বিশেষ প্রতিনিধি, ঢাকা

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে প্রবেশে আগের সব নিরাপত্তা পাস স্থগিত করা হচ্ছে। ঘোষণা অনুযায়ী, ৩০ নভেম্বর থেকে পাসগুলোর কার্যকারিতা থাকবে না। এর পর থেকে বিমানবন্দের প্রবেশের জন্য বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) নিয়ন্ত্রণাধীন অ্যাভিয়েশন সিকিউরিটি ফোর্সের (এভসেক) ইস্যু করা এভসেক আইডি নম্বরসহ নতুন পাস সংগ্রহ করতে হবে।
বেবিচক কর্তৃক ১২ নভেম্বর জারি করা এক জরুরি সার্কুলারে আগের নিরাপত্তা পাস বাতিলের বিষয়টি জানানো হয়েছে।
বেবিচকের সদস্য (সিকিউরিটি) এয়ার কমোডর মোহাম্মদ নাইমুজ্জামান খানের স্বাক্ষরিত ওই সার্কুলারে বলা হয়েছে, বেবিচকের এয়ারপোর্ট পাস নীতিমালা-২০২০ অনুযায়ী ৩০ নভেম্বর থেকে আগের ইস্যু করা পাসগুলো স্থগিত ঘোষণা করা হলো।
ঢাকা এয়ারপোর্টে (শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর) চলাচলের জন্য সিভিল অ্যাভিয়েশন অথরিটির নিয়ন্ত্রণাধীন অ্যাভিয়েশন সিকিউরিটি ফোর্সের (এভসেক) ইস্যু করা এভসেক আইডি নম্বরসহ নতুন পাস সংগ্রহ করতে হবে।
সার্কুলারে উল্লেখ করা হয়, বেবিচক কর্তৃপক্ষ বিমানবন্দরের যাত্রীসহ সংশ্লিষ্টদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার যে অঙ্গীকার করেছিল, সেটি বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
এতে বলা হয়েছে, নিয়ন্ত্রিত টার্মিনাল, এয়ারসাইডে প্রবেশ ও দায়িত্ব পালনের জন্য ৩০ নভেম্বর থেকে বৈধ এভসেক আইডি সংবলিত পাস থাকতে হবে। সংশ্লিষ্ট সবাইকে নির্ধারিত প্রক্রিয়া মেনে এভসেক আইডি নিতে বলা হচ্ছে। নতুন এভসেক আইডি সংবলিত পাস ছাড়া অন্য কোনো পাস নিয়ে বিমানবন্দরে কাউকে ঢুকতে দেওয়া যাবে না।
সার্কুলারে আরও বলা হয়েছে, বিমানবন্দরে কর্মরত বিভিন্ন বিভাগের কর্মী ও অন্য সংশ্লিষ্টরা (এয়ারলাইনসসহ অন্যান্য) নির্ধারিত প্রক্রিয়া মেনে এভসেক আইডির জন্য আবেদন করতে পারবে। এ ছাড়া এভসেক আইডি সংবলিত পাস ইস্যুর ক্ষেত্রে ভেরিফিকেশন প্রক্রিয়া নিয়ে এভসেক অফিসারদের প্রশিক্ষণ (যদি প্রয়োজন হয়) দিতে বলা হয়েছে।

