নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির (ডিসিইউ) অধ্যাদেশ জারির দাবিতে দ্বিতীয় দিনের মতো গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুর থেকে সায়েন্স ল্যাব মোড় ও মিরপুরের টেকনিক্যাল মোড় অবরোধ করেন সাতটি সরকারি কলেজের শিক্ষার্থীরা। এতে মিরপুর সড়কসহ আশপাশের গুরুত্বপূর্ণ সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। ফলে ঘণ্টার পর ঘণ্টা সড়কে আটকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয় হাজারো মানুষকে। এ সময় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের কোনো ভূমিকা পালন করতে দেখা যায়নি।
সাভারের বিরুলিয়া এলাকার মারুফ খান অসহায় কণ্ঠে বলেন, তাঁর মা ফুসফুসের সংক্রমণ নিয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। তিনি ছাড়া মাকে দেখাশোনার সেখানে আর কেউ নেই। কিন্তু সড়ক অবরোধের কারণে দুই ঘণ্টার বেশি সময় ধরে সায়েন্স ল্যাব এলাকায় আটকে থাকতে হয়েছে তাঁকে। শিক্ষার্থীদের কাছে অনুরোধ করেও মোটরসাইকেল ছাড়াতে পারেননি। মা বারবার ফোন করে দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছাতে বললেও কিছু করার ছিল না।
মারুফ খান শান্তভাবে কথা বললেও অবরোধকারী শিক্ষার্থীদের সঙ্গে অনেককে তর্ক-বিতর্কে জড়াতে দেখা যায়। অবরোধের শুরুর দিকে রোগীবাহী অ্যাম্বুলেন্সও আটকে রাখেন তাঁরা। এতে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। প্রতিবাদে ফেটে পড়েন পথচারীরা।
অবরোধকারী শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ঢাকার সাত কলেজ—ঢাকা কলেজ, ইডেন মহিলা কলেজ, বেগম বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা কলেজ, শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ, কবি নজরুল সরকারি কলেজ, সরকারি বাঙলা কলেজ ও তিতুমীর কলেজের শিক্ষার্থীরা এই কর্মসূচিতে অংশ নেন। তাঁরা ‘উই ওয়ান্ট জাস্টিস’, ‘রাষ্ট্র তোমার সময় শেষ, জারি করো অধ্যাদেশ’, ‘আমি কে তুমি কে, ডিসিইউ ডিসিইউ’সহ বিভিন্ন স্লোগান দেন।
সড়ক অবরোধের কারণে মিরপুর সড়ক ও আশপাশের এলাকায় শত শত যানবাহন আটকা পড়ে। গাড়ি না পেয়ে অনেককে হেঁটে গন্তব্যে যেতে দেখা যায়।
ধানমন্ডি ২৭ নম্বর (পুরোনো) এলাকা দিয়ে তিন বছরের সন্তানকে নিয়ে হেঁটে যাচ্ছিলেন মার্জিয়া আক্তার। এক হাতে ট্রলি ব্যাগ, অন্য হাতে সন্তানকে ধরে, কখনো কোলে নিয়ে তিনি সায়েন্স ল্যাব মোড় পেরিয়ে টিচার্স ট্রেনিং কলেজের সামনে পৌঁছান। তখন সময় বেলা আড়াইটা। রোদের মধ্যে দীর্ঘ পথ পাড়ি দেওয়ায় তাঁর কপাল বেয়ে ঘাম ঝরছিল। মার্জিয়া আক্তার জানান, তিনি রাজধানীর বিমানবন্দর থেকে লালবাগে বাবার বাসায় যাচ্ছিলেন। ধানমন্ডি ২৭ নম্বর এলাকায় এসে বাস থেমে যায়। এরপর কোনো রিকশাও যেতে রাজি না হওয়ায় সন্তানকে নিয়ে হাঁটতে বাধ্য হন।
সাভার থেকে আসা এখলাস হোসেন সচিবালয়ে সনদ সত্যায়নের উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছিলেন। কিন্তু সড়ক অবরোধের কারণে সায়েন্স ল্যাব মোড়ে আটকে পড়েন তিনি। ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘আর কত দাবি এভাবে আদায় করা হবে? যার যেখানে খুশি রাস্তা আটকে দিচ্ছে। জীবন অতিষ্ঠ হয়ে গেছে। দেশে সরকার আছে কি না জানি না। থাকলে মানুষের ভোগান্তি লাঘবে উদ্যোগ নেওয়ার অনুরোধ জানাই।’
রোগীসহ অ্যাম্বুলেন্স আটকের পরে ক্ষিপ্ত হয়ে যান ফারুক হোসেন নামে এক স্বজন। তিনি গণমাধ্যমকে বলেন, ‘কত বড় অমানুষ হলে রোগীসহ অ্যাম্বুলেন্স আটকে রাখে। ওরা কীভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র হতে চায়।’ এ সময় এই অসুস্থ রোগীর স্বজনের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের তর্ক করতে দেখা যায়।
