নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

মিয়ানমার থেকে আসা গুলিতে আহত টেকনাফের শিশু হুজাইফা আফনানকে (৯) রাজধানীর জাতীয় নিউরোসায়েন্সেস ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার রাত সোয়া ১১টার দিকে তাকে হাসপাতালে আনা হয়। এর আগে দুপুরে উন্নত চিকিৎসার জন্য আইসিইউ অ্যাম্বুলেন্সে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতাল থেকে তাকে ঢাকার উদ্দেশে পাঠানো হয়।
চমেক হাসপাতালের চিকিৎসকেরা জানান, আইসিইউতে লাইফ সাপোর্টে থাকা হুজাইফার মস্তিষ্কে অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি হওয়ায় তা কমাতে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে মাথার খুলির একটি অংশ খুলে রাখা হয়েছে। উন্নত চিকিৎসার প্রয়োজন হওয়ায় তাকে ঢাকায় পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
আজ রাতে জাতীয় নিউরোসায়েন্সেস ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের ইন্টারভেনশনাল নিউরোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক হুমায়ুন কবীর হিমু জানান, রাত ১১টার দিকে শিশু হুজাইফাকে হাসপাতালে আনা হয় এবং ভর্তি করা হয়েছে। তাকে আইসিইউতে নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে।
হুমায়ুন কবীর বলেন, গুলিবিদ্ধ অবস্থায় হুজাইফাকে প্রথমে গুরুতর অবস্থায় চমেক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে তার অবস্থার দ্রুত অবনতি হলে জরুরি ভিত্তিতে অস্ত্রোপচার করা হয়। গুলির আঘাতে মস্তিষ্কের এক পাশে অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি হওয়ায় চিকিৎসা পদ্ধতির অংশ হিসেবে মাথার খুলির ডান পাশ অপারেশন করে খুলে রাখা হয়।
এর আগে হুজাইফার শারীরিক অবস্থার সর্বশেষ মূল্যায়নের জন্য আজ বেলা ১১টায় চমেক হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ একটি মেডিকেল বোর্ড গঠন করে। বোর্ডে নিউরোসার্জন, নিউরোলজিস্ট, শিশু বিশেষজ্ঞ, ভাস্কুলার সার্জন, আইসিইউ স্পেশালিস্ট ও অ্যানেসথেসিওলজিস্টসহ বিভিন্ন বিভাগের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকেরা অংশ নেন। বৈঠক শেষে শিশুটিকে জাতীয় নিউরোসায়েন্সেস ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
চিকিৎসকদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে হুজাইফার গ্লাসগো কোমা স্কেল (জিসিএস) স্কোর ১৫-এর মধ্যে ৭। অর্থাৎ তার অবস্থা এখনো সংকটাপন্ন। তাকে মেকানিক্যাল ভেন্টিলেশনে রাখা হয়েছে এবং কৃত্রিমভাবে শ্বাসপ্রশ্বাস চালু রয়েছে।
এদিকে জাতীয় নিউরোসায়েন্সেস ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, শিশুটির চিকিৎসায় প্রয়োজনীয় সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন রয়েছে। জটিল নিউরোসার্জারি ও পরবর্তী চিকিৎসার জন্য সংশ্লিষ্ট ইউনিটগুলোকে প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
উল্লেখ্য, কক্সবাজারের টেকনাফের হোয়াইক্যং সীমান্তের ওপারে মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে আরাকান আর্মি ও আরসার মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ চলছে। সীমান্তের ওপারে চলমান গোলাগুলির প্রভাব এপারের এলাকায়ও আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে।
গত রোববার (১১ জানুয়ারি) সকালে মিয়ানমার থেকে আসা গুলিতে টেকনাফের হোয়াইক্যং তেচ্ছাব্রিজ এলাকায় গুলিবিদ্ধ হয় হুজাইফা। সে হোয়াইক্যং ইউনিয়নের লম্বাবিল গ্রামের জসিম উদ্দিনের মেয়ে। ওই দিন বিকেলে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য চমেক হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে ভর্তি হওয়ার পর থেকেই তাকে আইসিইউতে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়। একই রাতে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে মস্তিষ্কে থাকা গুলিটি বের করার চেষ্টা করা হলেও তা সফল হয়নি।

মিয়ানমার থেকে আসা গুলিতে আহত টেকনাফের শিশু হুজাইফা আফনানকে (৯) রাজধানীর জাতীয় নিউরোসায়েন্সেস ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার রাত সোয়া ১১টার দিকে তাকে হাসপাতালে আনা হয়। এর আগে দুপুরে উন্নত চিকিৎসার জন্য আইসিইউ অ্যাম্বুলেন্সে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতাল থেকে তাকে ঢাকার উদ্দেশে পাঠানো হয়।
চমেক হাসপাতালের চিকিৎসকেরা জানান, আইসিইউতে লাইফ সাপোর্টে থাকা হুজাইফার মস্তিষ্কে অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি হওয়ায় তা কমাতে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে মাথার খুলির একটি অংশ খুলে রাখা হয়েছে। উন্নত চিকিৎসার প্রয়োজন হওয়ায় তাকে ঢাকায় পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