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে প্রবেশে আগের সব নিরাপত্তা পাস স্থগিত করা হচ্ছে। ঘোষণা অনুযায়ী, ৩০ নভেম্বর থেকে পাসগুলোর কার্যকারিতা থাকবে না। এর পর থেকে বিমানবন্দের প্রবেশের জন্য বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) নিয়ন্ত্রণাধীন অ্যাভিয়েশন সিকিউরিটি ফোর্সের (এভসেক) ইস্যু করা এভসেক আইডি নম্বরসহ নতুন পাস সংগ্রহ করতে হবে।
বেবিচক কর্তৃক ১২ নভেম্বর জারি করা এক জরুরি সার্কুলারে আগের নিরাপত্তা পাস বাতিলের বিষয়টি জানানো হয়েছে।
বেবিচকের সদস্য (সিকিউরিটি) এয়ার কমোডর মোহাম্মদ নাইমুজ্জামান খানের স্বাক্ষরিত ওই সার্কুলারে বলা হয়েছে, বেবিচকের এয়ারপোর্ট পাস নীতিমালা-২০২০ অনুযায়ী ৩০ নভেম্বর থেকে আগের ইস্যু করা পাসগুলো স্থগিত ঘোষণা করা হলো।
ঢাকা এয়ারপোর্টে (শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর) চলাচলের জন্য সিভিল অ্যাভিয়েশন অথরিটির নিয়ন্ত্রণাধীন অ্যাভিয়েশন সিকিউরিটি ফোর্সের (এভসেক) ইস্যু করা এভসেক আইডি নম্বরসহ নতুন পাস সংগ্রহ করতে হবে।
সার্কুলারে উল্লেখ করা হয়, বেবিচক কর্তৃপক্ষ বিমানবন্দরের যাত্রীসহ সংশ্লিষ্টদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার যে অঙ্গীকার করেছিল, সেটি বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
এতে বলা হয়েছে, নিয়ন্ত্রিত টার্মিনাল, এয়ারসাইডে প্রবেশ ও দায়িত্ব পালনের জন্য ৩০ নভেম্বর থেকে বৈধ এভসেক আইডি সংবলিত পাস থাকতে হবে। সংশ্লিষ্ট সবাইকে নির্ধারিত প্রক্রিয়া মেনে এভসেক আইডি নিতে বলা হচ্ছে। নতুন এভসেক আইডি সংবলিত পাস ছাড়া অন্য কোনো পাস নিয়ে বিমানবন্দরে কাউকে ঢুকতে দেওয়া যাবে না।
সার্কুলারে আরও বলা হয়েছে, বিমানবন্দরে কর্মরত বিভিন্ন বিভাগের কর্মী ও অন্য সংশ্লিষ্টরা (এয়ারলাইনসসহ অন্যান্য) নির্ধারিত প্রক্রিয়া মেনে এভসেক আইডির জন্য আবেদন করতে পারবে। এ ছাড়া এভসেক আইডি সংবলিত পাস ইস্যুর ক্ষেত্রে ভেরিফিকেশন প্রক্রিয়া নিয়ে এভসেক অফিসারদের প্রশিক্ষণ (যদি প্রয়োজন হয়) দিতে বলা হয়েছে।

দীর্ঘদিন ধরে জমে থাকা অনুসন্ধান ও তদন্ত কার্যক্রমের জট কমাতে এবং গুরুত্বপূর্ণ অনুসন্ধান দ্রুত নিষ্পত্তির লক্ষ্যে ১৫টি বিশেষ টাস্কফোর্স গঠন করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এসব টাস্কফোর্সের মাধ্যমে কমিশনের চলমান অনুসন্ধান কার্যক্রমে গতি আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।
১১ ঘণ্টা আগে
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে অপপ্রচার ও ভুয়া তথ্য ঠেকাতে বাংলাদেশকে প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহায়তা করবে বলে জানিয়েছে জাতিসংঘের মানবাধিকার দপ্তর। আজ মঙ্গলবার জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনার ফলকার টুর্কের সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের ফোনালাপে এ বিষয়ে আলোচনা হয়।
১২ ঘণ্টা আগে
ব্যক্তিগত নিরাপত্তার জন্য সরকারের পক্ষ থেকে গানম্যান (অস্ত্রধারী দেহরক্ষী) পাচ্ছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান। একই সঙ্গে তাঁর বাসভবনের নিরাপত্তায় পুলিশ মোতায়েন করা হবে।
১৩ ঘণ্টা আগে
২০২৫ সালে দেশে সড়ক দুর্ঘটনায় ১ মাস থেকে ১৭ বছর বয়সী মোট ১০০৮ জন শিশু নিহত হয়েছে। সড়ক ও সড়ক পরিবহন ব্যবস্থার দুর্বলতা এবং ট্রাফিক আইন বিষয়ে সচেতনতার অভাবকে এই মৃত্যুর প্রধান কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছে রোড সেফটি ফাউন্ডেশন।
১৪ ঘণ্টা আগে