আজকের পত্রিকা ডেস্ক

দেড় দশকের বেশি সময় ধরে বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সার্বক্ষণিক সঙ্গী ছিলেন ফাতেমা। বাসভবন থেকে শুরু করে কার্যালয়, রাজপথ, হাসপাতাল, বিদেশ, এমনকি কারাগার—সবখানে খালেদা জিয়ার সঙ্গে থেকেছেন তিনি। বিএনপির চেয়ারপারসন প্রয়াত হওয়ার পর এবার সেই ফাতেমাকে দেখা গেল জাইমা রহমানের সঙ্গে।
শুক্রবার (২ জানুয়ারি) ফেসবুকে ভাইরাল একাধিক ভিডিওতে দেখা গেছে, দাদির কবর জিয়ারত করার সময় জাইমা রহমানের সঙ্গে ছিলেন ফাতেমা। বহনকারী গাড়ি থেকে জাইমা রহমান বেরিয়ে এলে তাঁর পেছন পেছন বেরিয়ে আসেন ফাতেমাও।
এমন চিত্র দেখে নেটিজেনরা ধারণা করছেন, খালেদা জিয়ার মতো এখন থেকে জাইমা রহমানের ছায়াসঙ্গী হিসেবে আবির্ভূত হয়েছেন ফাতেমা। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিএনপির একটি সূত্রও বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, দৈনন্দিন নানা প্রয়োজনে ফাতেমা যেভাবে খালেদা জিয়াকে সঙ্গ দিতেন, একইভাবে জাইমা রহমানকেও এখন তিনি সঙ্গ দিচ্ছেন।
২০১০ সাল থেকে খালেদা জিয়ার সার্বক্ষণিক সঙ্গী ছিলেন ফাতেমা বেগম। গৃহকর্মী থেকে হয়ে ওঠেন বিএনপির চেয়ারপারসনের ব্যক্তিগত জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ।
বিএনপির চেয়ারপারসনের ব্যক্তিগত কর্মকর্তারা আজকের পত্রিকাকে জানিয়েছিলেন, চেয়ারপারসনের প্রতি ফাতেমার প্রবল মমত্ববোধ ছিল। সব সময় পাশে থাকা, চেয়ারপারসনকে প্রয়োজনীয় বিষয়গুলো মনে করিয়ে দেওয়াসহ সব কাজই ফাতেমা করতেন।
ফাতেমা বেগমের গ্রামের বাড়ি ভোলা। ২০১০ সাল থেকে গুলশানের বাসভবন ‘ফিরোজা’য় খালেদা জিয়ার গৃহকর্মী হিসেবে দায়িত্ব পালন শুরু করেন। ধীরে ধীরে তিনি হয়ে ওঠেন খালেদা জিয়ার সার্বক্ষণিক সঙ্গী।
২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি খালেদা জিয়াকে কারাগারে পাঠানো হয়। আইনজীবীদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে তাঁর গৃহপরিচারিকা হিসেবে ফাতেমাকে সঙ্গে রাখার অনুমতি দেওয়া হয়। খালেদা জিয়া কারাগারে যাওয়ার ছয় দিনের মাথায় ফাতেমাও সেখানে যান। প্রায় ২৫ মাস স্বেচ্ছায় খালেদা জিয়ার সঙ্গে কারাগারেই ছিলেন।
এর আগে আওয়ামী লীগ (বর্তমানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ) সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলনের উত্তাল সময়েও ফাতেমাকে দেখা গেছে খালেদা জিয়ার নীরব ছায়াসঙ্গী হিসেবে। ২০১৩ সালের ২৯ ডিসেম্বর তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বাতিলের প্রতিবাদে আন্দোলনে খালেদা জিয়াকে গুলশানে কার্যালয়ের সামনে আটকে দেওয়ার সময়ও পতাকা হাতে পাশে দাঁড়িয়ে ছিলেন ফাতেমা। ২০১৫ সালের শুরুতে টানা ৯২ দিন বিএনপির চেয়ারপারসন গুলশান কার্যালয়ে অবস্থানকালেও তিনি ছিলেন সার্বক্ষণিক সঙ্গী।
স্বল্পভাষী ফাতেমার বয়স ৪০ বছর ছুঁই ছুঁই। তিনি এক সন্তানের জননী।
ফাতেমা মা-বাবার সঙ্গে থাকতেন রাজধানীর শাহজাহানপুরে। বিএনপির চেয়ারপারসনের কার্যালয়ের তথ্য বলছে, বিএনপির কেন্দ্রীয় এক নেতার মাধ্যমে ‘ফিরোজা’য় কাজ শুরু ফাতেমার।