আজ রাতে জাতীয় নিউরোসায়েন্সেস ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের ইন্টারভেনশনাল নিউরোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক হুমায়ুন কবীর হিমু জানান, রাত ১১টার দিকে শিশু হুজাইফাকে হাসপাতালে আনা হয় এবং ভর্তি করা হয়েছে। তাকে আইসিইউতে নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে।
হুমায়ুন কবীর বলেন, গুলিবিদ্ধ অবস্থায় হুজাইফাকে প্রথমে গুরুতর অবস্থায় চমেক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে তার অবস্থার দ্রুত অবনতি হলে জরুরি ভিত্তিতে অস্ত্রোপচার করা হয়। গুলির আঘাতে মস্তিষ্কের এক পাশে অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি হওয়ায় চিকিৎসা পদ্ধতির অংশ হিসেবে মাথার খুলির ডান পাশ অপারেশন করে খুলে রাখা হয়।
এর আগে হুজাইফার শারীরিক অবস্থার সর্বশেষ মূল্যায়নের জন্য আজ বেলা ১১টায় চমেক হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ একটি মেডিকেল বোর্ড গঠন করে। বোর্ডে নিউরোসার্জন, নিউরোলজিস্ট, শিশু বিশেষজ্ঞ, ভাস্কুলার সার্জন, আইসিইউ স্পেশালিস্ট ও অ্যানেসথেসিওলজিস্টসহ বিভিন্ন বিভাগের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকেরা অংশ নেন। বৈঠক শেষে শিশুটিকে জাতীয় নিউরোসায়েন্সেস ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
চিকিৎসকদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে হুজাইফার গ্লাসগো কোমা স্কেল (জিসিএস) স্কোর ১৫-এর মধ্যে ৭। অর্থাৎ তার অবস্থা এখনো সংকটাপন্ন। তাকে মেকানিক্যাল ভেন্টিলেশনে রাখা হয়েছে এবং কৃত্রিমভাবে শ্বাসপ্রশ্বাস চালু রয়েছে।
এদিকে জাতীয় নিউরোসায়েন্সেস ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, শিশুটির চিকিৎসায় প্রয়োজনীয় সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন রয়েছে। জটিল নিউরোসার্জারি ও পরবর্তী চিকিৎসার জন্য সংশ্লিষ্ট ইউনিটগুলোকে প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
উল্লেখ্য, কক্সবাজারের টেকনাফের হোয়াইক্যং সীমান্তের ওপারে মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে আরাকান আর্মি ও আরসার মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ চলছে। সীমান্তের ওপারে চলমান গোলাগুলির প্রভাব এপারের এলাকায়ও আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে।
গত রোববার (১১ জানুয়ারি) সকালে মিয়ানমার থেকে আসা গুলিতে টেকনাফের হোয়াইক্যং তেচ্ছাব্রিজ এলাকায় গুলিবিদ্ধ হয় হুজাইফা। সে হোয়াইক্যং ইউনিয়নের লম্বাবিল গ্রামের জসিম উদ্দিনের মেয়ে। ওই দিন বিকেলে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য চমেক হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে ভর্তি হওয়ার পর থেকেই তাকে আইসিইউতে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়। একই রাতে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে মস্তিষ্কে থাকা গুলিটি বের করার চেষ্টা করা হলেও তা সফল হয়নি।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের অনেকগুলো পোস্টাল ব্যালট বাহরাইনের একটি বাসায় গণনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। ওই ভিডিওর স্থানে ১৬০টি পোস্টাল ছিল বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ। একই সঙ্গে কীভাবে ওই বাসায় পোস্টাল ব্যালটগুলো গিয়েছিল....
৩৪ মিনিট আগে
খাগড়াছড়ির রামগড় স্থলবন্দরসংশ্লিষ্ট এলাকায় পরিবেশ সংরক্ষণে নিয়মিত নজরদারি জোরদার এবং সেখানে পাহাড় কাটায় দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এম সাখাওয়াত হোসেন।
২ ঘণ্টা আগে
আগামী মাসে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। নির্বাচনের সময় অনাকাঙ্ক্ষিত পরিবেশ সৃষ্টির চেষ্টা হতে পারে এবং হুট করে বিদেশিদের আগমন নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাময়িকভাবে অন-অ্যারাইভাল ভিসা বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। আজ বুধবার বিকেলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে পররাষ্ট্র
৩ ঘণ্টা আগে
দুদক সূত্রে জানা গেছে, ২০১৪ থেকে ২০১৭ সালের মধ্যে বিভিন্ন সময়ে এফএএস ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড থেকে ১২টি ভুয়া ও কাগুজে প্রতিষ্ঠানের নামে ঋণ অনুমোদন করিয়ে ৪৩৩ কোটি ৯৬ লাখ ১৮ হাজার ৯ টাকা আত্মসাৎ করা হয়।
৪ ঘণ্টা আগে