
ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নামে থাকা অগ্রণী ব্যাংকের দুটি লকারে স্বর্ণ ছাড়াও হীরা, মুক্তা, মূল্যবান পাথর ও বিদেশি উপঢৌকন পণ্যের সন্ধান পাওয়া গেছে। তবে এসবের সংখ্যা বা পরিমাণের বিষয়ে সুনির্দিষ্ট তথ্য জানা যায়নি। চূড়ান্ত তালিকা এখনো প্রস্তুত হয়নি বলে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) সূত্রে জানা গেছে।
গত ১৭ সেপ্টেম্বর জব্দ করা অগ্রণী ব্যাংকে শেখ হাসিনার ওই দুটি লকার ভেঙে মঙ্গলবার (২৫ নভেম্বর) ৮৩২ ভরি স্বর্ণ পাওয়া গেছে। পরদিনই স্বর্ণের সঙ্গে হীরা, মুক্তাসহ অন্যান্য মূল্যবান ধাতু পাওয়ার কথা জানা গেল।
এনবিআরের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সেলের (সিআইসি) এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘স্বর্ণ বলতে সবই অলংকার। স্বর্ণ ছাড়া ডায়মন্ডও আছে, কিছু পাথর আছে, সব দামি দামি। বিভিন্ন ধরনের বিদেশি উপহার আছে। মোস্ট অব সোনাই আরকি। তারপরে পার্ল আছে।’
চূড়ান্ত তালিকার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘তালিকা চূড়ান্ত হয়নি। লকার ভাঙার সময় যেসব পক্ষ উপস্থিত ছিল, সবাই সই করবে, তারপরে কপি যে যার মতো করে পাবে। এটা একটা যৌথ উদ্যোগ।’
জব্দকৃত মূল্যবান এসব সম্পদ রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা হবে জানিয়ে সিআইসির ওই কর্মকর্তা বলেন, ‘এটা সরকারি কোষাগারে যাবে। আমাদের আইনে যা আছে, সেই অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
এনবিআর সূত্র জানায়, এসব সম্পদের তথ্য গোপন ও কর ফাঁকির অভিযোগে এখন শেখ হাসিনার নামে মামলা দায়ের করা হবে।
সিআইসির জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বলেন, ‘উনি (শেখ হাসিনা) এসব সম্পদ দেখাননি, লকার আছে, সেগুলো গোপন করেছেন। কর ফাঁকি দিয়েছেন। কর ফাঁকির অভিযোগে উনার বিরুদ্ধে মামলা হবে। মামলা প্রমাণিত হলে সাধারণত জেল-জরিমানা হয়। উনি যদি দেশে আসেন, এসে যদি কন্টেস্ট করেন, তাহলে করবেন। আইন তো খোলা উনার জন্য, সবার জন্য আইনটা সমান।’

ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশনে উদ্যাপিত হলো ভারতের ৮০ তম স্বাধীনতা দিবস। অনুষ্ঠানে বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দিনেশ ত্রিবেদী বলেছেন, ভারত ও বাংলাদেশের মানুষের মধ্যকার সুসম্পর্ক এবং পারস্পরিক সৌহার্দ্যই দুটি বন্ধুপ্রতিম দেশের সম্পর্কের ‘প্রকৃত প্রাণভোমরা’।
১ ঘণ্টা আগে
২০১২ সালে ১০তলা ভবনে প্রথম ৩০০ বেডের হাসপাতাল চালু করা হয়। ব্যাপক হারে রোগী আসতে থাকায় সুচিকিৎসা নিশ্চিত করতে পরে আরও ২০০ বেড বাড়ানো হয়। এবার নবনির্মিত ১৫তলা ভবনে আরও ৫০০ বেড বাড়ানো হলো।
১ ঘণ্টা আগে
গতকাল বিকেলে দেশের মোট গ্যাস সরবরাহ ১৭৩ কোটি ঘনফুটে নেমে এসেছিল। এখন এটি বেড়ে প্রায় ২৪০ কোটি ঘনফুট হয়েছে। স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে এখনো দিনে ৩০ কোটি ঘনফুট গ্যাসের সরবরাহ ঘাটতি রয়েছে। এক্সিলারেট টার্মিনাল থেকে পুরোদমে গ্যাস সরবরাহ শুরু হলে সেই ঘাটতি পূরণ হতে পারে।
২ ঘণ্টা আগে
লোডশেডিংয়ে অতিষ্ঠ হয়ে দেশের কোথাও কোথাও বিক্ষোভ, বিদ্যুৎ অফিসে হামলার চেষ্টাও হয়েছে। সে কারণে অনেক বিদ্যুৎ অফিস নিরাপত্তা চেয়ে থানা-পুলিশকে জানিয়েছে। তবে বগুড়া, সিরাজগঞ্জ ও যশোরে দেখা গেছে ভিন্ন চিত্র। এই তিন জেলায় বিদ্যুৎ কম যাচ্ছে কিংবা যাচ্ছে না বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
৯ ঘণ্টা আগে