নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

দেশজুড়ে করোনাভাইরাসের দাপট ব্যাপক হারে বাড়তে থাকায় পরামর্শক কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে বন্ধ হয়েছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। কিন্তু সবকিছু খোলা থাকায় পরিস্থিতি আরও অবনতি হচ্ছে। এমতাবস্থায় বইমেলা আরও পেছানোর পাশাপাশি বাণিজ্য মেলা বন্ধ চান জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যমতে, দেশে দ্বিতীয় ঢেউয়ের সময়ে গত বছরের ২৪ জুলাই সর্বোচ্চ ৩২ দশমিক ৫৫ শতাংশে উঠেছিল দৈনিক করোনা শনাক্তের হার। ছয় মাস পর এবার তা ছাড়িয়ে যাওয়ার উপক্রম। তখন ছিল ভারতীয় বা ডেলটার প্রভাব, এবার আফ্রিকান ধরন ওমিক্রনের।
সরকারের করোনা বিষয়ক জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ সহিদুল্লাহ বলেছেন, করোনা মোকাবিলায় বিধিনিষেধ বাস্তবায়নের ব্যাপারে আমরা ইতিমধ্যে কয়েক দফায় বলেছি। শুধুমাত্র নির্দেশনা দিলেই তো আর হবে না, প্রয়োগ লাগবে। গণপরিবহনে অর্ধেক যাত্রী, সবার মাস্ক নিশ্চিত করা, অফিসে অর্ধেক লোক নিয়ে কাজ করার পাশাপাশি বাণিজ্য মেলা খোলা রাখা উচিত নয়। এখন এগুলোর যদি বাস্তব প্রয়োগ না হয়, তাহলে তো ফলাফল ভালো হবে না। যার ফলে আমরা বারবার বলেছি, সরকার যে নির্দেশ দিয়েছে সেগুলো খারাপ না, কিন্তু এগুলো কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে। প্রত্যেকে যাতে মাস্ক পরে, এই মুহূর্তে কঠোরভাবে এটি নেওয়া দরকার।
লকডাউন দিয়ে এই মুহূর্তে লাভ হবে না জানিয়ে তিনি বলেন, এই মুহূর্তে যেহেতু ওমিক্রনের সামাজিক সংক্রমণ হয়ে গেছে, এ ছাড়া আমরা যখন দেখি হাসপাতালগুলোতে রোগীর চাপ সামাল দিতে পারছে না, তখন আমরা লকডাউনের কথা বলি। লকডাউনে যে একেবারে উপকার হবে না, তা নয়। কিন্তু জীবিকার ওপরে যে আঘাত হবে সেটা কম না। যার ফলে লকডাউনের আগে চেষ্টা করি, যে কাজগুলো বেশি কার্যকর, তার একটি হলো স্বাস্থ্যবিধি মানাটা। ওটা লকডাউন দিই আর না দিই, মানতেই হবে।
দক্ষিণ আফ্রিকায় শুধু মাস্ক পরা নিশ্চিত করেই অনেকখানি নিয়ন্ত্রণে এনেছে। এবার ওখানে লকডাউনের মত ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। যতক্ষণ আমরা মাস্ক পরা নিশ্চিত না করতে পারব, ততক্ষণ কোন লাভ হবে না।

