। প্রথমত, মানুষ আশা করেছে অবস্থার পরিবর্তন হবে। কেবল আশা করেনি, পরিবর্তনের জন্য শ্রম দিয়েছে, আন্দোলন করেছে, আত্মত্যাগ....
১ দিন আগে