শ্যামপুর-কদমতলী (প্রতিনিধি) ঢাকা

রাজধানীর কদমতলী থানার রহমতবাগ এলাকায় অভিযান চালিয়ে দুটি বিদেশি পিস্তল, দুটি ম্যাগাজিন, ১২ রাউন্ড গুলি, মাদকদ্রব্যসহ দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)-১০। গতকাল বুধবার (২৭ আগস্ট) বিকেলে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রহমতবাগের একটি বহুতল ভবনে অভিযান চালানো হয়।
অভিযানে কুখ্যাত অস্ত্র ও মাদক কারবারি মো. শুকুর হোসেন ওরফে শুটার শুক্কুর (৪২) ও ভাড়া বাসার মালিক মো. বাচ্চু মিয়া (৩৮) গ্রেপ্তার হন।
অভিযানকালে বাচ্চু মিয়ার কাছ থেকে ৯৬ পিস ইয়াবা ও ৫ গ্রাম হেরোইন উদ্ধার করা হয়। অন্যদিকে শুটার শুক্কুর র্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে পালানোর সময় পার্শ্ববর্তী ভবনের ছাদে লাফ দেন এবং আহত হন। পরে তাঁর হাতে থাকা শপিং ব্যাগ থেকে দুটি বিদেশি পিস্তল, দুটি ম্যাগাজিন ও ১২ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়।
র্যাব জানায়, উদ্ধার করা অস্ত্রগুলোর মধ্যে একটি পুলিশের হারিয়ে যাওয়া অস্ত্র। শনাক্ত এড়াতে অস্ত্রটির সিরিয়াল নম্বর ঘষে ফেলা হয়েছিল। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা দীর্ঘদিন ধরে অস্ত্র, মাদক, জমি দখল, চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন অপরাধে জড়িত।
শুটার শুক্কুরের বিরুদ্ধে হত্যা, চাঁদাবাজি ও মাদকসংক্রান্ত চারটি মামলা রয়েছে এবং তিনি একাধিকবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। বিশেষ করে, ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারিতে কদমতলীতে সিএনজিচালক জাকির হোসেন হত্যাকাণ্ডে তিনি প্রধান আসামি হিসেবে অভিযুক্ত। অন্যদিকে বাচ্চু মিয়ার বিরুদ্ধেও মাদকসংক্রান্ত দুটি মামলা রয়েছে।
র্যাব-১০-এর অধিনায়ক (পরিচালক) মোহাম্মদ কামরুজ্জামান জানান, এই অভিযান ছিল র্যাবের গোয়েন্দা নজরদারি ও দ্রুত প্রতিক্রিয়ার একটি সফল উদাহরণ। লুট হওয়া অস্ত্র উদ্ধারের পাশাপাশি অবৈধ অস্ত্র ও মাদক চক্রের বিরুদ্ধে র্যাবের অভিযান অব্যাহত থাকবে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কদমতলী থানায় আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

রাজধানীর কদমতলী থানার রহমতবাগ এলাকায় অভিযান চালিয়ে দুটি বিদেশি পিস্তল, দুটি ম্যাগাজিন, ১২ রাউন্ড গুলি, মাদকদ্রব্যসহ দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)-১০। গতকাল বুধবার (২৭ আগস্ট) বিকেলে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রহমতবাগের একটি বহুতল ভবনে অভিযান চালানো হয়।
অভিযানে কুখ্যাত অস্ত্র ও মাদক কারবারি মো. শুকুর হোসেন ওরফে শুটার শুক্কুর (৪২) ও ভাড়া বাসার মালিক মো. বাচ্চু মিয়া (৩৮) গ্রেপ্তার হন।
অভিযানকালে বাচ্চু মিয়ার কাছ থেকে ৯৬ পিস ইয়াবা ও ৫ গ্রাম হেরোইন উদ্ধার করা হয়। অন্যদিকে শুটার শুক্কুর র্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে পালানোর সময় পার্শ্ববর্তী ভবনের ছাদে লাফ দেন এবং আহত হন। পরে তাঁর হাতে থাকা শপিং ব্যাগ থেকে দুটি বিদেশি পিস্তল, দুটি ম্যাগাজিন ও ১২ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়।