কেন সড়কে দাঁড়িয়ে সাধারণ মানুষকে ভোগান্তিতে ফেলা হচ্ছে—এমন প্রশ্নের জবাবে কবি নজরুল সরকারি কলেজের শিক্ষার্থী মোছাব্বির রহমান বলেন, তাঁদের একটাই দাবি—ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির অধ্যাদেশ অবিলম্বে জারি করতে হবে। আর কোনো সময় দেওয়া হবে না।
অবরোধ চলাকালে বেলা দেড়টার দিকে উল্টো পথে সায়েন্স ল্যাব মোড়ে আসে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের লেদার ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থীদের বহনকারী একটি বাস। শিক্ষার্থীদের বাধার মুখে বাসটি আটকে যায়। এ সময় বাসে থাকা শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের বাগ্বিতণ্ডা হয়। পরে বাসটি ছেড়ে দেওয়া হলেও যাওয়ার সময় বাসটিতে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করা হয়। এতে বাসের কাচ ভেঙে যায় এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই শিক্ষার্থী আহত হন।
বিকেল ৪টার দিকে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা সাময়িকভাবে সড়ক ছেড়ে দেন। সড়ক ছাড়ার আগে তাঁরা জানান, অবিলম্বে ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির অধ্যাদেশ জারির দাবিতে আগামী সোমবার সায়েন্স ল্যাবে বড় জমায়েতের আয়োজন করা হবে। সেখান থেকেই পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার হুঁশিয়ারি দেন তাঁরা।
আগের দিন বুধবারও সায়েন্স ল্যাব মোড়, টেকনিক্যাল মোড় ও পুরান ঢাকার তাঁতীবাজার মোড়ে সড়ক অবরোধ কর্মসূচি পালন করেন শিক্ষার্থীরা। একই দাবিতে অল্প সময়ের জন্য মহাখালী এলাকাতেও সড়ক অবরোধ করা হয়।
২০১৭ সালে প্রস্তুতি ছাড়াই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্তির পর থেকেই সাত কলেজ নিয়ে সংকট চলছে। সংকট সমাধানে ‘ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি’ গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হলেও প্রথম খসড়া নিয়ে আন্দোলন হয়। সম্প্রতি পরিমার্জিত খসড়ায় বলা হয়েছে, কলেজগুলোর নিজস্ব বৈশিষ্ট্য বজায় রেখে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো নতুন এই বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে সংযুক্ত থেকে কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।
স্টেডিয়ামের বাইরে ভাঙচুর, মিরপুরে যানজট
একই দিনে ঢাকার মিরপুরে শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামের বাইরে ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। ক্রিকেটারদের বয়কটের কারণে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) নির্ধারিত ম্যাচ মাঠে গড়ায়নি। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দুপুরে কিছু লোক স্টেডিয়ামের গেট ভেঙে ভেতরে ঢোকার চেষ্টা করে এবং বিসিবির বিভিন্ন স্থাপনায় ভাঙচুর চালায়। খবর পেয়ে সেনাবাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেন। এ সময় ওই এলাকায় সড়ক বন্ধ থাকায় যানজট তৈরি হয় এবং সাধারণ মানুষ ভোগান্তিতে পড়েন।

ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির (ডিসিইউ) অধ্যাদেশ জারির দাবিতে দ্বিতীয় দিনের মতো গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুর থেকে সায়েন্স ল্যাব মোড় ও মিরপুরের টেকনিক্যাল মোড় অবরোধ করেন সাতটি সরকারি কলেজের শিক্ষার্থীরা। এতে মিরপুর সড়কসহ আশপাশের গুরুত্বপূর্ণ সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। ফলে ঘণ্টার পর ঘণ্টা সড়কে আটকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয় হাজারো মানুষকে। এ সময় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের কোনো ভূমিকা পালন করতে দেখা যায়নি।