দেশজুড়ে করোনাভাইরাসের দাপট ব্যাপক হারে বাড়তে থাকায় পরামর্শক কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে বন্ধ হয়েছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। কিন্তু সবকিছু খোলা থাকায় পরিস্থিতি আরও অবনতি হচ্ছে। এমতাবস্থায় বইমেলা আরও পেছানোর পাশাপাশি বাণিজ্য মেলা বন্ধ চান জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যমতে, দেশে দ্বিতীয় ঢেউয়ের সময়ে গত বছরের ২৪ জুলাই সর্বোচ্চ ৩২ দশমিক ৫৫ শতাংশে উঠেছিল দৈনিক করোনা শনাক্তের হার। ছয় মাস পর এবার তা ছাড়িয়ে যাওয়ার উপক্রম। তখন ছিল ভারতীয় বা ডেলটার প্রভাব, এবার আফ্রিকান ধরন ওমিক্রনের।
সরকারের করোনা বিষয়ক জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ সহিদুল্লাহ বলেছেন, করোনা মোকাবিলায় বিধিনিষেধ বাস্তবায়নের ব্যাপারে আমরা ইতিমধ্যে কয়েক দফায় বলেছি। শুধুমাত্র নির্দেশনা দিলেই তো আর হবে না, প্রয়োগ লাগবে। গণপরিবহনে অর্ধেক যাত্রী, সবার মাস্ক নিশ্চিত করা, অফিসে অর্ধেক লোক নিয়ে কাজ করার পাশাপাশি বাণিজ্য মেলা খোলা রাখা উচিত নয়। এখন এগুলোর যদি বাস্তব প্রয়োগ না হয়, তাহলে তো ফলাফল ভালো হবে না। যার ফলে আমরা বারবার বলেছি, সরকার যে নির্দেশ দিয়েছে সেগুলো খারাপ না, কিন্তু এগুলো কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে। প্রত্যেকে যাতে মাস্ক পরে, এই মুহূর্তে কঠোরভাবে এটি নেওয়া দরকার।
লকডাউন দিয়ে এই মুহূর্তে লাভ হবে না জানিয়ে তিনি বলেন, এই মুহূর্তে যেহেতু ওমিক্রনের সামাজিক সংক্রমণ হয়ে গেছে, এ ছাড়া আমরা যখন দেখি হাসপাতালগুলোতে রোগীর চাপ সামাল দিতে পারছে না, তখন আমরা লকডাউনের কথা বলি। লকডাউনে যে একেবারে উপকার হবে না, তা নয়। কিন্তু জীবিকার ওপরে যে আঘাত হবে সেটা কম না। যার ফলে লকডাউনের আগে চেষ্টা করি, যে কাজগুলো বেশি কার্যকর, তার একটি হলো স্বাস্থ্যবিধি মানাটা। ওটা লকডাউন দিই আর না দিই, মানতেই হবে।
দক্ষিণ আফ্রিকায় শুধু মাস্ক পরা নিশ্চিত করেই অনেকখানি নিয়ন্ত্রণে এনেছে। এবার ওখানে লকডাউনের মত ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। যতক্ষণ আমরা মাস্ক পরা নিশ্চিত না করতে পারব, ততক্ষণ কোন লাভ হবে না।

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন ও জুলাই জাতীয় সনদ নিয়ে গণভোটের বিষয়ে সারা দেশে প্রচার চালানো হচ্ছে সরকারের পক্ষ থেকে। কিন্তু এই প্রচার যেন নামকাওয়াস্তে। প্রচারকাজে অংশ নেওয়া ভোটের গাড়ি সুপার ক্যারাভান শুধু শহর এলাকাতেই ঘুরছে। প্রত্যন্ত অঞ্চলে এসব গাড়ি না যাওয়ায় বেশির ভাগ ভোটার এই প্রচারণার বাইরে থেকে যাচ্ছেন।
৪ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনোনয়নপত্র গ্রহণ ও বাতিল সংক্রান্ত রিটার্নিং কর্মকর্তাদের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় দিনে নির্বাচন কমিশনে (ইসি) ১২২টি আপিল আবেদন জমা পড়েছে। মঙ্গলবার ইসির আইন শাখার সিনিয়র সহকারী সচিব মাইনুল ইসলাম এ তথ্য জানান।
৭ ঘণ্টা আগে
আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) অপব্যবহার বড় ধরনের বিশৃঙ্খলা, সহিংসতা ও সামাজিক বিভাজন সৃষ্টি করতে পারে বলে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন বক্তারা। তাঁদের মতে, এই ঝুঁকি মোকাবিলায় নির্বাচন কমিশন ও সরকারের পক্ষ থেকে কার্যকর উদ্যোগ, সক্ষমতা—এমনকি সদিচ্ছারও ঘাটতি স্পষ্ট।
৮ ঘণ্টা আগে
শুনানি শেষে সালমান এফ রহমান ও আনিসুল হককে অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দিতে আবেদন করেন তাঁদের আইনজীবী মুনসুরুল হক চৌধুরী। অন্যদিকে তাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের আবেদন জানান চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম।
৯ ঘণ্টা আগে