র্যাব জানায়, উদ্ধার করা অস্ত্রগুলোর মধ্যে একটি পুলিশের হারিয়ে যাওয়া অস্ত্র। শনাক্ত এড়াতে অস্ত্রটির সিরিয়াল নম্বর ঘষে ফেলা হয়েছিল। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা দীর্ঘদিন ধরে অস্ত্র, মাদক, জমি দখল, চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন অপরাধে জড়িত।
শুটার শুক্কুরের বিরুদ্ধে হত্যা, চাঁদাবাজি ও মাদকসংক্রান্ত চারটি মামলা রয়েছে এবং তিনি একাধিকবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। বিশেষ করে, ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারিতে কদমতলীতে সিএনজিচালক জাকির হোসেন হত্যাকাণ্ডে তিনি প্রধান আসামি হিসেবে অভিযুক্ত। অন্যদিকে বাচ্চু মিয়ার বিরুদ্ধেও মাদকসংক্রান্ত দুটি মামলা রয়েছে।
র্যাব-১০-এর অধিনায়ক (পরিচালক) মোহাম্মদ কামরুজ্জামান জানান, এই অভিযান ছিল র্যাবের গোয়েন্দা নজরদারি ও দ্রুত প্রতিক্রিয়ার একটি সফল উদাহরণ। লুট হওয়া অস্ত্র উদ্ধারের পাশাপাশি অবৈধ অস্ত্র ও মাদক চক্রের বিরুদ্ধে র্যাবের অভিযান অব্যাহত থাকবে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কদমতলী থানায় আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ড. খলিলুর রহমান গত শুক্রবার ওয়াশিংটন ডিসিতে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের আন্ডার সেক্রেটারি (রাজনৈতিক বিষয়ক) অ্যালিসন হুকার এবং সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী পল কাপুরের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। এসব বৈঠকে বাংলাদেশের আসন্ন জাতীয় নির্বাচন, দ্বিপক্ষীয় অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক...
২ ঘণ্টা আগে
বিগত দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকারের পরিকল্পনায় গোয়েন্দা সংস্থার নির্দেশে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আন্দোলন (বিএনএম) এবং বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টি (বিএসপি) প্রতিষ্ঠা করা হয়েছিল। বিরোধী রাজনৈতিক দল বিএনপি থেকে লোক এনে বিএনএম গঠনের চিন্তা করা হয়েছিল।
১০ ঘণ্টা আগে
এবারের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বড় সংযোজন প্রবাসীদের জন্য পোস্টাল ব্যালটে ভোট। কিন্তু এই ব্যালটের মাধ্যমে ভোট দেওয়া শুরু আগেই এ নিয়ে বিতর্ক উঠে গেছে। দেশের বাইরে পোস্টাল ব্যালটের ভিডিও ছড়িয়ে পড়ায় জোর আপত্তি তুলেছে বিএনপি। একই সঙ্গে ব্যালটে প্রতীকের বিন্যাস নিয়েও বিএনপির আপত্তি আছে।
১১ ঘণ্টা আগে
জুলাই স্মৃতি ফাউন্ডেশন এ পর্যন্ত মোট ১১৬ কোটি ২১ লক্ষ টাকা আর্থিক সহায়তা দিয়েছে। এর মধ্যে ৮২৯টি জুলাই শহীদ পরিবার পেয়েছে ৪১ কোটি ২৭ লাখ টাকা এবং ৬ হাজার ৪৭১ জন আহত জুলাই যোদ্ধা পেয়েছেন ৭৪ কোটি ২১ লাখ টাকা। আজ বৃহস্পতিবার জুলাই স্মৃতি ফাউন্ডেশনের সদস্যরা এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান।
১৪ ঘণ্টা আগে