সাভারের বিরুলিয়া এলাকার মারুফ খান অসহায় কণ্ঠে বলেন, তাঁর মা ফুসফুসের সংক্রমণ নিয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। তিনি ছাড়া মাকে দেখাশোনার সেখানে আর কেউ নেই। কিন্তু সড়ক অবরোধের কারণে দুই ঘণ্টার বেশি সময় ধরে সায়েন্স ল্যাব এলাকায় আটকে থাকতে হয়েছে তাঁকে। শিক্ষার্থীদের কাছে অনুরোধ করেও মোটরসাইকেল ছাড়াতে পারেননি। মা বারবার ফোন করে দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছাতে বললেও কিছু করার ছিল না।
মারুফ খান শান্তভাবে কথা বললেও অবরোধকারী শিক্ষার্থীদের সঙ্গে অনেককে তর্ক-বিতর্কে জড়াতে দেখা যায়। অবরোধের শুরুর দিকে রোগীবাহী অ্যাম্বুলেন্সও আটকে রাখেন তাঁরা। এতে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। প্রতিবাদে ফেটে পড়েন পথচারীরা।
অবরোধকারী শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ঢাকার সাত কলেজ—ঢাকা কলেজ, ইডেন মহিলা কলেজ, বেগম বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা কলেজ, শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ, কবি নজরুল সরকারি কলেজ, সরকারি বাঙলা কলেজ ও তিতুমীর কলেজের শিক্ষার্থীরা এই কর্মসূচিতে অংশ নেন। তাঁরা ‘উই ওয়ান্ট জাস্টিস’, ‘রাষ্ট্র তোমার সময় শেষ, জারি করো অধ্যাদেশ’, ‘আমি কে তুমি কে, ডিসিইউ ডিসিইউ’সহ বিভিন্ন স্লোগান দেন।
সড়ক অবরোধের কারণে মিরপুর সড়ক ও আশপাশের এলাকায় শত শত যানবাহন আটকা পড়ে। গাড়ি না পেয়ে অনেককে হেঁটে গন্তব্যে যেতে দেখা যায়।
ধানমন্ডি ২৭ নম্বর (পুরোনো) এলাকা দিয়ে তিন বছরের সন্তানকে নিয়ে হেঁটে যাচ্ছিলেন মার্জিয়া আক্তার। এক হাতে ট্রলি ব্যাগ, অন্য হাতে সন্তানকে ধরে, কখনো কোলে নিয়ে তিনি সায়েন্স ল্যাব মোড় পেরিয়ে টিচার্স ট্রেনিং কলেজের সামনে পৌঁছান। তখন সময় বেলা আড়াইটা। রোদের মধ্যে দীর্ঘ পথ পাড়ি দেওয়ায় তাঁর কপাল বেয়ে ঘাম ঝরছিল। মার্জিয়া আক্তার জানান, তিনি রাজধানীর বিমানবন্দর থেকে লালবাগে বাবার বাসায় যাচ্ছিলেন। ধানমন্ডি ২৭ নম্বর এলাকায় এসে বাস থেমে যায়। এরপর কোনো রিকশাও যেতে রাজি না হওয়ায় সন্তানকে নিয়ে হাঁটতে বাধ্য হন।
সাভার থেকে আসা এখলাস হোসেন সচিবালয়ে সনদ সত্যায়নের উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছিলেন। কিন্তু সড়ক অবরোধের কারণে সায়েন্স ল্যাব মোড়ে আটকে পড়েন তিনি। ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘আর কত দাবি এভাবে আদায় করা হবে? যার যেখানে খুশি রাস্তা আটকে দিচ্ছে। জীবন অতিষ্ঠ হয়ে গেছে। দেশে সরকার আছে কি না জানি না। থাকলে মানুষের ভোগান্তি লাঘবে উদ্যোগ নেওয়ার অনুরোধ জানাই।’
রোগীসহ অ্যাম্বুলেন্স আটকের পরে ক্ষিপ্ত হয়ে যান ফারুক হোসেন নামে এক স্বজন। তিনি গণমাধ্যমকে বলেন, ‘কত বড় অমানুষ হলে রোগীসহ অ্যাম্বুলেন্স আটকে রাখে। ওরা কীভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র হতে চায়।’ এ সময় এই অসুস্থ রোগীর স্বজনের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের তর্ক করতে দেখা যায়।
কেন সড়কে দাঁড়িয়ে সাধারণ মানুষকে ভোগান্তিতে ফেলা হচ্ছে—এমন প্রশ্নের জবাবে কবি নজরুল সরকারি কলেজের শিক্ষার্থী মোছাব্বির রহমান বলেন, তাঁদের একটাই দাবি—ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির অধ্যাদেশ অবিলম্বে জারি করতে হবে। আর কোনো সময় দেওয়া হবে না।
অবরোধ চলাকালে বেলা দেড়টার দিকে উল্টো পথে সায়েন্স ল্যাব মোড়ে আসে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের লেদার ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থীদের বহনকারী একটি বাস। শিক্ষার্থীদের বাধার মুখে বাসটি আটকে যায়। এ সময় বাসে থাকা শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের বাগ্বিতণ্ডা হয়। পরে বাসটি ছেড়ে দেওয়া হলেও যাওয়ার সময় বাসটিতে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করা হয়। এতে বাসের কাচ ভেঙে যায় এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই শিক্ষার্থী আহত হন।