দেড় দশকের বেশি সময় ধরে বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সার্বক্ষণিক সঙ্গী ছিলেন ফাতেমা। বাসভবন থেকে শুরু করে কার্যালয়, রাজপথ, হাসপাতাল, বিদেশ, এমনকি কারাগার—সবখানে খালেদা জিয়ার সঙ্গে থেকেছেন তিনি। বিএনপির চেয়ারপারসন প্রয়াত হওয়ার পর এবার সেই ফাতেমাকে দেখা গেল জাইমা রহমানের সঙ্গে।
শুক্রবার (২ জানুয়ারি) ফেসবুকে ভাইরাল একাধিক ভিডিওতে দেখা গেছে, দাদির কবর জিয়ারত করার সময় জাইমা রহমানের সঙ্গে ছিলেন ফাতেমা। বহনকারী গাড়ি থেকে জাইমা রহমান বেরিয়ে এলে তাঁর পেছন পেছন বেরিয়ে আসেন ফাতেমাও।
এমন চিত্র দেখে নেটিজেনরা ধারণা করছেন, খালেদা জিয়ার মতো এখন থেকে জাইমা রহমানের ছায়াসঙ্গী হিসেবে আবির্ভূত হয়েছেন ফাতেমা। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিএনপির একটি সূত্রও বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, দৈনন্দিন নানা প্রয়োজনে ফাতেমা যেভাবে খালেদা জিয়াকে সঙ্গ দিতেন, একইভাবে জাইমা রহমানকেও এখন তিনি সঙ্গ দিচ্ছেন।
২০১০ সাল থেকে খালেদা জিয়ার সার্বক্ষণিক সঙ্গী ছিলেন ফাতেমা বেগম। গৃহকর্মী থেকে হয়ে ওঠেন বিএনপির চেয়ারপারসনের ব্যক্তিগত জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ।
বিএনপির চেয়ারপারসনের ব্যক্তিগত কর্মকর্তারা আজকের পত্রিকাকে জানিয়েছিলেন, চেয়ারপারসনের প্রতি ফাতেমার প্রবল মমত্ববোধ ছিল। সব সময় পাশে থাকা, চেয়ারপারসনকে প্রয়োজনীয় বিষয়গুলো মনে করিয়ে দেওয়াসহ সব কাজই ফাতেমা করতেন।
ফাতেমা বেগমের গ্রামের বাড়ি ভোলা। ২০১০ সাল থেকে গুলশানের বাসভবন ‘ফিরোজা’য় খালেদা জিয়ার গৃহকর্মী হিসেবে দায়িত্ব পালন শুরু করেন। ধীরে ধীরে তিনি হয়ে ওঠেন খালেদা জিয়ার সার্বক্ষণিক সঙ্গী।
২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি খালেদা জিয়াকে কারাগারে পাঠানো হয়। আইনজীবীদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে তাঁর গৃহপরিচারিকা হিসেবে ফাতেমাকে সঙ্গে রাখার অনুমতি দেওয়া হয়। খালেদা জিয়া কারাগারে যাওয়ার ছয় দিনের মাথায় ফাতেমাও সেখানে যান। প্রায় ২৫ মাস স্বেচ্ছায় খালেদা জিয়ার সঙ্গে কারাগারেই ছিলেন।
এর আগে আওয়ামী লীগ (বর্তমানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ) সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলনের উত্তাল সময়েও ফাতেমাকে দেখা গেছে খালেদা জিয়ার নীরব ছায়াসঙ্গী হিসেবে। ২০১৩ সালের ২৯ ডিসেম্বর তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বাতিলের প্রতিবাদে আন্দোলনে খালেদা জিয়াকে গুলশানে কার্যালয়ের সামনে আটকে দেওয়ার সময়ও পতাকা হাতে পাশে দাঁড়িয়ে ছিলেন ফাতেমা। ২০১৫ সালের শুরুতে টানা ৯২ দিন বিএনপির চেয়ারপারসন গুলশান কার্যালয়ে অবস্থানকালেও তিনি ছিলেন সার্বক্ষণিক সঙ্গী।
স্বল্পভাষী ফাতেমার বয়স ৪০ বছর ছুঁই ছুঁই। তিনি এক সন্তানের জননী।
ফাতেমা মা-বাবার সঙ্গে থাকতেন রাজধানীর শাহজাহানপুরে। বিএনপির চেয়ারপারসনের কার্যালয়ের তথ্য বলছে, বিএনপির কেন্দ্রীয় এক নেতার মাধ্যমে ‘ফিরোজা’য় কাজ শুরু ফাতেমার।

এনইআইআর চালুর পরে ‘ক্লোন ফোন’ নিয়ে ভয়াবহ তথ্য বেরিয়ে এসেছে। শুধু একটি আইএমইআই নম্বরেই পাওয়া গেছে ৩ কোটি ৯১ লাখ ২২ হাজার ৫৩৪টি স্মার্টফোন।আজ শুক্রবার এক ফেসবুক স্ট্যাটাসে অন্তর্বর্তী সরকারের ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব এ তথ্য জানিয়েছেন।
৪ ঘণ্টা আগে
সংবিধানের অন্যতম প্রণেতা ও গণফোরামের প্রতিষ্ঠাতা ড. কামাল হোসেন গুরুতর অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। আজ শুক্রবার (২ জানুয়ারি) দুপুরে তাঁকে গুরুতর অবস্থায় ঢাকার স্কয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে বলে গণফোরামের সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান জানিয়েছেন।
৬ ঘণ্টা আগে
‘দেশের চাবি আপনার হাতে’—স্লোগানে গণভোট নিয়ে জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম শুরু করেছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিলে কী পাবেন আর ‘না’ ভোট দিলে কী পাবেন না—শিরোনামে একটি লিফলেট শুক্রবার পোস্ট করা হয়েছে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের অফিশিয়াল ফেসবুক পেজে।
৭ ঘণ্টা আগে
নতুন একটি সরকারি মেডিকেল কলেজ স্থাপনের নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে সরকার। গতকাল বৃহস্পতিবার স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
৯ ঘণ্টা আগে