বিকেল ৪টার দিকে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা সাময়িকভাবে সড়ক ছেড়ে দেন। সড়ক ছাড়ার আগে তাঁরা জানান, অবিলম্বে ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির অধ্যাদেশ জারির দাবিতে আগামী সোমবার সায়েন্স ল্যাবে বড় জমায়েতের আয়োজন করা হবে। সেখান থেকেই পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার হুঁশিয়ারি দেন তাঁরা।
আগের দিন বুধবারও সায়েন্স ল্যাব মোড়, টেকনিক্যাল মোড় ও পুরান ঢাকার তাঁতীবাজার মোড়ে সড়ক অবরোধ কর্মসূচি পালন করেন শিক্ষার্থীরা। একই দাবিতে অল্প সময়ের জন্য মহাখালী এলাকাতেও সড়ক অবরোধ করা হয়।
২০১৭ সালে প্রস্তুতি ছাড়াই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্তির পর থেকেই সাত কলেজ নিয়ে সংকট চলছে। সংকট সমাধানে ‘ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি’ গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হলেও প্রথম খসড়া নিয়ে আন্দোলন হয়। সম্প্রতি পরিমার্জিত খসড়ায় বলা হয়েছে, কলেজগুলোর নিজস্ব বৈশিষ্ট্য বজায় রেখে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো নতুন এই বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে সংযুক্ত থেকে কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।
স্টেডিয়ামের বাইরে ভাঙচুর, মিরপুরে যানজট
একই দিনে ঢাকার মিরপুরে শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামের বাইরে ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। ক্রিকেটারদের বয়কটের কারণে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) নির্ধারিত ম্যাচ মাঠে গড়ায়নি। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দুপুরে কিছু লোক স্টেডিয়ামের গেট ভেঙে ভেতরে ঢোকার চেষ্টা করে এবং বিসিবির বিভিন্ন স্থাপনায় ভাঙচুর চালায়। খবর পেয়ে সেনাবাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেন। এ সময় ওই এলাকায় সড়ক বন্ধ থাকায় যানজট তৈরি হয় এবং সাধারণ মানুষ ভোগান্তিতে পড়েন।

বিগত দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকারের পরিকল্পনায় গোয়েন্দা সংস্থার নির্দেশে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আন্দোলন (বিএনএম) এবং বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টি (বিএসপি) প্রতিষ্ঠা করা হয়েছিল। বিরোধী রাজনৈতিক দল বিএনপি থেকে লোক এনে বিএনএম গঠনের চিন্তা করা হয়েছিল।
১৫ মিনিট আগে
এবারের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বড় সংযোজন প্রবাসীদের জন্য পোস্টাল ব্যালটে ভোট। কিন্তু এই ব্যালটের মাধ্যমে ভোট দেওয়া শুরু আগেই এ নিয়ে বিতর্ক উঠে গেছে। দেশের বাইরে পোস্টাল ব্যালটের ভিডিও ছড়িয়ে পড়ায় জোর আপত্তি তুলেছে বিএনপি। একই সঙ্গে ব্যালটে প্রতীকের বিন্যাস নিয়েও বিএনপির আপত্তি আছে।
১ ঘণ্টা আগে
জুলাই স্মৃতি ফাউন্ডেশন এ পর্যন্ত মোট ১১৬ কোটি ২১ লক্ষ টাকা আর্থিক সহায়তা দিয়েছে। এর মধ্যে ৮২৯টি জুলাই শহীদ পরিবার পেয়েছে ৪১ কোটি ২৭ লাখ টাকা এবং ৬ হাজার ৪৭১ জন আহত জুলাই যোদ্ধা পেয়েছেন ৭৪ কোটি ২১ লাখ টাকা। আজ বৃহস্পতিবার জুলাই স্মৃতি ফাউন্ডেশনের সদস্যরা এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান।
৫ ঘণ্টা আগে
রিটার্নিং অফিসারের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে (ইসি) আপিল করে আরও ৬০ জন প্রার্থিতা ফেরত পেয়েছেন। আজ বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) ষষ্ঠ দিনের আপিল শুনানিতে তাঁরা প্রার্থিতা ফিরে পান।
৬ ঘণ্টা আগে